وَلَوۡ جَعَلۡنَٰهُ قُرۡءَانًا أَعۡجَمِيّٗا لَّقَالُواْ لَوۡلَا فُصِّلَتۡ ءَايَٰتُهُۥٓۖ ءَا۬عۡجَمِيّٞ وَعَرَبِيّٞۗ قُلۡ هُوَ لِلَّذِينَ ءَامَنُواْ هُدٗى وَشِفَآءٞۚ وَٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ فِيٓ ءَاذَانِهِمۡ وَقۡرٞ وَهُوَ عَلَيۡهِمۡ عَمًىۚ أُوْلَٰٓئِكَ يُنَادَوۡنَ مِن مَّكَانِۭ بَعِيدٖ
রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার
আর আমি যদি একে (আল কুরআনকে) অনারবী ভাষায় আল কুরআনরূপে নাযিল করতাম, তবে নিশ্চিতভাবেই তারা বলত: ‘এর আয়াতসমূহকে বিশদভাবে বর্ণিত হয়নি কেন? এটি অনারবী ভাষায় আর রাসূল আরবীভাষী! হে রাসূল! তুমি তাদেরকে বলো: ‘কুরআন মূলত মু’মিনদের জন্য হিদায়াত ও (অন্তরের রোগের) নিরাময়। আর যারা ঈমান আনে না, তাদের কানে রয়েছে বধিরতা(১) যেন আল কুরআন তাদের (অন্তরের) জন্য অন্ধত্ব (পর্দা) সরূপ। তাদেরকেই ডাকা হবে দূরবর্তী স্থান থেকে।(২)
টীকা
অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.
আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).
এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।