আন-নাবা
النبإ
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
-
১
عَمَّ يَتَسَآءَلُونَ
তারা কী বিষয় সম্পর্কে একে অপরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
-
২
عَنِ ٱلنَّبَإِ ٱلۡعَظِيمِ
সেই মহাসংবাদ সম্পর্কে,(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩
ٱلَّذِي هُمۡ فِيهِ مُخۡتَلِفُونَ
যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪
كَلَّا سَيَعۡلَمُونَ
কখনো না, অচিরেই তারা জানতে পারবে।
-
৫
ثُمَّ كَلَّا سَيَعۡلَمُونَ
তারপর কখনোই না, তারা অচিরেই জানতে পারবে।
-
৬
أَلَمۡ نَجۡعَلِ ٱلۡأَرۡضَ مِهَٰدٗا
আমি কি জমিনকে তাদের জন্যে শয্যা বানাইনি?
-
৭
وَٱلۡجِبَالَ أَوۡتَادٗا
আর পর্বতসমূহকে পেরেক?
-
৮
وَخَلَقۡنَٰكُمۡ أَزۡوَٰجٗا
আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি (নারী-পুরুষে) জোড়ায় জোড়ায়।
-
৯
وَجَعَلۡنَا نَوۡمَكُمۡ سُبَاتٗا
আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে (কর্মবিরতীর মাধ্যমে) বানিয়েছি বিশ্রাম।
-
১০
وَجَعَلۡنَا ٱلَّيۡلَ لِبَاسٗا
আর আমি রাতকে আবরণ করেছি।
-
১১
وَجَعَلۡنَا ٱلنَّهَارَ مَعَاشٗا
আর আমি দিনকে বানিয়েছি জীবিকার্জনের সময়।
-
১২
وَبَنَيۡنَا فَوۡقَكُمۡ سَبۡعٗا شِدَادٗا
আর আমি তোমাদের ওপরে বানিয়েছি সাতটি সুদৃঢ় আকাশ।
-
১৩
وَجَعَلۡنَا سِرَاجٗا وَهَّاجٗا
আর আমি সৃষ্টি করেছি উজ্জ্বল একটি প্রদীপ (সূর্য)।
-
১৪
وَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلۡمُعۡصِرَٰتِ مَآءٗ ثَجَّاجٗا
আর আমি মেঘমালা থেকে মুষলধারে (বৃষ্টির) পানি বর্ষণ করেছি।
-
১৫
لِّنُخۡرِجَ بِهِۦ حَبّٗا وَنَبَاتٗا
যাতে তা দিয়ে আমি শস্য ও উদ্ভিদ উৎপন্ন করতে পারি।
-
১৬
وَجَنَّٰتٍ أَلۡفَافًا
আর ঘন উদ্যানসমূহ।
-
১৭
إِنَّ يَوۡمَ ٱلۡفَصۡلِ كَانَ مِيقَٰتٗا
নিশ্চয় বিচার-ফয়সালার দিন নির্ধারিত আছে।
-
১৮
يَوۡمَ يُنفَخُ فِي ٱلصُّورِ فَتَأۡتُونَ أَفۡوَاجٗا
সেদিন শিঙ্গায় (দ্বিতীয়বার) ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে উপস্থিত হবে।
-
১৯
وَفُتِحَتِ ٱلسَّمَآءُ فَكَانَتۡ أَبۡوَٰبٗا
আর সেদিন আসমানকে খুলে দেওয়া হবে, ফলে তা বহু খোলা দরজায় পরিণত হবে।
-
২০
وَسُيِّرَتِ ٱلۡجِبَالُ فَكَانَتۡ سَرَابًا
আর পর্বতমালাকে চালিত করা হবে। ফলে সেগুলো (ধুলিকণার রূপ ধারণ করে) মরিচিকায় পরিণত হবে।
-
২১
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتۡ مِرۡصَادٗا
নিশ্চয় জাহান্নাম (তার অধিবাসীদের জন্য) গোপন ফাঁদ,
-
২২
لِّلطَّٰغِينَ مَـَٔابٗا
সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন স্থল।
-
২৩
لَّٰبِثِينَ فِيهَآ أَحۡقَابٗا
সেখানে তারা অনন্তকাল ধরে অবস্থান করবে।
-
২৪
لَّا يَذُوقُونَ فِيهَا بَرۡدٗا وَلَا شَرَابًا
সেখানে তারা কোন ঠাণ্ডা ও পানীয় (কিছুই) আস্বাদন করবে না।
-
২৫
إِلَّا حَمِيمٗا وَغَسَّاقٗا
ফুটন্ত পানি ও (জাহান্নামীদের প্রবাহিত) পুঁজ ছাড়া।
-
২৬
جَزَآءٗ وِفَاقًا
(কুফরী ও ভ্রষ্টতার) উপযুক্ত প্রতিফলস্বরূপ।
-
২৭
إِنَّهُمۡ كَانُواْ لَا يَرۡجُونَ حِسَابٗا
নিশ্চয় তারা (দুনিয়ার জীবনে) হিসাব-নিকাশের ভয় করত না।
-
২৮
وَكَذَّبُواْ بِـَٔايَٰتِنَا كِذَّابٗا
আর তারা আমার আয়াতসমূহকে সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল।
-
২৯
وَكُلَّ شَيۡءٍ أَحۡصَيۡنَٰهُ كِتَٰبٗا
আর আমি (আমলনামার) সব কিছুই লিখিতভাবে সংরক্ষণ করেছি।
-
৩০
فَذُوقُواْ فَلَن نَّزِيدَكُمۡ إِلَّا عَذَابًا
সুতরাং তোমরা (শাস্তির) স্বাদ গ্রহণ করো। আর আমি তো কেবল তোমাদের (শাস্তির ওপর) শাস্তিই বৃদ্ধি করবো।
-
৩১
إِنَّ لِلۡمُتَّقِينَ مَفَازًا
নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সফলতা (জান্নাত)।
-
৩২
حَدَآئِقَ وَأَعۡنَٰبٗا
উদ্যানসমূহ ও আঙ্গুরসমূহ।
-
৩৩
وَكَوَاعِبَ أَتۡرَابٗا
আর সমবয়স্কা উঠন্ত যৌবনা তরুণী।
-
৩৪
وَكَأۡسٗا دِهَاقٗا
আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।
-
৩৫
لَّا يَسۡمَعُونَ فِيهَا لَغۡوٗا وَلَا كِذَّٰبٗا
তারা সেখানে কোন অসার ও মিথ্যা কথা শুনবে না।
-
৩৬
جَزَآءٗ مِّن رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابٗا
তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দানস্বরূপ।
-
৩৭
رَّبِّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَا ٱلرَّحۡمَٰنِۖ لَا يَمۡلِكُونَ مِنۡهُ خِطَابٗا
যিনি আসমানসমূহ, জমিন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, পরম করুণাময়। তারা তাঁর সামনে কথা বলার সামর্থ্য রাখবে না।
-
৩৮
يَوۡمَ يَقُومُ ٱلرُّوحُ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ صَفّٗاۖ لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنۡ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحۡمَٰنُ وَقَالَ صَوَابٗا
সেদিন রূহ (জিবরীল) ও ফিরিশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে, যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দিবেন সে ছাড়া অন্যরা কোন কথা বলবে না। আর সে সঠিক কথাই বলবে।
-
৩৯
ذَٰلِكَ ٱلۡيَوۡمُ ٱلۡحَقُّۖ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ مَـَٔابًا
ঐ দিনটি সত্য। অতএব, যে (মুক্তি লাভ করতে) চায়, সে তার রবের নিকট আশ্রয় গ্রহণ করুক।
-
৪০
إِنَّآ أَنذَرۡنَٰكُمۡ عَذَابٗا قَرِيبٗا يَوۡمَ يَنظُرُ ٱلۡمَرۡءُ مَا قَدَّمَتۡ يَدَاهُ وَيَقُولُ ٱلۡكَافِرُ يَٰلَيۡتَنِي كُنتُ تُرَٰبَۢا
নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে একটি নিকটবর্তী শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম। যেদিন মানুষ দেখতে পাবে, তার দু’হাত কী (আমলনামা) অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কাফির (আফসোস করে) বলবে: ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম!’
অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.
আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).
এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।