আল-মুমিনুন
المؤمنون
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
-
১
قَدۡ أَفۡلَحَ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ
অবশ্যই মু'মিনগণ সফল হয়েছে,
-
২
ٱلَّذِينَ هُمۡ فِي صَلَاتِهِمۡ خَٰشِعُونَ
যারা তাদের সালাতে বিনয়ী।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩
وَٱلَّذِينَ هُمۡ عَنِ ٱللَّغۡوِ مُعۡرِضُونَ
আর যারা অনর্থক কথা-কর্ম থেকে বিমুখ।
-
৪
وَٱلَّذِينَ هُمۡ لِلزَّكَوٰةِ فَٰعِلُونَ
আর যারা যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে সক্রিয়।
-
৫
وَٱلَّذِينَ هُمۡ لِفُرُوجِهِمۡ حَٰفِظُونَ
আর যারা তাদের নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাযতকারী।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬
إِلَّا عَلَىٰٓ أَزۡوَٰجِهِمۡ أَوۡ مَا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُهُمۡ فَإِنَّهُمۡ غَيۡرُ مَلُومِينَ
তবে তাদের স্ত্রীগণ বা অধিকারভুক্ত দাসীগণ ছাড়া, নিশ্চয় এতে(১) তারা নিন্দিত হবে না।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭
فَمَنِ ٱبۡتَغَىٰ وَرَآءَ ذَٰلِكَ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡعَادُونَ
অতঃপর যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালঙ্ঘনকারী।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৮
وَٱلَّذِينَ هُمۡ لِأَمَٰنَٰتِهِمۡ وَعَهۡدِهِمۡ رَٰعُونَ
আর যারা নিজেদের আমানতসমূহ ও অঙ্গীকার রক্ষাকারী।
-
৯
وَٱلَّذِينَ هُمۡ عَلَىٰ صَلَوَٰتِهِمۡ يُحَافِظُونَ
আর যারা নিজেদের সালাতসমূহ হিফাযত করে।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১০
أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡوَٰرِثُونَ
মূলত, তারাই হলো উত্তরাধিকারী।
-
১১
ٱلَّذِينَ يَرِثُونَ ٱلۡفِرۡدَوۡسَ هُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ
যারা জান্নাতুল ফিরদাউসের উত্তরাধিকারী হবে। তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে।
-
১২
وَلَقَدۡ خَلَقۡنَا ٱلۡإِنسَٰنَ مِن سُلَٰلَةٖ مِّن طِينٖ
আর নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মাটির নির্যাস (সারাংশ) থেকে।
-
১৩
ثُمَّ جَعَلۡنَٰهُ نُطۡفَةٗ فِي قَرَارٖ مَّكِينٖ
তারপর আমি তাকে শুক্রবিন্দুরূপে সুরক্ষিত আধারে (জরায়ুতে) স্থাপন করেছি।
-
১৪
ثُمَّ خَلَقۡنَا ٱلنُّطۡفَةَ عَلَقَةٗ فَخَلَقۡنَا ٱلۡعَلَقَةَ مُضۡغَةٗ فَخَلَقۡنَا ٱلۡمُضۡغَةَ عِظَٰمٗا فَكَسَوۡنَا ٱلۡعِظَٰمَ لَحۡمٗا ثُمَّ أَنشَأۡنَٰهُ خَلۡقًا ءَاخَرَۚ فَتَبَارَكَ ٱللَّهُ أَحۡسَنُ ٱلۡخَٰلِقِينَ
তারপর আমি (জরায়ুতে) শুক্রবিন্দুকে ‘আলাকায় (লাল জমাট রক্তে) পরিণত করেছি। তারপর ‘আলাকাকে গোশতপিণ্ডে পরিণত করেছি। তারপর গোশতপিণ্ডকে হাড়ে পরিণত করেছি। তারপর হাড়কে গোশত দিয়ে আবৃত করেছি। অতঃপর (রূহ ফুকের মাধ্যমে জীবন দান করে) তাকে অন্য এক সৃৃষ্টিরূপে গড়ে তুলেছি। অতএব সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ, কত বরকতময়!
-
১৫
ثُمَّ إِنَّكُم بَعۡدَ ذَٰلِكَ لَمَيِّتُونَ
এরপর (হে মানুষ! নির্ধারিত জীবন শেষে) অবশ্যই তোমরা মরবে।
-
১৬
ثُمَّ إِنَّكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ تُبۡعَثُونَ
তারপর কিয়ামতের দিন অবশ্যই তোমরা পুনরুত্থিত হবে।
-
১৭
وَلَقَدۡ خَلَقۡنَا فَوۡقَكُمۡ سَبۡعَ طَرَآئِقَ وَمَا كُنَّا عَنِ ٱلۡخَلۡقِ غَٰفِلِينَ
আর অবশ্যই আমি তোমাদের ওপর সাতটি আসমান সৃষ্টি করেছি। আর আমি সৃষ্টি সম্পর্কে উদাসীন ছিলাম না।
-
১৮
وَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءَۢ بِقَدَرٖ فَأَسۡكَنَّٰهُ فِي ٱلۡأَرۡضِۖ وَإِنَّا عَلَىٰ ذَهَابِۭ بِهِۦ لَقَٰدِرُونَ
আর আমি আকাশ থেকে পরিমিতভাবে পানি বর্ষণ করেছি। অতঃপর আমি তা জমিনে সংরক্ষণ করেছি। আর অবশ্যই আমি সেটাকে উঠিয়ে নিতেও সক্ষম।
-
১৯
فَأَنشَأۡنَا لَكُم بِهِۦ جَنَّٰتٖ مِّن نَّخِيلٖ وَأَعۡنَٰبٖ لَّكُمۡ فِيهَا فَوَٰكِهُ كَثِيرَةٞ وَمِنۡهَا تَأۡكُلُونَ
তারপর আমি তা (এ পানি) দ্বারা তোমাদের জন্য খেজুর ও আঙ্গুরের বাগানসমূহ সৃষ্টি করেছি। তাতে তোমাদের জন্য থাকে প্রচুর ফল। আর তা থেকেই তোমরা খাও।
-
২০
وَشَجَرَةٗ تَخۡرُجُ مِن طُورِ سَيۡنَآءَ تَنۢبُتُ بِٱلدُّهۡنِ وَصِبۡغٖ لِّلۡأٓكِلِينَ
আর আমি (সেই পানি দ্বারা) এক বৃক্ষ (যাইতূন গাছ) সৃষ্টি করেছি, যা সিনাই পাহাড়ে জন্মায়, এতে উৎপন্ন হয় তেল ও আহারকারীদের জন্য তরকারী।
-
২১
وَإِنَّ لَكُمۡ فِي ٱلۡأَنۡعَٰمِ لَعِبۡرَةٗۖ نُّسۡقِيكُم مِّمَّا فِي بُطُونِهَا وَلَكُمۡ فِيهَا مَنَٰفِعُ كَثِيرَةٞ وَمِنۡهَا تَأۡكُلُونَ
আর (হে মানুষ!) নিশ্চয় গবাদিপশুর মধ্যে তোমাদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। তাদের পেটে যা (যে দুধ) আছে, তা থেকে আমি তোমাদেরকে পান করাই। উপরন্তু এগুলোতে তোমাদের জন্য রয়েছে, প্রচুর উপকারিতা(১) এবং তা থেকে তোমরা খাও।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২২
وَعَلَيۡهَا وَعَلَى ٱلۡفُلۡكِ تُحۡمَلُونَ
আর এসব পশু ও নৌকার ওপর তোমাদেরকে আরোহণ করানো হয়।
-
২৩
وَلَقَدۡ أَرۡسَلۡنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوۡمِهِۦ فَقَالَ يَٰقَوۡمِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ مَا لَكُم مِّنۡ إِلَٰهٍ غَيۡرُهُۥٓۚ أَفَلَا تَتَّقُونَ
আর নিশ্চয়ই আমি নূহকে তার জাতির নিকট প্রেরণ করেছিলাম। অতঃপর সে বলেছিল: ‘হে আমার জাতি, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করো। তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো (সত্য) ইলাহ নেই। তবুও কি তোমরা (আল্লাহর আদেশ-নিষেধগুলো মেনে) তাঁকে ভয় করবে না?’
-
২৪
فَقَالَ ٱلۡمَلَؤُاْ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِن قَوۡمِهِۦ مَا هَٰذَآ إِلَّا بَشَرٞ مِّثۡلُكُمۡ يُرِيدُ أَن يَتَفَضَّلَ عَلَيۡكُمۡ وَلَوۡ شَآءَ ٱللَّهُ لَأَنزَلَ مَلَٰٓئِكَةٗ مَّا سَمِعۡنَا بِهَٰذَا فِيٓ ءَابَآئِنَا ٱلۡأَوَّلِينَ
তারপর তার সম্প্রদায়ের নেতৃস্থানীয় কাফিররা বললো: ‘এতো তোমাদের মতো একজন মানুষ ছাড়া কিছুই না। সে মূলত তোমাদের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করতে চায়। আর আল্লাহ (সত্যিকারার্থে আমাদের নিকট কোন রাসূল পাঠাতে) ইচ্ছা করলে অবশ্যই ফিরিশতা পাঠাতেন। এ জাতীয় কথাতো আমরা আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষদের সময়েও শুনিনি।’
-
২৫
إِنۡ هُوَ إِلَّا رَجُلُۢ بِهِۦ جِنَّةٞ فَتَرَبَّصُواْ بِهِۦ حَتَّىٰ حِينٖ
‘মূলত সে একজন পাগল ব্যক্তি। অতএব তার সম্পর্কে (মানুষের কাছে সুস্পষ্ট হতে) তোমরা কিছুকাল অপেক্ষা করো।’
-
২৬
قَالَ رَبِّ ٱنصُرۡنِي بِمَا كَذَّبُونِ
নূহ বললো: ‘হে আমার রব! আমাকে সাহায্য করুন। কেননা তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলেছে।’
-
২৭
فَأَوۡحَيۡنَآ إِلَيۡهِ أَنِ ٱصۡنَعِ ٱلۡفُلۡكَ بِأَعۡيُنِنَا وَوَحۡيِنَا فَإِذَا جَآءَ أَمۡرُنَا وَفَارَ ٱلتَّنُّورُ فَٱسۡلُكۡ فِيهَا مِن كُلّٖ زَوۡجَيۡنِ ٱثۡنَيۡنِ وَأَهۡلَكَ إِلَّا مَن سَبَقَ عَلَيۡهِ ٱلۡقَوۡلُ مِنۡهُمۡۖ وَلَا تُخَٰطِبۡنِي فِي ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓاْ إِنَّهُم مُّغۡرَقُونَ
তারপর আমি তার (নূহের) কাছে ওহী প্রেরণ করলাম যে, তুমি আমার চাক্ষুষ তত্ত্বাবধানে ও আমার ওহী অনুযায়ী নৌকা তৈরি করো। তারপর (তাদেরকে ধ্বংস করার ব্যাপারে) যখন আমার আদেশ আসবে এবং চুলা (প্রবল বেগে পানিতে) উথলে উঠবে, তখন প্রত্যেক জীবের (নর ও মাদি থেকে) এক জোড়া করে ও তোমার পরিবারবর্গকে নৌকায় তুলে নিও; তবে তাদের মধ্যে যাদের (ধ্বংসের) ব্যাপারে পূর্বে সিদ্ধান্ত হয়ে আছে তারা ছাড়া। আর যারা যুলম করেছে তাদের (নাজাতের) ব্যাপারে তুমি আমাকে সম্বোধন করো না। নিশ্চয় তারা (প্লাবনের পানিতে) নিমজ্জিত হবে (এবং ধ্বংস হবে)।
-
২৮
فَإِذَا ٱسۡتَوَيۡتَ أَنتَ وَمَن مَّعَكَ عَلَى ٱلۡفُلۡكِ فَقُلِ ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ ٱلَّذِي نَجَّىٰنَا مِنَ ٱلۡقَوۡمِ ٱلظَّٰلِمِينَ
অতঃপর যখন তুমি ও তোমার (নাজাতপ্রাপ্ত মু’মিন) সঙ্গীরা নৌকায় আরোহণ করবে, তখন বলবে: ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদেরকে যালিম জাতি থেকে মুক্তি দিয়েছেন।’
-
২৯
وَقُل رَّبِّ أَنزِلۡنِي مُنزَلٗا مُّبَارَكٗا وَأَنتَ خَيۡرُ ٱلۡمُنزِلِينَ
তুমি আরও বলবে: ‘হে আমার রব! আপনি আমাকে বরকতময় অবতরণস্থলে অবতরণ করান। আর আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ অবতরণকারী।’
-
৩০
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ وَإِن كُنَّا لَمُبۡتَلِينَ
নিশ্চয়ই এতে বহু নিদর্শন রয়েছে; আর অবশ্যই আমি (মানুষকে) পরীক্ষা করে থাকি।
-
৩১
ثُمَّ أَنشَأۡنَا مِنۢ بَعۡدِهِمۡ قَرۡنًا ءَاخَرِينَ
তারপর তাদের (ধ্বংসের) পরে আমি আরেকটি প্রজন্মকে (‘আদ জাতিকে) সৃষ্টি করেছি।
-
৩২
فَأَرۡسَلۡنَا فِيهِمۡ رَسُولٗا مِّنۡهُمۡ أَنِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ مَا لَكُم مِّنۡ إِلَٰهٍ غَيۡرُهُۥٓۚ أَفَلَا تَتَّقُونَ
অতঃপর তাদের মধ্যে তাদেরই একজনকে আমি রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছিলাম, যিনি তাদেরকে (আল্লাহর দিকে ডেকে) বলেছিলেন: ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করো, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোনো (সত্য) ইলাহ নেই। তবুও কি তোমরা (আল্লাহর আদেশ-নিষেধগুলো মেনে) তাঁকে ভয় করবে না?’
-
৩৩
وَقَالَ ٱلۡمَلَأُ مِن قَوۡمِهِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَكَذَّبُواْ بِلِقَآءِ ٱلۡأٓخِرَةِ وَأَتۡرَفۡنَٰهُمۡ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا مَا هَٰذَآ إِلَّا بَشَرٞ مِّثۡلُكُمۡ يَأۡكُلُ مِمَّا تَأۡكُلُونَ مِنۡهُ وَيَشۡرَبُ مِمَّا تَشۡرَبُونَ
আর তার সম্প্রদায়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ যারা কুফরী করেছে, আখিরাতের সাক্ষাতকে অস্বীকার করেছে, উপরন্তু আমি যাদেরকে দুনিয়ার জীবনে ভোগ বিলাসিতা দিয়েছিলাম, তারা বললো: ‘সে তো তোমাদের মতোই একজন মানুষ, তোমরা যা খাও, সে তা-ই খায় এবং তোমরা যা পান করো, সে তা-ই পান করে।’
-
৩৪
وَلَئِنۡ أَطَعۡتُم بَشَرٗا مِّثۡلَكُمۡ إِنَّكُمۡ إِذٗا لَّخَٰسِرُونَ
‘আর যদি তোমরা তোমাদের মতোই একজন মানুষের আনুগত্য করো, তবে তোমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
-
৩৫
أَيَعِدُكُمۡ أَنَّكُمۡ إِذَا مِتُّمۡ وَكُنتُمۡ تُرَابٗا وَعِظَٰمًا أَنَّكُم مُّخۡرَجُونَ
‘সে কি তোমাদেরকে এ প্রতিশ্রুতি দেয় যে, তোমরা যখন মারা যাবে এবং তোমরা মাটি ও হাড়ে পরিণত হয়ে যাবে, তখন তোমাদেরকে অবশ্যই (কবর থেকে জীবিত) উঠানো হবে?’
-
৩৬
۞ هَيۡهَاتَ هَيۡهَاتَ لِمَا تُوعَدُونَ
অসম্ভব, তোমাদেরকে (মৃত্যুর পর জীবিত করার) যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, তা অসম্ভব।
-
৩৭
إِنۡ هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا ٱلدُّنۡيَا نَمُوتُ وَنَحۡيَا وَمَا نَحۡنُ بِمَبۡعُوثِينَ
‘মূলত এ দুনিয়ার জীবনই আমাদের আসল জীবন। এখানেই আমরা মরে যাই এবং বেঁচে থাকি। আর আমরা পুনরুত্থিত হওয়ার নই।’
-
৩৮
إِنۡ هُوَ إِلَّا رَجُلٌ ٱفۡتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبٗا وَمَا نَحۡنُ لَهُۥ بِمُؤۡمِنِينَ
‘সে তো এমন এক ব্যক্তি যে (নিজেকে রাসূল হিসেবে দাবি করে) আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করেছে। আর আমরা তাঁর প্রতি ঈমান আনয়নকারী নই।’
-
৩৯
قَالَ رَبِّ ٱنصُرۡنِي بِمَا كَذَّبُونِ
রাসূল বললো: ‘হে আমার রব! আমাকে সাহায্য করুন; কারণ তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলেছে।’
-
৪০
قَالَ عَمَّا قَلِيلٖ لَّيُصۡبِحُنَّ نَٰدِمِينَ
আল্লাহ বললেন: ‘কিছু সময়ের মধ্যেই তারা (শাস্তিতে নিপতিত হয়ে) নিশ্চিতরূপে অনুতপ্ত হবে।’
-
৪১
فَأَخَذَتۡهُمُ ٱلصَّيۡحَةُ بِٱلۡحَقِّ فَجَعَلۡنَٰهُمۡ غُثَآءٗۚ فَبُعۡدٗا لِّلۡقَوۡمِ ٱلظَّٰلِمِينَ
অতঃপর যথার্থই তাদেরকে এক বিকট আওয়াজ পেয়ে বসলো, তারপর আমি তাদেরকে (বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া) খড়কুটার ন্যায় (ধ্বংসস্তূপে) পরিণত করলাম। সুতরাং যালিম সম্প্রদায়ের জন্যই ধ্বংস।
-
৪২
ثُمَّ أَنشَأۡنَا مِنۢ بَعۡدِهِمۡ قُرُونًا ءَاخَرِينَ
তারপর তাদের (ধ্বংসের) পরে আমি অন্যান্য প্রজন্মকে সৃষ্টি করেছি।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৩
مَا تَسۡبِقُ مِنۡ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسۡتَـٔۡخِرُونَ
কোন জাতিই তাদের (ধ্বংস আসার) নির্ধারিত সময়কে এগিয়ে আনতে পারে না এবং বিলম্বিতও করতে পারে না।
-
৪৪
ثُمَّ أَرۡسَلۡنَا رُسُلَنَا تَتۡرَاۖ كُلَّ مَا جَآءَ أُمَّةٗ رَّسُولُهَا كَذَّبُوهُۖ فَأَتۡبَعۡنَا بَعۡضَهُم بَعۡضٗا وَجَعَلۡنَٰهُمۡ أَحَادِيثَۚ فَبُعۡدٗا لِّقَوۡمٖ لَّا يُؤۡمِنُونَ
এরপর আমি আমার রাসূলদেরকে ধারাবাহিকভাবে প্রেরণ করেছি। যখনই কোনো জাতির কাছে তাদের রাসূল আসত, তখনই তারা তাকে অস্বীকার করত। অতঃপর আমি এদেরকে একের পর এক ধ্বংস করে দিয়েছি এবং তাদেরকে (মানুষের মুখের) কাহিনীতে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক সে জাতি যারা ঈমান আনে না।
-
৪৫
ثُمَّ أَرۡسَلۡنَا مُوسَىٰ وَأَخَاهُ هَٰرُونَ بِـَٔايَٰتِنَا وَسُلۡطَٰنٖ مُّبِينٍ
এরপর আমি মূসা ও তার ভাই হারূনকে আমার নিদর্শনাবলি ও সুস্পষ্ট প্রমাণসহ প্রেরণ করেছি।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৬
إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ وَمَلَإِيْهِۦ فَٱسۡتَكۡبَرُواْ وَكَانُواْ قَوۡمًا عَالِينَ
তাদেরকে ফির‘আউন ও তার পরিষদবর্গের কাছে (পাঠানো হয়েছে); কিন্তু তারা অহঙ্কার করলো এবং তারা ছিল উদ্ধত জাতি।
-
৪৭
فَقَالُوٓاْ أَنُؤۡمِنُ لِبَشَرَيۡنِ مِثۡلِنَا وَقَوۡمُهُمَا لَنَا عَٰبِدُونَ
অতঃপর তারা বললো: ‘আমরা কি আমাদের মতোই দু’জন মানুষের (কথায় বিশ্বাস করে তাদের) প্রতি ঈমান আনবো? অথচ তাদের সম্প্রদায় (বানূ ইসরাঈল) আমাদের সেবাদাস (দাসত্ব করে)।
-
৪৮
فَكَذَّبُوهُمَا فَكَانُواْ مِنَ ٱلۡمُهۡلَكِينَ
অতএব তারা তাদের উভয়ের প্রতি মিথ্যারোপ করল। ফলে তারা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলো।
-
৪৯
وَلَقَدۡ ءَاتَيۡنَا مُوسَى ٱلۡكِتَٰبَ لَعَلَّهُمۡ يَهۡتَدُونَ
আর অবশ্যই আমি মূসাকে (তাওরাত) কিতাব প্রদান করেছিলাম, যাতে তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়।
-
৫০
وَجَعَلۡنَا ٱبۡنَ مَرۡيَمَ وَأُمَّهُۥٓ ءَايَةٗ وَءَاوَيۡنَٰهُمَآ إِلَىٰ رَبۡوَةٖ ذَاتِ قَرَارٖ وَمَعِينٖ
আর আমি মারইয়াম-পুত্র (‘ঈসা) ও তার মাকে (আমার অসীম ক্ষমতার) নিদর্শন বানালাম এবং তাদেরকে আবাসযোগ্য ও ঝরণাবিশিষ্ট এক উঁচু (সমতল) ভূমিতে আশ্রয় দিলাম।
-
৫১
يَٰٓأَيُّهَا ٱلرُّسُلُ كُلُواْ مِنَ ٱلطَّيِّبَٰتِ وَٱعۡمَلُواْ صَٰلِحًاۖ إِنِّي بِمَا تَعۡمَلُونَ عَلِيمٞ
‘হে রাসূলগণ! তোমরা (আমার হালালকৃত) পবিত্র ও ভালো বস্তু থেকে খাও এবং সৎকর্ম করো। নিশ্চয় তোমরা যা কর, সে সর্ম্পকে আমি সম্যক জ্ঞাত।
-
৫২
وَإِنَّ هَٰذِهِۦٓ أُمَّتُكُمۡ أُمَّةٗ وَٰحِدَةٗ وَأَنَا۠ رَبُّكُمۡ فَٱتَّقُونِ
আর (হে রাসূলগণ!) নিশ্চয়ই তোমাদের ধর্ম তো একই ধর্ম(১) এবং আমি তোমাদের রব। সুতরাং তোমরা (আমার আদেশ ও নিষেধ মেনে) আমাকেই ভয় করো।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৫৩
فَتَقَطَّعُوٓاْ أَمۡرَهُم بَيۡنَهُمۡ زُبُرٗاۖ كُلُّ حِزۡبِۭ بِمَا لَدَيۡهِمۡ فَرِحُونَ
তারপর (যুগে যুগে) লোকেরা তাদের মাঝে তাদের ধর্মকে বহুভাগে বিভক্ত করেছে। প্রত্যেক দলই তাদের কাছে যা আছে, তা নিয়ে আনন্দিত।
-
৫৪
فَذَرۡهُمۡ فِي غَمۡرَتِهِمۡ حَتَّىٰ حِينٍ
সুতরাং (হে রাসূল! শাস্তি নাযিল হওয়া পর্যন্ত) কিছু সময়ের জন্য তাদেরকে স্বীয় বিভ্রান্তিতে থাকতে দাও।
-
৫৫
أَيَحۡسَبُونَ أَنَّمَا نُمِدُّهُم بِهِۦ مِن مَّالٖ وَبَنِينَ
তারা কি মনে করছে যে, (দুনিয়ার জীবনে) ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি থেকে যা আমি তাদেরকে দিই,
-
৫৬
نُسَارِعُ لَهُمۡ فِي ٱلۡخَيۡرَٰتِۚ بَل لَّا يَشۡعُرُونَ
তা দ্বারা আমি তাদের কল্যাণে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি; বরং তারা উপলদ্ধি করতে পারছে না।
-
৫৭
إِنَّ ٱلَّذِينَ هُم مِّنۡ خَشۡيَةِ رَبِّهِم مُّشۡفِقُونَ
নিশ্চয় যারা তাদের রবের ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে,
-
৫৮
وَٱلَّذِينَ هُم بِـَٔايَٰتِ رَبِّهِمۡ يُؤۡمِنُونَ
আর যারা তাদের রবের আয়াতসমূহে ঈমান আনে,
-
৫৯
وَٱلَّذِينَ هُم بِرَبِّهِمۡ لَا يُشۡرِكُونَ
আর যারা তাদের রবের সাথে কাউকে শারীক করে না,
-
৬০
وَٱلَّذِينَ يُؤۡتُونَ مَآ ءَاتَواْ وَّقُلُوبُهُمۡ وَجِلَةٌ أَنَّهُمۡ إِلَىٰ رَبِّهِمۡ رَٰجِعُونَ
আর যারা যা দান করে, তা ভীত-কম্পিত হৃদয়ে করে থাকে এজন্য যে, তারা তাদের রবের কাছে প্রত্যাবর্তনকারী।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬১
أُوْلَٰٓئِكَ يُسَٰرِعُونَ فِي ٱلۡخَيۡرَٰتِ وَهُمۡ لَهَا سَٰبِقُونَ
তারাই কল্যাণসমূহের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং তাতে তারা অগ্রগামী।
-
৬২
وَلَا نُكَلِّفُ نَفۡسًا إِلَّا وُسۡعَهَاۚ وَلَدَيۡنَا كِتَٰبٞ يَنطِقُ بِٱلۡحَقِّ وَهُمۡ لَا يُظۡلَمُونَ
আর আমি কাউকে তার সাধ্যের বাইরে কোনো কাজ চাপিয়ে দেই না। আমার নিকট আছে (লিপিবদ্ধ) এমন কিতাব, যা সত্য কথা বলে এবং তারা অত্যাচারিত হবে না।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬৩
بَلۡ قُلُوبُهُمۡ فِي غَمۡرَةٖ مِّنۡ هَٰذَا وَلَهُمۡ أَعۡمَٰلٞ مِّن دُونِ ذَٰلِكَ هُمۡ لَهَا عَٰمِلُونَ
বরং কাফিরদের অন্তরসমূহ এ (কিতাবের) বিষয়ে বিভ্রান্তিতে রয়েছে। এছাড়া তাদের আরও অনেক বদ আমল রয়েছে, যা তারা করছে।
-
৬৪
حَتَّىٰٓ إِذَآ أَخَذۡنَا مُتۡرَفِيهِم بِٱلۡعَذَابِ إِذَا هُمۡ يَجۡـَٔرُونَ
অবশেষে যখন আমি তাদের (দুনিয়ার) ভোগবিলাসপূর্ণ জীবনধারীদেরকে শাস্তি দ্বারা পাকড়াও করবো, তখন তারা সজোরে আর্তনাদ করে উঠবে।
-
৬৫
لَا تَجۡـَٔرُواْ ٱلۡيَوۡمَۖ إِنَّكُم مِّنَّا لَا تُنصَرُونَ
(তাদেরকে বলা হবে:) আজ তোমরা সজোরে আর্তনাদ করো না। কারণ, নিশ্চয় তোমরা আমার পক্ষ থেকে সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না।
-
৬৬
قَدۡ كَانَتۡ ءَايَٰتِي تُتۡلَىٰ عَلَيۡكُمۡ فَكُنتُمۡ عَلَىٰٓ أَعۡقَٰبِكُمۡ تَنكِصُونَ
আমার কিতাবের আয়াতসমূহ তোমাদের সামনে অবশ্যই তিলাওয়াত করা হত, তারপর তোমরা (সেগুলোকে অপছন্দ করে) তোমাদের পেছনে ফিরে চলে যেতে,
-
৬৭
مُسۡتَكۡبِرِينَ بِهِۦ سَٰمِرٗا تَهۡجُرُونَ
এর ওপর অহংকারবশে, রাত জেগে অর্থহীন গল্প-গুজব করতে।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬৮
أَفَلَمۡ يَدَّبَّرُواْ ٱلۡقَوۡلَ أَمۡ جَآءَهُم مَّا لَمۡ يَأۡتِ ءَابَآءَهُمُ ٱلۡأَوَّلِينَ
তারা কি কুরআনের এ বাণী সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করে না? নাকি তাদের কাছে এমন কিছু এসেছে যা তাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষদের কাছে আসেনি?
-
৬৯
أَمۡ لَمۡ يَعۡرِفُواْ رَسُولَهُمۡ فَهُمۡ لَهُۥ مُنكِرُونَ
নাকি তারা তাদের রাসূলকে (মুহাম্মাদকে) চিনতে পারেনি, ফলে তারা তাকে অস্বীকার করছে?
-
৭০
أَمۡ يَقُولُونَ بِهِۦ جِنَّةُۢۚ بَلۡ جَآءَهُم بِٱلۡحَقِّ وَأَكۡثَرُهُمۡ لِلۡحَقِّ كَٰرِهُونَ
নাকি তারা বলে যে, তার মধ্যে কোনো পাগলামী রয়েছে? (মূলত, এসবের কিছুই নয়); বরং সে তাদের কাছে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সত্য নিয়েই এসেছে। আর তাদের অধিকাংশ লোকই সত্যকে অপছন্দকারী।
-
৭১
وَلَوِ ٱتَّبَعَ ٱلۡحَقُّ أَهۡوَآءَهُمۡ لَفَسَدَتِ ٱلسَّمَٰوَٰتُ وَٱلۡأَرۡضُ وَمَن فِيهِنَّۚ بَلۡ أَتَيۡنَٰهُم بِذِكۡرِهِمۡ فَهُمۡ عَن ذِكۡرِهِم مُّعۡرِضُونَ
আর সত্য (আল্লাহ) যদি তাদের কামনা-বাসনার অনুগামী হতেন(১), তবে আসমানসমূহ, জমিন ও এতদুভয়ের মধ্যস্থিত সব কিছু ধ্বংস হয়ে যেতো। বরং আমি তাদেরকে দিয়েছি তাদের উপদেশবাণী (আলকুরআন)। অথচ তারা তাদের উপদেশ হতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭২
أَمۡ تَسۡـَٔلُهُمۡ خَرۡجٗا فَخَرَاجُ رَبِّكَ خَيۡرٞۖ وَهُوَ خَيۡرُ ٱلرَّٰزِقِينَ
(হে রাসূল! আল্লাহর পথে দাওয়াতের বিনিময়ে) নাকি তুমি তাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাও? তবে তোমার রবের প্রতিদান সর্বোত্তম। আর তিনিই সর্বোত্তম রিযকদাতা।
-
৭৩
وَإِنَّكَ لَتَدۡعُوهُمۡ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ
আর নিশ্চয় তুমি তাদের সরল-সঠিক পথের (ইসলামের) দাওয়াত দিচ্ছ।
-
৭৪
وَإِنَّ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ عَنِ ٱلصِّرَٰطِ لَنَٰكِبُونَ
আর নিশ্চয় যারা আখিরাতের প্রতি ঈমান আনে না, তারাই এই সরল-সঠিক পথ (ইসলাম) থেকে বিচ্যুত।
-
৭৫
۞ وَلَوۡ رَحِمۡنَٰهُمۡ وَكَشَفۡنَا مَا بِهِم مِّن ضُرّٖ لَّلَجُّواْ فِي طُغۡيَٰنِهِمۡ يَعۡمَهُونَ
আর যদি আমি তাদের প্রতি দয়া করতাম এবং তাদের ওপর আপতিত কষ্ট দূর করে দিতাম, তবুও তারা নিজেদের অবাধ্যতায় একগুঁয়েভাবে লেগে থাকত এবং বিভ্রান্ত হয়ে অন্ধের মতো ঘুরে বেড়াত।
-
৭৬
وَلَقَدۡ أَخَذۡنَٰهُم بِٱلۡعَذَابِ فَمَا ٱسۡتَكَانُواْ لِرَبِّهِمۡ وَمَا يَتَضَرَّعُونَ
আর অবশ্যই আমি তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের শাস্তি (বিপদাপদ) দিয়ে পরীক্ষা করেছি, তবুও তারা তাদের রবের কাছে নত হয়নি এবং বিনীত প্রার্থনাও করেনি।
-
৭৭
حَتَّىٰٓ إِذَا فَتَحۡنَا عَلَيۡهِم بَابٗا ذَا عَذَابٖ شَدِيدٍ إِذَا هُمۡ فِيهِ مُبۡلِسُونَ
অবশেষে আমি যখন তাদের জন্য কঠিন শাস্তির দরজা খুলে দিলাম, তখনই তাতে তারা হতাশ হয়ে পড়ল।
-
৭৮
وَهُوَ ٱلَّذِيٓ أَنشَأَ لَكُمُ ٱلسَّمۡعَ وَٱلۡأَبۡصَٰرَ وَٱلۡأَفۡـِٔدَةَۚ قَلِيلٗا مَّا تَشۡكُرُونَ
আর তিনিই তোমাদের জন্য শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিসমূহ ও অন্তরসমূহ সৃষ্টি করেছেন। তোমরা খুব কমই কৃতজ্ঞতা আদায় কর।
-
৭৯
وَهُوَ ٱلَّذِي ذَرَأَكُمۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَإِلَيۡهِ تُحۡشَرُونَ
আর (হে মানুষ!) তিনিই তোমাদেরকে এ পৃথিবীতে সৃষ্টি করেছেন এবং (কিয়ামতের দিন হিসাব ও প্রতিদানের জন্য) তোমাদেরকে তাঁরই কাছে একত্র করা হবে।
-
৮০
وَهُوَ ٱلَّذِي يُحۡيِۦ وَيُمِيتُ وَلَهُ ٱخۡتِلَٰفُ ٱلَّيۡلِ وَٱلنَّهَارِۚ أَفَلَا تَعۡقِلُونَ
আর তিনিই জীবিত করেন ও মৃত্যু দান করেন এবং রাত ও দিনের পরিবর্তন তাঁরই অধিকারে। তবুও কি তোমরা (তাঁর একত্ববাদের ব্যাপারটি) বুঝতে পারো না?
-
৮১
بَلۡ قَالُواْ مِثۡلَ مَا قَالَ ٱلۡأَوَّلُونَ
বরং তারা পূর্ববর্তীরা যা বলেছিল, ঠিক তেমনই বলেছে।
-
৮২
قَالُوٓاْ أَءِذَا مِتۡنَا وَكُنَّا تُرَابٗا وَعِظَٰمًا أَءِنَّا لَمَبۡعُوثُونَ
তারা বলল: আমরা কি যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব, তখনও কি অবশ্যই নরুত্থিত করা হবে?
-
৮৩
لَقَدۡ وُعِدۡنَا نَحۡنُ وَءَابَآؤُنَا هَٰذَا مِن قَبۡلُ إِنۡ هَٰذَآ إِلَّآ أَسَٰطِيرُ ٱلۡأَوَّلِينَ
অবশ্যই আমাদেরকে ও ইতঃপূর্বে আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে (পুনরুত্থানের) এই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। এসব কেবল পূর্ববর্তীদের মিথ্যা ও কল্পকাহিনি ছাড়া আর কিছু নয়।
-
৮৪
قُل لِّمَنِ ٱلۡأَرۡضُ وَمَن فِيهَآ إِن كُنتُمۡ تَعۡلَمُونَ
(হে রাসূল! তুমি পুনরুত্থান দিবসকে অস্বীকারকারী কাফিরদেরকে) জিজ্ঞেস কর: ‘তোমরা যদি জান তবে বল, ‘এ জমিন ও এতে যারা আছে তারা কার?’
-
৮৫
سَيَقُولُونَ لِلَّهِۚ قُلۡ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ
অচিরেই তারা বলবে: (জমিন ও তার অধিবাসীর মালিকানা) একমাত্র আল্লাহর’। বলো, ‘তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?’
-
৮৬
قُلۡ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ ٱلسَّبۡعِ وَرَبُّ ٱلۡعَرۡشِ ٱلۡعَظِيمِ
তাদেরকে বল: ‘কে সাত আসমানের রব এবং মহা ‘আরশের রব?’
-
৮৭
سَيَقُولُونَ لِلَّهِۚ قُلۡ أَفَلَا تَتَّقُونَ
তারা সাথে সাথে জবাবে বলবে: ‘আল্লাহ।’ বলো, ‘তবুও কি তোমরা (আল্লাহর আদেশ ও নিষেধাজ্ঞা মেনে) তাঁকে ভয় করবে না?’
-
৮৮
قُلۡ مَنۢ بِيَدِهِۦ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيۡءٖ وَهُوَ يُجِيرُ وَلَا يُجَارُ عَلَيۡهِ إِن كُنتُمۡ تَعۡلَمُونَ
(হে রাসূল! তুমি তাদেরকে) বলো: ‘তিনি কে যাঁর হাতে সকল কিছুর কর্তৃত্ব, যিনি আশ্রয় দান করেন এবং যাঁর ওপর কোনো আশ্রয়দাতা নেই?’ যদি তোমরা জান।
-
৮৯
سَيَقُولُونَ لِلَّهِۚ قُلۡ فَأَنَّىٰ تُسۡحَرُونَ
তারা বলবে: ‘আল্লাহর।’ বলো: ‘তাহলে তোমরা কোথা থেকে (এভাবে) বিভ্রান্ত হচ্ছ?’
-
৯০
بَلۡ أَتَيۡنَٰهُم بِٱلۡحَقِّ وَإِنَّهُمۡ لَكَٰذِبُونَ
বরং আমি তাদের কাছে সত্য নিয়ে এসেছি, আর নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।
-
৯১
مَا ٱتَّخَذَ ٱللَّهُ مِن وَلَدٖ وَمَا كَانَ مَعَهُۥ مِنۡ إِلَٰهٍۚ إِذٗا لَّذَهَبَ كُلُّ إِلَٰهِۭ بِمَا خَلَقَ وَلَعَلَا بَعۡضُهُمۡ عَلَىٰ بَعۡضٖۚ سُبۡحَٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ
আল্লাহ কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, তাঁর সাথে অন্য কোনো ইলাহও নেই। (যদি থাকতো) তবে প্রত্যেক ইলাহই নিজের সৃষ্টিকে নিয়ে পৃথক হয়ে যেতো এবং একে অন্যের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করত। তারা (মুশরিকরা) যা বর্ণনা করে, তা থেকে আল্লাহ কত পবিত্র!
-
৯২
عَٰلِمِ ٱلۡغَيۡبِ وَٱلشَّهَٰدَةِ فَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشۡرِكُونَ
তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত সূতরাং তারা (তাঁর সাথে) যা কিছু শরীক করে তিনি তার থেকে অনেক ঊর্ধ্বে।
-
৯৩
قُل رَّبِّ إِمَّا تُرِيَنِّي مَا يُوعَدُونَ
(হে রাসূল!) বলুন, ‘হে আমার রব! যদি আপনি আমাকে সেই শাস্তি দেখান, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।'
-
৯৪
رَبِّ فَلَا تَجۡعَلۡنِي فِي ٱلۡقَوۡمِ ٱلظَّٰلِمِينَ
হে আমার রব! তখন আমাকে যালিম কাওমের অন্তর্ভুক্ত করবেন না।
-
৯৫
وَإِنَّا عَلَىٰٓ أَن نُّرِيَكَ مَا نَعِدُهُمۡ لَقَٰدِرُونَ
আর নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে যে (শাস্তির) প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তা তোমাকে দেখাতে অবশ্যই সক্ষম।
-
৯৬
ٱدۡفَعۡ بِٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُ ٱلسَّيِّئَةَۚ نَحۡنُ أَعۡلَمُ بِمَا يَصِفُونَ
(হে রাসূল!) যা উত্তম, তা দিয়ে তুমি মন্দের প্রতিহত করো। তারা (তোমার ব্যাপারে অশোভনীয়) যা বলে, সে সম্পর্কে আমি সবিশেষ অবিহিত ।
-
৯৭
وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنۡ هَمَزَٰتِ ٱلشَّيَٰطِينِ
আর তুমি বল: ‘হে আমার রব! আমি শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আপনার কাছে পানাহ চাই।’
-
৯৮
وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحۡضُرُونِ
আর হে আমার রব! তারা যেন আমার কাছে উপস্থিত না হয়, এ জন্য আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
-
৯৯
حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءَ أَحَدَهُمُ ٱلۡمَوۡتُ قَالَ رَبِّ ٱرۡجِعُونِ
অবশেষে যখন তাদের (এ মুশরিকদের) কারো মৃত্যু আসে, তখন সে বলে, ‘হে আমার রব! আমাকে পুনরায় (দুনিয়াতে) ফেরত পাঠান।
-
১০০
لَعَلِّيٓ أَعۡمَلُ صَٰلِحٗا فِيمَا تَرَكۡتُۚ كَلَّآۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَآئِلُهَاۖ وَمِن وَرَآئِهِم بَرۡزَخٌ إِلَىٰ يَوۡمِ يُبۡعَثُونَ
যেন আমি সৎকাজ করতে পারি, যা আমি (পূর্বে না করে) ছেড়ে দিয়েছিলাম।’ (বলা হবে:) কখনো নয়, এটি একটি বাক্য মাত্র, যা সে বলবে। যেদিন তাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে, সেদিন পর্যন্ত তাদের সামনে থাকবে বরযখ।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১০১
فَإِذَا نُفِخَ فِي ٱلصُّورِ فَلَآ أَنسَابَ بَيۡنَهُمۡ يَوۡمَئِذٖ وَلَا يَتَسَآءَلُونَ
অতঃপর যেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে সেদিন তাদের মাঝে কোনো আত্মীয়তার বন্ধন থাকবে না, এবং (নিজেদের বিষয়সমূহ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে) কেউ কারো বিষয়ে জানতে চাইবে না।
-
১০২
فَمَن ثَقُلَتۡ مَوَٰزِينُهُۥ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ
অতঃপর যাদের (নেকির) পাল্লা ভারী হবে, তারাই হবে সফলকাম।
-
১০৩
وَمَنۡ خَفَّتۡ مَوَٰزِينُهُۥ فَأُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ فِي جَهَنَّمَ خَٰلِدُونَ
আর যাদের (নেকির) পাল্লা হালকা হবে, তারাই নিজেদের ক্ষতি করলো; জাহান্নামে তারা হবে স্থায়ী।
-
১০৪
تَلۡفَحُ وُجُوهَهُمُ ٱلنَّارُ وَهُمۡ فِيهَا كَٰلِحُونَ
(জাহান্নামের) আগুন তাদের চেহারাগুলো দগ্ধ করবে, সেখানে তারা হবে বীভৎস চেহারাবিশিষ্ট।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১০৫
أَلَمۡ تَكُنۡ ءَايَٰتِي تُتۡلَىٰ عَلَيۡكُمۡ فَكُنتُم بِهَا تُكَذِّبُونَ
(তাদেরকে ধমক দিয়ে বলা হবে, দুনিয়াতে) তোমাদের কাছে কি আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হতো না? অথচ তোমরা সেগুলোকে অস্বীকার করতে।
-
১০৬
قَالُواْ رَبَّنَا غَلَبَتۡ عَلَيۡنَا شِقۡوَتُنَا وَكُنَّا قَوۡمٗا ضَآلِّينَ
তারা বলবে: হে আমাদের রব! আমাদের দুর্ভাগ্যই আমাদেরকে পরাভূত করেছিল এবং আমরা ছিলাম পথভ্রষ্ট এক সম্প্রদায়।
-
১০৭
رَبَّنَآ أَخۡرِجۡنَا مِنۡهَا فَإِنۡ عُدۡنَا فَإِنَّا ظَٰلِمُونَ
হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে এ আগুন থেকে বের করে দিন, তারপর যদি আমরা আবার কুফরী করি (এবং ভ্রষ্টতার দিকে ফিরে যাই), তবে অবশ্যই আমরা হব যালিম।’
-
১০৮
قَالَ ٱخۡسَـُٔواْ فِيهَا وَلَا تُكَلِّمُونِ
তিনি বলবেন: ‘তোমরা এতে (জাহান্নামে) লাঞ্ছিত ও অপমানিত অবস্থায় পড়ে থাকো, আর আমার সঙ্গে কোনো কথা বলো না।’
-
১০৯
إِنَّهُۥ كَانَ فَرِيقٞ مِّنۡ عِبَادِي يَقُولُونَ رَبَّنَآ ءَامَنَّا فَٱغۡفِرۡ لَنَا وَٱرۡحَمۡنَا وَأَنتَ خَيۡرُ ٱلرَّٰحِمِينَ
আমার বান্দাদের একদল ছিলো যারা বলতো: ‘হে আমাদের রব! আমরা ঈমান এনেছি, অতএব আমাদেরকে ক্ষমা ও দয়া করুন। আর আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।’
-
১১০
فَٱتَّخَذۡتُمُوهُمۡ سِخۡرِيًّا حَتَّىٰٓ أَنسَوۡكُمۡ ذِكۡرِي وَكُنتُم مِّنۡهُمۡ تَضۡحَكُونَ
তোমরা তাদেরকে উপহাসের বিষয় বানিয়েছিলে, অবশেষে তাদেরকে নিয়ে উপহাস করার ব্যস্ততা তোমাদেরকে আমার স্মরণ ভুলিয়ে দিয়েছিল। আর তোমরা তাদের নিয়ে হাসি-তামাশায় মগ্ন থাকতে।’
-
১১১
إِنِّي جَزَيۡتُهُمُ ٱلۡيَوۡمَ بِمَا صَبَرُوٓاْ أَنَّهُمۡ هُمُ ٱلۡفَآئِزُونَ
নিশ্চয়ই আজ আমি তাদেরকে তাদের ধৈর্যের প্রতিদান দিয়েছি; তারা সত্যিই বিজয়ী।
-
১১২
قَٰلَ كَمۡ لَبِثۡتُمۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ عَدَدَ سِنِينَ
আল্লাহ বলবেন: ‘বছরের হিসাবে তোমরা পৃথিবীতে কত বছর অবস্থান করেছিলে?’
-
১১৩
قَالُواْ لَبِثۡنَا يَوۡمًا أَوۡ بَعۡضَ يَوۡمٖ فَسۡـَٔلِ ٱلۡعَآدِّينَ
তারা বলবে: ‘আমরা একদিন বা এক দিনের কিছু অংশ অবস্থান করেছি। সুতরাং আপনি গণনাকারীদেরকে জিজ্ঞেস করুন।’
-
১১৪
قَٰلَ إِن لَّبِثۡتُمۡ إِلَّا قَلِيلٗاۖ لَّوۡ أَنَّكُمۡ كُنتُمۡ تَعۡلَمُونَ
আল্লাহ বলবেন: ‘(আসলেই দুনিয়াতে) তোমরা কেবল অল্পকালই অবস্থান করেছিলে, তোমরা যদি (দুনিয়াতে তোমাদের অবস্থানের সময়টুকু) নিশ্চিত জানতে!’
-
১১৫
أَفَحَسِبۡتُمۡ أَنَّمَا خَلَقۡنَٰكُمۡ عَبَثٗا وَأَنَّكُمۡ إِلَيۡنَا لَا تُرۡجَعُونَ
(হে মানুষ!) ‘তোমরা কি মনে করেছিলে যে, আমি তোমাদেরকে কেবল অনর্থক সৃষ্টি করেছি এবং (কিয়ামতের দিন হিসাব ও প্রতিদানের জন্য) তোমরা আমার দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে না?’
-
১১৬
فَتَعَٰلَى ٱللَّهُ ٱلۡمَلِكُ ٱلۡحَقُّۖ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ رَبُّ ٱلۡعَرۡشِ ٱلۡكَرِيمِ
সুতরাং সত্যিকারের মালিক আল্লাহ মহিমান্বিত, তিনি ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নেই; তিনি সম্মানিত ‘আরশের রব।
-
১১৭
وَمَن يَدۡعُ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ لَا بُرۡهَٰنَ لَهُۥ بِهِۦ فَإِنَّمَا حِسَابُهُۥ عِندَ رَبِّهِۦٓۚ إِنَّهُۥ لَا يُفۡلِحُ ٱلۡكَٰفِرُونَ
আর যে আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহকে ডাকে, যার ইবাদাতের উপযুক্ততার ব্যাপারে তার কাছে কোন প্রমাণ নেই; তার (কর্মের) হিসাব কেবল তার রবের কাছে। নিশ্চয় কাফিররা সফলকাম হবে না।
-
১১৮
وَقُل رَّبِّ ٱغۡفِرۡ وَٱرۡحَمۡ وَأَنتَ خَيۡرُ ٱلرَّٰحِمِينَ
আর (হে রাসূল! তুমি) বলো: ‘হে আমাদের রব! আপনি ক্ষমা করুন, দয়া করুন এবং আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।’
অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.
আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).
এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।