মূল অংশে যান

আল-ওয়াকিয়া

الواقعة

সূরা ৫৬ মাক্কী ৯৬ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    إِذَا وَقَعَتِ ٱلۡوَاقِعَةُ

    যখন (অবিশ্যম্ভাবী) কিয়ামত সংঘটিত হবে।

  2. ২

    لَيۡسَ لِوَقۡعَتِهَا كَاذِبَةٌ

    (তখন) কেউ তার সংঘটিত হওয়ার অস্বীকারকারী থাকবে না।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  3. ৩

    خَافِضَةٞ رَّافِعَةٌ

    তা কাউকে (১) ভূলুণ্ঠিত করবে এবং কাউকে সমুন্নত করবে।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  4. ৪

    إِذَا رُجَّتِ ٱلۡأَرۡضُ رَجّٗا

    যখন প্রবল প্রকম্পনে জমিন প্রকম্পিত হবে।

  5. ৫

    وَبُسَّتِ ٱلۡجِبَالُ بَسّٗا

    আর পর্বতমালাকে সম্পূর্ণরূপে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়া হবে।

  6. ৬

    فَكَانَتۡ هَبَآءٗ مُّنۢبَثّٗا

    অতঃপর তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে।

  7. ৭

    وَكُنتُمۡ أَزۡوَٰجٗا ثَلَٰثَةٗ

    আর (সেদিন) তোমরা তিন দলে বিভক্ত হয়ে পড়বে।

  8. ৮

    فَأَصۡحَٰبُ ٱلۡمَيۡمَنَةِ مَآ أَصۡحَٰبُ ٱلۡمَيۡمَنَةِ

    ডান দিকের দল(১), ডান দিকের দলটি কত সৌভাগ্যবান!

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  9. ৯

    وَأَصۡحَٰبُ ٱلۡمَشۡـَٔمَةِ مَآ أَصۡحَٰبُ ٱلۡمَشۡـَٔمَةِ

    আর বাম দিকের দল (১); আর বাম দিকের দলটি কত হতভাগা!

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  10. ১০

    وَٱلسَّٰبِقُونَ ٱلسَّٰبِقُونَ

    আর অগ্রগামীরাই অগ্রগামী হবে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  11. ১১

    أُوْلَٰٓئِكَ ٱلۡمُقَرَّبُونَ

    তারাই আল্লাহর নৈকট্যপ্ৰাপ্ত।

  12. ১২

    فِي جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ

    তারা নিআমতপূর্ণ জান্নাতসমূহে অবস্থান করবে।

  13. ১৩

    ثُلَّةٞ مِّنَ ٱلۡأَوَّلِينَ

    তাদের একদল হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

  14. ১৪

    وَقَلِيلٞ مِّنَ ٱلۡأٓخِرِينَ

    আর অল্পসংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  15. ১৫

    عَلَىٰ سُرُرٖ مَّوۡضُونَةٖ

    সুসজ্জিত আসনসমূহের ওপর।

  16. ১৬

    مُّتَّكِـِٔينَ عَلَيۡهَا مُتَقَٰبِلِينَ

    তারা সেখানে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে হেলান দিয়ে বসবে।

  17. ১৭

    يَطُوفُ عَلَيۡهِمۡ وِلۡدَٰنٞ مُّخَلَّدُونَ

    তাদের আশ-পাশে (সেবার উদ্দেশ্যে) ঘোরাফেরা করবে চির কিশোররা,

  18. ১৮

    بِأَكۡوَابٖ وَأَبَارِيقَ وَكَأۡسٖ مِّن مَّعِينٖ

    পানপাত্র, জগ ও প্রবাহিত ঝর্ণার শরাবপূর্ণ পেয়ালা নিয়ে (তারা প্রদক্ষিণ করবে)।

  19. ১৯

    لَّا يُصَدَّعُونَ عَنۡهَا وَلَا يُنزِفُونَ

    সে শরাব পানে না তাদের মাথা ব্যথা করবে, আর না তারা মাতাল হবে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  20. ২০

    وَفَٰكِهَةٖ مِّمَّا يَتَخَيَّرُونَ

    আর (এসব কিশোরেরা) তাদের পছন্দমত ফল নিয়ে (ঘোরাফেরা করবে)।

  21. ২১

    وَلَحۡمِ طَيۡرٖ مِّمَّا يَشۡتَهُونَ

    আর (ওদের সামনে ঘুরে বেড়াবে) পাখির গোশত নিয়ে, যা তারা কামনা করবে।

  22. ২২

    وَحُورٌ عِينٞ

    আর তাদের জন্য থাকবে ডাগরচোখা হূর।

  23. ২৩

    كَأَمۡثَٰلِ ٱللُّؤۡلُوِٕ ٱلۡمَكۡنُونِ

    যেন তারা (১) সুরক্ষিত মনি-মুক্তা।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  24. ২৪

    جَزَآءَۢ بِمَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ

    (এগুলো ) তারা যে আমল করতো তার প্রতিদানস্বরূপ।

  25. ২৫

    لَا يَسۡمَعُونَ فِيهَا لَغۡوٗا وَلَا تَأۡثِيمًا

    তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন অর্থহীন কথা, এবং না কোন পাপের কথা;

  26. ২৬

    إِلَّا قِيلٗا سَلَٰمٗا سَلَٰمٗا

    শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম’ (শান্তি, নিরবচ্ছিন্ন শান্তি)।

  27. ২৭

    وَأَصۡحَٰبُ ٱلۡيَمِينِ مَآ أَصۡحَٰبُ ٱلۡيَمِينِ

    আর ডান দিকের দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল!

  28. ২৮

    فِي سِدۡرٖ مَّخۡضُودٖ

    তারা থাকবে কাঁটাবিহীন কুলগাছের নিচে,

  29. ২৯

    وَطَلۡحٖ مَّنضُودٖ

    আর কাঁদিপূর্ণ কলাগাছের নিচে,

  30. ৩০

    وَظِلّٖ مَّمۡدُودٖ

    আর বিস্তৃত ছায়ায়(১),

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  31. ৩১

    وَمَآءٖ مَّسۡكُوبٖ

    আর সদা প্রবাহিত পানির পাশে,

  32. ৩২

    وَفَٰكِهَةٖ كَثِيرَةٖ

    আর প্রচুর ফলমূলে,

  33. ৩৩

    لَّا مَقۡطُوعَةٖ وَلَا مَمۡنُوعَةٖ

    যার সরবরাহ কখনো শেষ হবে না এবং (যার আহরণ কখনো) নিষিদ্ধও হবে না।

  34. ৩৪

    وَفُرُشٖ مَّرۡفُوعَةٍ

    আর (তারা থাকবে) সুউচ্চ শয্যাসমূহে;

  35. ৩৫

    إِنَّآ أَنشَأۡنَٰهُنَّ إِنشَآءٗ

    নিশ্চয় আমি (উল্লিখিত) হূরদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছি।

  36. ৩৬

    فَجَعَلۡنَٰهُنَّ أَبۡكَارًا

    অতঃপর তাদেরকে আমি বানিয়েছি চির-কুমারী (১),

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  37. ৩৭

    عُرُبًا أَتۡرَابٗا

    সোহাগিনী ও সমবয়সী।

  38. ৩৮

    لِّأَصۡحَٰبِ ٱلۡيَمِينِ

    (তাদেরকে সৃষ্টি করেছি) ডানদিকের লোকদের জন্য।

  39. ৩৯

    ثُلَّةٞ مِّنَ ٱلۡأَوَّلِينَ

    তাদের অনেকেই হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

  40. ৪০

    وَثُلَّةٞ مِّنَ ٱلۡأٓخِرِينَ

    এবং তাদের অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

  41. ৪১

    وَأَصۡحَٰبُ ٱلشِّمَالِ مَآ أَصۡحَٰبُ ٱلشِّمَالِ

    আর বাম দিকের দল, কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!

  42. ৪২

    فِي سَمُومٖ وَحَمِيمٖ

    তারা থাকবে তীব্র গরম হাওয়া এবং প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানিতে,

  43. ৪৩

    وَظِلّٖ مِّن يَحۡمُومٖ

    আর প্রচণ্ড কালো ধোঁয়ার ছায়ায়,

  44. ৪৪

    لَّا بَارِدٖ وَلَا كَرِيمٍ

    যা শীতলও নয়, আরামদায়কও নয়।

  45. ৪৫

    إِنَّهُمۡ كَانُواْ قَبۡلَ ذَٰلِكَ مُتۡرَفِينَ

    নিশ্চয় তারা ইতঃপূর্বে ভোগ-বিলাসিতায় মগ্ন ছিল।

  46. ৪৬

    وَكَانُواْ يُصِرُّونَ عَلَى ٱلۡحِنثِ ٱلۡعَظِيمِ

    আর তারা অবিরাম জঘন্য পাপে (১) লিপ্ত থাকত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  47. ৪৭

    وَكَانُواْ يَقُولُونَ أَئِذَا مِتۡنَا وَكُنَّا تُرَابٗا وَعِظَٰمًا أَءِنَّا لَمَبۡعُوثُونَ

    আর তারা (পুনরুত্থানকে অস্বীকার করে) বলতো: ‘আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হবো, তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হবো?’

  48. ৪৮

    أَوَءَابَآؤُنَا ٱلۡأَوَّلُونَ

    ‘আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষরাও (কি পুনরুত্থিত হবে)?’

  49. ৪৯

    قُلۡ إِنَّ ٱلۡأَوَّلِينَ وَٱلۡأٓخِرِينَ

    হে রাসূল! তুমি বলো: ‘নিশ্চয় পূর্ববর্তীরা ও পরবর্তীরা,

  50. ৫০

    لَمَجۡمُوعُونَ إِلَىٰ مِيقَٰتِ يَوۡمٖ مَّعۡلُومٖ

    সবাইকে একত্র করা হবে একটি নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।

  51. ৫১

    ثُمَّ إِنَّكُمۡ أَيُّهَا ٱلضَّآلُّونَ ٱلۡمُكَذِّبُونَ

    তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা,

  52. ৫২

    لَأٓكِلُونَ مِن شَجَرٖ مِّن زَقُّومٖ

    অবশ্যই তোমরা যাক্কূম (১) বৃক্ষ থেকে ফল ভক্ষণ করবে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  53. ৫৩

    فَمَالِـُٔونَ مِنۡهَا ٱلۡبُطُونَ

    অতঃপর তোমরা তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে।

  54. ৫৪

    فَشَٰرِبُونَ عَلَيۡهِ مِنَ ٱلۡحَمِيمِ

    তদুপরি পান করবে প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানি।

  55. ৫৫

    فَشَٰرِبُونَ شُرۡبَ ٱلۡهِيمِ

    অতঃপর তোমরা প্রচুর পরিমাণে তা পান করবে, তৃষ্ণার্ত উটের ন্যায়।

  56. ৫৬

    هَٰذَا نُزُلُهُمۡ يَوۡمَ ٱلدِّينِ

    প্রতিফল দিবসে এই হবে তাদের মেহমানদারী,

  57. ৫৭

    نَحۡنُ خَلَقۡنَٰكُمۡ فَلَوۡلَا تُصَدِّقُونَ

    আমিই তোমাদেরকে (অনস্তিত্ব থেকে) সৃষ্টি করেছি: তাহলে কেন তোমরা তা বিশ্বাস করছ না? (১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  58. ৫৮

    أَفَرَءَيۡتُم مَّا تُمۡنُونَ

    তোমরা কি ভেবে দেখেছো, (স্ত্রীদের গর্ভাশয়ে) তোমরা যে বীর্যপাত করছ সে সম্পর্কে?

  59. ৫৯

    ءَأَنتُمۡ تَخۡلُقُونَهُۥٓ أَمۡ نَحۡنُ ٱلۡخَٰلِقُونَ

    তোমরা কি এ বীর্য সৃষ্টি করো, না আমিই তার স্রষ্টা?

  60. ৬০

    نَحۡنُ قَدَّرۡنَا بَيۡنَكُمُ ٱلۡمَوۡتَ وَمَا نَحۡنُ بِمَسۡبُوقِينَ

    আমি তোমাদের জন্য মৃত্যু নির্ধারণ করেছি।(১) আর আমি অক্ষম নই,

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  61. ৬১

    عَلَىٰٓ أَن نُّبَدِّلَ أَمۡثَٰلَكُمۡ وَنُنشِئَكُمۡ فِي مَا لَا تَعۡلَمُونَ

    তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের অনুরূপ অন্যদের আনতে এবং তোমাদের এমন এক সৃষ্টিতে সৃষ্টি করতে, যা তোমরা জানো না।

  62. ৬২

    وَلَقَدۡ عَلِمۡتُمُ ٱلنَّشۡأَةَ ٱلۡأُولَىٰ فَلَوۡلَا تَذَكَّرُونَ

    আর অবশ্যই তোমরা প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে অবগত হয়েছো, তবে কেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ করছ না?

  63. ৬৩

    أَفَرَءَيۡتُم مَّا تَحۡرُثُونَ

    তোমরা কি চিন্তা করে দেখেছো, তোমরা জমিনে যা (বীজ) বপন করো সে সম্পর্কে?

  64. ৬৪

    ءَأَنتُمۡ تَزۡرَعُونَهُۥٓ أَمۡ نَحۡنُ ٱلزَّٰرِعُونَ

    তোমরা তা অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি?

  65. ৬৫

    لَوۡ نَشَآءُ لَجَعَلۡنَٰهُ حُطَٰمٗا فَظَلۡتُمۡ تَفَكَّهُونَ

    আমি চাইলে তা খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, (তা দেখে) তখন তোমরা হতভম্ব হয়ে পড়বে,

  66. ৬৬

    إِنَّا لَمُغۡرَمُونَ

    নিশ্চয়ই আমরা তো মহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছি।

  67. ৬৭

    بَلۡ نَحۡنُ مَحۡرُومُونَ

    ‘বরং আমরা হৃত-সর্বস্ব হয়ে পড়েছি।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  68. ৬৮

    أَفَرَءَيۡتُمُ ٱلۡمَآءَ ٱلَّذِي تَشۡرَبُونَ

    তোমরা কি ভেবে দেখেছো, তোমরা যে পানি পান করো সে সম্পর্কে?

  69. ৬৯

    ءَأَنتُمۡ أَنزَلۡتُمُوهُ مِنَ ٱلۡمُزۡنِ أَمۡ نَحۡنُ ٱلۡمُنزِلُونَ

    মেঘমালা থেকে তোমরা কি তা বর্ষণ কর, না আমি বৃষ্টি বর্ষণকারী?

  70. ৭০

    لَوۡ نَشَآءُ جَعَلۡنَٰهُ أُجَاجٗا فَلَوۡلَا تَشۡكُرُونَ

    আমি ইচ্ছা করলে তা লবণাক্ত করে দিতে পারি; তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো না?

  71. ৭১

    أَفَرَءَيۡتُمُ ٱلنَّارَ ٱلَّتِي تُورُونَ

    তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছো কি?

  72. ৭২

    ءَأَنتُمۡ أَنشَأۡتُمۡ شَجَرَتَهَآ أَمۡ نَحۡنُ ٱلۡمُنشِـُٔونَ

    তোমরাই কি এর গাছ (লাকড়ি) উৎপাদন করো, না আমি সৃষ্টি করি?

  73. ৭৩

    نَحۡنُ جَعَلۡنَٰهَا تَذۡكِرَةٗ وَمَتَٰعٗا لِّلۡمُقۡوِينَ

    আমি এ আগুনকে করেছি তোমাদের জন্য উপদেশ ও মরুচারীদের প্রয়োজনীয় বস্তু।

  74. ৭৪

    فَسَبِّحۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلۡعَظِيمِ

    অতএব, তুমি তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ করো।

  75. ৭৫

    ۞ فَلَآ أُقۡسِمُ بِمَوَٰقِعِ ٱلنُّجُومِ

    সুতরাং আমি শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,

  76. ৭৬

    وَإِنَّهُۥ لَقَسَمٞ لَّوۡ تَعۡلَمُونَ عَظِيمٌ

    আর নিশ্চয় এটি এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে(১),

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  77. ৭৭

    إِنَّهُۥ لَقُرۡءَانٞ كَرِيمٞ

    নিশ্চয় এটি মহিমান্বিত আল-কুরআন,

  78. ৭৮

    فِي كِتَٰبٖ مَّكۡنُونٖ

    যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে (আল-লাওহুল মাহফূযে),

  79. ৭৯

    لَّا يَمَسُّهُۥٓ إِلَّا ٱلۡمُطَهَّرُونَ

    পবিত্রগণ ছাড়া কেউ তা স্পর্শ করবে না।

  80. ৮০

    تَنزِيلٞ مِّن رَّبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    এটা (আল-কুরআন) সৃষ্টিকুলের রবের কাছ থেকে নাযিলকৃত।

  81. ৮১

    أَفَبِهَٰذَا ٱلۡحَدِيثِ أَنتُم مُّدۡهِنُونَ

    তবুও কি তোমরা এ বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করছো?

  82. ৮২

    وَتَجۡعَلُونَ رِزۡقَكُمۡ أَنَّكُمۡ تُكَذِّبُونَ

    আর একে মিথ্যারোপ করাকেই তোমরা তোমাদের রিযক বানিয়ে নিয়েছো!(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  83. ৮৩

    فَلَوۡلَآ إِذَا بَلَغَتِ ٱلۡحُلۡقُومَ

    সুতরাং, কেন নয়- যখন রূহ কণ্ঠনালীতে পৌঁছে যায়?(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  84. ৮৪

    وَأَنتُمۡ حِينَئِذٖ تَنظُرُونَ

    আর তখন তোমরা কেবল (মুমূর্ষু ব্যক্তির প্রতি) চেয়ে থাকো।

  85. ৮৫

    وَنَحۡنُ أَقۡرَبُ إِلَيۡهِ مِنكُمۡ وَلَٰكِن لَّا تُبۡصِرُونَ

    আর তোমাদের চাইতে আমি তার খুব কাছে; কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  86. ৮৬

    فَلَوۡلَآ إِن كُنتُمۡ غَيۡرَ مَدِينِينَ

    আচ্ছা,যদি তোমাদের পুনুরুত্থান ও হিসাব-নিকাশ না হওয়াই ঠিক হয় (যেমনটি তোমরা ধারনা করো),

  87. ৮৭

    تَرۡجِعُونَهَآ إِن كُنتُمۡ صَٰدِقِينَ

    তাহলে তোমরা এই আত্মাকে ফিরাও না কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও!

  88. ৮৮

    فَأَمَّآ إِن كَانَ مِنَ ٱلۡمُقَرَّبِينَ

    অতঃপর সে যদি (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,

  89. ৮৯

    فَرَوۡحٞ وَرَيۡحَانٞ وَجَنَّتُ نَعِيمٖ

    তবে তার জন্য থাকবে অফুরন্তু সুখ-শান্তি বিশ্রাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও নি‘আমতে ভরপুর জান্নাত।

  90. ৯০

    وَأَمَّآ إِن كَانَ مِنۡ أَصۡحَٰبِ ٱلۡيَمِينِ

    আর যদি সে ডানদিকের একজন হয়,

  91. ৯১

    فَسَلَٰمٞ لَّكَ مِنۡ أَصۡحَٰبِ ٱلۡيَمِينِ

    তবে (তাকে বলা হবেঃ), ‘তোমাকে সালাম, যেহেতু তুমি ডানদিকের (ডানপন্থী বা ডান দলের) একজন।’

  92. ৯২

    وَأَمَّآ إِن كَانَ مِنَ ٱلۡمُكَذِّبِينَ ٱلضَّآلِّينَ

    আর সে যদি (আল্লাহকে) অস্বীকারকারী ও পথভ্রষ্ট দলের একজন হয়,

  93. ৯৩

    فَنُزُلٞ مِّنۡ حَمِيمٖ

    তবে তার মেহমানদারী হবে প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানি দিয়ে,

  94. ৯৪

    وَتَصۡلِيَةُ جَحِيمٍ

    আর সে জাহান্নামের আগুনে দগ্ধ হবে।

  95. ৯৫

    إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ حَقُّ ٱلۡيَقِينِ

    নিশ্চয় এটা সুনিশ্চিত সত্য।

  96. ৯৬

    فَسَبِّحۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلۡعَظِيمِ

    অতএব তুমি তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ করো।

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।