মূল অংশে যান

আন-নিসা ৪:৭৭

পুরো সূরা পড়ুন

أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ قِيلَ لَهُمۡ كُفُّوٓاْ أَيۡدِيَكُمۡ وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ فَلَمَّا كُتِبَ عَلَيۡهِمُ ٱلۡقِتَالُ إِذَا فَرِيقٞ مِّنۡهُمۡ يَخۡشَوۡنَ ٱلنَّاسَ كَخَشۡيَةِ ٱللَّهِ أَوۡ أَشَدَّ خَشۡيَةٗۚ وَقَالُواْ رَبَّنَا لِمَ كَتَبۡتَ عَلَيۡنَا ٱلۡقِتَالَ لَوۡلَآ أَخَّرۡتَنَآ إِلَىٰٓ أَجَلٖ قَرِيبٖۗ قُلۡ مَتَٰعُ ٱلدُّنۡيَا قَلِيلٞ وَٱلۡأٓخِرَةُ خَيۡرٞ لِّمَنِ ٱتَّقَىٰ وَلَا تُظۡلَمُونَ فَتِيلًا

রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার

তুমি কি তাদেরকে দেখনি (১) যাদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা তোমাদের হাতগুলো গুটিয়ে রাখো এবং সালাত কায়েম করো ও যাকাত প্রদান করো? অতঃপর তাদের উপর যখন যুদ্ধ ফরয করা হলো, তখন তাদের একদল মানুষকে ভয় করছিলো আল্লাহকে ভয় করার অনুরূপ অথবা তার চেয়েও বেশি। আর তারা বলল: ‘হে আমাদের রব, আপনি আমাদের ওপর যুদ্ধ কেন ফরয করলেন? আমাদেরকে কেন আরো কিছুকালের অবকাশ দিলেন না’? বল: ‘দুনিয়ার ভোগ-বিলাস অতি সামান্য। আর যে তাকওয়া অবলম্বন করে তার জন্য আখিরাতই উত্তম। আর তোমাদের প্রতি সামান্য পরিমাণ যুলুমও করা হবে না।’

টীকা

(১) কিছু সাহাবীদেরকে যারা ইতঃপূর্বে নিজেদের ওপর জিহাদ ফরয হওয়া কামনা করেছিল। তখন তাদেরকে বলা হয়েছিলো, তোমরা নিজেদের হাতগুলো যুদ্ধ না করতে নির্দেশ দেওয়া হতে বিরত রাখো।

শেয়ার করুন:

WhatsApp Facebook

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।