আল-মাআরিজ
المعارج
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
-
১
سَأَلَ سَآئِلُۢ بِعَذَابٖ وَاقِعٖ
একজন প্রশ্নকারী(১) সেই অবধারিত শাস্তি কামনা করে প্রশ্ন করল।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২
لِّلۡكَٰفِرِينَ لَيۡسَ لَهُۥ دَافِعٞ
যা কাফিরদের জন্যে অবধারিত, যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।
-
৩
مِّنَ ٱللَّهِ ذِي ٱلۡمَعَارِجِ
এটি (এ শাস্তি আসবে) আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি ঊর্ধ্বারোহণের সোপানসমূহের অধিকারী,
-
৪
تَعۡرُجُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ إِلَيۡهِ فِي يَوۡمٖ كَانَ مِقۡدَارُهُۥ خَمۡسِينَ أَلۡفَ سَنَةٖ
ফিরিশতাগণ ও রূহ (জিবরীল) এমন এক দিনে আল্লাহর পানে ঊর্ধ্বগামী হবে, যার পরিমাণ (দুনিয়ার সময় গণনা হিসেবে) পঞ্চাশ হাজার বছর।
-
৫
فَٱصۡبِرۡ صَبۡرٗا جَمِيلًا
কাজেই, (হে রাসূল!) তুমি উত্তমরূপে ধৈর্যধারণ করো।
-
৬
إِنَّهُمۡ يَرَوۡنَهُۥ بَعِيدٗا
তারা (ঐ দিনের) শাস্তিকে সুদূর (ও অসম্ভব) মনে করে,
-
৭
وَنَرَىٰهُ قَرِيبٗا
অথচ আমি দেখছি তা আসন্ন।
-
৮
يَوۡمَ تَكُونُ ٱلسَّمَآءُ كَٱلۡمُهۡلِ
সেদিন আসমান হয়ে যাবে গলিত ধাতুর ন্যায়।
-
৯
وَتَكُونُ ٱلۡجِبَالُ كَٱلۡعِهۡنِ
এবং পাহাড়সমূহ হয়ে যাবে ধুনিত রঙিন পশমের ন্যায়।
-
১০
وَلَا يَسۡـَٔلُ حَمِيمٌ حَمِيمٗا
আর (সেদিন) এক অন্তরঙ্গ বন্ধু অপর অন্তরঙ্গ বন্ধুর খোঁজ নিবে না।
-
১১
يُبَصَّرُونَهُمۡۚ يَوَدُّ ٱلۡمُجۡرِمُ لَوۡ يَفۡتَدِي مِنۡ عَذَابِ يَوۡمِئِذِۭ بِبَنِيهِ
তাদেরকে একে অপরের সামনে উপস্থিত করা হবে। সেদিনের শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অপরাধী কামনা করবে, যদি সে তার সন্তানদের মুক্তিপণ হিসেবে দিতে পারত।
-
১২
وَصَٰحِبَتِهِۦ وَأَخِيهِ
এবং তার স্ত্রী ও তার ভাইকেও (মুক্তিপণ হিসেবে দিতে পারত)।
-
১৩
وَفَصِيلَتِهِ ٱلَّتِي تُـٔۡوِيهِ
এবং তার সেই গোত্র-পরিজনকেও, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
-
১৪
وَمَن فِي ٱلۡأَرۡضِ جَمِيعٗا ثُمَّ يُنجِيهِ
এবং পৃথিবীতে যারা আছে তাদের সবাইকেও (মুক্তিপণ হিসেবে দিতে চাইবে); তারপরও যদি তা তাকে রক্ষা করতে পারত!
-
১৫
كَلَّآۖ إِنَّهَا لَظَىٰ
কখনো নয়!(১) এটিতো লেলিহান আগুন।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১৬
نَزَّاعَةٗ لِّلشَّوَىٰ
যা (১) মাথার চামড়া খসিয়ে নিবে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১৭
تَدۡعُواْ مَنۡ أَدۡبَرَ وَتَوَلَّىٰ
জাহান্নাম তাকে ডাকবে যে (দুনিয়াতে সত্যের প্রতি) পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল এবং (তা থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।
-
১৮
وَجَمَعَ فَأَوۡعَىٰٓ
আর সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর তা (আল্লাহর পথে ব্যয় না করে) আগলিয়ে রেখেছিল।
-
১৯
۞ إِنَّ ٱلۡإِنسَٰنَ خُلِقَ هَلُوعًا
নিশ্চয় মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে, অতি লোভী করে।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২০
إِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ جَزُوعٗا
যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে তখন সে অতিমাত্রায় উৎকণ্ঠিত (ধৈর্যহীন) হয়ে পড়ে।
-
২১
وَإِذَا مَسَّهُ ٱلۡخَيۡرُ مَنُوعًا
আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে অতিশয় কৃপণ হয়ে যায়।
-
২২
إِلَّا ٱلۡمُصَلِّينَ
তবে সালাত আদায়কারীগণ ছাড়া,
-
২৩
ٱلَّذِينَ هُمۡ عَلَىٰ صَلَاتِهِمۡ دَآئِمُونَ
যারা তাদের সালাতের ব্যাপারে নিয়মিত।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২৪
وَٱلَّذِينَ فِيٓ أَمۡوَٰلِهِمۡ حَقّٞ مَّعۡلُومٞ
আর যাদের ধন-সম্পদে রয়েছে, নির্ধারিত অধিকার,
-
২৫
لِّلسَّآئِلِ وَٱلۡمَحۡرُومِ
এমন সব লোকদের, যারা (অন্যদের কাছে) চায় (অভাবী) এবং (জীবিকা থেকে) বঞ্চিত,
-
২৬
وَٱلَّذِينَ يُصَدِّقُونَ بِيَوۡمِ ٱلدِّينِ
আর যারা প্রতিদান দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
-
২৭
وَٱلَّذِينَ هُم مِّنۡ عَذَابِ رَبِّهِم مُّشۡفِقُونَ
আর যারা তাদের রবের শাস্তি সম্পর্কে ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে।
-
২৮
إِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمۡ غَيۡرُ مَأۡمُونٖ
নিশ্চয় তাদের রবের শাস্তি থেকে কেউ নিরাপদ নয়।
-
২৯
وَٱلَّذِينَ هُمۡ لِفُرُوجِهِمۡ حَٰفِظُونَ
আর যারা তাদের যৌনাংগসমূহকে (১) হিফাযতকারী।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩০
إِلَّا عَلَىٰٓ أَزۡوَٰجِهِمۡ أَوۡ مَا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُهُمۡ فَإِنَّهُمۡ غَيۡرُ مَلُومِينَ
তবে তাদের স্ত্রীগণ এবং অধিকারভুক্ত দাসীগণের ব্যাপার ভিন্ন। তারা সে ক্ষেত্রে নিন্দনীয় হবে না।
-
৩১
فَمَنِ ٱبۡتَغَىٰ وَرَآءَ ذَٰلِكَ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡعَادُونَ
তবে কেউ এদের বাইরে অন্যকে (যৌনসম্ভোগের জন্যে) কামনা করলে, তারা হবে সীমালঙ্ঘনকারী।
-
৩২
وَٱلَّذِينَ هُمۡ لِأَمَٰنَٰتِهِمۡ وَعَهۡدِهِمۡ رَٰعُونَ
আর যারা নিজেদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষাকারী,
-
৩৩
وَٱلَّذِينَ هُم بِشَهَٰدَٰتِهِمۡ قَآئِمُونَ
আর যারা (সত্যের পক্ষে) সাক্ষ্যদানে অটল,
-
৩৪
وَٱلَّذِينَ هُمۡ عَلَىٰ صَلَاتِهِمۡ يُحَافِظُونَ
আর যারা নিজেদের সালাতের হিফাযত করে,
-
৩৫
أُوْلَٰٓئِكَ فِي جَنَّٰتٖ مُّكۡرَمُونَ
(পরকালে) তারাই জান্নাতসমূহে সম্মানিত হবে।
-
৩৬
فَمَالِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ قِبَلَكَ مُهۡطِعِينَ
কাফিরদের কী হলো যে, তারা তোমার দিকে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে,
-
৩৭
عَنِ ٱلۡيَمِينِ وَعَنِ ٱلشِّمَالِ عِزِينَ
ডান ও বাম দিক থেকে দলে দলে।
-
৩৮
أَيَطۡمَعُ كُلُّ ٱمۡرِيٕٖ مِّنۡهُمۡ أَن يُدۡخَلَ جَنَّةَ نَعِيمٖ
তাদের প্রত্যেক ব্যক্তি কি আশা করে যে, তাকে প্রাচুর্যময় জান্নাতে দাখিল করা হবে? (১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৯
كَلَّآۖ إِنَّا خَلَقۡنَٰهُم مِّمَّا يَعۡلَمُونَ
কখনো নয়, নিশ্চয় আমি তাদেরকে (নগণ্য পানি থেকে) সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।
-
৪০
فَلَآ أُقۡسِمُ بِرَبِّ ٱلۡمَشَٰرِقِ وَٱلۡمَغَٰرِبِ إِنَّا لَقَٰدِرُونَ
অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের রবের শপথ করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম,
-
৪১
عَلَىٰٓ أَن نُّبَدِّلَ خَيۡرٗا مِّنۡهُمۡ وَمَا نَحۡنُ بِمَسۡبُوقِينَ
তাদের চাইতে উত্তমদেরকে তাদের স্থলে নিয়ে আসতে এবং আমি (তাদেরকে ধ্বংস করতে) অক্ষম নই।
-
৪২
فَذَرۡهُمۡ يَخُوضُواْ وَيَلۡعَبُواْ حَتَّىٰ يُلَٰقُواْ يَوۡمَهُمُ ٱلَّذِي يُوعَدُونَ
অতএব হে রাসূল! তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা বেহুদা কথায় মত্ত থাকুক আর খেল-তামাশা করুক; যতক্ষণ না তারা দেখা পায় সেদিনের , যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।
-
৪৩
يَوۡمَ يَخۡرُجُونَ مِنَ ٱلۡأَجۡدَاثِ سِرَاعٗا كَأَنَّهُمۡ إِلَىٰ نُصُبٖ يُوفِضُونَ
যেদিন দ্রুতবেগে তারা কবর থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোন লক্ষ্যের দিকে ছুটছে,
-
৪৪
خَٰشِعَةً أَبۡصَٰرُهُمۡ تَرۡهَقُهُمۡ ذِلَّةٞۚ ذَٰلِكَ ٱلۡيَوۡمُ ٱلَّذِي كَانُواْ يُوعَدُونَ
তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, আর লাঞ্ছনা তাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে। এ-ই সেই দিন, যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেওয়া হতো।
অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.
আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).
এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।