মূল অংশে যান

আর-রূম

الروم

সূরা ৩০ মাক্কী ৬০ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    الٓمٓ

    আলিফ-লাম-মীম।

  2. ২

    غُلِبَتِ ٱلرُّومُ

    (পারস্য কর্তৃক) রোমানরা পরাজিত হয়েছে।

  3. ৩

    فِيٓ أَدۡنَى ٱلۡأَرۡضِ وَهُم مِّنۢ بَعۡدِ غَلَبِهِمۡ سَيَغۡلِبُونَ

    নিকটবর্তী অঞ্চলে (সিরিয়ায়), কিন্তু তারা তাদের এ পরাজয়ের পর অচিরেই বিজয় লাভ করবে,

  4. ৪

    فِي بِضۡعِ سِنِينَۗ لِلَّهِ ٱلۡأَمۡرُ مِن قَبۡلُ وَمِنۢ بَعۡدُۚ وَيَوۡمَئِذٖ يَفۡرَحُ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ

    কয়েক বছরের মধ্যেই(১)। (এ ঘটনার) পূর্বের ও পরের সকল ফয়সালা আল্লাহরই। আর (রোমকদের বিজয়ে) সেদিন মুমিনরা আনন্দিত হবে,

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  5. ৫

    بِنَصۡرِ ٱللَّهِۚ يَنصُرُ مَن يَشَآءُۖ وَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আল্লাহর সাহায্যে।(১) তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  6. ৬

    وَعۡدَ ٱللَّهِۖ لَا يُخۡلِفُ ٱللَّهُ وَعۡدَهُۥ وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعۡلَمُونَ

    এটা আল্লাহর ওয়াদা। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা খেলাফ করেন না। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।

  7. ৭

    يَعۡلَمُونَ ظَٰهِرٗا مِّنَ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَهُمۡ عَنِ ٱلۡأٓخِرَةِ هُمۡ غَٰفِلُونَ

    তারা দুনিয়ার জীবনের বাহ্যিক দিক সম্পর্কে জানে, আর আখিরাত সম্পর্কে তারা গাফিল।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  8. ৮

    أَوَلَمۡ يَتَفَكَّرُواْ فِيٓ أَنفُسِهِمۗ مَّا خَلَقَ ٱللَّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَآ إِلَّا بِٱلۡحَقِّ وَأَجَلٖ مُّسَمّٗىۗ وَإِنَّ كَثِيرٗا مِّنَ ٱلنَّاسِ بِلِقَآيِٕ رَبِّهِمۡ لَكَٰفِرُونَ

    তারা কি নিজেদের অন্তরে ভেবে দেখে না, আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিন এবং এ দু’য়ের মধ্যবর্তী সব কিছুই যথাযথভাবে ও এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সৃষ্টি করেছেন? আর নিশ্চয় বহু লোক (কিয়ামত দিবসে) তাদের রবের সাক্ষাতে অবিশ্বাসী।

  9. ৯

    أَوَلَمۡ يَسِيرُواْ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَيَنظُرُواْ كَيۡفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ كَانُوٓاْ أَشَدَّ مِنۡهُمۡ قُوَّةٗ وَأَثَارُواْ ٱلۡأَرۡضَ وَعَمَرُوهَآ أَكۡثَرَ مِمَّا عَمَرُوهَا وَجَآءَتۡهُمۡ رُسُلُهُم بِٱلۡبَيِّنَٰتِۖ فَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيَظۡلِمَهُمۡ وَلَٰكِن كَانُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ يَظۡلِمُونَ

    তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি, যাতে দেখে নিতে পারে তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হয়েছিল? তারা তো এদের চেয়ে শক্তিতে ছিল অধিক; তারা জমিন চাষ করেছে এবং তা এদের চেয়ে বেশি আবাদ করেছে। তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণসহ এসেছিলেন। ফলে আল্লাহ তাদের ওপর জুলুম করেননি; বরং তারা নিজেরাই নিজেদের ওপর জুলুম করতো।

  10. ১০

    ثُمَّ كَانَ عَٰقِبَةَ ٱلَّذِينَ أَسَٰٓـُٔواْ ٱلسُّوٓأَىٰٓ أَن كَذَّبُواْ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَكَانُواْ بِهَا يَسۡتَهۡزِءُونَ

    তারপর যারা (শিরক ও পাপের মাধ্যমে) মন্দ কাজ করেছিলো তাদের পরিণামও মন্দ হয়েছিলো। কারণ তারা আল্লাহর আয়াতগুলোকে অস্বীকার করেছিলো এবং সেগুলো নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতো।

  11. ১১

    ٱللَّهُ يَبۡدَؤُاْ ٱلۡخَلۡقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥ ثُمَّ إِلَيۡهِ تُرۡجَعُونَ

    আল্লাহ (পূর্ব নমুনা ছাড়াই) সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর তিনিই তার পুনরাবৃত্তি করবেন। তারপর তাঁর কাছেই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

  12. ১২

    وَيَوۡمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ يُبۡلِسُ ٱلۡمُجۡرِمُونَ

    আর যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন অপরাধীরা (আল্লাহর রহমত থেকে) হতাশ হয়ে পড়বে।

  13. ১৩

    وَلَمۡ يَكُن لَّهُم مِّن شُرَكَآئِهِمۡ شُفَعَٰٓؤُاْ وَكَانُواْ بِشُرَكَآئِهِمۡ كَٰفِرِينَ

    আর তাদের শরীকরা তাদের জন্য সুপারিশকারী হবে না এবং তারা তাদের শরীকদেরকে (উপাস্যগুলোকে) অস্বীকার করবে।

  14. ১৪

    وَيَوۡمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ يَوۡمَئِذٖ يَتَفَرَّقُونَ

    আর যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেদিন তারা (আমলের ভিন্নতার দরুন বিভিন্ন দলে) বিভক্ত হয়ে পড়বে।

  15. ১৫

    فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَهُمۡ فِي رَوۡضَةٖ يُحۡبَرُونَ

    অতএব যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারা (সেদিন) জান্নাতের বাগিচায় আনন্দ উৎফুল্লে থাকবে।

  16. ১৬

    وَأَمَّا ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَكَذَّبُواْ بِـَٔايَٰتِنَا وَلِقَآيِٕ ٱلۡأٓخِرَةِ فَأُوْلَٰٓئِكَ فِي ٱلۡعَذَابِ مُحۡضَرُونَ

    পক্ষান্তরে যারা কুফরী করেছে এবং আমার আয়াতসমূহকে ও আখিরাতের সাক্ষাৎকে অস্বীকার করেছে, তাদেরকে (জাহান্নামের ভয়াবহ) শাস্তির মধ্যে উপস্থিত করা হবে।

  17. ১৭

    فَسُبۡحَٰنَ ٱللَّهِ حِينَ تُمۡسُونَ وَحِينَ تُصۡبِحُونَ

    কাজেই তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো, যখন সন্ধ্যায় উপনীত হবে এবং সকালে উঠবে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  18. ১৮

    وَلَهُ ٱلۡحَمۡدُ فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَعَشِيّٗا وَحِينَ تُظۡهِرُونَ

    আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে তাঁরই জন্য সকল প্রশংসা; আর সন্ধ্যাকালে (আসরের সময়) এবং যখন তোমরা (যোহরের সময়) মধ্যাহ্নে উপনীত হও (তখনও তাঁরই প্রশংসা)।

  19. ১৯

    يُخۡرِجُ ٱلۡحَيَّ مِنَ ٱلۡمَيِّتِ وَيُخۡرِجُ ٱلۡمَيِّتَ مِنَ ٱلۡحَيِّ وَيُحۡيِ ٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِهَاۚ وَكَذَٰلِكَ تُخۡرَجُونَ

    তিনি মৃত থেকে জীবিতকে বের করেন এবং জীবিত থেকে মৃতকে বের করেন।(১) আর তিনি জমিনকে জীবিত (সজীব) করেন তার মৃত্যুর (শুকিয়ে যাওয়ার) পর। আর এভাবেই তোমাদেরকে (মাটির নিচ থেকে ) বের করা হবে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  20. ২০

    وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنۡ خَلَقَكُم مِّن تُرَابٖ ثُمَّ إِذَآ أَنتُم بَشَرٞ تَنتَشِرُونَ

    আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি এই যে, তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন; তারপর হঠাৎই তোমরা মানুষ হয়ে (বংশ বৃদ্ধির মাধ্যমে) সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছ।

  21. ২১

    وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنۡ خَلَقَ لَكُم مِّنۡ أَنفُسِكُمۡ أَزۡوَٰجٗا لِّتَسۡكُنُوٓاْ إِلَيۡهَا وَجَعَلَ بَيۡنَكُم مَّوَدَّةٗ وَرَحۡمَةًۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ

    আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে সে জাতির জন্য, যারা চিন্তা করে।

  22. ২২

    وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦ خَلۡقُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَٱخۡتِلَٰفُ أَلۡسِنَتِكُمۡ وَأَلۡوَٰنِكُمۡۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّلۡعَٰلِمِينَ

    আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে আসমান ও জমিনের সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও তোমাদের বর্ণের ভিন্নতা। নিশ্চয় এর মধ্যে জ্ঞানীদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে।

  23. ২৩

    وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦ مَنَامُكُم بِٱلَّيۡلِ وَٱلنَّهَارِ وَٱبۡتِغَآؤُكُم مِّن فَضۡلِهِۦٓۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَسۡمَعُونَ

    আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে রাতে ও দিনে তোমাদের নিদ্রা এবং তাঁর অনুগ্রহ থেকে তোমাদের (জীবিকা) অন্বেষণ। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে সে জাতির জন্য যারা (উপদেশ গ্রহণের উদ্দেশ্যে) শোনে।

  24. ২৪

    وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦ يُرِيكُمُ ٱلۡبَرۡقَ خَوۡفٗا وَطَمَعٗا وَيُنَزِّلُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ فَيُحۡيِۦ بِهِ ٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِهَآۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَعۡقِلُونَ

    আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে তিনি তোমাদেরকে ভয় ও আশার সঞ্চারকরূপে বিদ্যুৎচমক দেখান, আর আসমান থেকে (বৃষ্টির) পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর তা দ্বারা জমিনকে তার মৃত্যুর (শুকিয়ে যাওয়ার) পর পুনর্জীবিত করেন। নিশ্চয় এতে বোধশক্তিসম্পন্ন জাতির জন্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে।

  25. ২৫

    وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦٓ أَن تَقُومَ ٱلسَّمَآءُ وَٱلۡأَرۡضُ بِأَمۡرِهِۦۚ ثُمَّ إِذَا دَعَاكُمۡ دَعۡوَةٗ مِّنَ ٱلۡأَرۡضِ إِذَآ أَنتُمۡ تَخۡرُجُونَ

    আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি এই যে, তাঁর আদেশেই আকাশ ও পৃথিবী স্থিত রয়েছে; তারপর তিনি যখন তোমাদেরকে পৃথিবী থেকে একবার আহ্বান করবেন, তখনই তোমরা (কবর থেকে) বেরিয়ে আসবে।

  26. ২৬

    وَلَهُۥ مَن فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۖ كُلّٞ لَّهُۥ قَٰنِتُونَ

    আর আসমানসমূহ ও জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁরই। সবকিছু তাঁরই অনুগত।

  27. ২৭

    وَهُوَ ٱلَّذِي يَبۡدَؤُاْ ٱلۡخَلۡقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥ وَهُوَ أَهۡوَنُ عَلَيۡهِۚ وَلَهُ ٱلۡمَثَلُ ٱلۡأَعۡلَىٰ فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ

    আর তিনিই সৃষ্টিকে প্রথমবার শুরু করেন, তারপর তিনি তা পুনরায় ফিরিয়ে আনেন; আর এটি তাঁর জন্য আরও সহজ। আর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে সর্বোচ্চ উপমা (গুণাবলি) তাঁরই জন্য। আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

  28. ২৮

    ضَرَبَ لَكُم مَّثَلٗا مِّنۡ أَنفُسِكُمۡۖ هَل لَّكُم مِّن مَّا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُكُم مِّن شُرَكَآءَ فِي مَا رَزَقۡنَٰكُمۡ فَأَنتُمۡ فِيهِ سَوَآءٞ تَخَافُونَهُمۡ كَخِيفَتِكُمۡ أَنفُسَكُمۡۚ كَذَٰلِكَ نُفَصِّلُ ٱلۡأٓيَٰتِ لِقَوۡمٖ يَعۡقِلُونَ

    তিনি তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকেই তোমাদের জন্য একটি উপমা পেশ করেন। আমি তোমাদের যে জীবিকা দান করেছি, তাতে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের মধ্যে কি কেউ অংশীদার আছে, ফলে তোমরা ও তারা এতে সমান হয়ে যাও এবং তোমরা তাদেরকে তেমনই ভয় কর যেমন নিজেদের সমপর্যায়ের লোককে ভয় কর? এভাবেই আমি নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করি এমন জাতির জন্য যারা চিন্তা করে।

  29. ২৯

    بَلِ ٱتَّبَعَ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓاْ أَهۡوَآءَهُم بِغَيۡرِ عِلۡمٖۖ فَمَن يَهۡدِي مَنۡ أَضَلَّ ٱللَّهُۖ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ

    বরং যালিমরা কোনো জ্ঞান ছাড়া নিজেদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে। অতএব, আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তাকে কে সৎপথে পরিচালিত করতে পারে? আর তাদের জন্য (আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করার) কোনো সাহায্যকারীও নেই।

  30. ৩০

    فَأَقِمۡ وَجۡهَكَ لِلدِّينِ حَنِيفٗاۚ فِطۡرَتَ ٱللَّهِ ٱلَّتِي فَطَرَ ٱلنَّاسَ عَلَيۡهَاۚ لَا تَبۡدِيلَ لِخَلۡقِ ٱللَّهِۚ ذَٰلِكَ ٱلدِّينُ ٱلۡقَيِّمُ وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعۡلَمُونَ

    সুতরাং তুমি একনিষ্ঠ হয়ে তোমার মুখমণ্ডল (সমস্ত মনোযোগ) এই দীনের দিকে স্থির রাখো, একেবারে খাঁটি তাওহীদের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে। এটি আল্লাহর সেই স্বভাবগত দীন (ফিতরাত), যার ওপর তিনি মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টিতে কোনো পরিবর্তন নেই। এটিই হচ্ছে সুপ্রতিষ্ঠিত দীন; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।

  31. ৩১

    ۞ مُنِيبِينَ إِلَيۡهِ وَٱتَّقُوهُ وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَلَا تَكُونُواْ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ

    তোমরা (তাওবা করে) তাঁর অভিমুখী হও এবং তাঁকে ভয় করো, সালাত কায়িম করো, আর মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

  32. ৩২

    مِنَ ٱلَّذِينَ فَرَّقُواْ دِينَهُمۡ وَكَانُواْ شِيَعٗاۖ كُلُّ حِزۡبِۭ بِمَا لَدَيۡهِمۡ فَرِحُونَ

    তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না, যারা নিজেদের দ্বীনকে খণ্ড-বিখণ্ড করেছে এবং বিভিন্ন দলে-উপদলে বিভক্ত হয়েছে; প্রত্যেক দলই নিজেদের কাছে যা আছে, তা নিয়েই আত্মতুষ্ট-উল্লসিত।

  33. ৩৩

    وَإِذَا مَسَّ ٱلنَّاسَ ضُرّٞ دَعَوۡاْ رَبَّهُم مُّنِيبِينَ إِلَيۡهِ ثُمَّ إِذَآ أَذَاقَهُم مِّنۡهُ رَحۡمَةً إِذَا فَرِيقٞ مِّنۡهُم بِرَبِّهِمۡ يُشۡرِكُونَ

    আর মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে তখন তারা তাদের রবের প্রতি বিনীতভাবে ফিরে এসে তাঁকে ডাকতে থাকে। তারপর যখন তিনি তাদের স্বীয় রহমত আস্বাদন করান (বিপদ সরিয়ে দেন), তখন তাদের মধ্যকার একটি দল তাদের রবের সাথে শরীক করে;

  34. ৩৪

    لِيَكۡفُرُواْ بِمَآ ءَاتَيۡنَٰهُمۡۚ فَتَمَتَّعُواْ فَسَوۡفَ تَعۡلَمُونَ

    ফলে আমি তাদের যা দিয়েছি তার প্রতি তারা অকৃতজ্ঞ হয়। সুতরাং তোমরা (দুনিয়াতে) ভোগ করে নাও; শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।

  35. ৩৫

    أَمۡ أَنزَلۡنَا عَلَيۡهِمۡ سُلۡطَٰنٗا فَهُوَ يَتَكَلَّمُ بِمَا كَانُواْ بِهِۦ يُشۡرِكُونَ

    নাকি আমি তাদের উপর এমন কোনো প্রমাণ (কিতাব বা দলিল) নাযিল করেছি, যা তাদের সেই শিরকের পক্ষেই কথা বলে, যাতে তারা লিপ্ত ছিল?

  36. ৩৬

    وَإِذَآ أَذَقۡنَا ٱلنَّاسَ رَحۡمَةٗ فَرِحُواْ بِهَاۖ وَإِن تُصِبۡهُمۡ سَيِّئَةُۢ بِمَا قَدَّمَتۡ أَيۡدِيهِمۡ إِذَا هُمۡ يَقۡنَطُونَ

    আর আমি যখন মানুষকে রহমতের স্বাদ আস্বাদন করাই তখন তারা তাতে আনন্দিত হয়। পক্ষান্তরে যদি তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের ওপর অকল্যাণ পৌঁছে তখন তারা (আল্লাহর নি‘আমত থেকে) নিরাশ হয়ে পড়ে।

  37. ৩৭

    أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ أَنَّ ٱللَّهَ يَبۡسُطُ ٱلرِّزۡقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقۡدِرُۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يُؤۡمِنُونَ

    তারা কি লক্ষ্য করে না যে, নিশ্চয় আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা রিযক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন। নিশ্চয় এতে নিদর্শনাবলি রয়েছে সে জাতির জন্য, যারা ঈমান আনে।

  38. ৩৮

    فَـَٔاتِ ذَا ٱلۡقُرۡبَىٰ حَقَّهُۥ وَٱلۡمِسۡكِينَ وَٱبۡنَ ٱلسَّبِيلِۚ ذَٰلِكَ خَيۡرٞ لِّلَّذِينَ يُرِيدُونَ وَجۡهَ ٱللَّهِۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ

    অতএব আত্মীয়-স্বজনকে তাদের হক দিয়ে দাও এবং মিসকীন ও (সম্বলহারা) মুসাফিরকেও। এটি উত্তম তাদের জন্য, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে। আর তারাই তো সফলকাম।

  39. ৩৯

    وَمَآ ءَاتَيۡتُم مِّن رِّبٗا لِّيَرۡبُوَاْ فِيٓ أَمۡوَٰلِ ٱلنَّاسِ فَلَا يَرۡبُواْ عِندَ ٱللَّهِۖ وَمَآ ءَاتَيۡتُم مِّن زَكَوٰةٖ تُرِيدُونَ وَجۡهَ ٱللَّهِ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُضۡعِفُونَ

    আর তোমরা যে সুদ দাও, মানুষের সম্পদে তা বৃদ্ধি পাওয়ার উদ্দেশ্যে, তা আল্লাহর নিকট বৃদ্ধি পায় না। পক্ষান্তরে, তোমরা যে যাকাত প্রদান কর আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় (তা-ই বৃদ্ধি পায়), তারাই হলো প্রকৃত বহুগুণে বৃদ্ধি প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।

  40. ৪০

    ٱللَّهُ ٱلَّذِي خَلَقَكُمۡ ثُمَّ رَزَقَكُمۡ ثُمَّ يُمِيتُكُمۡ ثُمَّ يُحۡيِيكُمۡۖ هَلۡ مِن شُرَكَآئِكُم مَّن يَفۡعَلُ مِن ذَٰلِكُم مِّن شَيۡءٖۚ سُبۡحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشۡرِكُونَ

    আল্লাহ সেই সত্তা, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনিই তোমাদেরকে রিযক দিয়েছেন। এরপর তিনি তোমাদের মৃত্যু দিবেন, পরে আবার তোমাদেরকে (পুনরুত্থানের জন্যে) জীবন দিবেন। তোমাদের শরীকদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে এ থেকে কোনো কিছু করতে পারবে? তিনি পবিত্র এবং তারা যাদের শরীক করে, তা থেকে তিনি পবিত্র ও অনেক ঊর্ধ্বে।

  41. ৪১

    ظَهَرَ ٱلۡفَسَادُ فِي ٱلۡبَرِّ وَٱلۡبَحۡرِ بِمَا كَسَبَتۡ أَيۡدِي ٱلنَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعۡضَ ٱلَّذِي عَمِلُواْ لَعَلَّهُمۡ يَرۡجِعُونَ

    মানুষের হাতের উপার্জিত (কর্মের) কারণে স্থল ও সমুদ্রে বিপর্যয় প্রকাশ পেয়েছে, যাতে তিনি তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের কিছু অংশের স্বাদ আস্বাদন করান, যেন তারা ফিরে আসে।

  42. ৪২

    قُلۡ سِيرُواْ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَٱنظُرُواْ كَيۡفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلُۚ كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّشۡرِكِينَ

    হে রাসূল! তুমি মুশরিকদেরকে বলো: ‘তোমরা জমিনে ভ্রমণ করো। আর দেখো পূর্ববর্তীদের পরিণাম কীরূপ হয়েছিলো।’ তাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।

  43. ৪৩

    فَأَقِمۡ وَجۡهَكَ لِلدِّينِ ٱلۡقَيِّمِ مِن قَبۡلِ أَن يَأۡتِيَ يَوۡمٞ لَّا مَرَدَّ لَهُۥ مِنَ ٱللَّهِۖ يَوۡمَئِذٖ يَصَّدَّعُونَ

    সুতরাং হে রাসূল! তুমি তোমার নিজকে সরল-সঠিক দ্বীনের উপর কায়েম রাখো, আল্লাহর পক্ষ থেকে সেদিন আসার পূর্বে, যেদিন উপস্থিত হলে তাকে রুখে দেওয়ার কেউ থাকবে না, সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  44. ৪৪

    مَن كَفَرَ فَعَلَيۡهِ كُفۡرُهُۥۖ وَمَنۡ عَمِلَ صَٰلِحٗا فَلِأَنفُسِهِمۡ يَمۡهَدُونَ

    যে কুফরী করে তার কুফরীর পরিণাম তার ওপরই বর্তাবে। আর যারা সৎকর্ম করে তারা তাদের নিজেদের জন্য (জান্নাতের) সুখ-শান্তির পথ সুগম করে।

  45. ৪৫

    لِيَجۡزِيَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ مِن فَضۡلِهِۦٓۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلۡكَٰفِرِينَ

    যাতে আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহে প্রতিদান দেন, যারা ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে তাদেরকে। নিশ্চয় তিনি কাফিরদের ভালোবাসেন না।

  46. ৪৬

    وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦٓ أَن يُرۡسِلَ ٱلرِّيَاحَ مُبَشِّرَٰتٖ وَلِيُذِيقَكُم مِّن رَّحۡمَتِهِۦ وَلِتَجۡرِيَ ٱلۡفُلۡكُ بِأَمۡرِهِۦ وَلِتَبۡتَغُواْ مِن فَضۡلِهِۦ وَلَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ

    আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে, তিনি সুসংবাদবাহী বায়ু প্রেরণ করেন, যাতে তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমতের স্বাদ আস্বাদন করান এবং তাঁর নির্দেশে নৌযান চলাচল করে; আর তোমরা যেন তাঁর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করতে পারো এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।

  47. ৪৭

    وَلَقَدۡ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ رُسُلًا إِلَىٰ قَوۡمِهِمۡ فَجَآءُوهُم بِٱلۡبَيِّنَٰتِ فَٱنتَقَمۡنَا مِنَ ٱلَّذِينَ أَجۡرَمُواْۖ وَكَانَ حَقًّا عَلَيۡنَا نَصۡرُ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    আর হে রাসূল! অবশ্যই আমি তোমার পূর্বে রাসূলগণকে তাদের জাতির নিকট পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর তারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে এসেছিল। অতঃপর যারা অপরাধ করেছিলো, আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম। আর মু’মিনদেরকে সাহায্য করা তো আমার কর্তব্য।

  48. ৪৮

    ٱللَّهُ ٱلَّذِي يُرۡسِلُ ٱلرِّيَٰحَ فَتُثِيرُ سَحَابٗا فَيَبۡسُطُهُۥ فِي ٱلسَّمَآءِ كَيۡفَ يَشَآءُ وَيَجۡعَلُهُۥ كِسَفٗا فَتَرَى ٱلۡوَدۡقَ يَخۡرُجُ مِنۡ خِلَٰلِهِۦۖ فَإِذَآ أَصَابَ بِهِۦ مَن يَشَآءُ مِنۡ عِبَادِهِۦٓ إِذَا هُمۡ يَسۡتَبۡشِرُونَ

    আল্লাহই বাতাস প্রেরণ করেন। ফলে তা মেঘমালাকে ধাওয়া করে; অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে খণ্ড বিখণ্ড করে দেন, ফলে তুমি দেখতে পাও, তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বৃষ্টিধারা। অতঃপর যখন তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের ওপর ইচ্ছা বৃষ্টি বর্ষণ করেন, তখন তারা হয় আনন্দিত।

  49. ৪৯

    وَإِن كَانُواْ مِن قَبۡلِ أَن يُنَزَّلَ عَلَيۡهِم مِّن قَبۡلِهِۦ لَمُبۡلِسِينَ

    আর যদিও এর (বৃষ্টির) আগমনের পূর্বে তারা অবশ্যই নিরাশ-হতাশ হয়ে পড়েছিল।

  50. ৫০

    فَٱنظُرۡ إِلَىٰٓ ءَاثَٰرِ رَحۡمَتِ ٱللَّهِ كَيۡفَ يُحۡيِ ٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِهَآۚ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمُحۡيِ ٱلۡمَوۡتَىٰۖ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٞ

    অতএব হে রাসূল! তুমি আল্লাহর রহমতের চিহ্নসমূহের প্রতি লক্ষ্য করো। কীভাবে তিনি জমিনের মৃত্যুর (শুকিয়ে যাওয়ার) পর তা জীবিত করেন। নিশ্চয় এভাবেই তিনি মৃতকে (পুনরুত্থানের জন্যে) জীবিতকারী এবং তিনি সবকিছুর ওপর সর্বশক্তিমান।

  51. ৫১

    وَلَئِنۡ أَرۡسَلۡنَا رِيحٗا فَرَأَوۡهُ مُصۡفَرّٗا لَّظَلُّواْ مِنۢ بَعۡدِهِۦ يَكۡفُرُونَ

    আর যদি আমি (তাদের ক্ষেত ও শস্যাদির ওপর) এমন বাতাস প্রেরণ করি, যার ফলে তারা সেগুলোকে হলুদ রঙের দেখতে পায়, তখন তারা অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে।

  52. ৫২

    فَإِنَّكَ لَا تُسۡمِعُ ٱلۡمَوۡتَىٰ وَلَا تُسۡمِعُ ٱلصُّمَّ ٱلدُّعَآءَ إِذَا وَلَّوۡاْ مُدۡبِرِينَ

    নিশ্চয় তুমি মৃতকে কথা শুনাতে পারবে না, বধিরকেও পারবেন না ডাক শুনাতে, যখন তারা (উপদেশ গ্রহণ না করে) পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে ফিরে যায়।

  53. ৫৩

    وَمَآ أَنتَ بِهَٰدِ ٱلۡعُمۡيِ عَن ضَلَٰلَتِهِمۡۖ إِن تُسۡمِعُ إِلَّا مَن يُؤۡمِنُ بِـَٔايَٰتِنَا فَهُم مُّسۡلِمُونَ

    আর তুমি অন্ধদেরকেও তাদের ভ্রষ্টতা থেকে হিদায়াতে আনতে পারবে না, তুমি শুধু তাদেরই শুনাতে পারবে যারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে; কারণ তারা আত্মসমর্পণকারী।

  54. ৫৪

    ۞ ٱللَّهُ ٱلَّذِي خَلَقَكُم مِّن ضَعۡفٖ ثُمَّ جَعَلَ مِنۢ بَعۡدِ ضَعۡفٖ قُوَّةٗ ثُمَّ جَعَلَ مِنۢ بَعۡدِ قُوَّةٖ ضَعۡفٗا وَشَيۡبَةٗۚ يَخۡلُقُ مَا يَشَآءُۚ وَهُوَ ٱلۡعَلِيمُ ٱلۡقَدِيرُ

    আল্লাহই তিনি, যিনি তোমাদেরকে দুর্বল বস্তু (তুচ্ছ পানি) থেকে সৃষ্টি করেছেন; অতঃপর তিনি দুর্বলতার পর (যৌবনের) শক্তি দান করেছেন, তারপর শক্তির পর আবার (বার্ধক্যের) দুর্বলতা ও বার্ধক্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন; আর তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

  55. ৫৫

    وَيَوۡمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ يُقۡسِمُ ٱلۡمُجۡرِمُونَ مَا لَبِثُواْ غَيۡرَ سَاعَةٖۚ كَذَٰلِكَ كَانُواْ يُؤۡفَكُونَ

    আর যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে সেদিন অপরাধীরা শপথ করে বলবে যে, তারা (কবরে) মুহূর্তকালের বেশি অবস্থান করেনি।(১) এভাবেই তারা (দুনিয়াতে) সত্যবিমুখ থেকেছে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  56. ৫৬

    وَقَالَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ وَٱلۡإِيمَٰنَ لَقَدۡ لَبِثۡتُمۡ فِي كِتَٰبِ ٱللَّهِ إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡبَعۡثِۖ فَهَٰذَا يَوۡمُ ٱلۡبَعۡثِ وَلَٰكِنَّكُمۡ كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ

    আর যাদেরকে জ্ঞান ও ঈমান দেয়া হয়েছে(১) তারা বলবে: ‘তোমরা আল্লাহর লিখা মতো পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত (কবরে) অবস্থান করেছ। আর এটি পুনরুত্থান দিবস। কিন্তু তা তোমরা জানতে না।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  57. ৫৭

    فَيَوۡمَئِذٖ لَّا يَنفَعُ ٱلَّذِينَ ظَلَمُواْ مَعۡذِرَتُهُمۡ وَلَا هُمۡ يُسۡتَعۡتَبُونَ

    অতঃপর যারা যুলম করেছে, সেদিন তাদের কোনো ওযর-আপত্তি উপকারে আসবে না এবং (তাদেরকে তাওবা করে আল্লাহকে) সন্তুষ্ট করতেও তাদেরকে বলা হবে না।

  58. ৫৮

    وَلَقَدۡ ضَرَبۡنَا لِلنَّاسِ فِي هَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانِ مِن كُلِّ مَثَلٖۚ وَلَئِن جِئۡتَهُم بِـَٔايَةٖ لَّيَقُولَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ إِنۡ أَنتُمۡ إِلَّا مُبۡطِلُونَ

    আর অবশ্যই আমি মানুষের জন্য এই আল কুরআনে সব ধরনের দৃষ্টান্ত পেশ করেছি। আর যদি তুমি তাদের কাছে (তোমার সত্যতার) কোনো প্রমাণ নিয়ে আসো, তবে অবশ্যই কাফিররা বলবে: ‘তোমরা তো বাতিলপন্থি ছাড়া আর কিছুই নও।’

  59. ৫৯

    كَذَٰلِكَ يَطۡبَعُ ٱللَّهُ عَلَىٰ قُلُوبِ ٱلَّذِينَ لَا يَعۡلَمُونَ

    এমনিভাবে আল্লাহ মোহর মেরে দেন তাদের হৃদয়সমূহে যারা (সত্য সম্পর্কে কিছুই) জানে না।

  60. ৬০

    فَٱصۡبِرۡ إِنَّ وَعۡدَ ٱللَّهِ حَقّٞۖ وَلَا يَسۡتَخِفَّنَّكَ ٱلَّذِينَ لَا يُوقِنُونَ

    অতএব তুমি ধৈর্য ধরো। নিশ্চয়ই আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। আর যারা (পুনরুত্থান ও চূড়ান্ত হিসাবের বিষয়ে) দৃঢ় বিশ্বাস রাখে না, তারা যেন তোমাকে অস্থির করে না দেয় (এবং ধৈর্যচ্যুত না করে)।

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।