আয-যুখরুফ
الزخرف
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
-
১
حمٓ
হা-মীম।
-
২
وَٱلۡكِتَٰبِ ٱلۡمُبِينِ
সুস্পষ্ট কিতাবের (আল-কুরআনের) শপথ।
-
৩
إِنَّا جَعَلۡنَٰهُ قُرۡءَٰنًا عَرَبِيّٗا لَّعَلَّكُمۡ تَعۡقِلُونَ
নিশ্চয়ই আমি একে আরবি কুরআনরূপে নাযিল করেছি, যাতে তোমরা বুঝতে পার।
-
৪
وَإِنَّهُۥ فِيٓ أُمِّ ٱلۡكِتَٰبِ لَدَيۡنَا لَعَلِيٌّ حَكِيمٌ
আর নিশ্চয় তা আমার কাছে উম্মুল কিতাবে (লাওহে মাহফূযে) সুউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন, প্রজ্ঞাপূর্ণ।
-
৫
أَفَنَضۡرِبُ عَنكُمُ ٱلذِّكۡرَ صَفۡحًا أَن كُنتُمۡ قَوۡمٗا مُّسۡرِفِينَ
আমি কি তোমাদের কাছ থেকে এ উপদেশবাণী (আল-কুরআন) সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নেব এ কারণে যে, তোমরা একটি সীমালঙ্ঘনকারী জাতি!
-
৬
وَكَمۡ أَرۡسَلۡنَا مِن نَّبِيّٖ فِي ٱلۡأَوَّلِينَ
আর আমি পূর্বেকার জাতিদের মাঝে বহু নবী পাঠিয়েছিলাম।
-
৭
وَمَا يَأۡتِيهِم مِّن نَّبِيٍّ إِلَّا كَانُواْ بِهِۦ يَسۡتَهۡزِءُونَ
আর যখনই তাদের কাছে কোনো নবী এসেছে, তারা তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে।
-
৮
فَأَهۡلَكۡنَآ أَشَدَّ مِنۡهُم بَطۡشٗا وَمَضَىٰ مَثَلُ ٱلۡأَوَّلِينَ
ফলে তাদের অপেক্ষা অধিক প্রতাপশালীদেরকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। আর পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্ত অতীত হয়ে গেছে।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৯
وَلَئِن سَأَلۡتَهُم مَّنۡ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ لَيَقُولُنَّ خَلَقَهُنَّ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡعَلِيمُ
হে রাসূল! তুমি যদি জিজ্ঞাসা কর, আসমানসমূহ ও জমিন কে সৃষ্টি করেছে? তারা উত্তরে অবশ্যই বলবে: এগুলো মহাপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন।
-
১০
ٱلَّذِي جَعَلَ لَكُمُ ٱلۡأَرۡضَ مَهۡدٗا وَجَعَلَ لَكُمۡ فِيهَا سُبُلٗا لَّعَلَّكُمۡ تَهۡتَدُونَ
যিনি তোমাদের জন্য জমিনকে বিছানা (সদৃশ) বানিয়েছেন এবং তাতে তোমাদের জন্য বানিয়েছেন চলার পথ, যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার।
-
১১
وَٱلَّذِي نَزَّلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءَۢ بِقَدَرٖ فَأَنشَرۡنَا بِهِۦ بَلۡدَةٗ مَّيۡتٗاۚ كَذَٰلِكَ تُخۡرَجُونَ
আর যিনি আসমান থেকে পরিমিতভাবে (বৃষ্টির) পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর আমি তা দ্বারা মৃত জনপদকে সঞ্জীবিত করি। এভাবেই তোমাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে।
-
১২
وَٱلَّذِي خَلَقَ ٱلۡأَزۡوَٰجَ كُلَّهَا وَجَعَلَ لَكُم مِّنَ ٱلۡفُلۡكِ وَٱلۡأَنۡعَٰمِ مَا تَرۡكَبُونَ
আর যিনি সব কিছুই জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তোমাদের জন্য নৌযান ও চতুষ্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা আরোহণ করো।
-
১৩
لِتَسۡتَوُۥاْ عَلَىٰ ظُهُورِهِۦ ثُمَّ تَذۡكُرُواْ نِعۡمَةَ رَبِّكُمۡ إِذَا ٱسۡتَوَيۡتُمۡ عَلَيۡهِ وَتَقُولُواْ سُبۡحَٰنَ ٱلَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُۥ مُقۡرِنِينَ
যাতে তোমরা (ভ্রমণকালে) এর পিঠে স্থির থাকতে পারো, তারপর তোমাদের রবের অনুগ্রহ স্মরণ করবে, যখন তোমরা এর ওপর স্থির হয়ে বসবে আর বলবে: ‘পবিত্র-মহান সেই সত্তা যিনি এগুলোকে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন। আর আমরা এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম ছিলাম না’।
-
১৪
وَإِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ
আর নিশ্চয় আমরা আমাদের রবের কাছেই প্রত্যাবর্তনকারী।’
-
১৫
وَجَعَلُواْ لَهُۥ مِنۡ عِبَادِهِۦ جُزۡءًاۚ إِنَّ ٱلۡإِنسَٰنَ لَكَفُورٞ مُّبِينٌ
আর তারা তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে তাঁর অংশ সাব্যস্ত করেছে।(১) নিশ্চয়ই মানুষ স্পষ্ট অকৃতজ্ঞ।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১৬
أَمِ ٱتَّخَذَ مِمَّا يَخۡلُقُ بَنَاتٖ وَأَصۡفَىٰكُم بِٱلۡبَنِينَ
হে মুশরিকরা! তিনি কি যা সৃষ্টি করেছেন, তা থেকে (নিজের জন্য) কন্যা সন্তান গ্রহণ করেছেন, আর তোমাদের জন্যে নির্ধারন করেছেন পুত্র সন্তান?
-
১৭
وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُم بِمَا ضَرَبَ لِلرَّحۡمَٰنِ مَثَلٗا ظَلَّ وَجۡهُهُۥ مُسۡوَدّٗا وَهُوَ كَظِيمٌ
আর তাদের কারো কাছে যখন সেই (কন্যা) সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, যাকে সে পরম করুণাময়ের জন্য উপমা হিসেবে স্থির করে, তখনই তার মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অন্তর্জ্বালায় দমিত হয়ে থাকে।
-
১৮
أَوَمَن يُنَشَّؤُاْ فِي ٱلۡحِلۡيَةِ وَهُوَ فِي ٱلۡخِصَامِ غَيۡرُ مُبِينٖ
আর যে অলংকারে সজ্জিত অবস্থায় লালিত পালিত হয় এবং সে বিতর্ককালে সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রদানে অক্ষম।
-
১৯
وَجَعَلُواْ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةَ ٱلَّذِينَ هُمۡ عِبَٰدُ ٱلرَّحۡمَٰنِ إِنَٰثًاۚ أَشَهِدُواْ خَلۡقَهُمۡۚ سَتُكۡتَبُ شَهَٰدَتُهُمۡ وَيُسۡـَٔلُونَ
আর তারা রহমানের বান্দা ফিরিশতাদেরকে নারী হিসেবে গণ্য করেছে। তারা কি তাদের সৃষ্টি প্রত্যক্ষ করেছে? তাদের সাক্ষ্য অবশ্যই লিখে রাখা হবে এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২০
وَقَالُواْ لَوۡ شَآءَ ٱلرَّحۡمَٰنُ مَا عَبَدۡنَٰهُمۗ مَّا لَهُم بِذَٰلِكَ مِنۡ عِلۡمٍۖ إِنۡ هُمۡ إِلَّا يَخۡرُصُونَ
আর তারা বলে: ‘পরম করুণাময় আল্লাহ ইচ্ছা করলে আমরা এদের (ফিরিশতাদের) ইবাদাত করতাম না।’ মূলত এ বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই। তারা শুধু মনগড়া (মিথ্যা) কথা বলছে।
-
২১
أَمۡ ءَاتَيۡنَٰهُمۡ كِتَٰبٗا مِّن قَبۡلِهِۦ فَهُم بِهِۦ مُسۡتَمۡسِكُونَ
নাকি আমি তাদেরকে কুরআনের পূর্বে কোন কিতাব দিয়েছি (১), ফলে তারা তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আছে?
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২২
بَلۡ قَالُوٓاْ إِنَّا وَجَدۡنَآ ءَابَآءَنَا عَلَىٰٓ أُمَّةٖ وَإِنَّا عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِم مُّهۡتَدُونَ
বরং তারা বলে: ‘নিশ্চয় আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে একটি দ্বীন ও মতাদর্শের উপর পেয়েছি, আর নিশ্চয় আমরা তাদের পদাঙ্ক অনুসরণে হিদায়াতপ্রাপ্ত হবো।’
-
২৩
وَكَذَٰلِكَ مَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ فِي قَرۡيَةٖ مِّن نَّذِيرٍ إِلَّا قَالَ مُتۡرَفُوهَآ إِنَّا وَجَدۡنَآ ءَابَآءَنَا عَلَىٰٓ أُمَّةٖ وَإِنَّا عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِم مُّقۡتَدُونَ
আর এভাবেই হে নবী! তোমার পূর্বে যখনই আমি কোন জনপদে সতর্ককারী (রাসূল) পাঠিয়েছি, তখনই সেখানকার বিত্তবানরা বলেছে: ‘নিশ্চয় আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে একটি দ্বীন ও মতাদর্শের উপর পেয়েছি এবং নিশ্চয় আমরা তাদেরই পদাঙ্ক অনুসরণ করব।’
-
২৪
۞ قَٰلَ أَوَلَوۡ جِئۡتُكُم بِأَهۡدَىٰ مِمَّا وَجَدتُّمۡ عَلَيۡهِ ءَابَآءَكُمۡۖ قَالُوٓاْ إِنَّا بِمَآ أُرۡسِلۡتُم بِهِۦ كَٰفِرُونَ
তখন সেই সতর্ককারী রাসূল বললেন, ‘তোমরা তোমাদের পিতৃপুরুষদের যে পথের ওপর পেয়েছ, আমি যদি তার চেয়েও উৎকৃষ্ট পথনির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে আসি, তবুও কি (তোমরা তাদেরই অনুসরণ করবে)?’ তারা বলল, ‘নিশ্চয় তোমাদেরকে যা দিয়ে প্রেরণ করা হয়েছে, আমরা তা অস্বীকার করি।’
-
২৫
فَٱنتَقَمۡنَا مِنۡهُمۡۖ فَٱنظُرۡ كَيۡفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلۡمُكَذِّبِينَ
ফলে আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ নিলাম। অতএব দেখ, মিথ্যারোপকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছিল?
-
২৬
وَإِذۡ قَالَ إِبۡرَٰهِيمُ لِأَبِيهِ وَقَوۡمِهِۦٓ إِنَّنِي بَرَآءٞ مِّمَّا تَعۡبُدُونَ
হে রাসূল! স্মরণ করো সে সময়ের কথা, যখন ইবরাহীম স্বীয় পিতা ও তার জাতিকে বলেছিল: ‘তোমরা যেগুলোর (মূর্তিদের) ইবাদাত (পূজা) কর, নিশ্চয় আমি তাদের থেকে সম্পর্কমুক্ত।’
-
২৭
إِلَّا ٱلَّذِي فَطَرَنِي فَإِنَّهُۥ سَيَهۡدِينِ
‘তবে (তিনি ব্যতীত) যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় তিনিই আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।’
-
২৮
وَجَعَلَهَا كَلِمَةَۢ بَاقِيَةٗ فِي عَقِبِهِۦ لَعَلَّهُمۡ يَرۡجِعُونَ
আর তিনি এটিকে(১) তাঁর উত্তরসূরীদের মধ্যে এক চিরন্তন বাণী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে গেলেন, যাতে তারা (শিরক ও পাপাচার থেকে তাওবা করে) ফিরে আসে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২৯
بَلۡ مَتَّعۡتُ هَٰٓؤُلَآءِ وَءَابَآءَهُمۡ حَتَّىٰ جَآءَهُمُ ٱلۡحَقُّ وَرَسُولٞ مُّبِينٞ
বরং তাদের কাছে সত্য ও স্পষ্ট বর্ণনাকারী রাসূল (মুহাম্মাদ) আগমন না করা পর্যন্ত, আমি তাদের এবং তাদের পিতৃপুরুষদের ভোগ করার সুযোগ দিয়েছিলাম।
-
৩০
وَلَمَّا جَآءَهُمُ ٱلۡحَقُّ قَالُواْ هَٰذَا سِحۡرٞ وَإِنَّا بِهِۦ كَٰفِرُونَ
অথচ যখন সত্য (আল-কুরআন) তাদের কাছে আসল তখন তারা বলল: ‘এতো যাদু এবং নিশ্চয় আমরা তা অস্বীকার করছি।’
-
৩১
وَقَالُواْ لَوۡلَا نُزِّلَ هَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانُ عَلَىٰ رَجُلٖ مِّنَ ٱلۡقَرۡيَتَيۡنِ عَظِيمٍ
আর তারা বলল: ‘এ আল-কুরআন কেন দুই জনপদের মধ্যকার কোন মহান ব্যক্তির ওপর নাযিল করা হল না?’(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩২
أَهُمۡ يَقۡسِمُونَ رَحۡمَتَ رَبِّكَۚ نَحۡنُ قَسَمۡنَا بَيۡنَهُم مَّعِيشَتَهُمۡ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَاۚ وَرَفَعۡنَا بَعۡضَهُمۡ فَوۡقَ بَعۡضٖ دَرَجَٰتٖ لِّيَتَّخِذَ بَعۡضُهُم بَعۡضٗا سُخۡرِيّٗاۗ وَرَحۡمَتُ رَبِّكَ خَيۡرٞ مِّمَّا يَجۡمَعُونَ
তারা কি তোমার রবের রহমত ভাগ-বণ্টন করে? আমিই দুনিয়ার জীবনে তাদের মধ্যে তাদের জীবিকা বণ্টন করে দেই এবং তাদের একজনকে অপর জনের ওপর মর্যাদায় উন্নীত করি যাতে একে অপরকে অধীন হিসেবে গ্রহণ করতে পারে। আর তারা যা সঞ্চয় করে, তোমার রবের রহমত তা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট।
-
৩৩
وَلَوۡلَآ أَن يَكُونَ ٱلنَّاسُ أُمَّةٗ وَٰحِدَةٗ لَّجَعَلۡنَا لِمَن يَكۡفُرُ بِٱلرَّحۡمَٰنِ لِبُيُوتِهِمۡ سُقُفٗا مِّن فِضَّةٖ وَمَعَارِجَ عَلَيۡهَا يَظۡهَرُونَ
যদি সব মানুষ একই জাতিতে পরিণত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তবে যারা পরম করুণাময়ের প্রতি কুফরী করে আমি তাদের গৃহসমূহের জন্য রৌপ্যনির্মিত ছাদ ও ঊর্ধ্বে আরোহণের সিঁড়ি তৈরি করে দিতাম।
-
৩৪
وَلِبُيُوتِهِمۡ أَبۡوَٰبٗا وَسُرُرًا عَلَيۡهَا يَتَّكِـُٔونَ
(শুধু তাই নয়)তাদের গৃহসমূহের জন্য দরজা ও হেলান দেয়ার জন্য রুপা দিয়ে নির্মিত খাট -পালঙ্ক ( বানাতাম) ।
-
৩৫
وَزُخۡرُفٗاۚ وَإِن كُلُّ ذَٰلِكَ لَمَّا مَتَٰعُ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَاۚ وَٱلۡأٓخِرَةُ عِندَ رَبِّكَ لِلۡمُتَّقِينَ
আর স্বর্ণ নির্মিতও (করে দিতে পারতাম)। আর এর সব কয়টিই দুনিয়ার জীবনের ভোগ-সামগ্রী। আর আখিরাত তো তোমার রবের কাছে মুত্তাকীদের জন্যই ।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৬
وَمَن يَعۡشُ عَن ذِكۡرِ ٱلرَّحۡمَٰنِ نُقَيِّضۡ لَهُۥ شَيۡطَٰنٗا فَهُوَ لَهُۥ قَرِينٞ
আর যে পরম করুণাময়ের যিকির (১) থেকে বিমুখ থাকে আমি তার জন্য এক শয়তানকে নিয়োজিত করি, ফলে সে হয়ে যায় তার সঙ্গী।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৭
وَإِنَّهُمۡ لَيَصُدُّونَهُمۡ عَنِ ٱلسَّبِيلِ وَيَحۡسَبُونَ أَنَّهُم مُّهۡتَدُونَ
আর নিশ্চয় তারাই মানুষদেরকে আল্লাহর পথ থেকে বাধা দেয়; অথচ মানুষ মনে করে তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত।
-
৩৮
حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءَنَا قَالَ يَٰلَيۡتَ بَيۡنِي وَبَيۡنَكَ بُعۡدَ ٱلۡمَشۡرِقَيۡنِ فَبِئۡسَ ٱلۡقَرِينُ
পরিশেষে যখন সে আমার নিকট আসবে তখন সে বলবে: ‘হায়, আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব-পশ্চিমের ব্যবধান থাকত!’ সুতরাং কতই না নিকৃষ্ট সে সঙ্গী!
-
৩৯
وَلَن يَنفَعَكُمُ ٱلۡيَوۡمَ إِذ ظَّلَمۡتُمۡ أَنَّكُمۡ فِي ٱلۡعَذَابِ مُشۡتَرِكُونَ
আর আজ তা (অনুতাপ) তোমাদের কোনো উপকারেই আসবে না। যেহেতু তোমরা (১) যুলম করেছিলে। নিশ্চয় তোমরা শাস্তিতে পরস্পর অংশীদার হয়ে থাকবে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪০
أَفَأَنتَ تُسۡمِعُ ٱلصُّمَّ أَوۡ تَهۡدِي ٱلۡعُمۡيَ وَمَن كَانَ فِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٖ
হে রাসূল! তুমি কি বধিরকে শুনাতে পারবে অথবা হিদায়াত করতে পারবে অন্ধকে এবং ঐ ব্যক্তিকে যে সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় রয়েছে?
-
৪১
فَإِمَّا نَذۡهَبَنَّ بِكَ فَإِنَّا مِنۡهُم مُّنتَقِمُونَ
অতঃপর যদি আমি তোমাকে নিয়ে যাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করব।
-
৪২
أَوۡ نُرِيَنَّكَ ٱلَّذِي وَعَدۡنَٰهُمۡ فَإِنَّا عَلَيۡهِم مُّقۡتَدِرُونَ
অথবা আমি তাদেরকে যে শাস্তির ওয়াদা দিয়েছি, তা যদি তোমাকে প্রত্যক্ষ করাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।
-
৪৩
فَٱسۡتَمۡسِكۡ بِٱلَّذِيٓ أُوحِيَ إِلَيۡكَۖ إِنَّكَ عَلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ
অতএব, হে রাসূল! তোমার প্রতি যা ওহী করা হয়েছে, তা তুমি দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো। নিশ্চয় তুমি সরল-সঠিক পথের ওপর রয়েছ।
-
৪৪
وَإِنَّهُۥ لَذِكۡرٞ لَّكَ وَلِقَوۡمِكَۖ وَسَوۡفَ تُسۡـَٔلُونَ
নিশ্চয় এ আল-কুরআন তোমার জন্য এবং তোমার জাতির জন্য উপদেশ। আর অচিরেই তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৫
وَسۡـَٔلۡ مَنۡ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ مِن رُّسُلِنَآ أَجَعَلۡنَا مِن دُونِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ءَالِهَةٗ يُعۡبَدُونَ
হে রাসূল! তোমার পূর্বে আমি যেসব রাসূল প্রেরণ করেছিলাম তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে দেখ(১), আমি কি রহমানের পরিবর্তে অন্য কোন উপাস্যকে ইবাদাত করার জন্যে নির্ধারণ করেছিলাম?
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৬
وَلَقَدۡ أَرۡسَلۡنَا مُوسَىٰ بِـَٔايَٰتِنَآ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ وَمَلَإِيْهِۦ فَقَالَ إِنِّي رَسُولُ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ
আর অবশ্যই আমি মূসাকে আমার নিদর্শনাবলিসহ ফির‘আউন ও তার নেতৃবর্গের নিকট প্রেরণ করেছিলাম। সে বলেছিল: ‘নিশ্চয় আমি সৃষ্টিকুলের রবের একজন রাসূল।’
-
৪৭
فَلَمَّا جَآءَهُم بِـَٔايَٰتِنَآ إِذَا هُم مِّنۡهَا يَضۡحَكُونَ
অতঃপর যখন সে আমার নিদর্শনাবলিসহ তাদের কাছে আসল, তখন তারা তা নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করতে লাগল।
-
৪৮
وَمَا نُرِيهِم مِّنۡ ءَايَةٍ إِلَّا هِيَ أَكۡبَرُ مِنۡ أُخۡتِهَاۖ وَأَخَذۡنَٰهُم بِٱلۡعَذَابِ لَعَلَّهُمۡ يَرۡجِعُونَ
আর আমি তাদের (১) যে নিদর্শনই দেখাতাম, তা ছিল তার পূর্ববর্তী নিদর্শন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। আর আমি তাদেরকে শাস্তির মাধ্যমে পাকড়াও করলাম, যাতে তারা (কুফরী থেকে) ফিরে আসে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৯
وَقَالُواْ يَٰٓأَيُّهَ ٱلسَّاحِرُ ٱدۡعُ لَنَا رَبَّكَ بِمَا عَهِدَ عِندَكَ إِنَّنَا لَمُهۡتَدُونَ
আর তারা (মূসাকে) বলল: ‘হে যাদুকর, তোমার রবের কাছে তুমি আমাদের জন্য তাই প্রার্থনা কর, যার ওয়াদা তিনি তোমার সাথে করেছেন।(১) নিশ্চয় আমরা হিদায়াতের পথে আসব।’
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৫০
فَلَمَّا كَشَفۡنَا عَنۡهُمُ ٱلۡعَذَابَ إِذَا هُمۡ يَنكُثُونَ
অতঃপর যখন আমি তাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে নিলাম, তখনই তারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করে বসল।
-
৫১
وَنَادَىٰ فِرۡعَوۡنُ فِي قَوۡمِهِۦ قَالَ يَٰقَوۡمِ أَلَيۡسَ لِي مُلۡكُ مِصۡرَ وَهَٰذِهِ ٱلۡأَنۡهَٰرُ تَجۡرِي مِن تَحۡتِيٓۚ أَفَلَا تُبۡصِرُونَ
আর ফির‘আউন (দম্ভভরে) তার সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘোষণা দিয়ে বলল: ‘হে আমার সম্প্রদায়! মিসরের রাজত্ব কি আমার নয়? আর এ সব নদ-নদী কি আমার (অট্টালিকার) পাদদেশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে না? তোমরা কি দেখছ না?’
-
৫২
أَمۡ أَنَا۠ خَيۡرٞ مِّنۡ هَٰذَا ٱلَّذِي هُوَ مَهِينٞ وَلَا يَكَادُ يُبِينُ
‘আমি কি এই ব্যক্তি (মূসা) থেকে শ্রেষ্ঠ নই, যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলতেও সক্ষম নয়?’
-
৫৩
فَلَوۡلَآ أُلۡقِيَ عَلَيۡهِ أَسۡوِرَةٞ مِّن ذَهَبٍ أَوۡ جَآءَ مَعَهُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ مُقۡتَرِنِينَ
‘তবে (১) তাকে কেন স্বর্ণের অলঙ্কারাদি প্রদান করা হল না অথবা দলবদ্ধভাবে ফিরিশতারা তার সাথে কেন আসল না?’
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৫৪
فَٱسۡتَخَفَّ قَوۡمَهُۥ فَأَطَاعُوهُۚ إِنَّهُمۡ كَانُواْ قَوۡمٗا فَٰسِقِينَ
এভাবেই সে তার সম্প্রদায়কে বোকা বানালো, ফলে তারা তার আনুগত্য করল। নিশ্চয় তারা ছিল এক ফাসিক সম্প্রদায়।
-
৫৫
فَلَمَّآ ءَاسَفُونَا ٱنتَقَمۡنَا مِنۡهُمۡ فَأَغۡرَقۡنَٰهُمۡ أَجۡمَعِينَ
অতঃপর তারা যখন (কুফরীর ওপর অটল থাকার মাধ্যমে) আমাকে ক্রোধান্বিত করল, তখন আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম এবং তাদের সকলকে (পানিতে) ডুবিয়ে দিলাম।
-
৫৬
فَجَعَلۡنَٰهُمۡ سَلَفٗا وَمَثَلٗا لِّلۡأٓخِرِينَ
ফলে আমি তাদেরকে পরবর্তীদের জন্য (শিক্ষণীয়) অতীত ইতিহাস ও দৃষ্টান্ত বানালাম।
-
৫৭
۞ وَلَمَّا ضُرِبَ ٱبۡنُ مَرۡيَمَ مَثَلًا إِذَا قَوۡمُكَ مِنۡهُ يَصِدُّونَ
আর যখনই মারইয়াম পুত্র (‘ঈসা) কে দৃষ্টান্তস্বরূপ পেশ করা হয়, তখন তোমার জাতি শোরগোল শুরু করে দেয়।
-
৫৮
وَقَالُوٓاْ ءَأَٰلِهَتُنَا خَيۡرٌ أَمۡ هُوَۚ مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلَۢاۚ بَلۡ هُمۡ قَوۡمٌ خَصِمُونَ
আর তারা বলে: ‘আমাদের উপাস্যরা শ্রেষ্ঠ নাকি ‘ঈসা? তারা কেবল বাক-বিতণ্ডার উদ্দেশ্যেই তাকে তোমার সামনে পেশ করে; বরং তারা এক ঝগড়াটে সম্প্রদায়।
-
৫৯
إِنۡ هُوَ إِلَّا عَبۡدٌ أَنۡعَمۡنَا عَلَيۡهِ وَجَعَلۡنَٰهُ مَثَلٗا لِّبَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ
ঈসা কেবল আমার একজন বান্দা, আমি তার ওপর অনুগ্রহ করেছিলাম এবং বানূ ইসরাঈলের জন্য তাকে দৃষ্টান্ত বানিয়েছিলাম।
-
৬০
وَلَوۡ نَشَآءُ لَجَعَلۡنَا مِنكُم مَّلَٰٓئِكَةٗ فِي ٱلۡأَرۡضِ يَخۡلُفُونَ
আর হে আদম সন্তান! আমি যদি চাইতাম, তবে আমি তোমাদের পরিবর্তে ফিরিশতাদেরকে সৃষ্টি করে (দুনিয়াতে) পাঠাতাম, যারা জমিনে তোমাদের উত্তরাধিকার হতো।
-
৬১
وَإِنَّهُۥ لَعِلۡمٞ لِّلسَّاعَةِ فَلَا تَمۡتَرُنَّ بِهَا وَٱتَّبِعُونِۚ هَٰذَا صِرَٰطٞ مُّسۡتَقِيمٞ
আর নিশ্চয় ‘ঈসা কিয়ামতের এক সুনিশ্চিত আলামত। সুতরাং তোমরা কিয়ামত সম্পর্কে সংশয় পোষণ করো না। তোমরা আমারই অনুসরণ কর। এটিই সরল পথ।
-
৬২
وَلَا يَصُدَّنَّكُمُ ٱلشَّيۡطَٰنُۖ إِنَّهُۥ لَكُمۡ عَدُوّٞ مُّبِينٞ
আর শয়তান যেন তোমাদেরকে কোন অবস্থায়ই (সরল পথ থেকে) বাধা দিতে না পারে। নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
-
৬৩
وَلَمَّا جَآءَ عِيسَىٰ بِٱلۡبَيِّنَٰتِ قَالَ قَدۡ جِئۡتُكُم بِٱلۡحِكۡمَةِ وَلِأُبَيِّنَ لَكُم بَعۡضَ ٱلَّذِي تَخۡتَلِفُونَ فِيهِۖ فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ
আর ‘ঈসা যখন সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আসল, তখন সে বলল: ‘আমি অবশ্যই তোমাদের কাছে হিকমত নিয়ে এসেছি এবং এসেছি তোমরা যে সব বিষয়ে মতবিরোধে লিপ্ত, তা স্পষ্ট করে দিতে। অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’
-
৬৪
إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ رَبِّي وَرَبُّكُمۡ فَٱعۡبُدُوهُۚ هَٰذَا صِرَٰطٞ مُّسۡتَقِيمٞ
‘নিশ্চয় আল্লাহই আমার রব এবং তোমাদেরও রব। অতএব তাঁরই ইবাদাত করো; এটিই সরল-সঠিক পথ।’
-
৬৫
فَٱخۡتَلَفَ ٱلۡأَحۡزَابُ مِنۢ بَيۡنِهِمۡۖ فَوَيۡلٞ لِّلَّذِينَ ظَلَمُواْ مِنۡ عَذَابِ يَوۡمٍ أَلِيمٍ
অতঃপর তাদের (খ্রিস্টানদের) মধ্যকার বিভিন্ন দল পরস্পরের মধ্যে মতভেদে লিপ্ত হলো। সুতরাং যারা জুলুম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে এক যন্ত্রণাদায়ক দিনের শাস্তির দুর্ভোগ।
-
৬৬
هَلۡ يَنظُرُونَ إِلَّا ٱلسَّاعَةَ أَن تَأۡتِيَهُم بَغۡتَةٗ وَهُمۡ لَا يَشۡعُرُونَ
তারা কি কেবল এ-ই অপেক্ষা করছে যে, কিয়ামত তাদের কাছে হঠাৎ এসে যাবে, আর তারা তা টেরও পাবে না?
-
৬৭
ٱلۡأَخِلَّآءُ يَوۡمَئِذِۭ بَعۡضُهُمۡ لِبَعۡضٍ عَدُوٌّ إِلَّا ٱلۡمُتَّقِينَ
সেদিন মুত্তাকীরা ছাড়া বন্ধুরা একে অন্যের শত্রু হবে ।
-
৬৮
يَٰعِبَادِ لَا خَوۡفٌ عَلَيۡكُمُ ٱلۡيَوۡمَ وَلَآ أَنتُمۡ تَحۡزَنُونَ
আল্লাহ তাদেরকে বলবেন: হে আমার বান্দাগণ! আজ তোমাদের কোন ভয় নেই এবং তোমরা চিন্তিতও হবে না।
-
৬৯
ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ بِـَٔايَٰتِنَا وَكَانُواْ مُسۡلِمِينَ
যারা আমার আয়াতে ঈমান এনেছিল এবং যারা ছিল মুসলিম।
-
৭০
ٱدۡخُلُواْ ٱلۡجَنَّةَ أَنتُمۡ وَأَزۡوَٰجُكُمۡ تُحۡبَرُونَ
তোমরা এবং তোমাদের স্ত্রীগণ(১) সানন্দে জান্নাতে প্রবেশ কর।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭১
يُطَافُ عَلَيۡهِم بِصِحَافٖ مِّن ذَهَبٖ وَأَكۡوَابٖۖ وَفِيهَا مَا تَشۡتَهِيهِ ٱلۡأَنفُسُ وَتَلَذُّ ٱلۡأَعۡيُنُۖ وَأَنتُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ
তাদেরকে (১) স্বর্ণখচিত থালা ও পানপাত্র নিয়ে (সেবকগণ কর্তৃক) প্রদক্ষিণ করা হবে, সেখানে মন যা চায় আর যাতে চোখ তৃপ্ত হয়, তা-ই থাকবে এবং সেখানে তোমরা হবে চিরস্থায়ী।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭২
وَتِلۡكَ ٱلۡجَنَّةُ ٱلَّتِيٓ أُورِثۡتُمُوهَا بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ
আর এটি হচ্ছে সেই জান্নাত, তোমাদেরকে যার অধিকারী করা হয়েছে তোমাদের আমলের প্রতিদান স্বরূপ।
-
৭৩
لَكُمۡ فِيهَا فَٰكِهَةٞ كَثِيرَةٞ مِّنۡهَا تَأۡكُلُونَ
সেখানে তোমাদের জন্য রয়েছে প্রচুর ফলমূল, যা থেকে তোমরা খাবে।
-
৭৪
إِنَّ ٱلۡمُجۡرِمِينَ فِي عَذَابِ جَهَنَّمَ خَٰلِدُونَ
নিশ্চয় অপরাধীরা জাহান্নামের শাস্তিতে স্থায়ী হবে;
-
৭৫
لَا يُفَتَّرُ عَنۡهُمۡ وَهُمۡ فِيهِ مُبۡلِسُونَ
তাদের শাস্তির কোন কিছুই লাঘব করা হবে না এবং তারা সেথায় হতাশ হয়ে পড়বে।
-
৭৬
وَمَا ظَلَمۡنَٰهُمۡ وَلَٰكِن كَانُواْ هُمُ ٱلظَّٰلِمِينَ
আর আমি তাদের উপর যুলম করিনি; কিন্তু তারা নিজেরাই ছিল যালিম।
-
৭৭
وَنَادَوۡاْ يَٰمَٰلِكُ لِيَقۡضِ عَلَيۡنَا رَبُّكَۖ قَالَ إِنَّكُم مَّٰكِثُونَ
আর তারা (১) চিৎকার করে বলবে: ‘হে মালিক! তোমার রব যেন আমাদেরকে শেষ করে দেন।’ সে বলবে: ‘নিশ্চয় তোমরা (এখানে চিরকাল) অবস্থানকারী।’
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭৮
لَقَدۡ جِئۡنَٰكُم بِٱلۡحَقِّ وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَكُمۡ لِلۡحَقِّ كَٰرِهُونَ
‘অবশ্যই আমি তোমাদের কাছে সত্য নিয়ে এসেছিলাম; কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলে সত্য অপছন্দকারী।’
-
৭৯
أَمۡ أَبۡرَمُوٓاْ أَمۡرٗا فَإِنَّا مُبۡرِمُونَ
নাকি তারা (নবীর বিরুদ্ধে) কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে? তবে নিশ্চয় আমরাও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী।
-
৮০
أَمۡ يَحۡسَبُونَ أَنَّا لَا نَسۡمَعُ سِرَّهُمۡ وَنَجۡوَىٰهُمۚ بَلَىٰ وَرُسُلُنَا لَدَيۡهِمۡ يَكۡتُبُونَ
নাকি তারা মনে করে, আমি তাদের গোপন কথা ও সলাপরামর্শ শুনতে পাই না? অবশ্যই হ্যাঁ, (আমি শুনতে পাই)। আর আমার ফিরিশতাগণ তাদের কাছে থেকে (সব কর্মকাণ্ড) লিখছে।
-
৮১
قُلۡ إِن كَانَ لِلرَّحۡمَٰنِ وَلَدٞ فَأَنَا۠ أَوَّلُ ٱلۡعَٰبِدِينَ
(হে রাসূল!) বলুন, ‘যদি রহমানের কোনো সন্তান থাকত, তবে আমিই সর্বপ্রথম তাঁর ইবাদতকারী হতাম।’(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৮২
سُبۡحَٰنَ رَبِّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ رَبِّ ٱلۡعَرۡشِ عَمَّا يَصِفُونَ
তারা যা আরোপ করে, আসমানসমূহ ও জমিনের রব এবং আরশের রব তা থেকে পবিত্র-মহান।
-
৮৩
فَذَرۡهُمۡ يَخُوضُواْ وَيَلۡعَبُواْ حَتَّىٰ يُلَٰقُواْ يَوۡمَهُمُ ٱلَّذِي يُوعَدُونَ
অতএব, হে রাসূল! তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা মগ্ন থাকুক অর্থহীন কথাবার্তায় এবং মত্ত থাকুক খেল-তামাশায়; যতক্ষণ না তারা সেদিনের সাক্ষাৎ করে যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।
-
৮৪
وَهُوَ ٱلَّذِي فِي ٱلسَّمَآءِ إِلَٰهٞ وَفِي ٱلۡأَرۡضِ إِلَٰهٞۚ وَهُوَ ٱلۡحَكِيمُ ٱلۡعَلِيمُ
আর তিনিই আসমানে ইলাহ এবং তিনিই জমিনে ইলাহ; আর তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।
-
৮৫
وَتَبَارَكَ ٱلَّذِي لَهُۥ مُلۡكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَا وَعِندَهُۥ عِلۡمُ ٱلسَّاعَةِ وَإِلَيۡهِ تُرۡجَعُونَ
আর তিনি বরকতময়, যার কর্তৃত্বে রয়েছে আসমানসমূহ, জমিন ও এ দু’য়ের মধ্যবর্তী সবকিছু। আর কিয়ামতের জ্ঞান কেবল তাঁরই আছে এবং তাঁরই নিকট তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
-
৮৬
وَلَا يَمۡلِكُ ٱلَّذِينَ يَدۡعُونَ مِن دُونِهِ ٱلشَّفَٰعَةَ إِلَّا مَن شَهِدَ بِٱلۡحَقِّ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ
আর তিনি ছাড়া যাদেরকে তারা ডাকে, তারা সুপারিশের মালিক হবে না; তবে তারা ছাড়া যারা জেনে-শুনে সত্য সাক্ষ্য দেয়।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৮৭
وَلَئِن سَأَلۡتَهُم مَّنۡ خَلَقَهُمۡ لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُۖ فَأَنَّىٰ يُؤۡفَكُونَ
আর তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘কে তাদের সৃষ্টি করেছে?’ তারা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ।’ তবুও তাদেরকে কীভাবে (সত্য থেকে) ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে?
-
৮৮
وَقِيلِهِۦ يَٰرَبِّ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ قَوۡمٞ لَّا يُؤۡمِنُونَ
আর (আল্লাহ তাঁর রাসূলের এ অভিযোগও জানেন): ‘হে আমার রব! নিশ্চয় এরা এমন এক জাতি, যারা ঈমান আনে না।’
-
৮৯
فَٱصۡفَحۡ عَنۡهُمۡ وَقُلۡ سَلَٰمٞۚ فَسَوۡفَ يَعۡلَمُونَ
অতএব, হে রাসূল! তুমি তাদেরকে এড়িয়ে চল এবং বল, ‘সালাম’। তবে শীঘ্রই তারা (সত্য-মিথ্যা সম্পর্কে) জানতে পারবে।
অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.
আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).
এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।