মূল অংশে যান

আশ-শুআরা

الشعراء

সূরা ২৬ মাক্কী ২২৭ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    طسٓمٓ

    ত্বা-সীন-মীম।

  2. ২

    تِلۡكَ ءَايَٰتُ ٱلۡكِتَٰبِ ٱلۡمُبِينِ

    এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

  3. ৩

    لَعَلَّكَ بَٰخِعٞ نَّفۡسَكَ أَلَّا يَكُونُواْ مُؤۡمِنِينَ

    (হে রাসূল!) তারা মু’মিন হবে না বলে সম্ভবত তুমি (তাদের হিদায়াতের আশায় ও তাদের কর্মকাণ্ডে মনঃকষ্টে) নিজেকে ধ্বংস করে দিবে।

  4. ৪

    إِن نَّشَأۡ نُنَزِّلۡ عَلَيۡهِم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ ءَايَةٗ فَظَلَّتۡ أَعۡنَٰقُهُمۡ لَهَا خَٰضِعِينَ

    আমি ইচ্ছা করলে আসমান থেকে তাদের ওপর এমন নিদর্শন অবতীর্ণ করতাম, ফলে তার প্রতি তাদের ঘাড়গুলো নত হয়ে যেতো।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  5. ৫

    وَمَا يَأۡتِيهِم مِّن ذِكۡرٖ مِّنَ ٱلرَّحۡمَٰنِ مُحۡدَثٍ إِلَّا كَانُواْ عَنۡهُ مُعۡرِضِينَ

    আর যখনই তাদের কাছে পরম করুণাময়ের পক্ষ থেকে (তাঁর তাওহীদ ও তাঁর নবীর সত্যতার প্রমাণাদিসহ) কোনো নতুন উপদেশ আসে, তখনই তারা তা থেকে বিমুখ হয়।

  6. ৬

    فَقَدۡ كَذَّبُواْ فَسَيَأۡتِيهِمۡ أَنۢبَٰٓؤُاْ مَا كَانُواْ بِهِۦ يَسۡتَهۡزِءُونَ

    অতএব অবশ্যই তারা অস্বীকার করেছে। কাজেই তারা যা (যে শাস্তি) নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতো, তার সংবাদ অচিরেই তাদের কাছে এসে পড়বে।

  7. ৭

    أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ إِلَى ٱلۡأَرۡضِ كَمۡ أَنۢبَتۡنَا فِيهَا مِن كُلِّ زَوۡجٖ كَرِيمٍ

    তারা কি জমিনের দিকে তাকিয়ে দেখেনি যে, আমি তাতে প্রত্যেক প্রকারের বহু উৎকৃষ্ট উদ্ভিদ উদ্‌গত করেছি?

  8. ৮

    إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗۖ وَمَا كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّؤۡمِنِينَ

    নিশ্চয় এতে রয়েছে নিদর্শন(১), তারপরও তাদের অধিকাংশই মু’মিন নয়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  9. ৯

    وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আর নিশ্চয় তোমার রব, তিনি তো মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

  10. ১০

    وَإِذۡ نَادَىٰ رَبُّكَ مُوسَىٰٓ أَنِ ٱئۡتِ ٱلۡقَوۡمَ ٱلظَّٰلِمِينَ

    আর (হে রাসূল!) স্মরণ করো সে সময়ের কথা, যখন তোমার রব মূসাকে ডেকে বললেন, ‘তুমি যালিম সম্প্রদায়ের কাছে যাও।’

  11. ১১

    قَوۡمَ فِرۡعَوۡنَۚ أَلَا يَتَّقُونَ

    ‘ফির‘আউনের সম্প্রদায়ের কাছে। তারা কি (আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই) ভয় করবে না?’

  12. ১২

    قَالَ رَبِّ إِنِّيٓ أَخَافُ أَن يُكَذِّبُونِ

    মূসা বললো: ‘হে আমার রব! আমি অবশ্যই আশঙ্কা করছি যে, তারা আমাকে মিথ্যারোপ করবে।’

  13. ১৩

    وَيَضِيقُ صَدۡرِي وَلَا يَنطَلِقُ لِسَانِي فَأَرۡسِلۡ إِلَىٰ هَٰرُونَ

    আর (তাদের মিথ্যারোপের দরুন) আমার বক্ষ সংকুচিত হয়ে আসে এবং আমার জিহ্বা স্বচ্ছন্দে চলে না। সুতরাং আপনি হারূনের কাছে (ওহী) পাঠান।

  14. ১৪

    وَلَهُمۡ عَلَيَّ ذَنۢبٞ فَأَخَافُ أَن يَقۡتُلُونِ

    ‘উপরন্তু (কিবতীকে মারার কারণে) আমার বিরুদ্ধে তাদের কাছে একটি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ফলে আমি আশঙ্কা করছি যে, তারা আমাকে হত্যা করে ফেলবে।’

  15. ১৫

    قَالَ كَلَّاۖ فَٱذۡهَبَا بِـَٔايَٰتِنَآۖ إِنَّا مَعَكُم مُّسۡتَمِعُونَ

    তিনি বললেন, কখনোই না! তোমরা দু’জন আমার নিদর্শনসমূহ নিয়ে যাও; নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সঙ্গে আছি, সবকিছু শুনছি।

  16. ১৬

    فَأۡتِيَا فِرۡعَوۡنَ فَقُولَآ إِنَّا رَسُولُ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘সুতরাং তোমরা উভয়ে ফির‘আউনের কাছে গিয়ে বলো, ‘নিশ্চয় আমরা বিশ্বজগতের রবের রাসূল।’

  17. ১৭

    أَنۡ أَرۡسِلۡ مَعَنَا بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ

    ‘যাতে তুমি বানূ ইসরাঈলকে আমাদের সাথে পাঠাও।’

  18. ১৮

    قَالَ أَلَمۡ نُرَبِّكَ فِينَا وَلِيدٗا وَلَبِثۡتَ فِينَا مِنۡ عُمُرِكَ سِنِينَ

    ফির‘আউন (মূসাকে) বললো: ‘আমি কি তোমাকে শৈশবে আমাদের মাঝে লালন পালন করিনি? আর তুমি তোমার জীবনের অনেক বছর আমাদের মধ্যে অবস্থান করেছো।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  19. ১৯

    وَفَعَلۡتَ فَعۡلَتَكَ ٱلَّتِي فَعَلۡتَ وَأَنتَ مِنَ ٱلۡكَٰفِرِينَ

    ‘আর তুমি তোমার কর্ম (১) যা করার তা করেছো এবং তুমি অকৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  20. ২০

    قَالَ فَعَلۡتُهَآ إِذٗا وَأَنَا۠ مِنَ ٱلضَّآلِّينَ

    মূসা (নিজ দোষ স্বীকার করে) বললো: ‘আমি এটি তখন করেছিলাম, যখন আমি পথহারাদের অন্তর্ভূক্ত ছিলাম ।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  21. ২১

    فَفَرَرۡتُ مِنكُمۡ لَمَّا خِفۡتُكُمۡ فَوَهَبَ لِي رَبِّي حُكۡمٗا وَجَعَلَنِي مِنَ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    ‘অতঃপর যখন আমি তোমাদেরকে ভয় করলাম, তখন আমি তোমাদের থেকে (মাদয়ানে) পালিয়ে গেলাম। তারপর আমার রব আমাকে প্রজ্ঞা (নবুওয়্যাত) দান করলেন এবং আমাকে রাসূলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন’।

  22. ২২

    وَتِلۡكَ نِعۡمَةٞ تَمُنُّهَا عَلَيَّ أَنۡ عَبَّدتَّ بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ

    ‘আর (আমাকে লালন-পালন করার) যে অনুগ্রহের খোঁটা তুমি আমাকে দিচ্ছো, তাতো এই জন্যে যে, তুমি বানূ ইসরাঈলকে দাস বানিয়ে রেখেছো।’

  23. ২৩

    قَالَ فِرۡعَوۡنُ وَمَا رَبُّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ফির‘আউন বললো, ‘সৃষ্টিকুলের রব আবার কে?’

  24. ২৪

    قَالَ رَبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَآۖ إِن كُنتُم مُّوقِنِينَ

    মূসা বললো: ‘যিনি আসমানসমূহ ও জমিন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হয়ে থাকো।’

  25. ২৫

    قَالَ لِمَنۡ حَوۡلَهُۥٓ أَلَا تَسۡتَمِعُونَ

    ফির‘আউন তার আশেপাশে থাকা লোকদেরকে (নেতাদেরকে) বললো: ‘তোমরা কি মনোযোগসহ শুনছো না?’

  26. ২৬

    قَالَ رَبُّكُمۡ وَرَبُّ ءَابَآئِكُمُ ٱلۡأَوَّلِينَ

    মূসা বললো: ‘তিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও রব।’

  27. ২৭

    قَالَ إِنَّ رَسُولَكُمُ ٱلَّذِيٓ أُرۡسِلَ إِلَيۡكُمۡ لَمَجۡنُونٞ

    ফির‘আউন বললো: ‘তোমাদের কাছে প্রেরিত তোমাদের এই রাসূল অবশ্যই পাগল।’

  28. ২৮

    قَالَ رَبُّ ٱلۡمَشۡرِقِ وَٱلۡمَغۡرِبِ وَمَا بَيۡنَهُمَآۖ إِن كُنتُمۡ تَعۡقِلُونَ

    মূসা বললো: ‘তিনি পূর্ব ও পশ্চিম এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব; যদি তোমাদের বিবেক-বুদ্ধি থাকে, তাহলে তোমরা তা বুঝতে পারবে।’

  29. ২৯

    قَالَ لَئِنِ ٱتَّخَذۡتَ إِلَٰهًا غَيۡرِي لَأَجۡعَلَنَّكَ مِنَ ٱلۡمَسۡجُونِينَ

    ফির‘আউন (মূসার সাথে তর্কে অক্ষম হয়ে) বললো: ‘যদি তুমি আমাকে ছাড়া কাউকে ইলাহরূপে গ্রহণ করো, তাহলে অবশ্যই আমি তোমাকে কারারুদ্ধদের অন্তর্ভুক্ত করব।’

  30. ৩০

    قَالَ أَوَلَوۡ جِئۡتُكَ بِشَيۡءٖ مُّبِينٖ

    মূসা বলল, ‘আমি যদি তোমার কাছে স্পষ্ট কোনো নিদর্শন নিয়ে আসি, (তবুও কি তুমি তা অস্বীকার করবে?)’

  31. ৩১

    قَالَ فَأۡتِ بِهِۦٓ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ

    ফির‘আউন বললো: ‘তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে, তা নিয়ে এসো।’

  32. ৩২

    فَأَلۡقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعۡبَانٞ مُّبِينٞ

    অতঃপর সে তার (হাতের ) লাঠিটি (জমিনে) ফেলে দিলো, ফলে তৎক্ষণাৎ তা একটি স্পষ্ট অজগর সাপে পরিণত হলো।

  33. ৩৩

    وَنَزَعَ يَدَهُۥ فَإِذَا هِيَ بَيۡضَآءُ لِلنَّٰظِرِينَ

    আর মূসা তার হাত (পকেটে ঢুকিয়ে আবার) বের করলো, ফলে তা তৎক্ষণাৎ দর্শকদের সামনে উজ্জ্বল-সাদা (হাত) হয়ে দেখা দিলো।

  34. ৩৪

    قَالَ لِلۡمَلَإِ حَوۡلَهُۥٓ إِنَّ هَٰذَا لَسَٰحِرٌ عَلِيمٞ

    ফির‘আউন তার আশপাশের পরিষদবৰ্গকে বললো: ‘এ তো এক বিজ্ঞ যাদুকর!’

  35. ৩৫

    يُرِيدُ أَن يُخۡرِجَكُم مِّنۡ أَرۡضِكُم بِسِحۡرِهِۦ فَمَاذَا تَأۡمُرُونَ

    ‘সে তোমাদেরকে তার যাদুর (শক্তির) মাধ্যমে তোমাদের দেশ থেকে বের করতে চায়। অতএব, (তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে) তোমরা আমাকে কী পরামর্শ দাও?’

  36. ৩৬

    قَالُوٓاْ أَرۡجِهۡ وَأَخَاهُ وَٱبۡعَثۡ فِي ٱلۡمَدَآئِنِ حَٰشِرِينَ

    তারা বললো: ‘তাকে ও তার ভাইকে (দ্রুত শাস্তি না দিয়ে) কিছু সময়ের জন্য অবকাশ দিন, আর (যাদুকরদেরকে একত্রিত করতে) নগরে নগরে সংগ্রহকারীদেরকে পাঠিয়ে দিন।’

  37. ৩৭

    يَأۡتُوكَ بِكُلِّ سَحَّارٍ عَلِيمٖ

    ‘তারা আপনার নিকট প্রত্যেক বিজ্ঞ যাদুকরকে একত্রিত করবে।’

  38. ৩৮

    فَجُمِعَ ٱلسَّحَرَةُ لِمِيقَٰتِ يَوۡمٖ مَّعۡلُومٖ

    অতঃপর (মূসার সাথে প্রতিযোগিতা করার জন্য) এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে যাদুকরদের একত্র করা হলো।

  39. ৩৯

    وَقِيلَ لِلنَّاسِ هَلۡ أَنتُم مُّجۡتَمِعُونَ

    উপরন্তু লোকদের বলা হলো, ‘তোমরাও কি (সেখানে বিজয়ী লোকটিকে দেখতে) সমবেত হবে?’

  40. ৪০

    لَعَلَّنَا نَتَّبِعُ ٱلسَّحَرَةَ إِن كَانُواْ هُمُ ٱلۡغَٰلِبِينَ

    ‘যাতে আমরা যাদুকরদের (ধর্ম) অনুসরণ করতে পারি, যদি তারা (মূসার ওপর) বিজয়ী হয়।’

  41. ৪১

    فَلَمَّا جَآءَ ٱلسَّحَرَةُ قَالُواْ لِفِرۡعَوۡنَ أَئِنَّ لَنَا لَأَجۡرًا إِن كُنَّا نَحۡنُ ٱلۡغَٰلِبِينَ

    অতঃপর যখন জাদুকররা এলো, তারা ফির‘আউনকে বলল, ‘আমরা যদি বিজয়ী হই, তবে কি আমাদের জন্য নিশ্চিতভাবে কোনো পুরস্কার হবে?’

  42. ৪২

    قَالَ نَعَمۡ وَإِنَّكُمۡ إِذٗا لَّمِنَ ٱلۡمُقَرَّبِينَ

    ফির‘আউন বললো: ‘হ্যাঁ এবং নিশ্চয় তোমরা তখন আমার নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’

  43. ৪৩

    قَالَ لَهُم مُّوسَىٰٓ أَلۡقُواْ مَآ أَنتُم مُّلۡقُونَ

    (যাদু-যুদ্ধের প্রারম্ভে) মূসা তাদেরকে বললো: ‘তোমরা যা (যে যাদু) নিক্ষেপ করার তা নিক্ষেপ করো।’

  44. ৪৪

    فَأَلۡقَوۡاْ حِبَالَهُمۡ وَعِصِيَّهُمۡ وَقَالُواْ بِعِزَّةِ فِرۡعَوۡنَ إِنَّا لَنَحۡنُ ٱلۡغَٰلِبُونَ

    অতঃপর তারা নিজেদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করলো এবং বললো: ‘ফির‘আউনের ইজ্জতের শপথ! অবশ্যই আমরা বিজয়ী হবো।’

  45. ৪৫

    فَأَلۡقَىٰ مُوسَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ تَلۡقَفُ مَا يَأۡفِكُونَ

    অতঃপর মূসা তার হাতের লাঠিটি নিক্ষেপ করলো, ফলে তৎক্ষণাৎ তা (অজগর হয়ে) তাদের অলীক কীর্তিগুলোকে গ্রাস করতে লাগলো।

  46. ৪৬

    فَأُلۡقِيَ ٱلسَّحَرَةُ سَٰجِدِينَ

    তখন যাদুকররা সাজদাবনত হয়ে পড়লো।

  47. ৪৭

    قَالُوٓاْ ءَامَنَّا بِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    তারা বললো: ‘আমরা ঈমান আনলাম সৃষ্টিকুলের রবের প্রতি।’

  48. ৪৮

    رَبِّ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ

    ‘মূসা ও হারূনের রব।’

  49. ৪৯

    قَالَ ءَامَنتُمۡ لَهُۥ قَبۡلَ أَنۡ ءَاذَنَ لَكُمۡۖ إِنَّهُۥ لَكَبِيرُكُمُ ٱلَّذِي عَلَّمَكُمُ ٱلسِّحۡرَ فَلَسَوۡفَ تَعۡلَمُونَۚ لَأُقَطِّعَنَّ أَيۡدِيَكُمۡ وَأَرۡجُلَكُم مِّنۡ خِلَٰفٖ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمۡ أَجۡمَعِينَ

    ফির‘আউন (যাদুকরদের ক্রোধান্বিত হয়ে) বললো: ‘আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা তার প্রতি ঈমান আনলে? নিশ্চয় সে তোমাদের মহাগুরু, যে তোমাদের যাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতএব অচিরেই তোমরা (এর পরিণাম) জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পাসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলবো এবং আমি অবশ্যই তোমাদের সকলকে (খেজুর গাছের গুঁড়িতে) শূলবিদ্ধ করবো।’

  50. ৫০

    قَالُواْ لَا ضَيۡرَۖ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ

    তারা (যাদুকররা) বলল, ‘কোনো ক্ষতি নেই; নিশ্চয় আমরা আমাদের রবের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।’

  51. ৫১

    إِنَّا نَطۡمَعُ أَن يَغۡفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَٰيَٰنَآ أَن كُنَّآ أَوَّلَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    ‘আমরা আশা করি যে, আমাদের রব আমাদের (পূর্বের) অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দিবেন; কারণ আমরা (মূসার ওপর ঈমান আনার ক্ষেত্রে) মু’মিনদের মধ্যে প্রথম।’

  52. ৫২

    ۞ وَأَوۡحَيۡنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنۡ أَسۡرِ بِعِبَادِيٓ إِنَّكُم مُّتَّبَعُونَ

    আর আমি মূসার প্রতি ওয়াহী করলাম যে, ‘আমার বান্দাদের নিয়ে রাত্রিকালে যাত্রা করো, নিশ্চয়ই (তোমাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য ফির‘আউন ও তার সাথীদের কর্তৃক) তোমাদের পিছু নেয়া হবে।’

  53. ৫৩

    فَأَرۡسَلَ فِرۡعَوۡنُ فِي ٱلۡمَدَآئِنِ حَٰشِرِينَ

    অতঃপর ফির‘আউন (বানূ ইসরাঈলকে ফেরত আনার জন্য) নগরে নগরে লোক সংগ্রহকারী (সেনাবাহিনী) পাঠালো।

  54. ৫৪

    إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ لَشِرۡذِمَةٞ قَلِيلُونَ

    (ফির‘আউন তুচ্ছ করে বললো,) ‘নিশ্চয়ই এরা তো ক্ষুদ্র একটি দল।’

  55. ৫৫

    وَإِنَّهُمۡ لَنَا لَغَآئِظُونَ

    আর অবশ্যই তারা আমাদের জন্য চরম ক্রোধ উত্তেজক।

  56. ৫৬

    وَإِنَّا لَجَمِيعٌ حَٰذِرُونَ

    ‘আর (তাদের মোকাবেলায়) আমরা সবাই সদাজাগ্রত সতর্ক একটি সেনাদল।’

  57. ৫৭

    فَأَخۡرَجۡنَٰهُم مِّن جَنَّٰتٖ وَعُيُونٖ

    পরিণামে আমি তাদেরকে (ফির‘আউন ও তার সম্প্রদায়কে মিশরের) উদ্যানমালা ও ঝর্ণাধারাসমূহ থেকে বের করে দিলাম।

  58. ৫৮

    وَكُنُوزٖ وَمَقَامٖ كَرِيمٖ

    এবং ধন-ভাণ্ডার ও সুন্দর ঘর-বাড়ি বিশিষ্ট এলাকা থেকেও।

  59. ৫৯

    كَذَٰلِكَۖ وَأَوۡرَثۡنَٰهَا بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ

    এরূপই ঘটেছিল এবং আমি বানূ ইসরাঈলকে এসবের উত্তরাধিকার বানিয়েছিলাম।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  60. ৬০

    فَأَتۡبَعُوهُم مُّشۡرِقِينَ

    অতঃপর তারা (ফিরআউন ও তার সম্প্রদায়) সূর্য উঠা মাত্রই তাদের (বানূ ইসরাঈলের) পিছু নিলো।

  61. ৬১

    فَلَمَّا تَرَٰٓءَا ٱلۡجَمۡعَانِ قَالَ أَصۡحَٰبُ مُوسَىٰٓ إِنَّا لَمُدۡرَكُونَ

    অতঃপর যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখলো, তখন মূসার সাথীরা বললো: ‘অবশ্যই আমরা ধরা পড়ে গেলাম!’

  62. ৬২

    قَالَ كَلَّآۖ إِنَّ مَعِيَ رَبِّي سَيَهۡدِينِ

    মূসা বললো: ‘কখনই নয়; আমার সাথে আমার রব রয়েছেন। নিশ্চয় অচিরেই তিনি আমাকে (রক্ষার) পথনির্দেশ দিবেন।’

  63. ৬৩

    فَأَوۡحَيۡنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنِ ٱضۡرِب بِّعَصَاكَ ٱلۡبَحۡرَۖ فَٱنفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرۡقٖ كَٱلطَّوۡدِ ٱلۡعَظِيمِ

    অতঃপর আমি মূসার প্রতি ওহী পাঠালাম: ‘তোমার লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত করো।’ ফলে তা (বিদীর্ণ হয়ে) বিভক্ত হয়ে গেলো। তারপর প্রত্যেক ভাগ বিশাল পাহাড়ের মতো হয়ে গেলো।

  64. ৬৪

    وَأَزۡلَفۡنَا ثَمَّ ٱلۡأٓخَرِينَ

    আর আমরা সেখানে কাছে নিয়ে এলাম অন্য দলটিকে,

  65. ৬৫

    وَأَنجَيۡنَا مُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُۥٓ أَجۡمَعِينَ

    আর আমি মূসা ও তার সাথে (বানূ ইসরাঈলের) যারা ছিলো সকলকে উদ্ধার করলাম।

  66. ৬৬

    ثُمَّ أَغۡرَقۡنَا ٱلۡأٓخَرِينَ

    তারপর অপর দলটিকে (ফিরআউন ও তার সম্প্রদায়কে) ডুবিয়ে দিলাম।

  67. ৬৭

    إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗۖ وَمَا كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّؤۡمِنِينَ

    নিশ্চয় এতে(১) রয়েছে নিদর্শন। আর তাদের (ফির‘আউনের সম্প্রদায়ের) অধিকাংশই মু’মিন নয়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  68. ৬৮

    وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আর নিশ্চয় তোমার রব তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

  69. ৬৯

    وَٱتۡلُ عَلَيۡهِمۡ نَبَأَ إِبۡرَٰهِيمَ

    আর তুমি তাদের নিকট ইবরাহীমের ঘটনা বর্ণনা করো।

  70. ৭০

    إِذۡ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوۡمِهِۦ مَا تَعۡبُدُونَ

    যখন সে তার পিতা ও তার জাতিকে বলেছিলো: ‘তোমরা (আল্লাহকে বাদ দিয়ে) কীসের ইবাদাত করো?’

  71. ৭১

    قَالُواْ نَعۡبُدُ أَصۡنَامٗا فَنَظَلُّ لَهَا عَٰكِفِينَ

    তারা বললো: ‘আমরা মূর্তির পূজা করি। অতঃপর এগুলোর পূজায় আমরা নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকব।’

  72. ৭২

    قَالَ هَلۡ يَسۡمَعُونَكُمۡ إِذۡ تَدۡعُونَ

    সে বললো: ‘যখন তোমরা মূর্তিগুলোকে ডাকো, তখন কি তারা তোমাদের ডাক শুনতে পায়?’

  73. ৭৩

    أَوۡ يَنفَعُونَكُمۡ أَوۡ يَضُرُّونَ

    ‘অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?’

  74. ৭৪

    قَالُواْ بَلۡ وَجَدۡنَآ ءَابَآءَنَا كَذَٰلِكَ يَفۡعَلُونَ

    তারা বললো: (না, পারে না।) ‘বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের পেয়েছি, তারা এরূপই (এগুলোর পূজা) করতো।’

  75. ৭৫

    قَالَ أَفَرَءَيۡتُم مَّا كُنتُمۡ تَعۡبُدُونَ

    ইবরাহীম বললো: ‘তোমরা যাদের পূজা করো-তাদের সম্পর্কে তোমরা কি ভেবে দেখেছো?’

  76. ৭৬

    أَنتُمۡ وَءَابَآؤُكُمُ ٱلۡأَقۡدَمُونَ

    ‘তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা?’

  77. ৭৭

    فَإِنَّهُمۡ عَدُوّٞ لِّيٓ إِلَّا رَبَّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘সৃষ্টিকুলের রব ব্যতীত অবশ্যই তারা সকলে আমার শত্রু।’

  78. ৭৮

    ٱلَّذِي خَلَقَنِي فَهُوَ يَهۡدِينِ

    ‘যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনিই আমাকে হিদায়াত দেন।’

  79. ৭৯

    وَٱلَّذِي هُوَ يُطۡعِمُنِي وَيَسۡقِينِ

    ‘আর যিনি আমাকে খাওয়ান এবং পান করান।’

  80. ৮০

    وَإِذَا مَرِضۡتُ فَهُوَ يَشۡفِينِ

    ‘আর যখন আমি অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন।’

  81. ৮১

    وَٱلَّذِي يُمِيتُنِي ثُمَّ يُحۡيِينِ

    ‘আর যিনি আমার (হায়াত শেষে) মৃত্যু দিবেন, অত:পর (মৃত্যুর পর) আমাকে জীবিত করবেন।’

  82. ৮২

    وَٱلَّذِيٓ أَطۡمَعُ أَن يَغۡفِرَ لِي خَطِيٓـَٔتِي يَوۡمَ ٱلدِّينِ

    ‘আর যাঁর কাছে আমি আশা করি, তিনি বিচার দিবসে আমার ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে দিবেন।’

  83. ৮৩

    رَبِّ هَبۡ لِي حُكۡمٗا وَأَلۡحِقۡنِي بِٱلصَّٰلِحِينَ

    (অতপর ইরবাহীম দু‘আ করে বললো) ‘হে আমার রব! আমাকে (দ্বীনের) প্রজ্ঞা দান করুন এবং আমাকে (জান্নাতে) সৎকর্মশীলদের সাথে শামিল করে দিন।’

  84. ৮৪

    وَٱجۡعَل لِّي لِسَانَ صِدۡقٖ فِي ٱلۡأٓخِرِينَ

    ‘এবং পরবর্তী বংশধরদের কাছে আমার উত্তম স্মরণ ও সুন্দর প্রশংসা অব্যাহত রাখুন।’

  85. ৮৫

    وَٱجۡعَلۡنِي مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ ٱلنَّعِيمِ

    ‘আর আপনি আমাকে নি‘আমতে পরিপূর্ণ জান্নাতের অধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।’

  86. ৮৬

    وَٱغۡفِرۡ لِأَبِيٓ إِنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلضَّآلِّينَ

    ‘আর আপনি আমার পিতাকে (হিদায়াতের তাওফীক দিন এবং তাকে) ক্ষমা করুন, নিশ্চয় সে (শিরকের কারণে) পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  87. ৮৭

    وَلَا تُخۡزِنِي يَوۡمَ يُبۡعَثُونَ

    ‘আর যেদিন (হিসাবের জন্য সবাইকে) পুনরুত্থিত করা হবে, সেদিন আমাকে (শাস্তি দিয়ে) লাঞ্ছিত করবেন না।’

  88. ৮৮

    يَوۡمَ لَا يَنفَعُ مَالٞ وَلَا بَنُونَ

    ‘যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো উপকারে আসবে না।’

  89. ৮৯

    إِلَّا مَنۡ أَتَى ٱللَّهَ بِقَلۡبٖ سَلِيمٖ

    ‘তবে যে আল্লাহর কাছে পরিচ্ছন্ন অন্তর নিয়ে আসবে (সেই লাভবান হবে)।’

  90. ৯০

    وَأُزۡلِفَتِ ٱلۡجَنَّةُ لِلۡمُتَّقِينَ

    আর সে দিন মুত্তাকীদের জন্য জান্নাত নিকটবর্তী করা হবে।

  91. ৯১

    وَبُرِّزَتِ ٱلۡجَحِيمُ لِلۡغَاوِينَ

    এবং পথভ্রষ্টকারীদের জন্য জাহান্নাম উন্মোচিত করা হবে।

  92. ৯২

    وَقِيلَ لَهُمۡ أَيۡنَ مَا كُنتُمۡ تَعۡبُدُونَ

    আর তাদেরকে বলা হবে, ‘তারা কোথায় যাদের তোমরা পূজা করতে,

  93. ৯৩

    مِن دُونِ ٱللَّهِ هَلۡ يَنصُرُونَكُمۡ أَوۡ يَنتَصِرُونَ

    ‘আল্লাহর পরিবর্তে?’ তারা কি ( আজ আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করে) তোমাদেরকে সাহায্য করতে পারছে, না তারা নিজেরাই নিজেদের সাহায্য করতে পারছে?

  94. ৯৪

    فَكُبۡكِبُواْ فِيهَا هُمۡ وَٱلۡغَاوُۥنَ

    অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টকারীদেরকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

  95. ৯৫

    وَجُنُودُ إِبۡلِيسَ أَجۡمَعُونَ

    আর ইবলীসের সকল সৈন্যবাহিনীকেও।

  96. ৯৬

    قَالُواْ وَهُمۡ فِيهَا يَخۡتَصِمُونَ

    সেখানে পরস্পর ঝগড়া করতে গিয়ে তারা বলবে-

  97. ৯৭

    تَٱللَّهِ إِن كُنَّا لَفِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٍ

    ‘আল্লাহর শপথ! আমরা তো সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত ছিলাম’,

  98. ৯৮

    إِذۡ نُسَوِّيكُم بِرَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘যখন আমরা তোমাদেরকে সকল সৃষ্টির রবের সমকক্ষ বানাতাম।’

  99. ৯৯

    وَمَآ أَضَلَّنَآ إِلَّا ٱلۡمُجۡرِمُونَ

    ‘আর অপরাধীরাই শুধু আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলো’;

  100. ১০০

    فَمَا لَنَا مِن شَٰفِعِينَ

    ‘অতএব, (আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচাতে আজ) আমাদের কোনো সুপারিশকারী নেই,

  101. ১০১

    وَلَا صَدِيقٍ حَمِيمٖ

    এবং কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধুও নেই।’

  102. ১০২

    فَلَوۡ أَنَّ لَنَا كَرَّةٗ فَنَكُونَ مِنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    ‘হায়, আমাদের যদি (দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাওয়ার) একবার সুযোগ হতো, তবে আমরা মু’মিনদের অর্ন্তভুক্ত হতাম।’

  103. ১০৩

    إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗۖ وَمَا كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّؤۡمِنِينَ

    নিশ্চয় এতে(১) রয়েছে নিদর্শন, আর তাদের অধিকাংশ মু’মিন নয়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  104. ১০৪

    وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আর নিশ্চয় তোমার রব, তিনি তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

  105. ১০৫

    كَذَّبَتۡ قَوۡمُ نُوحٍ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    নূহের সম্প্রদায় (তার প্রতি মিথ্যারোপ করে মূলত সকল) রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিলো।

  106. ১০৬

    إِذۡ قَالَ لَهُمۡ أَخُوهُمۡ نُوحٌ أَلَا تَتَّقُونَ

    যখন তাদের ভাই নূহ তাদেরকে বলেছিলো: ‘তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না?’

  107. ১০৭

    إِنِّي لَكُمۡ رَسُولٌ أَمِينٞ

    ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রাসূল।’

  108. ১০৮

    فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    ‘সুতরাং তোমরা আল্লাহর নির্দেশ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’

  109. ১০৯

    وَمَآ أَسۡـَٔلُكُمۡ عَلَيۡهِ مِنۡ أَجۡرٍۖ إِنۡ أَجۡرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘আর আমি (এ দাওয়াত পৌঁছানোর বিনিময়ে) তোমাদের কাছ থেকে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান শুধু সৃষ্টিকুলের রবের নিকট।’

  110. ১১০

    فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    ‘সুতরাং তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’

  111. ১১১

    ۞ قَالُوٓاْ أَنُؤۡمِنُ لَكَ وَٱتَّبَعَكَ ٱلۡأَرۡذَلُونَ

    ‘তারা বললো: ‘আমরা কি তোমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবো; অথচ (সমাজের) নিম্নশ্রেণীর লোকেরা তোমাকে অনুসরণ করছে?’

  112. ১১২

    قَالَ وَمَا عِلۡمِي بِمَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ

    নূহ বললো: ‘তারা আগে কি করত, তা জানা আমার কী প্রয়োজন?’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  113. ১১৩

    إِنۡ حِسَابُهُمۡ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّيۖ لَوۡ تَشۡعُرُونَ

    ‘তাদের হিসাব গ্রহণ তো কেবল আমার রবের দায়িত্বে, যদি তোমরা বুঝতে (তবে এ কথা কখনোই বলতে না)।’

  114. ১১৪

    وَمَآ أَنَا۠ بِطَارِدِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    ‘আর আমি তো (তোমাদের ঈমান আনার আশায়) মু’মিনদেরকে (মজলিস থেকে) তাড়িয়ে দেওয়ার নই।’

  115. ১১৫

    إِنۡ أَنَا۠ إِلَّا نَذِيرٞ مُّبِينٞ

    ‘আমি তো শুধু একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’

  116. ১১৬

    قَالُواْ لَئِن لَّمۡ تَنتَهِ يَٰنُوحُ لَتَكُونَنَّ مِنَ ٱلۡمَرۡجُومِينَ

    তারা বললো: ‘হে নূহ! যদি তুমি (এ কাজ থেকে) বিরত না হও, তবে অবশ্যই তুমি পাথরের আঘাতে নিহতদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’

  117. ১১৭

    قَالَ رَبِّ إِنَّ قَوۡمِي كَذَّبُونِ

    নূহ বললো: ‘হে আমার রব! আমার জাতি আমাকে অস্বীকার করেছে।’

  118. ১১৮

    فَٱفۡتَحۡ بَيۡنِي وَبَيۡنَهُمۡ فَتۡحٗا وَنَجِّنِي وَمَن مَّعِيَ مِنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    ‘সুতরাং আপনি আমার ও তাদের মধ্যে একটা চূড়ান্ত ফয়সালা করে দিন।(১) আর আমাকে ও আমার সাথে থাকা মু’মিনদেরকে রক্ষা করুন।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  119. ১১৯

    فَأَنجَيۡنَٰهُ وَمَن مَّعَهُۥ فِي ٱلۡفُلۡكِ ٱلۡمَشۡحُونِ

    অতঃপর আমি (তাঁর এ প্রার্থনা কবুল করলাম এবং) তাঁকে এবং তাঁর সাথে যারা ভরা নৌকায় আরোহী ছিলো তাদেরকে (ধ্বংস থেকে) রক্ষা করলাম।

  120. ১২০

    ثُمَّ أَغۡرَقۡنَا بَعۡدُ ٱلۡبَاقِينَ

    তারপর অবশিষ্ট লোকদেরকে (মহা প্লাবনে) ডুবিয়ে দিলাম।

  121. ১২১

    إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗۖ وَمَا كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّؤۡمِنِينَ

    নিশ্চয় এতে রয়েছে নিদর্শন, বস্তুত তাদের অধিকাংশই মু’মিন ছিল না।

  122. ১২২

    وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আর নিশ্চয় তোমার রব মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

  123. ১২৩

    كَذَّبَتۡ عَادٌ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    ‘আদ সম্প্রদায় রাসূলগণকে অস্বীকার করেছিলো।

  124. ১২৪

    إِذۡ قَالَ لَهُمۡ أَخُوهُمۡ هُودٌ أَلَا تَتَّقُونَ

    যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বলেছিলো: ‘তোমরা কি (গাইরুল্লাহর ইবাদাত পরিত্যাগ করে) আল্লাহকে ভয় করবে না?’

  125. ১২৫

    إِنِّي لَكُمۡ رَسُولٌ أَمِينٞ

    ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রাসূল।’

  126. ১২৬

    فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    ‘তাই তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’

  127. ১২৭

    وَمَآ أَسۡـَٔلُكُمۡ عَلَيۡهِ مِنۡ أَجۡرٍۖ إِنۡ أَجۡرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘আর এর জন্যে আমি তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না; আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট।’

  128. ১২৮

    أَتَبۡنُونَ بِكُلِّ رِيعٍ ءَايَةٗ تَعۡبَثُونَ

    তোমরা কি প্রতিটি উঁচু স্থানে একটি নিদর্শন নির্মাণ কর, যাতে তোমরা অনর্থক খেল-তামাশা কর?(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  129. ১২৯

    وَتَتَّخِذُونَ مَصَانِعَ لَعَلَّكُمۡ تَخۡلُدُونَ

    আর তোমরা অট্টালিকা নির্মাণ কর, যেন তোমরা চিরকাল স্থায়ী হবে?

  130. ১৩০

    وَإِذَا بَطَشۡتُم بَطَشۡتُمۡ جَبَّارِينَ

    আর যখন তোমরা আঘাত কর, তখন তোমরা স্বেচ্ছাচারীর মতো আঘাত কর।

  131. ১৩১

    فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    ‘তাই তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’

  132. ১৩২

    وَٱتَّقُواْ ٱلَّذِيٓ أَمَدَّكُم بِمَا تَعۡلَمُونَ

    ‘আর তোমরা তাঁকে (আল্লাহর অসন্তুষ্টিকে) ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে সাহায্য করেছেন এমন কিছু (নি‘আমতরাজি) দিয়ে, যা তোমরা ভালো করেই জানো।’

  133. ১৩৩

    أَمَدَّكُم بِأَنۡعَٰمٖ وَبَنِينَ

    ‘তিনি তোমাদেরকে সাহায্য করেছেন গবাদি পশু ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা,

  134. ১৩৪

    وَجَنَّٰتٖ وَعُيُونٍ

    আর বাগান ও ঝর্ণাধারা দ্বারা।’

  135. ১৩৫

    إِنِّيٓ أَخَافُ عَلَيۡكُمۡ عَذَابَ يَوۡمٍ عَظِيمٖ

    ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের ওপর এক মহা দিবসের (কিয়ামতের দিনের) শাস্তির ভয় করছি।’

  136. ১৩৬

    قَالُواْ سَوَآءٌ عَلَيۡنَآ أَوَعَظۡتَ أَمۡ لَمۡ تَكُن مِّنَ ٱلۡوَٰعِظِينَ

    তারা বললো: ‘তুমি আমাদের উপদেশ দাও কিংবা না দাও, উভয়ই আমাদের জন্য সমান।’

  137. ১৩৭

    إِنۡ هَٰذَآ إِلَّا خُلُقُ ٱلۡأَوَّلِينَ

    ‘এসব পূর্ববর্তীদের (ধর্ম, অভ্যাস ও) চরিত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।’

  138. ১৩৮

    وَمَا نَحۡنُ بِمُعَذَّبِينَ

    ‘আর আমরা শাস্তিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হব না।’

  139. ১৩৯

    فَكَذَّبُوهُ فَأَهۡلَكۡنَٰهُمۡۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗۖ وَمَا كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّؤۡمِنِينَ

    অতঃপর তারা তাকে (নবী হূদকে) অস্বীকার করলো, ফলে আমি (কঠিন ঝড়ো হাওয়ার মাধ্যমে) তাদেরকে ধ্বংস করে দিলাম। নিশ্চয় এতে (এ ধ্বংসের মাঝে) নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই মু’মিন ছিলো না।

  140. ১৪০

    وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আর নিশ্চয় তোমার রব মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

  141. ১৪১

    كَذَّبَتۡ ثَمُودُ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    সামূদ সম্প্রদায় (নিজেদের নবী সালিহকে অস্বীকার করার মাধ্যমে) রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিলো।

  142. ১৪২

    إِذۡ قَالَ لَهُمۡ أَخُوهُمۡ صَٰلِحٌ أَلَا تَتَّقُونَ

    যখন তাদের ভাই সালিহ তাদেরকে বলেছিলো: ‘তোমরা কি (গাইরুল্লাহর ইবাদাত পরিত্যাগ করে) আল্লাহকে ভয় করবে না?’

  143. ১৪৩

    إِنِّي لَكُمۡ رَسُولٌ أَمِينٞ

    ‘আমি তো তোমাদের জন্যে একজন বিশ্বস্ত রাসূল।’

  144. ১৪৪

    فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    ‘তাই তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’

  145. ১৪৫

    وَمَآ أَسۡـَٔلُكُمۡ عَلَيۡهِ مِنۡ أَجۡرٍۖ إِنۡ أَجۡرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘আর এর জন্যে আমি তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না; আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট।’

  146. ১৪৬

    أَتُتۡرَكُونَ فِي مَا هَٰهُنَآ ءَامِنِينَ

    ‘(তোমরা কি মনে করছো যে,) তোমাদেরকে কি এখানে যা (দুনিয়াতে যে কল্যাণ ও নি‘আমত) আছে, তাতে নিরাপদে ছেড়ে দেওয়া হবে?’

  147. ১৪৭

    فِي جَنَّٰتٖ وَعُيُونٖ

    ‘ সুশোভিত বাগান ও ঝর্ণাধারায়’

  148. ১৪৮

    وَزُرُوعٖ وَنَخۡلٖ طَلۡعُهَا هَضِيمٞ

    ‘আর ক্ষেত-খামার ও সুকোমল গুচ্ছ বিশিষ্ট (কাঁচা ও পাকা) খেজুর বাগানে?’

  149. ১৪৯

    وَتَنۡحِتُونَ مِنَ ٱلۡجِبَالِ بُيُوتٗا فَٰرِهِينَ

    ‘আর তোমরা নৈপুণ্যের সাথে পাহাড় কেটে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছো।’

  150. ১৫০

    فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    ‘তাই তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’

  151. ১৫১

    وَلَا تُطِيعُوٓاْ أَمۡرَ ٱلۡمُسۡرِفِينَ

    আর তোমরা সীমালঙ্ঘনকারীদের নির্দেশ মান্য করো না।

  152. ১৫২

    ٱلَّذِينَ يُفۡسِدُونَ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَلَا يُصۡلِحُونَ

    ‘যারা জমিনে (পাপকর্ম ছড়িয়ে) বিপর্যয় সৃষ্টি করে এবং (আল্লাহর আনুগত্য আঁকড়ে ধরে) নিজেদেরকে সংশোধন করে না।’

  153. ১৫৩

    قَالُوٓاْ إِنَّمَآ أَنتَ مِنَ ٱلۡمُسَحَّرِينَ

    তারা (তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা) বলল: ‘তুমিতো যাদুগ্রস্তদের একজন।’

  154. ১৫৪

    مَآ أَنتَ إِلَّا بَشَرٞ مِّثۡلُنَا فَأۡتِ بِـَٔايَةٍ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ

    ‘তুমি তো কেবল আমাদের মতো একজন মানুষ। সুতরাং তুমি যদি (রিসালাতের দাবিতে) সত্যবাদী হও, তবে কোনো নিদর্শন (মু‘জিযা) নিয়ে এসো।’

  155. ১৫৫

    قَالَ هَٰذِهِۦ نَاقَةٞ لَّهَا شِرۡبٞ وَلَكُمۡ شِرۡبُ يَوۡمٖ مَّعۡلُومٖ

    সালিহ (তাদেরকে) বললো: ‘এটি একটি উষ্ট্রী (এটিই আমার নিদর্শন); তার জন্য রয়েছে পানি পানের পালা, আর তোমাদের জন্য আছে নির্ধারিত দিনে পানি পানের পালা।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  156. ১৫৬

    وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوٓءٖ فَيَأۡخُذَكُمۡ عَذَابُ يَوۡمٍ عَظِيمٖ

    ‘আর তোমরা তাকে (হত্যা করে বা মেরে) কোন অনিষ্ট সাধন করো না; যদি করো, তবে এক মহা দিনের শাস্তি তোমাদেরকে পাকড়াও করবে।’

  157. ১৫৭

    فَعَقَرُوهَا فَأَصۡبَحُواْ نَٰدِمِينَ

    অতঃপর তারা সেটি যবহ করলো; ফলে (কঠিন শাস্তি দেখে) তারা ভীষণভাবে অনুতপ্ত হলো।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  158. ১৫৮

    فَأَخَذَهُمُ ٱلۡعَذَابُۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗۖ وَمَا كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّؤۡمِنِينَ

    ফলে (বিকট আওয়াজ ও ভূমিকম্পের) শাস্তি তাদেরকে পাকড়াও করলো। নিশ্চয় এতে (এ ঘটনায়) রয়েছে নিদর্শন, আর তাদের অধিকাংশই মু’মিন ছিলো না।

  159. ১৫৯

    وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আর নিশ্চয় তোমার রব মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

  160. ১৬০

    كَذَّبَتۡ قَوۡمُ لُوطٍ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    লূতের সম্প্রদায় (নবী লূতকে অস্বীকার করার মাধ্যমে) রাসূলগণকে অস্বীকার করেছিলো।

  161. ১৬১

    إِذۡ قَالَ لَهُمۡ أَخُوهُمۡ لُوطٌ أَلَا تَتَّقُونَ

    যখন তাদের ভাই লূত তাদেরকে বলেছিলো: ‘তোমরা কি (গাইরুল্লাহর ইবাদাত পরিত্যাগ করে) আল্লাহকে ভয় করবে না?’

  162. ১৬২

    إِنِّي لَكُمۡ رَسُولٌ أَمِينٞ

    নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য বিশ্বস্ত রাসূল।

  163. ১৬৩

    فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    ‘তাই তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’

  164. ১৬৪

    وَمَآ أَسۡـَٔلُكُمۡ عَلَيۡهِ مِنۡ أَجۡرٍۖ إِنۡ أَجۡرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘আর এর জন্যে আমি তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না; আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট।’

  165. ১৬৫

    أَتَأۡتُونَ ٱلذُّكۡرَانَ مِنَ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘সৃষ্টিকুলের মধ্যে (যৌনকর্ম করতে) তোমরাই কি কেবল পুরুষের কাছে যাও?’

  166. ১৬৬

    وَتَذَرُونَ مَا خَلَقَ لَكُمۡ رَبُّكُم مِّنۡ أَزۡوَٰجِكُمۚ بَلۡ أَنتُمۡ قَوۡمٌ عَادُونَ

    ‘আর (যৌন চাহিদা পূরণের জন্য) তোমাদের রব তোমাদের জন্য যে স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে তোমরা ত্যাগ করো; বরং তোমরা এক সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।’

  167. ১৬৭

    قَالُواْ لَئِن لَّمۡ تَنتَهِ يَٰلُوطُ لَتَكُونَنَّ مِنَ ٱلۡمُخۡرَجِينَ

    তারা বললো: ‘হে লূত! তুমি যদি (আমাদেরকে এ কাজ করতে নিষেধ করা থেকে) বিরত না হও, তাহলে তুমি অবশ্যই (এ দেশ থেকে) নির্বাসিত হবে।’

  168. ১৬৮

    قَالَ إِنِّي لِعَمَلِكُم مِّنَ ٱلۡقَالِينَ

    লূত বললো: ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের কাজকে ঘৃণা করি।‘

  169. ১৬৯

    رَبِّ نَجِّنِي وَأَهۡلِي مِمَّا يَعۡمَلُونَ

    ‘হে আমার রব! আমাকে এবং আমার পরিবারকে তাদের করণীয় কাজের (অপকর্মের) ক্ষতি থেকে রক্ষা কর।’

  170. ১৭০

    فَنَجَّيۡنَٰهُ وَأَهۡلَهُۥٓ أَجۡمَعِينَ

    অতঃপর আমি তাকে ও তার পরিবার-পরিজন সবাইকে (শাস্তি থেকে) রক্ষা করলাম।

  171. ১৭১

    إِلَّا عَجُوزٗا فِي ٱلۡغَٰبِرِينَ

    তবে পেছনে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত এক বৃদ্ধা ছাড়া।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  172. ১৭২

    ثُمَّ دَمَّرۡنَا ٱلۡأٓخَرِينَ

    অতঃপর (লূত ও তাঁর পরিবার সাদূম এলাকা থেকে বেরিয়ে আসার পরে) অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিলাম।

  173. ১৭৩

    وَأَمۡطَرۡنَا عَلَيۡهِم مَّطَرٗاۖ فَسَآءَ مَطَرُ ٱلۡمُنذَرِينَ

    আর আমি তাদের ওপর (আকাশ থেকে) শিলাবৃষ্টি বর্ষণ করলাম। সুতরাং সেই বৃষ্টি (লূত কর্তৃক শাস্তির) ভীতি প্রদর্শিতদের জন্য কতইনা মন্দ ছিল!

  174. ১৭৪

    إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗۖ وَمَا كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّؤۡمِنِينَ

    নিশ্চয় এতে (এ শাস্তিতে) রয়েছে এক নিদর্শন। আর তাদের অধিকাংশই মু’মিন ছিলো না।

  175. ১৭৫

    وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আর নিশ্চয় তোমার রব মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

  176. ১৭৬

    كَذَّبَ أَصۡحَٰبُ لۡـَٔيۡكَةِ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    আইকার অধিবাসীরা(১) (তাদের নবী শু‘আইবকে অস্বীকার করে মূলত সকল) রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিলো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  177. ১৭৭

    إِذۡ قَالَ لَهُمۡ شُعَيۡبٌ أَلَا تَتَّقُونَ

    যখন (তাদের নবী) শু‘আইব তাদেরকে বলেছিলো: ‘তোমরা কি (গাইরুল্লাহর ইবাদাত পরিত্যাগ করে) আল্লাহকে ভয় করবে না?’

  178. ১৭৮

    إِنِّي لَكُمۡ رَسُولٌ أَمِينٞ

    নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য বিশ্বস্ত রাসূল।

  179. ১৭৯

    فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    ‘তাই তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।’

  180. ১৮০

    وَمَآ أَسۡـَٔلُكُمۡ عَلَيۡهِ مِنۡ أَجۡرٍۖ إِنۡ أَجۡرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    ‘আর এর জন্যে আমি তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না; আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট।’

  181. ১৮১

    ۞ أَوۡفُواْ ٱلۡكَيۡلَ وَلَا تَكُونُواْ مِنَ ٱلۡمُخۡسِرِينَ

    ‘তোমরা (বেচা-কেনার সময়) মাপে পূর্ণ মাত্রায় দাও এবং যারা মাপে ঘাটতি করে, তোমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।’

  182. ১৮২

    وَزِنُواْ بِٱلۡقِسۡطَاسِ ٱلۡمُسۡتَقِيمِ

    ‘আর (ওজন করার সময়) সঠিক দাঁড়িপাল্লায় ওজন করো।’

  183. ১৮৩

    وَلَا تَبۡخَسُواْ ٱلنَّاسَ أَشۡيَآءَهُمۡ وَلَا تَعۡثَوۡاْ فِي ٱلۡأَرۡضِ مُفۡسِدِينَ

    ‘আর মানুষকে তাদের প্রাপ্যবস্তু কম দিও না এবং জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না।’

  184. ১৮৪

    وَٱتَّقُواْ ٱلَّذِي خَلَقَكُمۡ وَٱلۡجِبِلَّةَ ٱلۡأَوَّلِينَ

    ‘যিনি তোমাদেরকে ও পূর্ববর্তী প্রজন্মসমূহকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে তাকে ভয় করো।’

  185. ১৮৫

    قَالُوٓاْ إِنَّمَآ أَنتَ مِنَ ٱلۡمُسَحَّرِينَ

    তারা বললো: ‘(হে শু‘আইব!) তুমি তো কেবল যাদুগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।’

  186. ১৮৬

    وَمَآ أَنتَ إِلَّا بَشَرٞ مِّثۡلُنَا وَإِن نَّظُنُّكَ لَمِنَ ٱلۡكَٰذِبِينَ

    ‘তাছাড়া তুমি তো আমাদের মতোই একজন মানুষ। আর আমরা তোমাকে অবশ্যই মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করি।’

  187. ১৮৭

    فَأَسۡقِطۡ عَلَيۡنَا كِسَفٗا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ

    ‘অতএব, তুমি যদি সত্যবাদী হও, তবে আকাশ (ভেঙ্গে) এর এক খণ্ড আমাদের ওপর ফেলে দাও।’

  188. ১৮৮

    قَالَ رَبِّيٓ أَعۡلَمُ بِمَا تَعۡمَلُونَ

    সে (শুয়াইব) বললো: ‘তোমরা যা (যে শিরক ও গুনাহের কাজ) করো, সে সম্পর্কে আমার রব অধিক জ্ঞাত।’

  189. ১৮৯

    فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَهُمۡ عَذَابُ يَوۡمِ ٱلظُّلَّةِۚ إِنَّهُۥ كَانَ عَذَابَ يَوۡمٍ عَظِيمٍ

    অতঃপর তারা তাকে অস্বীকার করলো। ফলে তাদেরকে এক মেঘাচ্ছন্ন দিনের (আগুন বর্ষণের) শাস্তি পাকড়াও করলো। অবশ্যই তা ছিল এক ভয়ংকর দিনের শাস্তি।

  190. ১৯০

    إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗۖ وَمَا كَانَ أَكۡثَرُهُم مُّؤۡمِنِينَ

    নিশ্চয় এতে (শু‘আইবের জাতির ধ্বংসে) রয়েছে অনেক নিদর্শন। আর তাদের অধিকাংশই মু’মিন ছিলো না।

  191. ১৯১

    وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

    আর নিশ্চয় তোমার রব মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

  192. ১৯২

    وَإِنَّهُۥ لَتَنزِيلُ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    আর নিশ্চয় এ আল কুরআন সৃষ্টিকুলের রবেরই নাযিলকৃত।

  193. ১৯৩

    نَزَلَ بِهِ ٱلرُّوحُ ٱلۡأَمِينُ

    বিশ্বস্ত আত্মা (জিবরীল) এটা নিয়ে অবতরণ করেছে।

  194. ১৯৪

    عَلَىٰ قَلۡبِكَ لِتَكُونَ مِنَ ٱلۡمُنذِرِينَ

    তোমার হৃদয়ে, যাতে তুমি সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।

  195. ১৯৫

    بِلِسَانٍ عَرَبِيّٖ مُّبِينٖ

    সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

  196. ১৯৬

    وَإِنَّهُۥ لَفِي زُبُرِ ٱلۡأَوَّلِينَ

    এবং নিশ্চয় এর উল্লেখ প্রাচীনতম গ্রন্থসমূহে (তাওরাত-ইঞ্জীলে) রয়েছে।

  197. ১৯৭

    أَوَلَمۡ يَكُن لَّهُمۡ ءَايَةً أَن يَعۡلَمَهُۥ عُلَمَٰٓؤُاْ بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ

    এটা কি তাদের (মিথ্যারোপকারীদের) জন্য একটি নিদর্শন নয় যে, বানূ ইসরাঈলের আলিমগণ তা(১) জানে?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  198. ১৯৮

    وَلَوۡ نَزَّلۡنَٰهُ عَلَىٰ بَعۡضِ ٱلۡأَعۡجَمِينَ

    আর আমি যদি এটাকে কোনো অনারবের প্রতি নাযিল করতাম,

  199. ১৯৯

    فَقَرَأَهُۥ عَلَيۡهِم مَّا كَانُواْ بِهِۦ مُؤۡمِنِينَ

    অতঃপর সে তা তাদের নিকট পাঠ করতো; তবুও তারা এতে মু‘মিন হতো না।

  200. ২০০

    كَذَٰلِكَ سَلَكۡنَٰهُ فِي قُلُوبِ ٱلۡمُجۡرِمِينَ

    এভাবেই আমি (কুফরী ও মিথ্যারোপের) বিষয়টি অপরাধীদের অন্তরে ঢুকিয়ে দিয়েছি।

  201. ২০১

    لَا يُؤۡمِنُونَ بِهِۦ حَتَّىٰ يَرَوُاْ ٱلۡعَذَابَ ٱلۡأَلِيمَ

    যতক্ষণ না তারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে; ততক্ষণ পর্যন্ত তারা এতে ঈমান আনবে না।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  202. ২০২

    فَيَأۡتِيَهُم بَغۡتَةٗ وَهُمۡ لَا يَشۡعُرُونَ

    সুতরাং তা (শাস্তি) আকস্মিকভাবে তাদের নিকট এসে পড়বে; অথচ তারা টেরই পাবে না।

  203. ২০৩

    فَيَقُولُواْ هَلۡ نَحۡنُ مُنظَرُونَ

    তখন তারা বলবে: ‘আমাদেরকে কি (আল্লাহর নিকট তাওবা করার) একটু সুযোগ দেওয়া হবে?’

  204. ২০৪

    أَفَبِعَذَابِنَا يَسۡتَعۡجِلُونَ

    তাহলে কি তারা আমার শাস্তি ত্বরান্বিত করতে চায়?

  205. ২০৫

    أَفَرَءَيۡتَ إِن مَّتَّعۡنَٰهُمۡ سِنِينَ

    (হে রাসূল!) তুমি কি লক্ষ্য করেছ, আমি যদি তাদেরকে দীর্ঘকাল ভোগ-বিলাসের সুযোগ দিতাম।

  206. ২০৬

    ثُمَّ جَآءَهُم مَّا كَانُواْ يُوعَدُونَ

    অতঃপর তাদেরকে যে বিষয়ে (শাস্তির) ওয়াদা করা হয়েছে, তা তাদের নিকট এসে পড়তো,

  207. ২০৭

    مَآ أَغۡنَىٰ عَنۡهُم مَّا كَانُواْ يُمَتَّعُونَ

    তখন (দুনিয়াতে) তাদের ভোগ-বিলাসের জন্য যা দেয়া হয়েছিলো, তা তাদের কোনোই কাজে লাগত না।

  208. ২০৮

    وَمَآ أَهۡلَكۡنَا مِن قَرۡيَةٍ إِلَّا لَهَا مُنذِرُونَ

    আর আমি এমন কোনো জনপদকে ধ্বংস করিনি, যাতে কোনো সতর্ককারী (নবী-রাসূল) আসেনি।

  209. ২০৯

    ذِكۡرَىٰ وَمَا كُنَّا ظَٰلِمِينَ

    এটা (তাদের জন্য) উপদেশস্বরূপ। আর আমি তো যালিম নই (যে তাদেরকে সতর্ক না করেই, ধ্বংস করে দিবো)।

  210. ২১০

    وَمَا تَنَزَّلَتۡ بِهِ ٱلشَّيَٰطِينُ

    আর শয়তানরা এ আল কুরআন নিয়ে (রাসূলের অন্তরের ওপর) অবতরণ করেনি।

  211. ২১১

    وَمَا يَنۢبَغِي لَهُمۡ وَمَا يَسۡتَطِيعُونَ

    আর এটা তাদের (শয়তানদের) জন্য সমোচিত নয় (যে, তারা এ নিয়ে তার অন্তরের ওপর নাযিল হবে) এবং তারা এর ক্ষমতাও রাখে না।

  212. ২১২

    إِنَّهُمۡ عَنِ ٱلسَّمۡعِ لَمَعۡزُولُونَ

    নিশ্চয়ই এটির (আল কুরআনের ওহী) শ্রবণ করা থেকে তাদেরকে আড়ালে রাখা হয়েছে।

  213. ২১৩

    فَلَا تَدۡعُ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ فَتَكُونَ مِنَ ٱلۡمُعَذَّبِينَ

    অতএব, (হে রাসূল!) তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোনো ইলাহকে ডেকো না, তাহলে তুমি শাস্তিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

  214. ২১৪

    وَأَنذِرۡ عَشِيرَتَكَ ٱلۡأَقۡرَبِينَ

    আর (হে রাসূল!) তুমি তোমার নিকটাত্মীয়দেরকে (আল্লাহর শাস্তি থেকে) সতর্ক করো।

  215. ২১৫

    وَٱخۡفِضۡ جَنَاحَكَ لِمَنِ ٱتَّبَعَكَ مِنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    আর মু’মিনদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে, তাদের প্রতি তুমি তোমার বাহুকে বিনয়াবনত করো।

  216. ২১৬

    فَإِنۡ عَصَوۡكَ فَقُلۡ إِنِّي بَرِيٓءٞ مِّمَّا تَعۡمَلُونَ

    তারপর যদি তারা তোমার অবাধ্য হয়, তাহলে বলো: ‘তোমরা যা (সেসব পাপ ও শিরক) করো, নিশ্চয় আমি তা থেকে সম্পূর্ণ দায়মুক্ত ‘

  217. ২১৭

    وَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱلۡعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ

    ‘আর তুমি সকল ব্যাপারে মহাপরাক্রমশালী পরম দয়ালুর ওপর তাওয়াক্কুল করো।

  218. ২১৮

    ٱلَّذِي يَرَىٰكَ حِينَ تَقُومُ

    ‘যিনি তোমাকে দেখেন যখন তুমি (সালাতের জন্য) দণ্ডায়মান হও,

  219. ২১৯

    وَتَقَلُّبَكَ فِي ٱلسَّٰجِدِينَ

    এবং সাজদাকারীদের মধ্যে তোমার উঠাবসা।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  220. ২২০

    إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلۡعَلِيمُ

    ‘নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।’

  221. ২২১

    هَلۡ أُنَبِّئُكُمۡ عَلَىٰ مَن تَنَزَّلُ ٱلشَّيَٰطِينُ

    ‘আমি কি তোমাদেরকে সংবাদ দিবো, শয়তানরা মূলত কার নিকট অবতীর্ণ হয়?’

  222. ২২২

    تَنَزَّلُ عَلَىٰ كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٖ

    তারা (জিন শয়তানরা) অবতীর্ণ হয়, প্রত্যেক চরম মিথ্যাবাদী ও পাপীর নিকট।

  223. ২২৩

    يُلۡقُونَ ٱلسَّمۡعَ وَأَكۡثَرُهُمۡ كَٰذِبُونَ

    তারা (ফিরিশতাদের কাছ থেকে কথা চুরি করে গণকদের কাছে পৌঁছে দিতে) কান পেতে থাকে এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।

  224. ২২৪

    وَٱلشُّعَرَآءُ يَتَّبِعُهُمُ ٱلۡغَاوُۥنَ

    আর কবিদের অনুসরণ করে তো বিভ্রান্তরাই।

  225. ২২৫

    أَلَمۡ تَرَ أَنَّهُمۡ فِي كُلِّ وَادٖ يَهِيمُونَ

    (হে রাসূল!) তুমি কি লক্ষ্য করো নি যে, (তাদের ভ্রষ্টতার একটি নিদর্শন হলো) তারা প্রত্যেক উপত্যকায় উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়?

  226. ২২৬

    وَأَنَّهُمۡ يَقُولُونَ مَا لَا يَفۡعَلُونَ

    আর নিশ্চয় তারা এমন কথা বলে, যা তারা করে না।

  227. ২২৭

    إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَذَكَرُواْ ٱللَّهَ كَثِيرٗا وَٱنتَصَرُواْ مِنۢ بَعۡدِ مَا ظُلِمُواْۗ وَسَيَعۡلَمُ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓاْ أَيَّ مُنقَلَبٖ يَنقَلِبُونَ

    তবে যারা (যে কবিরা) ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, উপরন্তু আল্লাহকে অনেক স্মরণ করেছে, আর তারা নির্যাতিত হওয়ার পর প্রতিশোধ নেয়, (তারা অবশ্যই এ থেকে ভিন্ন)। আর যালিমরা শীঘ্রই জানতে পারবে, কোন্ প্রত্যাবর্তন স্থলে তারা প্রত্যাবর্তন করবে।

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।