মূল অংশে যান

আলে ইমরান

آل عمران

সূরা ৩ মাদানী ২০০ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    الٓمٓ

    আলিফ-লাম-মীম।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  2. ২

    ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡحَيُّ ٱلۡقَيُّومُ

    আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক ও পরিচালনাকারী।

  3. ৩

    نَزَّلَ عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ بِٱلۡحَقِّ مُصَدِّقٗا لِّمَا بَيۡنَ يَدَيۡهِ وَأَنزَلَ ٱلتَّوۡرَىٰةَ وَٱلۡإِنجِيلَ

    (হে নবী) তিনি সত্যসহ তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, যা তার পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের সত্যায়নকারী। আর তিনিই নাযিল করেছেন তাওরাত ও ইনজীল।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  4. ৪

    مِن قَبۡلُ هُدٗى لِّلنَّاسِ وَأَنزَلَ ٱلۡفُرۡقَانَۗ إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ لَهُمۡ عَذَابٞ شَدِيدٞۗ وَٱللَّهُ عَزِيزٞ ذُو ٱنتِقَامٍ

    ইতোপূর্বে মানবজাতির জন্য হিদায়াতস্বরূপ। আর তিনি ফুরকান (কুরআন) নাযিল করেছেন। নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ(১) অস্বীকার করে, তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। আর আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  5. ৫

    إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَخۡفَىٰ عَلَيۡهِ شَيۡءٞ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَلَا فِي ٱلسَّمَآءِ

    নিশ্চয় আল্লাহর কাছে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই গোপন থাকে না।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  6. ৬

    هُوَ ٱلَّذِي يُصَوِّرُكُمۡ فِي ٱلۡأَرۡحَامِ كَيۡفَ يَشَآءُۚ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ

    তিনিই সেই সত্তা, যিনি মাতৃগর্ভে যেভাবে ইচ্ছে তোমাদের আকৃতি গঠন করেন।(১) তিনি ছাড়া অন্য কোনো সত্য ইলাহনেই; তিনি প্রবল পরাক্রমশালী, মহা প্রজ্ঞাময়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  7. ৭

    هُوَ ٱلَّذِيٓ أَنزَلَ عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ مِنۡهُ ءَايَٰتٞ مُّحۡكَمَٰتٌ هُنَّ أُمُّ ٱلۡكِتَٰبِ وَأُخَرُ مُتَشَٰبِهَٰتٞۖ فَأَمَّا ٱلَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمۡ زَيۡغٞ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَٰبَهَ مِنۡهُ ٱبۡتِغَآءَ ٱلۡفِتۡنَةِ وَٱبۡتِغَآءَ تَأۡوِيلِهِۦۖ وَمَا يَعۡلَمُ تَأۡوِيلَهُۥٓ إِلَّا ٱللَّهُۗ وَٱلرَّٰسِخُونَ فِي ٱلۡعِلۡمِ يَقُولُونَ ءَامَنَّا بِهِۦ كُلّٞ مِّنۡ عِندِ رَبِّنَاۗ وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّآ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ

    তিনিই তোমার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছেন যার কিছু আয়াত ‘মুহ্‌কাম’ (সুস্পষ্ট আয়াত), এগুলো কিতাবের মূল; আর অন্যগুলো ‘মুতাশাবিহ্‌’ (অস্পষ্ট ও একাধিক অর্থবহ )। সুতরাং যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে শুধু তারাই ফেৎনা এবং ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে মুতাশাবিহাতের অনুসরণ করে। অথচ আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ এ আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা জ্ঞানে পরিপক্ব (আলেম) তারা বলে, ‘আমরা এগুলোতে ঈমান রাখি, সবই আমাদের রবের কাছ থেকে অবতীর্ণ’। আসলেজ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্ন লোকেরা ব্যতীত আর কেউ উপদেশ গ্রহণ করে না।

  8. ৮

    رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوبَنَا بَعۡدَ إِذۡ هَدَيۡتَنَا وَهَبۡ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحۡمَةًۚ إِنَّكَ أَنتَ ٱلۡوَهَّابُ

    হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেওয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহান দাতা।

  9. ৯

    رَبَّنَآ إِنَّكَ جَامِعُ ٱلنَّاسِ لِيَوۡمٖ لَّا رَيۡبَ فِيهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُخۡلِفُ ٱلۡمِيعَادَ

    হে আমাদের রব! নিশ্চয় আপনি সমস্ত মানুষকে এমন একদিন সমবেত করবেন, যে দিনটির ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

  10. ১০

    إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَن تُغۡنِيَ عَنۡهُمۡ أَمۡوَٰلُهُمۡ وَلَآ أَوۡلَٰدُهُم مِّنَ ٱللَّهِ شَيۡـٔٗاۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمۡ وَقُودُ ٱلنَّارِ

    নিশ্চয় যারা কুফরী করে, আল্লাহর নিকট তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো কাজে আসবে না। আর তারা হবে জাহান্নামের জ্বালানি।

  11. ১১

    كَدَأۡبِ ءَالِ فِرۡعَوۡنَ وَٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ كَذَّبُواْ بِـَٔايَٰتِنَا فَأَخَذَهُمُ ٱللَّهُ بِذُنُوبِهِمۡۗ وَٱللَّهُ شَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ

    তাদের স্বভাব চরিত্র ফিরা‘ঊন সম্প্রদায় ও তাদের পূর্ববর্তীদের স্বভাব চরিত্রের মতোই। তারা আমার আয়াতগুলোতে মিথ্যারোপ করেছিল। ফলে আল্লাহ তাদের পাপের জন্য তাদেরকে পাকড়াও করেছিলেন।(১) আর আল্লাহ শাস্তি দানে অত্যন্ত কঠোর।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  12. ১২

    قُل لِّلَّذِينَ كَفَرُواْ سَتُغۡلَبُونَ وَتُحۡشَرُونَ إِلَىٰ جَهَنَّمَۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمِهَادُ

    তুমি কাফিরদেরকে বলে দাও: ‘তোমরা অচিরেই পরাজিত হবে এবং তোমাদেরকে জাহান্নামের দিকে সমবেত করা হবে। আর সেটি কতইনা নিকৃষ্ট আবাসস্থল।’

  13. ১৩

    قَدۡ كَانَ لَكُمۡ ءَايَةٞ فِي فِئَتَيۡنِ ٱلۡتَقَتَاۖ فِئَةٞ تُقَٰتِلُ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ وَأُخۡرَىٰ كَافِرَةٞ يَرَوۡنَهُم مِّثۡلَيۡهِمۡ رَأۡيَ ٱلۡعَيۡنِۚ وَٱللَّهُ يُؤَيِّدُ بِنَصۡرِهِۦ مَن يَشَآءُۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَعِبۡرَةٗ لِّأُوْلِي ٱلۡأَبۡصَٰرِ

    নিশ্চয় তোমাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে দু’টি দলের মধ্যে, যারা (বদরের যুদ্ধে) পরস্পর মুখোমুখি হয়েছিল। একটি দল লড়াই করছিল আল্লাহর পথে এবং অপর দলটি (মক্কার) কাফির। মু’মিনগণ তাদের বাহ্যিক দৃষ্টিতে তাদেরকে (কাফির বাহিনীকে) নিজেদের দ্বিগুণ দেখছিল।(১) আর আল্লাহ নিজ সাহায্য দ্বারা যাকে চান শক্তিশালী করেন। নিশ্চয় এতে রয়েছে অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন লোকদের জন্য শিক্ষা।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  14. ১৪

    زُيِّنَ لِلنَّاسِ حُبُّ ٱلشَّهَوَٰتِ مِنَ ٱلنِّسَآءِ وَٱلۡبَنِينَ وَٱلۡقَنَٰطِيرِ ٱلۡمُقَنطَرَةِ مِنَ ٱلذَّهَبِ وَٱلۡفِضَّةِ وَٱلۡخَيۡلِ ٱلۡمُسَوَّمَةِ وَٱلۡأَنۡعَٰمِ وَٱلۡحَرۡثِۗ ذَٰلِكَ مَتَٰعُ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَاۖ وَٱللَّهُ عِندَهُۥ حُسۡنُ ٱلۡمَـَٔابِ

    মানুষের জন্য সুশোভিত করা হয়েছে প্রবৃত্তির ভালোবাসা- নারী, সন্তানাদি, রাশি রাশি সোনা-রূপা, চি‎‎হ্নত ঘোড়া, গবাদি পশু ও শস্যক্ষেত। এগুলো দুনিয়ার জীবনের ভোগসামগ্রী। আর একমাত্র আল্লাহর নিকটেই রয়েছে উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল ।

  15. ১৫

    ۞ قُلۡ أَؤُنَبِّئُكُم بِخَيۡرٖ مِّن ذَٰلِكُمۡۖ لِلَّذِينَ ٱتَّقَوۡاْ عِندَ رَبِّهِمۡ جَنَّٰتٞ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا وَأَزۡوَٰجٞ مُّطَهَّرَةٞ وَرِضۡوَٰنٞ مِّنَ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ بَصِيرُۢ بِٱلۡعِبَادِ

    (হে রাসূল!) তুমি বলে দাও: আমি কি তোমাদেরকে এ ভোগ-বিলাসের চেয়েও উৎকৃষ্টতর কোনো কিছুর সংবাদ দিব? যারা তাকওয়া অর্জন করে, তাদের জন্য রয়েছে তাদের রবের নিকট জান্নাতসমূহ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত রয়েছে নদ-নদী-ঝর্ণাধারা। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। আর সেখানে তাদের জন্যে রয়েছে পবিত্র স্ত্রীগণ এবং আরো রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি। আর আল্লাহ বান্দাদের সম্পর্কে সম্যক দ্রষ্টা।

  16. ১৬

    ٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَآ إِنَّنَآ ءَامَنَّا فَٱغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ

    (জান্নাতের অধিবাসীগণ তারাই) যারা বলে, ‘হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম।(১) অতএব, আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  17. ১৭

    ٱلصَّٰبِرِينَ وَٱلصَّٰدِقِينَ وَٱلۡقَٰنِتِينَ وَٱلۡمُنفِقِينَ وَٱلۡمُسۡتَغۡفِرِينَ بِٱلۡأَسۡحَارِ

    (তাদের বৈশিষ্ট্য হলো) তারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, আনুগত্যকারী, ব্যয়কারী এবং শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থী।

  18. ১৮

    شَهِدَ ٱللَّهُ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَأُوْلُواْ ٱلۡعِلۡمِ قَآئِمَۢا بِٱلۡقِسۡطِۚ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ

    আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, তিনি ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নেই, আর ফিরিশতা ও জ্ঞানীগণও। আল্লাহ ন্যায় ও ইনসাফের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নেই। তিনি মহা পরাক্রমশালী, মহা প্রজ্ঞাময়।

  19. ১৯

    إِنَّ ٱلدِّينَ عِندَ ٱللَّهِ ٱلۡإِسۡلَٰمُۗ وَمَا ٱخۡتَلَفَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ إِلَّا مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلۡعِلۡمُ بَغۡيَۢا بَيۡنَهُمۡۗ وَمَن يَكۡفُرۡ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ فَإِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلۡحِسَابِ

    নিশ্চয় ইসলামই আল্লাহর নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দীন।(১) আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল, তারা কেবল পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ তাদের নিকট জ্ঞান আসার পরও মতানৈক্য করেছিল। আর যে কেউ আল্লাহর আয়াতসমূহের সাথে কুফরী করবে, নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  20. ২০

    فَإِنۡ حَآجُّوكَ فَقُلۡ أَسۡلَمۡتُ وَجۡهِيَ لِلَّهِ وَمَنِ ٱتَّبَعَنِۗ وَقُل لِّلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡأُمِّيِّـۧنَ ءَأَسۡلَمۡتُمۡۚ فَإِنۡ أَسۡلَمُواْ فَقَدِ ٱهۡتَدَواْۖ وَّإِن تَوَلَّوۡاْ فَإِنَّمَا عَلَيۡكَ ٱلۡبَلَٰغُۗ وَٱللَّهُ بَصِيرُۢ بِٱلۡعِبَادِ

    (হে রাসূল!) যদি তারা তোমার সাথে বিতর্ক করে, তবে তুমি তাদেরকে বলো, ‘আমি আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করেছি এবং আমার অনুসারীরাও।’ আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদেরকে এবং নিরক্ষরদেরকে বলো, ‘তোমরা কি ইসলাম গ্রহণ করেছ’? তারা যদি ইসলাম গ্রহণ করে, তাহলে তারা অবশ্যই হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে। আর যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাহলে তোমার দায়িত্ব শুধু পৌঁছিয়ে দেয়া। আর আল্লাহ বান্দাদের সম্পর্কে সম্যক দ্রষ্টা।

  21. ২১

    إِنَّ ٱلَّذِينَ يَكۡفُرُونَ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَيَقۡتُلُونَ ٱلنَّبِيِّـۧنَ بِغَيۡرِ حَقّٖ وَيَقۡتُلُونَ ٱلَّذِينَ يَأۡمُرُونَ بِٱلۡقِسۡطِ مِنَ ٱلنَّاسِ فَبَشِّرۡهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٍ

    নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াতসমূহের সাথে কুফরী করে এবং অন্যায়ভাবে নবীদেরকে হত্যা করে, আর মানুষের মধ্য থেকে যারা ন্যায় ও ইনসাফের আদেশ দেয় তাদেরকেও হত্যা করে, তুমি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও।

  22. ২২

    أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ حَبِطَتۡ أَعۡمَٰلُهُمۡ فِي ٱلدُّنۡيَا وَٱلۡأٓخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ

    এরাই তারা, যাদের আমলসমূহ দুনিয়া ও আখিরাতে নিষ্ফল হয়ে গেছে। আর তাদের কোনো সাহায্যকারী নেই।

  23. ২৩

    أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ أُوتُواْ نَصِيبٗا مِّنَ ٱلۡكِتَٰبِ يُدۡعَوۡنَ إِلَىٰ كِتَٰبِ ٱللَّهِ لِيَحۡكُمَ بَيۡنَهُمۡ ثُمَّ يَتَوَلَّىٰ فَرِيقٞ مِّنۡهُمۡ وَهُم مُّعۡرِضُونَ

    (হে নবী!) তুমি কি তাদের (ইহুদিদের) প্রতি লক্ষ্য করনি, যাদেরকে কিতাবের (তাওরাতের) একটি অংশ দেওয়া হয়েছে? তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের দিকে আহ্বান করা হয়, যাতে তা তাদের মধ্যে ফয়সালা করে। তারপর তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়; বস্তুত তারা (সত্য থেকে) বিমুখ।

  24. ২৪

    ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمۡ قَالُواْ لَن تَمَسَّنَا ٱلنَّارُ إِلَّآ أَيَّامٗا مَّعۡدُودَٰتٖۖ وَغَرَّهُمۡ فِي دِينِهِم مَّا كَانُواْ يَفۡتَرُونَ

    এটা এ জন্যে যে, তারা বলে: ‘গুটি কয়েকদিন ব্যতীত জাহান্নামের আগুন আমাদেরকে কখনই স্পর্শ করবে না’। আর তারা যা মিথ্যা (বাতিল ও বানোয়াট) রচনা করত, তা তাদেরকে তাদের দীনের ব্যাপারে প্রতারিত করেছে।

  25. ২৫

    فَكَيۡفَ إِذَا جَمَعۡنَٰهُمۡ لِيَوۡمٖ لَّا رَيۡبَ فِيهِ وَوُفِّيَتۡ كُلُّ نَفۡسٖ مَّا كَسَبَتۡ وَهُمۡ لَا يُظۡلَمُونَ

    সুতরাং সেদিন তাদের কী অবস্থা হবে যেদিন আমি তাদেরকে একত্রিত করবো, যাতে কোন সন্দেহ নেই। আর প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিদান পূর্ণভাবে দেয়া হবে এবং তাদেরকে কোন ধরনের যুলম করা হবে না।

  26. ২৬

    قُلِ ٱللَّهُمَّ مَٰلِكَ ٱلۡمُلۡكِ تُؤۡتِي ٱلۡمُلۡكَ مَن تَشَآءُ وَتَنزِعُ ٱلۡمُلۡكَ مِمَّن تَشَآءُ وَتُعِزُّ مَن تَشَآءُ وَتُذِلُّ مَن تَشَآءُۖ بِيَدِكَ ٱلۡخَيۡرُۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٞ

    তুমি বলো: ‘হে আল্লাহ, আপনি রাজত্বের মালিক। আপনি যাকে চান রাজত্ব দান করেন, আর যার থেকে চান রাজত্ব কেড়ে নেন। আপনি যাকে চান সম্মান দান করেন, আর যাকে চান অপমানিত করেন।(১) আপনার হাতেই সমস্ত কল্যাণ। নিশ্চয় আপনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  27. ২৭

    تُولِجُ ٱلَّيۡلَ فِي ٱلنَّهَارِ وَتُولِجُ ٱلنَّهَارَ فِي ٱلَّيۡلِۖ وَتُخۡرِجُ ٱلۡحَيَّ مِنَ ٱلۡمَيِّتِ وَتُخۡرِجُ ٱلۡمَيِّتَ مِنَ ٱلۡحَيِّۖ وَتَرۡزُقُ مَن تَشَآءُ بِغَيۡرِ حِسَابٖ

    আপনি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করান(১) এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান। (২) আর মৃত থেকে জীবিতকে বের করেন এবং জীবিত থেকে মৃতকে বের করেন।(৩) আর যাকে চান অপরিমিত রিযক দান করেন।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  28. ২৮

    لَّا يَتَّخِذِ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ٱلۡكَٰفِرِينَ أَوۡلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۖ وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ فَلَيۡسَ مِنَ ٱللَّهِ فِي شَيۡءٍ إِلَّآ أَن تَتَّقُواْ مِنۡهُمۡ تُقَىٰةٗۗ وَيُحَذِّرُكُمُ ٱللَّهُ نَفۡسَهُۥۗ وَإِلَى ٱللَّهِ ٱلۡمَصِيرُ

    মু’মিনরা যেন মু’মিনদের ছাড়া কাফিরদেরকে বন্ধু না বানায়।(১) আর যে কেউ এরূপ করবে, আল্লাহর সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। তবে যদি তাদের পক্ষ থেকে তোমাদের কোন ভয়ের আশঙ্কা থাকে।(২) আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের ব্যাপারে সতর্ক করছেন এবং আল্লাহর নিকটই প্রত্যাবর্তন।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  29. ২৯

    قُلۡ إِن تُخۡفُواْ مَا فِي صُدُورِكُمۡ أَوۡ تُبۡدُوهُ يَعۡلَمۡهُ ٱللَّهُۗ وَيَعۡلَمُ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٞ

    তুমি বলে দাও: ‘তোমাদের অন্তরে যা আছে তা যদি তোমরা গোপন করো অথবা প্রকাশ করো, আল্লাহ তা জানেন। আর তিনি তাও জানেন, যা আছে আসমানসমূহে এবং যা আছে জমিনে। আল্লাহ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

  30. ৩০

    يَوۡمَ تَجِدُ كُلُّ نَفۡسٖ مَّا عَمِلَتۡ مِنۡ خَيۡرٖ مُّحۡضَرٗا وَمَا عَمِلَتۡ مِن سُوٓءٖ تَوَدُّ لَوۡ أَنَّ بَيۡنَهَا وَبَيۡنَهُۥٓ أَمَدَۢا بَعِيدٗاۗ وَيُحَذِّرُكُمُ ٱللَّهُ نَفۡسَهُۥۗ وَٱللَّهُ رَءُوفُۢ بِٱلۡعِبَادِ

    যেদিন প্রত্যেকেই উপস্থিত পাবে সে যা ভাল আমল করেছে তা, এবং সে যা মন্দ আমল করেছে তাও। সেদিন সে কামনা করবে- যদি তার এবং এর (মন্দ কর্মের) মধ্যে বিশাল ব্যবধান থাকত! আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিজের সত্তার ভয় দেখাচ্ছেন। আর আল্লাহ বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল।

  31. ৩১

    قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوبَكُمۡۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ

    তুমি বলে দাও: ‘তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আমাকে অনুসরণ করো। তবে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’

  32. ৩২

    قُلۡ أَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَۖ فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلۡكَٰفِرِينَ

    তুমি বলে দাও: ‘তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো।’ তারপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ কাফিরদেরকে ভালোবাসেন না।

  33. ৩৩

    ۞ إِنَّ ٱللَّهَ ٱصۡطَفَىٰٓ ءَادَمَ وَنُوحٗا وَءَالَ إِبۡرَٰهِيمَ وَءَالَ عِمۡرَٰنَ عَلَى ٱلۡعَٰلَمِينَ

    নিশ্চয় আল্লাহ আদম, নূহ ও ইবরাহীমের বংশধর এবং ইমরানের বংশধরকে সমগ্র সৃষ্টিজগতের উপর মনোনীত করেছেন।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  34. ৩৪

    ذُرِّيَّةَۢ بَعۡضُهَا مِنۢ بَعۡضٖۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ

    তারা একে অপরের বংশধর। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  35. ৩৫

    إِذۡ قَالَتِ ٱمۡرَأَتُ عِمۡرَٰنَ رَبِّ إِنِّي نَذَرۡتُ لَكَ مَا فِي بَطۡنِي مُحَرَّرٗا فَتَقَبَّلۡ مِنِّيٓۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلسَّمِيعُ ٱلۡعَلِيمُ

    তুমি স্মরণ কর, যখন ইমরানের স্ত্রী বলেছিল: ‘হে আমার রব, আমার গর্ভে যা আছে, নিশ্চয় আমি তা একান্তভাবেই আপনার জন্য মানত করলাম। অতএব, আপনি আমার পক্ষ থেকে তা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।’

  36. ৩৬

    فَلَمَّا وَضَعَتۡهَا قَالَتۡ رَبِّ إِنِّي وَضَعۡتُهَآ أُنثَىٰ وَٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِمَا وَضَعَتۡ وَلَيۡسَ ٱلذَّكَرُ كَٱلۡأُنثَىٰۖ وَإِنِّي سَمَّيۡتُهَا مَرۡيَمَ وَإِنِّيٓ أُعِيذُهَا بِكَ وَذُرِّيَّتَهَا مِنَ ٱلشَّيۡطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ

    অতঃপর সে যখন তা প্রসব করল, তখন বলল: ‘হে আমার রব! আমি তো কন্যা সন্তান প্রসব করেছি। অথচ সে যা প্রসব করেছে সে সম্পর্কে আল্লাহ তো সর্বাধিক জানতেন। বস্তুত পুত্র সন্তান (শক্তি ও গঠনে) কন্যা সন্তানের মত নয়। এবং আমি তার নাম রেখেছি মারয়াম। আর নিশ্চয় আমি তাকে ও তার সন্তানদেরকে বিতাড়িত শয়তান থেকে আপনার আশ্রয়ে দিচ্ছি।

  37. ৩৭

    فَتَقَبَّلَهَا رَبُّهَا بِقَبُولٍ حَسَنٖ وَأَنۢبَتَهَا نَبَاتًا حَسَنٗا وَكَفَّلَهَا زَكَرِيَّاۖ كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيۡهَا زَكَرِيَّا ٱلۡمِحۡرَابَ وَجَدَ عِندَهَا رِزۡقٗاۖ قَالَ يَٰمَرۡيَمُ أَنَّىٰ لَكِ هَٰذَاۖ قَالَتۡ هُوَ مِنۡ عِندِ ٱللَّهِۖ إِنَّ ٱللَّهَ يَرۡزُقُ مَن يَشَآءُ بِغَيۡرِ حِسَابٍ

    অতঃপর তার রব তাকে উত্তমভাবে কবুল করলেন এবং তাকে উত্তমভাবে গড়ে তুললেন। আর তাকে যাকারিয়্যার দায়িত্বে দিলেন। যখনই যাকারিয়্যা তার কাছে তার কক্ষে প্রবেশ করতেন, তখনই তার নিকট খাদ্যসামগ্রী পেতেন। তিনি বলতেন: ‘হে মারয়াম, এ সব তুমি কোথায় পেলে?’ সে বলত, ‘এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে।’ নিশ্চয় আল্লাহ যাকে চান অপরিমিত রিযিক দান করেন।

  38. ৩৮

    هُنَالِكَ دَعَا زَكَرِيَّا رَبَّهُۥۖ قَالَ رَبِّ هَبۡ لِي مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةٗ طَيِّبَةًۖ إِنَّكَ سَمِيعُ ٱلدُّعَآءِ

    সেখানে (১) যাকারিয়্যা তাঁর রবের কাছে প্রার্থনা করে বলল: ‘হে আমার রব, আমাকে আপনার পক্ষ থেকে পবিত্র (উত্তম) সন্তান দান করুন। নিশ্চয় আপনি দু‘আ শ্রবণকারী।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  39. ৩৯

    فَنَادَتۡهُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَهُوَ قَآئِمٞ يُصَلِّي فِي ٱلۡمِحۡرَابِ أَنَّ ٱللَّهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحۡيَىٰ مُصَدِّقَۢا بِكَلِمَةٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَسَيِّدٗا وَحَصُورٗا وَنَبِيّٗا مِّنَ ٱلصَّٰلِحِينَ

    অতঃপর যখন (সে) যাকারিয়্যা ইবাদাতের জায়গায়সালাতে দাঁড়িয়েছিল তখন ফিরিশতাগণ তাঁকে ডেকে বলল: ‘নিশ্চয় আল্লাহ আপনাকে ইয়াহ্‌ইয়ার সুসংবাদ দিচ্ছেন, তিনি হবেন আল্লাহর কালেমার সত্যায়নকারী, নেতা, পরিপূর্ণ সংযমী (১) এবং সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  40. ৪০

    قَالَ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِي غُلَٰمٞ وَقَدۡ بَلَغَنِيَ ٱلۡكِبَرُ وَٱمۡرَأَتِي عَاقِرٞۖ قَالَ كَذَٰلِكَ ٱللَّهُ يَفۡعَلُ مَا يَشَآءُ

    সে (যাকারি্য়্যা) বলল: ‘হে আমার রব! কীভাবে আমার পুত্র হবে? অথচ আমার তো বার্ধক্য এসে গেছে, তাছাড়া আমার স্ত্রী বন্ধ্যা।’ তিনি বললেন, ‘এভাবেই আল্লাহ যা ইচ্ছা তা-ই করেন।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  41. ৪১

    قَالَ رَبِّ ٱجۡعَل لِّيٓ ءَايَةٗۖ قَالَ ءَايَتُكَ أَلَّا تُكَلِّمَ ٱلنَّاسَ ثَلَٰثَةَ أَيَّامٍ إِلَّا رَمۡزٗاۗ وَٱذۡكُر رَّبَّكَ كَثِيرٗا وَسَبِّحۡ بِٱلۡعَشِيِّ وَٱلۡإِبۡكَٰرِ

    তিনি (যাকারি্য়্যা) বলল: ‘হে আমার রব! (এ অস্বাভাবিক ঘটনার জন্যে) আমাকে একটি নিদর্শন দিন।’ তিনি বললেন: তোমার নিদর্শন এই যে, তিন দিন তুমি ইশারা-ইঙ্গিত ছাড়া মানুষের সাথে কথা বলবে না। আর তোমার রবের বেশি যিকির কর এবং সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর তাসবীহ পাঠ কর।

  42. ৪২

    وَإِذۡ قَالَتِ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ يَٰمَرۡيَمُ إِنَّ ٱللَّهَ ٱصۡطَفَىٰكِ وَطَهَّرَكِ وَٱصۡطَفَىٰكِ عَلَىٰ نِسَآءِ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    (হে রাসূল!) তুমি সে সময়ের কথা স্মরণ কর, যখন ফিরিশতারা বলেছিল, ‘হে মারইয়াম! নিশ্চয় আল্লাহ আপনাকে মনোনীত করেছেন, আপনাকে পবিত্র করেছেন এবং আপনার সময়কার বিশ্বজগতের নারীদের ওপর আপনাকে মনোনীত করেছেন।’

  43. ৪৩

    يَٰمَرۡيَمُ ٱقۡنُتِي لِرَبِّكِ وَٱسۡجُدِي وَٱرۡكَعِي مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ

    হে মারইয়াম! তোমার রবের জন্য বিনয়ী ও অনুগত হও আর সিজদা করো এবং রুকূকারীদের সাথে রুকূ করো।

  44. ৪৪

    ذَٰلِكَ مِنۡ أَنۢبَآءِ ٱلۡغَيۡبِ نُوحِيهِ إِلَيۡكَۚ وَمَا كُنتَ لَدَيۡهِمۡ إِذۡ يُلۡقُونَ أَقۡلَٰمَهُمۡ أَيُّهُمۡ يَكۡفُلُ مَرۡيَمَ وَمَا كُنتَ لَدَيۡهِمۡ إِذۡ يَخۡتَصِمُونَ

    হে রাসূল!) এটি(১) গায়েবের সংবাদসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যা আমি তোমাকে অহীর মাধ্যমে জানাচ্ছি। আর তুমি তাদের নিকট ছিলে না, যখন তারা তাদের কলমগুলো (পানিতে) নিক্ষেপ করছিল (বিশেষ লটারির ব্যবস্থার জন্য), তাদের মধ্যে কে মারয়ামের তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নেবে? আর তুমি তাদের নিকট ছিলে না, যখন তারা বিতর্ক করছিল।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  45. ৪৫

    إِذۡ قَالَتِ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ يَٰمَرۡيَمُ إِنَّ ٱللَّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٖ مِّنۡهُ ٱسۡمُهُ ٱلۡمَسِيحُ عِيسَى ٱبۡنُ مَرۡيَمَ وَجِيهٗا فِي ٱلدُّنۡيَا وَٱلۡأٓخِرَةِ وَمِنَ ٱلۡمُقَرَّبِينَ

    তুমি স্মরণ কর, যখন ফিরিশতারা বললেন: ‘হে মারয়াম! নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে তাঁর পক্ষ থেকে একটি কালিমার (পুত্রের) (১) সুসংবাদ দিচ্ছেন। তার নাম মাসীহ ঈসা ইবনু মারয়াম, তিনি দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত এবং আল্লাহর নৈকট্যলাভকারী বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  46. ৪৬

    وَيُكَلِّمُ ٱلنَّاسَ فِي ٱلۡمَهۡدِ وَكَهۡلٗا وَمِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ

    আর তিনি দোলনায় থাকা অবস্থায় মানুষের সাথে কথা বলবেন এবং পরিণত বয়সেও। আর তিনি নেককার পুণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।

  47. ৪৭

    قَالَتۡ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِي وَلَدٞ وَلَمۡ يَمۡسَسۡنِي بَشَرٞۖ قَالَ كَذَٰلِكِ ٱللَّهُ يَخۡلُقُ مَا يَشَآءُۚ إِذَا قَضَىٰٓ أَمۡرٗا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ

    (তার স্বামী ছাড়া সন্তান হবে জেনে আশ্চর্য হয়ে) সে বলল, ‘হে আমার রব! আমাকে কোনো পুরুষ স্পর্শ করেনি, এমতাবস্থায় আমার সন্তান হবে কীভাবে?’ তিনি (আল্লাহ) বললেন, ‘এভাবেই আল্লাহ যাকে চান (চিরাচরিত নিয়ম ছাড়াই) সৃষ্টি করেন। তিনি যখন কোনো কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন শুধু বলেন, ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।’

  48. ৪৮

    وَيُعَلِّمُهُ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَٱلتَّوۡرَىٰةَ وَٱلۡإِنجِيلَ

    আর তিনি তাকে কিতাব, হিকমত, তাওরাত ও ইঞ্জীল শিক্ষা দিবেন।

  49. ৪৯

    وَرَسُولًا إِلَىٰ بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ أَنِّي قَدۡ جِئۡتُكُم بِـَٔايَةٖ مِّن رَّبِّكُمۡ أَنِّيٓ أَخۡلُقُ لَكُم مِّنَ ٱلطِّينِ كَهَيۡـَٔةِ ٱلطَّيۡرِ فَأَنفُخُ فِيهِ فَيَكُونُ طَيۡرَۢا بِإِذۡنِ ٱللَّهِۖ وَأُبۡرِئُ ٱلۡأَكۡمَهَ وَٱلۡأَبۡرَصَ وَأُحۡيِ ٱلۡمَوۡتَىٰ بِإِذۡنِ ٱللَّهِۖ وَأُنَبِّئُكُم بِمَا تَأۡكُلُونَ وَمَا تَدَّخِرُونَ فِي بُيُوتِكُمۡۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗ لَّكُمۡ إِن كُنتُم مُّؤۡمِنِينَ

    তেমনিভাবে তিনি তাঁকে বনী ইসরাঈলদের রাসূল বানাবেন। (তিনি তাদেরকে বলবেন) ‘নিশ্চয় আমি (১) তোমাদের নিকট তোমাদের রবের পক্ষ থেকে নিদর্শন নিয়ে এসেছি। তা হলো, অবশ্যই আমি তোমাদের জন্য কাদামাটি দিয়ে পাখির আকৃতি বানাবো, অতঃপর আমি তাতে ফুঁক দেব। ফলে আল্লাহর নির্দেশে সেটি পাখি হয়ে যাবে। আর আমি আল্লাহর নির্দেশে জন্মান্ধ ও কুষ্ঠ রোগীকে সুস্থ করবো এবং মৃতকে জীবিত করবো। আর তোমরা যা আহার করো এবং তোমাদের ঘরে যা জমা করে রাখো তা আমি তোমাদেরকে জানিয়ে দিবো। নিশ্চয় এতে তোমাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে, যদি তোমরা মু’মিন হয়ে থাকো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  50. ৫০

    وَمُصَدِّقٗا لِّمَا بَيۡنَ يَدَيَّ مِنَ ٱلتَّوۡرَىٰةِ وَلِأُحِلَّ لَكُم بَعۡضَ ٱلَّذِي حُرِّمَ عَلَيۡكُمۡۚ وَجِئۡتُكُم بِـَٔايَةٖ مِّن رَّبِّكُمۡ فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

    আর আমার পূর্বে নাযিলকৃত তাওরাতে যা আছে, আমি তার সত্যায়নকারী হিসেবে এসেছি। আর (পূর্বে) তোমাদের ওপর যা হারাম করা হয়েছিল, তার কিছু তোমাদের জন্য হালাল করতে এবং তোমাদের রবের পক্ষ থেকে নিদর্শন (সুষ্পষ্ট দলিল-প্রমাণ) নিয়ে আমি তোমাদের কাছে এসেছি। অতএব, তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো এবং আমার আনুগত্য করো।

  51. ৫১

    إِنَّ ٱللَّهَ رَبِّي وَرَبُّكُمۡ فَٱعۡبُدُوهُۚ هَٰذَا صِرَٰطٞ مُّسۡتَقِيمٞ

    নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার রব এবং তোমাদেরও রব।(১) সুতরাং তোমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদাত করো। এটাই সরল সঠিক পথ।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  52. ৫২

    ۞ فَلَمَّآ أَحَسَّ عِيسَىٰ مِنۡهُمُ ٱلۡكُفۡرَ قَالَ مَنۡ أَنصَارِيٓ إِلَى ٱللَّهِۖ قَالَ ٱلۡحَوَارِيُّونَ نَحۡنُ أَنصَارُ ٱللَّهِ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَٱشۡهَدۡ بِأَنَّا مُسۡلِمُونَ

    অতঃপর যখন ঈসা তাদের (বানূ ইসরাঈলদের) পক্ষ হতে কুফরী উপলব্ধি করল তখন সে বলল: ‘কে আল্লাহর জন্য আমার সাহায্যকারী হবে’? হাওয়ারীগণ বললো: ‘আমরা আল্লাহর (দ্বীনের) সাহায্যকারী। আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। আপনি সাক্ষী থাকুন যে, আমরা মুসলিম।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  53. ৫৩

    رَبَّنَآ ءَامَنَّا بِمَآ أَنزَلۡتَ وَٱتَّبَعۡنَا ٱلرَّسُولَ فَٱكۡتُبۡنَا مَعَ ٱلشَّٰهِدِينَ

    ‘হে আমাদের রব! আপনি যা নাযিল করেছেন তার (ইঞ্জীলের) প্রতি আমরা ঈমান এনেছি এবং আমরা এ রাসূলের অনুসরণ করেছি। কাজেই আমাদেরকে সাক্ষ্যদানকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

  54. ৫৪

    وَمَكَرُواْ وَمَكَرَ ٱللَّهُۖ وَٱللَّهُ خَيۡرُ ٱلۡمَٰكِرِينَ

    আর তারা কূটকৌশল ও গোপন ষড়যন্ত্র করতে লাগলো। জবাবে আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করলেন। আর আল্লাহ শ্রেষ্ঠতম কৌশল অবলম্বনকারী।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  55. ৫৫

    إِذۡ قَالَ ٱللَّهُ يَٰعِيسَىٰٓ إِنِّي مُتَوَفِّيكَ وَرَافِعُكَ إِلَيَّ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَجَاعِلُ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُوكَ فَوۡقَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِۖ ثُمَّ إِلَيَّ مَرۡجِعُكُمۡ فَأَحۡكُمُ بَيۡنَكُمۡ فِيمَا كُنتُمۡ فِيهِ تَخۡتَلِفُونَ

    তুমি স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বললেন: ‘হে ঈসা, নিশ্চয় আমি তোমাকে মৃত্যু ছাড়াই জান কবজ করবো (১), তোমাকে আমার দিকে উঠিয়ে নেবো এবং কাফিরদের থেকে তোমাকে পবিত্র করবো। আর যারা তোমার আনুগত্য করেছে (২) তাদেরকে কিয়ামত পর্যন্ত কাফিরদের উপরে প্রাধান্য দিবো। অতঃপর আমার নিকটই তোমাদের প্রত্যাবর্তন হবে। তখন আমি তোমাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবো, যে ব্যাপারে তোমরা মতবিরোধ করতে।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  56. ৫৬

    فَأَمَّا ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ فَأُعَذِّبُهُمۡ عَذَابٗا شَدِيدٗا فِي ٱلدُّنۡيَا وَٱلۡأٓخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ

    তারপর যারা কুফরী করেছে, আমি তাদেরকে দুনিয়াতে ও আখিরাতে কঠোর শাস্তি দিবো এবং তাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না।

  57. ৫৭

    وَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَيُوَفِّيهِمۡ أُجُورَهُمۡۗ وَٱللَّهُ لَا يُحِبُّ ٱلظَّٰلِمِينَ

    আর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তিনি তাদের প্রতিদান পুরোপুরিভাবে প্রদান করবেন। আর আল্লাহ্‌ যালিমদেরকে পছন্দ করেন না।

  58. ৫৮

    ذَٰلِكَ نَتۡلُوهُ عَلَيۡكَ مِنَ ٱلۡأٓيَٰتِ وَٱلذِّكۡرِ ٱلۡحَكِيمِ

    বস্তুত, এগুলো (১) হলো আয়াত ও প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশ, যা আমি তোমার নিকট তিলাওয়াত করছি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  59. ৫৯

    إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ ٱللَّهِ كَمَثَلِ ءَادَمَۖ خَلَقَهُۥ مِن تُرَابٖ ثُمَّ قَالَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ

    নিশ্চয় আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের মতো।(১) তিনি তাকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাকে বললেন: কুন-‘হও’। ফলে সে হয়ে গেল।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  60. ৬০

    ٱلۡحَقُّ مِن رَّبِّكَ فَلَا تَكُن مِّنَ ٱلۡمُمۡتَرِينَ

    (হে নবী! ঈসা সম্পর্কে প্রকৃত) সত্য তোমার রবের পক্ষ থেকেই এসেছে। সুতরাং তুমি কখনোই সন্দিহানদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

  61. ৬১

    فَمَنۡ حَآجَّكَ فِيهِ مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَكَ مِنَ ٱلۡعِلۡمِ فَقُلۡ تَعَالَوۡاْ نَدۡعُ أَبۡنَآءَنَا وَأَبۡنَآءَكُمۡ وَنِسَآءَنَا وَنِسَآءَكُمۡ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمۡ ثُمَّ نَبۡتَهِلۡ فَنَجۡعَل لَّعۡنَتَ ٱللَّهِ عَلَى ٱلۡكَٰذِبِينَ

    অতঃপর তোমার নিকট জ্ঞান আসার পর যে তোমার সাথে এ বিষয়ে ঝগড়া করে, তবে তুমি তাকে বল: ‘এসো আমরা আমাদের ছেলেদেরকে ও তোমাদের ছেলেদেরকে , আমাদের নারীদেরকে ও তোমাদের নারীদেরকে এবং আমাদের নিজেদেরকে ও তোমাদের নিজেদেরকে আহবান করি। তারপর আমরা বিনীত প্রার্থনা (মুবাহালা) করি, ‘মিথ্যাবাদীদের ওপর আল্লাহর লা’নত করি।’

  62. ৬২

    إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلۡقَصَصُ ٱلۡحَقُّۚ وَمَا مِنۡ إِلَٰهٍ إِلَّا ٱللَّهُۚ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ

    নিশ্চয় এগুলো (১) সত্য বিবরণ এবং আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কোনো সত্য ইলাহ নেই। আর নিশ্চয় আল্লাহ পরম পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  63. ৬৩

    فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَإِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمُۢ بِٱلۡمُفۡسِدِينَ

    তবুও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তারা জেনে রাখুক, নিশ্চয় আল্লাহ ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারীদেরকে ভালোভাবেই জানেন।

  64. ৬৪

    قُلۡ يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ تَعَالَوۡاْ إِلَىٰ كَلِمَةٖ سَوَآءِۭ بَيۡنَنَا وَبَيۡنَكُمۡ أَلَّا نَعۡبُدَ إِلَّا ٱللَّهَ وَلَا نُشۡرِكَ بِهِۦ شَيۡـٔٗا وَلَا يَتَّخِذَ بَعۡضُنَا بَعۡضًا أَرۡبَابٗا مِّن دُونِ ٱللَّهِۚ فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَقُولُواْ ٱشۡهَدُواْ بِأَنَّا مُسۡلِمُونَ

    তুমি বল: ‘হে আহলে কিতাব! তোমরা এমন কথার দিকে আসো, যেটি আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সমান। আর তা হচ্ছে, আমরা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদাত করবো না। আর তার সাথে কোনো কিছুকেই শরীক করবো না এবং আমাদের কেউ আল্লাহ ছাড়া একে অন্যকে রব হিসেবে গ্রহণ করবো না।’ তারপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বল: ‘তোমরা সাক্ষী থাকো যে, নিশ্চয় আমরা মুসলিম ।’

  65. ৬৫

    يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ لِمَ تُحَآجُّونَ فِيٓ إِبۡرَٰهِيمَ وَمَآ أُنزِلَتِ ٱلتَّوۡرَىٰةُ وَٱلۡإِنجِيلُ إِلَّا مِنۢ بَعۡدِهِۦٓۚ أَفَلَا تَعۡقِلُونَ

    হে আহলে কিতাব! তোমরা ইবরাহীমের (ধর্মের) ব্যাপারে বিতর্ক করছ কেন? (১) অথচ তাওরাত ও ইঞ্জীল তো তার পরেই নাযিল হয়েছে। সুতরাং তোমরা কি বুঝো না?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  66. ৬৬

    هَٰٓأَنتُمۡ هَٰٓؤُلَآءِ حَٰجَجۡتُمۡ فِيمَا لَكُم بِهِۦ عِلۡمٞ فَلِمَ تُحَآجُّونَ فِيمَا لَيۡسَ لَكُم بِهِۦ عِلۡمٞۚ وَٱللَّهُ يَعۡلَمُ وَأَنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ

    (হে আহলে কিতাব!) সাবধান! যেসব বিষয়ে তোমাদের কিছু জ্ঞান আছে, সেসব বিষয়ে তো তোমরা তর্ক করেছ; তবে যে বিষয়ে তোমাদের কোনো জ্ঞান নেই, সে বিষয়ে কেন তর্ক করছ?(১) আর আল্লাহ জানেন, কিন্তু তোমরা জানো না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  67. ৬৭

    مَا كَانَ إِبۡرَٰهِيمُ يَهُودِيّٗا وَلَا نَصۡرَانِيّٗا وَلَٰكِن كَانَ حَنِيفٗا مُّسۡلِمٗا وَمَا كَانَ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ

    মূলত ইবরাহীম ইয়াহূদীও ছিল না, খৃস্টানও ছিল না; বরং সে ছিল একনিষ্ঠ মুসলিম। আর সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  68. ৬৮

    إِنَّ أَوۡلَى ٱلنَّاسِ بِإِبۡرَٰهِيمَ لَلَّذِينَ ٱتَّبَعُوهُ وَهَٰذَا ٱلنَّبِيُّ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْۗ وَٱللَّهُ وَلِيُّ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    নিশ্চয় মানুষের মধ্যে ইবরাহীমের সবচেয়ে নিকটবর্তী তারাই, যারা তাঁর অনুসরণ করেছে, আর এই নবী (মুহাম্মাদ) এবং যারা ঈমান এনেছে। আর আল্লাহ মু’মিনদের অভিভাবক।

  69. ৬৯

    وَدَّت طَّآئِفَةٞ مِّنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ لَوۡ يُضِلُّونَكُمۡ وَمَا يُضِلُّونَ إِلَّآ أَنفُسَهُمۡ وَمَا يَشۡعُرُونَ

    আহলে কিতাবের একদল লোক কামনা করে যদি তাঁরা তোমাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে পারত; অথচ তারা নিজেদেরকেই পথভ্রষ্ট করে। কিন্তু তারা বুঝতে পারে না।

  70. ৭০

    يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ لِمَ تَكۡفُرُونَ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَأَنتُمۡ تَشۡهَدُونَ

    হে আহলে কিতাব! তোমরা কেন আল্লাহর আয়াতসমূহকে(১) অস্বীকার করছো; অথচ তোমরাই (সত্যতার) সাক্ষ্য বহন করো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  71. ৭১

    يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ لِمَ تَلۡبِسُونَ ٱلۡحَقَّ بِٱلۡبَٰطِلِ وَتَكۡتُمُونَ ٱلۡحَقَّ وَأَنتُمۡ تَعۡلَمُونَ

    হে আহলে কিতাব! তোমরা কেন সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করছো (১) এবং সত্য গোপন করছো? (২) অথচ তোমরা তা জানো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  72. ৭২

    وَقَالَت طَّآئِفَةٞ مِّنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ ءَامِنُواْ بِٱلَّذِيٓ أُنزِلَ عَلَى ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَجۡهَ ٱلنَّهَارِ وَٱكۡفُرُوٓاْ ءَاخِرَهُۥ لَعَلَّهُمۡ يَرۡجِعُونَ

    আর আহলে কিতাবের একদল লোক বলে: ‘মু’মিনদের ওপর যা নাযিল করা হয়েছে, তোমরা তার প্রতি দিনের প্রথমভাগে ঈমান আনো, আর শেষ ভাগে তা অস্বীকার করো; সম্ভবত তারা ঈমান থেকে ফিরে আসবে।’

  73. ৭৩

    وَلَا تُؤۡمِنُوٓاْ إِلَّا لِمَن تَبِعَ دِينَكُمۡ قُلۡ إِنَّ ٱلۡهُدَىٰ هُدَى ٱللَّهِ أَن يُؤۡتَىٰٓ أَحَدٞ مِّثۡلَ مَآ أُوتِيتُمۡ أَوۡ يُحَآجُّوكُمۡ عِندَ رَبِّكُمۡۗ قُلۡ إِنَّ ٱلۡفَضۡلَ بِيَدِ ٱللَّهِ يُؤۡتِيهِ مَن يَشَآءُۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٞ

    আর (তারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে) তোমরা তোমাদের দীন অনুসরণকারীদের ছাড়া (কাউকে) বিশ্বাস করো না। বলুন: নিশ্চয়ই (সত্যের পথ প্রদর্শক) হেদায়াত তো আল্লাহরই হেদায়াত, (তোমরা এ কথা লুকাও) যেন কেউ তোমাদের মতো (ওহী ও ইলম) প্রাপ্ত না হয়, অথবা তারা যেন তোমাদের প্রতিপালকের কাছে তোমাদের বিরুদ্ধে দলিল উপস্থিত করতে না পারে। বলুন: অবশ্যই অনুগ্রহ আল্লাহর হাতে, তিনি যাকে ইচ্ছা তা প্রদান করেন। আর আল্লাহ অগাধ করুণাময়, সর্বজ্ঞ।

  74. ৭৪

    يَخۡتَصُّ بِرَحۡمَتِهِۦ مَن يَشَآءُۗ وَٱللَّهُ ذُو ٱلۡفَضۡلِ ٱلۡعَظِيمِ

    তিনি নিজ রহমতের জন্যে যাকে ইচ্ছা তাকে নির্ধারণ করেন।(১) আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহের অধিকারী।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  75. ৭৫

    ۞ وَمِنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ مَنۡ إِن تَأۡمَنۡهُ بِقِنطَارٖ يُؤَدِّهِۦٓ إِلَيۡكَ وَمِنۡهُم مَّنۡ إِن تَأۡمَنۡهُ بِدِينَارٖ لَّا يُؤَدِّهِۦٓ إِلَيۡكَ إِلَّا مَا دُمۡتَ عَلَيۡهِ قَآئِمٗاۗ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمۡ قَالُواْ لَيۡسَ عَلَيۡنَا فِي ٱلۡأُمِّيِّـۧنَ سَبِيلٞ وَيَقُولُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلۡكَذِبَ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ

    আর আহলে কিতাবের মধ্যে এমন লোকও আছে, যদি তার নিকট আপনি অঢেল সম্পদ আমানত রাখেন; তবুও সে তা আপনাকে চাওয়ামাত্রই ফেরত দিবে এবং তাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে, যদি আপনি তার নিকট এক দীনারও আমানত রাখেন, তবে সর্বোচ্চ তাগাদা ছাড়া সে তা আপনাকে ফেরত দিবে না। এটি এ কারণে যে, তারা বলে, ‘উম্মীদের(১) (সম্পদ ভোগ করার) ব্যাপারে আমাদের ওপর কোন পাপ নেই।’ আর তারা জেনে-শুনে আল্লাহর প্রতি মিথ্যা বলে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  76. ৭৬

    بَلَىٰۚ مَنۡ أَوۡفَىٰ بِعَهۡدِهِۦ وَٱتَّقَىٰ فَإِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلۡمُتَّقِينَ

    হ্যাঁ অবশ্যই, কেউ যদি অঙ্গীকার পূর্ণ করে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে, তবে নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে ভালোবাসেন।

  77. ৭৭

    إِنَّ ٱلَّذِينَ يَشۡتَرُونَ بِعَهۡدِ ٱللَّهِ وَأَيۡمَٰنِهِمۡ ثَمَنٗا قَلِيلًا أُوْلَٰٓئِكَ لَا خَلَٰقَ لَهُمۡ فِي ٱلۡأٓخِرَةِ وَلَا يُكَلِّمُهُمُ ٱللَّهُ وَلَا يَنظُرُ إِلَيۡهِمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ وَلَا يُزَكِّيهِمۡ وَلَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٞ

    নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, আখিরাতে তাদের (সাওয়াবের) কোনো অংশ নেই। আর আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেনও না এবং তাদেরকে পরিশুদ্ধও করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

  78. ৭৮

    وَإِنَّ مِنۡهُمۡ لَفَرِيقٗا يَلۡوُۥنَ أَلۡسِنَتَهُم بِٱلۡكِتَٰبِ لِتَحۡسَبُوهُ مِنَ ٱلۡكِتَٰبِ وَمَا هُوَ مِنَ ٱلۡكِتَٰبِ وَيَقُولُونَ هُوَ مِنۡ عِندِ ٱللَّهِ وَمَا هُوَ مِنۡ عِندِ ٱللَّهِۖ وَيَقُولُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلۡكَذِبَ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ

    আর নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে একদল লোক আছে, যারা কিতাব পড়ার সময় জিহ্বা দ্বারা বিকৃতি করে (১), যাতে তোমরা সেটাকে আল্লাহর কিতাবের অংশ মনে করো; অথচ সেটা কিতাবের অংশ নয়। আর তারা বলে, ‘এটি আল্লাহর পক্ষ থেকেই এসেছে’; অথচ সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নয়। আর তারা জেনে-বুঝে আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করছে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  79. ৭৯

    مَا كَانَ لِبَشَرٍ أَن يُؤۡتِيَهُ ٱللَّهُ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحُكۡمَ وَٱلنُّبُوَّةَ ثُمَّ يَقُولَ لِلنَّاسِ كُونُواْ عِبَادٗا لِّي مِن دُونِ ٱللَّهِ وَلَٰكِن كُونُواْ رَبَّٰنِيِّـۧنَ بِمَا كُنتُمۡ تُعَلِّمُونَ ٱلۡكِتَٰبَ وَبِمَا كُنتُمۡ تَدۡرُسُونَ

    এটা কোনো ব্যক্তির জন্যে সংগত নয় যে, আল্লাহ তাকে কিতাব, হিকমত ও নবুওয়াত দান করবেন, অতঃপর তিনি মানুষকে বলবেন: ‘তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে আমার দাস হয়ে যাও’। বরং তিনি বলবেন: ‘তোমরা আল্লাহভক্ত হয়ে যাও, যেহেতু তোমরা কিতাব শিক্ষা দাও এবং যেহেতু তোমরা তা অধ্যয়ন করো।’

  80. ৮০

    وَلَا يَأۡمُرَكُمۡ أَن تَتَّخِذُواْ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةَ وَٱلنَّبِيِّـۧنَ أَرۡبَابًاۚ أَيَأۡمُرُكُم بِٱلۡكُفۡرِ بَعۡدَ إِذۡ أَنتُم مُّسۡلِمُونَ

    অনুরূপভাবে তিনি তোমাদেরকে নির্দেশ দেন না যে, ফিরিশতা ও নবীগণকে রবরূপে গ্রহণ করো । তোমাদের মুসলিম হওয়ার পরও তিনি কি তোমাদেরকে আল্লাহর সাথে কুফরী করার নির্দেশ দিবেন?

  81. ৮১

    وَإِذۡ أَخَذَ ٱللَّهُ مِيثَٰقَ ٱلنَّبِيِّـۧنَ لَمَآ ءَاتَيۡتُكُم مِّن كِتَٰبٖ وَحِكۡمَةٖ ثُمَّ جَآءَكُمۡ رَسُولٞ مُّصَدِّقٞ لِّمَا مَعَكُمۡ لَتُؤۡمِنُنَّ بِهِۦ وَلَتَنصُرُنَّهُۥۚ قَالَ ءَأَقۡرَرۡتُمۡ وَأَخَذۡتُمۡ عَلَىٰ ذَٰلِكُمۡ إِصۡرِيۖ قَالُوٓاْ أَقۡرَرۡنَاۚ قَالَ فَٱشۡهَدُواْ وَأَنَا۠ مَعَكُم مِّنَ ٱلشَّٰهِدِينَ

    তুমি স্মরণ কর, যখন আল্লাহ নবীদের কাছ থেকে এ বলে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলেন যে, ‘আমি তোমাদেরকে কিতাব ও হিকমত যা কিছু দিয়েছি; তারপর তোমাদের কাছে যা আছে তার সত্যায়নকারীরূপে যখন একজন রাসূল আসবেন, তখন তোমরা অবশ্যই তার প্রতি ঈমান আনবে এবং তাকে সাহায্য করবে।’ তিনি বললেন: ‘ তোমরা কি স্বীকার করলে এবং এ ব্যাপারে দৃঢ় অঙ্গীকার করলে?’ তাঁরা উত্তরে বলল: ‘আমরা স্বীকার করলাম’। তিনি বললেন: ‘তবে তোমরা এ ব্যাপারে সাক্ষী থাকো এবং আমি নিজেও তোমাদের উপর সাক্ষী থাকলাম।’

  82. ৮২

    فَمَن تَوَلَّىٰ بَعۡدَ ذَٰلِكَ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡفَٰسِقُونَ

    সুতরাং এরপরেও (১) যারা মুখ ফিরিয়ে নিলো তারাই তো ফাসিক (২)।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  83. ৮৩

    أَفَغَيۡرَ دِينِ ٱللَّهِ يَبۡغُونَ وَلَهُۥٓ أَسۡلَمَ مَن فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ طَوۡعٗا وَكَرۡهٗا وَإِلَيۡهِ يُرۡجَعُونَ

    তারা কি আল্লাহর ইসলামকে বাদ দিয়ে অন্য দীন চায়? অথচ আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে সবকিছুই ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আর তাঁর দিকেই তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

  84. ৮৪

    قُلۡ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَمَآ أُنزِلَ عَلَيۡنَا وَمَآ أُنزِلَ عَلَىٰٓ إِبۡرَٰهِيمَ وَإِسۡمَٰعِيلَ وَإِسۡحَٰقَ وَيَعۡقُوبَ وَٱلۡأَسۡبَاطِ وَمَآ أُوتِيَ مُوسَىٰ وَعِيسَىٰ وَٱلنَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمۡ لَا نُفَرِّقُ بَيۡنَ أَحَدٖ مِّنۡهُمۡ وَنَحۡنُ لَهُۥ مُسۡلِمُونَ

    হে রাসূল! তুমি বল: ‘আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি, আমাদের প্রতি যা নাযিল হয়েছে তার প্রতি, ইবরাহীম, ইসমা’ঈল, ইসহাক, ইয়া’কূব ও তাঁর বংশধরগণের প্রতি যা নাযিল হয়েছিল তার প্রতি এবং যা মূসা, ‘ঈসা ও অন্যান্য নবীগণকে তাঁদের রবের পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়েছিল তার প্রতিও। আমরা তাঁদের কারও মধ্যে কোনো তারতম্য করি না।(১) আর আমরা তাঁরই কাছে একান্তভাবে আত্মসমর্পণকারী ।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  85. ৮৫

    وَمَن يَبۡتَغِ غَيۡرَ ٱلۡإِسۡلَٰمِ دِينٗا فَلَن يُقۡبَلَ مِنۡهُ وَهُوَ فِي ٱلۡأٓخِرَةِ مِنَ ٱلۡخَٰسِرِينَ

    আর যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো দীন গ্রহণ করতে চায়, তার কাছ থেকে তা কখনোই গ্রহণ করা হবে না। আর আখিরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।

  86. ৮৬

    كَيۡفَ يَهۡدِي ٱللَّهُ قَوۡمٗا كَفَرُواْ بَعۡدَ إِيمَٰنِهِمۡ وَشَهِدُوٓاْ أَنَّ ٱلرَّسُولَ حَقّٞ وَجَآءَهُمُ ٱلۡبَيِّنَٰتُۚ وَٱللَّهُ لَا يَهۡدِي ٱلۡقَوۡمَ ٱلظَّٰلِمِينَ

    আল্লাহ কিভাবে সে জাতিকে হিদায়াত করবেন , যারা ঈমান আনার পর ও রাসূল কে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর এবং তাদের কাছে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট নিদর্শন আসার পরেও কুফরী করে? আর আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত দেন না।

  87. ৮৭

    أُوْلَٰٓئِكَ جَزَآؤُهُمۡ أَنَّ عَلَيۡهِمۡ لَعۡنَةَ ٱللَّهِ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ وَٱلنَّاسِ أَجۡمَعِينَ

    আসলে এরা হলো সেসব লোক, যাদের প্রতিদান হলো, তাদের উপর আল্লাহর, ফিরিশতাগণের এবং সকল মানুষের লা’নত বর্ষিত হবে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  88. ৮৮

    خَٰلِدِينَ فِيهَا لَا يُخَفَّفُ عَنۡهُمُ ٱلۡعَذَابُ وَلَا هُمۡ يُنظَرُونَ

    তারা তাতে চিরকাল থাকবে, তাদের শাস্তি শিথিল করা হবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  89. ৮৯

    إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُواْ مِنۢ بَعۡدِ ذَٰلِكَ وَأَصۡلَحُواْ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٞ رَّحِيمٌ

    কিন্তু তারা ব্যতীত, যারা এরপরে তাওবা করেছে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করেছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

  90. ৯০

    إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بَعۡدَ إِيمَٰنِهِمۡ ثُمَّ ٱزۡدَادُواْ كُفۡرٗا لَّن تُقۡبَلَ تَوۡبَتُهُمۡ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلضَّآلُّونَ

    নিশ্চয় যারা ঈমান আনার পর কুফরীতে লিপ্ত হয়েছে, তারপর তারা তাদের কুফরী বৃদ্ধি করেছে , তাদের তাওবা কখনো কবুল করা হবে না।(১) আর তারাই পথভ্রষ্ট।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  91. ৯১

    إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَمَاتُواْ وَهُمۡ كُفَّارٞ فَلَن يُقۡبَلَ مِنۡ أَحَدِهِم مِّلۡءُ ٱلۡأَرۡضِ ذَهَبٗا وَلَوِ ٱفۡتَدَىٰ بِهِۦٓۗ أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٞ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ

    নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে এবং কাফির অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে , তাদের কারো কাছ থেকে পৃথিবী সমপরিমাণ স্বর্ণ বিনিময়স্বরূপ প্রদান করলেও তা কখনো গ্রহণ করা হবে না। তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি এবং তাদের কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না।

  92. ৯২

    لَن تَنَالُواْ ٱلۡبِرَّ حَتَّىٰ تُنفِقُواْ مِمَّا تُحِبُّونَۚ وَمَا تُنفِقُواْ مِن شَيۡءٖ فَإِنَّ ٱللَّهَ بِهِۦ عَلِيمٞ

    (হে মু’মিনগণ) তোমরা যা ভালোবাসো তা থেকে (আল্লাহর পথে) ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনো প্রকৃত নেকি অর্জন করতে পারবে না। আর তোমরা (কম-বেশি) যা কিছু ব্যয় করো, নিশ্চয় আল্লাহ সে সম্পর্কে ভালো করেই জানেন।

  93. ৯৩

    ۞ كُلُّ ٱلطَّعَامِ كَانَ حِلّٗا لِّبَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ إِلَّا مَا حَرَّمَ إِسۡرَٰٓءِيلُ عَلَىٰ نَفۡسِهِۦ مِن قَبۡلِ أَن تُنَزَّلَ ٱلتَّوۡرَىٰةُۚ قُلۡ فَأۡتُواْ بِٱلتَّوۡرَىٰةِ فَٱتۡلُوهَآ إِن كُنتُمۡ صَٰدِقِينَ

    তাওরাত নাযিল হওয়ার পূর্বে ইসরাঈল (ইয়াকূব) তার নিজের উপর যা হারাম করেছিল তা ছাড়া বনী ইসরাঈলের জন্য যাবতীয় (পবিত্র) খাদ্যই হালাল ছিল।(১) (হে নবী!) তুমি তাদেরকে বলে দাও: ‘যদি তোমরা (তোমাদের দাবিতে) সত্যবাদী হও, তবে তাওরাত আনো এবং তা পাঠ করে দেখাও।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  94. ৯৪

    فَمَنِ ٱفۡتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ ٱلۡكَذِبَ مِنۢ بَعۡدِ ذَٰلِكَ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّٰلِمُونَ

    এরপরও যারা আল্লাহর ওপর মিথ্যারোপ করবে, তারাই যালিম।

  95. ৯৫

    قُلۡ صَدَقَ ٱللَّهُۗ فَٱتَّبِعُواْ مِلَّةَ إِبۡرَٰهِيمَ حَنِيفٗاۖ وَمَا كَانَ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ

    তুমি বলে দাও: ‘আল্লাহ সত্য বলেছেন।(১) কাজেই তোমরা একনিষ্ঠভাবে ইবরাহীমের ধর্ম অনুসরণ করো। আর তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  96. ৯৬

    إِنَّ أَوَّلَ بَيۡتٖ وُضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِي بِبَكَّةَ مُبَارَكٗا وَهُدٗى لِّلۡعَٰلَمِينَ

    নিশ্চয় মানব জাতির জন্য সর্বপ্রথম যে ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটি বাক্কায় (মক্কা নগরীতে) অবস্থিত, যা বরকতময় ও বিশ্ববাসীর জন্যে হিদায়াত )।

  97. ৯৭

    فِيهِ ءَايَٰتُۢ بَيِّنَٰتٞ مَّقَامُ إِبۡرَٰهِيمَۖ وَمَن دَخَلَهُۥ كَانَ ءَامِنٗاۗ وَلِلَّهِ عَلَى ٱلنَّاسِ حِجُّ ٱلۡبَيۡتِ مَنِ ٱسۡتَطَاعَ إِلَيۡهِ سَبِيلٗاۚ وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    এটিতে রয়েছে সুস্পষ্ট নির্দশনসমূহ। মাকামু ইবরাহীম। যে তাতে প্রবেশ করবে, সে নিরাপদ হয়ে যাবে। আর এ ঘরে পৌঁছার শক্তি-সামর্থ্যবান মানুষের ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বায়তুল্লাহর হজ্জ করা ফরয। আর যে কুফরী করে(১), তবে নিশ্চয় আল্লাহ সৃষ্টিকুল থেকে অমুখাপেক্ষী।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  98. ৯৮

    قُلۡ يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ لِمَ تَكۡفُرُونَ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَٱللَّهُ شَهِيدٌ عَلَىٰ مَا تَعۡمَلُونَ

    তুমি বলো: ‘হে আহলু কিতাব! তোমরা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের সাথে কেন কুফরী করছো?(১) আর তোমরা যা করো আল্লাহ তার সাক্ষী।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  99. ৯৯

    قُلۡ يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ لِمَ تَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ مَنۡ ءَامَنَ تَبۡغُونَهَا عِوَجٗا وَأَنتُمۡ شُهَدَآءُۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَٰفِلٍ عَمَّا تَعۡمَلُونَ

    তুমি বলে দাও: ‘হে আহলু কিতাব! যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে তাকে কেন তোমরা আল্লাহর পথে তাতে বক্রতা সন্ধান করে বাধা দিচ্ছো,? অথচ তোমরা সাক্ষী। আর তোমরা যা করো, আল্লাহ সে সম্পর্কে গাফিল নন।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  100. ১০০

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِن تُطِيعُواْ فَرِيقٗا مِّنَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ يَرُدُّوكُم بَعۡدَ إِيمَٰنِكُمۡ كَٰفِرِينَ

    হে মুমিনগণ! যাদেরকে ইতঃপূর্বে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমরা যদি তাদের একটি দলেরও আনুগত্য কর, তাহলে তারা তোমাদেরকে ঈমান আনার পরও কাফির বানিয়ে দিবে।

  101. ১০১

    وَكَيۡفَ تَكۡفُرُونَ وَأَنتُمۡ تُتۡلَىٰ عَلَيۡكُمۡ ءَايَٰتُ ٱللَّهِ وَفِيكُمۡ رَسُولُهُۥۗ وَمَن يَعۡتَصِم بِٱللَّهِ فَقَدۡ هُدِيَ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ

    আর কিভাবে তোমরা কুফরী করবে; অথচ আল্লাহর আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে তিলাওয়াত করা হচ্ছে এবং তোমাদের মধ্যে রয়েছে তাঁর রাসূল ? আর যে ব্যক্তি আল্লাহকেমজবুতভাবে আঁকড়ে ধরবে, সে অবশ্যই সরল-সঠিক পথের হিদায়াত লাভ করবে।

  102. ১০২

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱتَّقُواْ ٱللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِۦ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسۡلِمُونَ

    হে মুমিনগণ! তোমরা সত্যিকারার্থে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো।(১) আর তোমরা মুসলিম হওয়া ছাড়া মারা যেয়ো না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  103. ১০৩

    وَٱعۡتَصِمُواْ بِحَبۡلِ ٱللَّهِ جَمِيعٗا وَلَا تَفَرَّقُواْۚ وَٱذۡكُرُواْ نِعۡمَتَ ٱللَّهِ عَلَيۡكُمۡ إِذۡ كُنتُمۡ أَعۡدَآءٗ فَأَلَّفَ بَيۡنَ قُلُوبِكُمۡ فَأَصۡبَحۡتُم بِنِعۡمَتِهِۦٓ إِخۡوَٰنٗا وَكُنتُمۡ عَلَىٰ شَفَا حُفۡرَةٖ مِّنَ ٱلنَّارِ فَأَنقَذَكُم مِّنۡهَاۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمۡ ءَايَٰتِهِۦ لَعَلَّكُمۡ تَهۡتَدُونَ

    তোমরা সবাই আল্লাহর রশি (আল-কুরআন ও বিশুদ্ধ সুন্নাহকে) দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ করো, যখন তোমরা ছিলে পরস্পর শত্রু। অতঃপর তিনি তোমাদের হৃদয়ে প্রীতির সঞ্চার করলেন, ফলে তাঁর অনুগ্রহে তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে। তোমরা তো জাহান্নামের দ্বারপ্রান্তে ছিলে। তিনি তোমাদেরকে তা থেকে রক্ষা করেছেন। এভাবেই আল্লাহ তোমাদেরজন্যে তাঁর আয়াতসমূহ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা হিদায়াতের পথে পরিচালিত হও।

  104. ১০৪

    وَلۡتَكُن مِّنكُمۡ أُمَّةٞ يَدۡعُونَ إِلَى ٱلۡخَيۡرِ وَيَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِۚ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ

    তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল অবশ্যই থাকা উচিত, যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, ভালো কাজের আদেশ দিবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই পরিপূর্ণ সফলকাম হবে।

  105. ১০৫

    وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ تَفَرَّقُواْ وَٱخۡتَلَفُواْ مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلۡبَيِّنَٰتُۚ وَأُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٞ

    তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ আসার পরও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ও নিজেদের মধ্যে বিভেদ করেছে। আর তাদের জন্য রয়েছে ।

  106. ১০৬

    يَوۡمَ تَبۡيَضُّ وُجُوهٞ وَتَسۡوَدُّ وُجُوهٞۚ فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ٱسۡوَدَّتۡ وُجُوهُهُمۡ أَكَفَرۡتُم بَعۡدَ إِيمَٰنِكُمۡ فَذُوقُواْ ٱلۡعَذَابَ بِمَا كُنتُمۡ تَكۡفُرُونَ

    সেদিন কিছু লোকের (ঈমানদারদের) চেহারা উজ্জল হবে এবং কিছু লোকের (কাফিরদের) চেহারা কালো হবে। যাদের মুখ কালো হবে (তাদেরকে বলা হবে), ‘তোমরা কি ঈমান আনার পর কুফরী করেছিলে? সুতরাং তোমরা (আল্লাহর) শাস্তি ভোগ করো, যেহেতু তোমরা কুফরি করতে।

  107. ১০৭

    وَأَمَّا ٱلَّذِينَ ٱبۡيَضَّتۡ وُجُوهُهُمۡ فَفِي رَحۡمَةِ ٱللَّهِۖ هُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ

    আর যাদের চেহারা উজ্জল হবে, তারা তো আল্লাহর রহমতে থাকবে। তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে।

  108. ১০৮

    تِلۡكَ ءَايَٰتُ ٱللَّهِ نَتۡلُوهَا عَلَيۡكَ بِٱلۡحَقِّۗ وَمَا ٱللَّهُ يُرِيدُ ظُلۡمٗا لِّلۡعَٰلَمِينَ

    এগুলো আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার প্রতি যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। আর আল্লাহ সৃষ্টিজগতের প্রতি যুলম করার ইচ্ছা পোষণ করেন না।

  109. ১০৯

    وَلِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۚ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرۡجَعُ ٱلۡأُمُورُ

    আর আসমানসমূহ ও যমিনে যা কিছু আছে সব আল্লাহরইএবং আল্লাহর কাছেই এসব কিছুকে একদিন ফিরিয়ে নেয়া হবে।

  110. ১১০

    كُنتُمۡ خَيۡرَ أُمَّةٍ أُخۡرِجَتۡ لِلنَّاسِ تَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَتَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَتُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِۗ وَلَوۡ ءَامَنَ أَهۡلُ ٱلۡكِتَٰبِ لَكَانَ خَيۡرٗا لَّهُمۚ مِّنۡهُمُ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ وَأَكۡثَرُهُمُ ٱلۡفَٰسِقُونَ

    (হে উম্মতে মুহাম্মাদী!) তোমরাই শ্রেষ্ঠতম উম্মত, যাদেরকে মানব জাতির (কল্যাণের) জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে, অসৎকাজে নিষেধ করবে এবং আল্লাহর উপর ঈমান আনবে। আর আহলু কিতাবরা যদি (আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ঈমান আনায়ন করতো, তবে তা ছিল তাদের (দুনিয়া ও আখিরাতের) জন্যে কল্যাণকর। যদিও তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মু’মিন আছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই ফাসিক (১)।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  111. ১১১

    لَن يَضُرُّوكُمۡ إِلَّآ أَذٗىۖ وَإِن يُقَٰتِلُوكُمۡ يُوَلُّوكُمُ ٱلۡأَدۡبَارَ ثُمَّ لَا يُنصَرُونَ

    তারা তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না, (সাময়িক) কিছু কষ্ট দেয়া ছাড়া।(১) আর যদি তারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তবে তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পালাবে। তারপর তাদেরকে সাহায্য করা হবে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  112. ১১২

    ضُرِبَتۡ عَلَيۡهِمُ ٱلذِّلَّةُ أَيۡنَ مَا ثُقِفُوٓاْ إِلَّا بِحَبۡلٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَحَبۡلٖ مِّنَ ٱلنَّاسِ وَبَآءُو بِغَضَبٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَضُرِبَتۡ عَلَيۡهِمُ ٱلۡمَسۡكَنَةُۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمۡ كَانُواْ يَكۡفُرُونَ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَيَقۡتُلُونَ ٱلۡأَنۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقّٖۚ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَواْ وَّكَانُواْ يَعۡتَدُونَ

    তাদেরকে আল্লাহর প্রতিশ্রুতির বাইরে ও মানুষের প্রতিশ্রুতির বাইরে যেখানেই পাওয়া গেছে, সেখানেই তারা লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়েছে। আর তারা আল্লাহর ক্রোধে পতিত হয়েছে। উপরন্তু তাদের উপর দারিদ্র্য চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা এ জন্যে যে, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহের সাথে কুফরী করতো এবং অন্যায়ভাবে নবীগণকে হত্যা করতো। তাছাড়া এজন্যও যে, তারা অবাধ্যতা করতো এবং সীমালঙ্ঘন করতো।

  113. ১১৩

    ۞ لَيۡسُواْ سَوَآءٗۗ مِّنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ أُمَّةٞ قَآئِمَةٞ يَتۡلُونَ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ ءَانَآءَ ٱلَّيۡلِ وَهُمۡ يَسۡجُدُونَ

    আহলু কিতাবের সবাই এক রকম নয়। তাদের মধ্যে একদল লোক আল্লাহর দ্বীনের উপর অবিচল । তারা রাতে সাজদারত হয়ে আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে ।

  114. ১১৪

    يُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِ وَيَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَيُسَٰرِعُونَ فِي ٱلۡخَيۡرَٰتِۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ

    তারা (১) আল্লাহ এবং আখিরাত দিবসের প্রতি ঈমান আনে, সৎকাজের আদেশ দেয়, অসৎকাজে নিষেধ করে এবং তারা কল্যাণকর কাজে প্রতিযোগিতা করে। আর তারাই সৎলোকের অন্তর্ভুক্ত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  115. ১১৫

    وَمَا يَفۡعَلُواْ مِنۡ خَيۡرٖ فَلَن يُكۡفَرُوهُۗ وَٱللَّهُ عَلِيمُۢ بِٱلۡمُتَّقِينَ

    আর তারা যে ভালো কাজ করে, তা অস্বীকার করা হবে না।(১) আর আল্লাহ মুত্তাকীদের সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  116. ১১৬

    إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَن تُغۡنِيَ عَنۡهُمۡ أَمۡوَٰلُهُمۡ وَلَآ أَوۡلَٰدُهُم مِّنَ ٱللَّهِ شَيۡـٔٗاۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ أَصۡحَٰبُ ٱلنَّارِۖ هُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ

    নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে, তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর কাছে কোনো কাজে আসবে না।(১) আর তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, তারা সেখানে চিরকাল থাকবে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  117. ১১৭

    مَثَلُ مَا يُنفِقُونَ فِي هَٰذِهِ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا كَمَثَلِ رِيحٖ فِيهَا صِرٌّ أَصَابَتۡ حَرۡثَ قَوۡمٖ ظَلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ فَأَهۡلَكَتۡهُۚ وَمَا ظَلَمَهُمُ ٱللَّهُ وَلَٰكِنۡ أَنفُسَهُمۡ يَظۡلِمُونَ

    তারা (কাফিররা) এ দুনিয়ার জীবনে (ছাওয়াবের আশায় কল্যাণকর কাজে) যা ব্যয় করে, তার উপমা হলো এমন এক প্রবল হিমেল বাতাসের মতো, যাতে রয়েছে তীব্র শীতলতা। তা এমন এক সম্প্রদায়ের শস্যক্ষেতের ওপর দিয়ে বয়ে যায়, যারা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল; অতঃপর তা সেটিকে ধ্বংস করে দেয়।(১) আর আল্লাহ তাদের প্রতি কোনো জুলুম করেননি; বরং তারাই নিজেদের প্রতি জুলুম করেছে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  118. ১১৮

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَتَّخِذُواْ بِطَانَةٗ مِّن دُونِكُمۡ لَا يَأۡلُونَكُمۡ خَبَالٗا وَدُّواْ مَا عَنِتُّمۡ قَدۡ بَدَتِ ٱلۡبَغۡضَآءُ مِنۡ أَفۡوَٰهِهِمۡ وَمَا تُخۡفِي صُدُورُهُمۡ أَكۡبَرُۚ قَدۡ بَيَّنَّا لَكُمُ ٱلۡأٓيَٰتِۖ إِن كُنتُمۡ تَعۡقِلُونَ

    হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের বাইরে অন্যদের অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না (যাদের কাছে তোমরা তোমাদের গোপন বিষয়গুলো প্রকাশ করবে)। তারা তোমাদের ক্ষতিসাধনে কোনো ত্রুটি করে না। তারা কামনা করে, যা তোমাদের কষ্ট ও মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। তাদের মুখ থেকে তো বিদ্বেষ প্রকাশ পেয়েই গেছে, আর তাদের অন্তরে যা গোপন আছে তা আরও বড়। অবশ্যই আমি তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি, যদি তোমরা বিবেকবান হও।

  119. ১১৯

    هَٰٓأَنتُمۡ أُوْلَآءِ تُحِبُّونَهُمۡ وَلَا يُحِبُّونَكُمۡ وَتُؤۡمِنُونَ بِٱلۡكِتَٰبِ كُلِّهِۦ وَإِذَا لَقُوكُمۡ قَالُوٓاْ ءَامَنَّا وَإِذَا خَلَوۡاْ عَضُّواْ عَلَيۡكُمُ ٱلۡأَنَامِلَ مِنَ ٱلۡغَيۡظِۚ قُلۡ مُوتُواْ بِغَيۡظِكُمۡۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمُۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ

    তোমরা তাদেরকে ভালোবাসো ঠিকই; কিন্তু তারা তোমাদেরকে ভালোবাসে না আর তোমরা সকল কিতাবের ওপর ঈমান রাখো (১)। আর তারা যখন তোমাদের সাথে মিলিত হয়, তখন বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি; কিন্তু তারা নিজেরা যখন একান্তে মিলিত হয়, তখন তোমাদের প্রতি ক্রোধ ও আক্রোশে তারা নিজেদের আঙ্গুলের অগ্রভাগ দাঁত দিয়ে কামড়াতে থাকে।’ তুমি তাদেরকে বল: ‘তোমরা তোমাদের ক্রোধে ও আক্রোশেই মরো।’ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের অন্তরে যা রয়েছে, সে সম্পর্কে সম্যক অবগত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  120. ১২০

    إِن تَمۡسَسۡكُمۡ حَسَنَةٞ تَسُؤۡهُمۡ وَإِن تُصِبۡكُمۡ سَيِّئَةٞ يَفۡرَحُواْ بِهَاۖ وَإِن تَصۡبِرُواْ وَتَتَّقُواْ لَا يَضُرُّكُمۡ كَيۡدُهُمۡ شَيۡـًٔاۗ إِنَّ ٱللَّهَ بِمَا يَعۡمَلُونَ مُحِيطٞ

    যদি তোমাদেরকে কোন কল্যাণ স্পর্শ করে, তখন তা তাদের মনে কষ্ট দেয়। আর যদি তোমাদেরকে মন্দ স্পর্শ করে, তখন তাতে তারা আনন্দিত হয়। আর যদি তোমরা ধৈর্যধারণ করো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তাহলে তাদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের কর্মকাণ্ড পরিবেষ্টন করে আছেন।

  121. ১২১

    وَإِذۡ غَدَوۡتَ مِنۡ أَهۡلِكَ تُبَوِّئُ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ مَقَٰعِدَ لِلۡقِتَالِۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ

    আর স্মরণ কর, যখন তুমি তোমার পরিবার পরিজন থেকে সকাল বেলায় বের হয়ে মু’মিনদেরকে যুদ্ধের ঘাঁটিসমূহে বিন্যস্ত করছিলে। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

  122. ১২২

    إِذۡ هَمَّت طَّآئِفَتَانِ مِنكُمۡ أَن تَفۡشَلَا وَٱللَّهُ وَلِيُّهُمَاۗ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلۡيَتَوَكَّلِ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ

    (হে নবী!) স্মরণ করুন, যখন তোমাদের মধ্য থেকে দুটি দল (বনূ সালিমাহ ও বনূ হারিসাহ, মুনাফিকদের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটতে দেখে) সাহস হারিয়ে ফেলার উপক্রম হয়েছিল; অথচ আল্লাহ তাদের উভয়ের অভিভাবক (ও সাহায্যকারী) ছিলেন। আর আল্লাহর ওপরই যেন মুমিনরা তাওয়াক্কুল করে।

  123. ১২৩

    وَلَقَدۡ نَصَرَكُمُ ٱللَّهُ بِبَدۡرٖ وَأَنتُمۡ أَذِلَّةٞۖ فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ

    আর আল্লাহ অবশ্যই তোমাদেরকে বদরের যুদ্ধে সাহায্য করেছেন; অথচ তোমরা তখন ছিলে হীনবল। অতএব তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো। আশা করা যায়, তোমরা শোকর আদায়কারী হবে।

  124. ১২৪

    إِذۡ تَقُولُ لِلۡمُؤۡمِنِينَ أَلَن يَكۡفِيَكُمۡ أَن يُمِدَّكُمۡ رَبُّكُم بِثَلَٰثَةِ ءَالَٰفٖ مِّنَ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ مُنزَلِينَ

    স্মরণ কর, যখন তুমি মুমিনদেরকে বলছিলে: ‘তোমাদের জন্য কি যথেষ্ট নয় যে, তোমাদের রব তোমাদেরকে তিন হাজার নাযিলকৃত ফিরিশতা দ্বারা সাহায্য করবেন?(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  125. ১২৫

    بَلَىٰٓۚ إِن تَصۡبِرُواْ وَتَتَّقُواْ وَيَأۡتُوكُم مِّن فَوۡرِهِمۡ هَٰذَا يُمۡدِدۡكُمۡ رَبُّكُم بِخَمۡسَةِ ءَالَٰفٖ مِّنَ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ مُسَوِّمِينَ

    অবশ্যই (এটা তোমাদের জন্য যথেষ্ট হবে)। যদি তোমরা (যুদ্ধের ময়দানে) ধৈর্যধারণ করো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, আর তারা (শত্রুপক্ষ সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে) আকস্মিক তোমাদের ওপর হামলা করে, তবে তোমাদের রব পাঁচ হাজার চি‎‎হ্নিত ফিরিশতা দ্বারা তোমাদেরকে সাহায্য করবেন।

  126. ১২৬

    وَمَا جَعَلَهُ ٱللَّهُ إِلَّا بُشۡرَىٰ لَكُمۡ وَلِتَطۡمَئِنَّ قُلُوبُكُم بِهِۦۗ وَمَا ٱلنَّصۡرُ إِلَّا مِنۡ عِندِ ٱللَّهِ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡحَكِيمِ

    আর আল্লাহ এ ব্যবস্থা করেছেন কেবল তোমাদের জন্য সুসংবাদস্বরূপ এবং যাতে তোমাদের অন্তরসমূহ এর দ্বারা প্রশান্তি লাভ করে। আর সাহায্য (ও সত্যিকার বিজয়) কেবল মহা পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকেই হয়ে থাকে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  127. ১২৭

    لِيَقۡطَعَ طَرَفٗا مِّنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ أَوۡ يَكۡبِتَهُمۡ فَيَنقَلِبُواْ خَآئِبِينَ

    যাতে আল্লাহ কাফিরদের একটি অংশকে ধ্বংস করেন অথবা তাদের কে লাঞ্ছিত করেন। ফলে তারা নিরাশ মনে ফিরে যায়।

  128. ১২৮

    لَيۡسَ لَكَ مِنَ ٱلۡأَمۡرِ شَيۡءٌ أَوۡ يَتُوبَ عَلَيۡهِمۡ أَوۡ يُعَذِّبَهُمۡ فَإِنَّهُمۡ ظَٰلِمُونَ

    (হে নবী! তাদের ব্যাপারে) কোনো সিদ্ধান্ত তোমার হাতে নেই।(১) তিনি হয় তাদের তাওবা কবুল করবেন, অথবা তাদেরকে শাস্তি দেবেন। কারণ তারা তো যালিম।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  129. ১২৯

    وَلِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۚ يَغۡفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَآءُۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ

    আর আসমানসমূহ ও যমিনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন, আর যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। আর আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

  130. ১৩০

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَأۡكُلُواْ ٱلرِّبَوٰٓاْ أَضۡعَٰفٗا مُّضَٰعَفَةٗۖ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ

    হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃ্দ্ধি হারে সুদ খেয়ো না। আর তোমরা আল্লাহর (আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁর) তাকওয়া অবলম্বন করো, যাতে তোমরা (দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভ করে) সফল হতে পারো।

  131. ১৩১

    وَٱتَّقُواْ ٱلنَّارَ ٱلَّتِيٓ أُعِدَّتۡ لِلۡكَٰفِرِينَ

    আর তোমরা (নেক আমল করা ও হারাম পরিত্যাগের মাধ্যমে) সে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচো, যা কাফিরদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

  132. ১৩২

    وَأَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ لَعَلَّكُمۡ تُرۡحَمُونَ

    আর তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করো, যাতে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হও।

  133. ১৩৩

    ۞ وَسَارِعُوٓاْ إِلَىٰ مَغۡفِرَةٖ مِّن رَّبِّكُمۡ وَجَنَّةٍ عَرۡضُهَا ٱلسَّمَٰوَٰتُ وَٱلۡأَرۡضُ أُعِدَّتۡ لِلۡمُتَّقِينَ

    আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের ক্ষমার দিকে এবং সে জান্নাতের দিকে, যার প্রশস্ততা আসমানসমূহ ও জমিনের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

  134. ১৩৪

    ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ فِي ٱلسَّرَّآءِ وَٱلضَّرَّآءِ وَٱلۡكَٰظِمِينَ ٱلۡغَيۡظَ وَٱلۡعَافِينَ عَنِ ٱلنَّاسِۗ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلۡمُحۡسِنِينَ

    (মুত্তাকী তারাই) যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় (আল্লাহর পথে) ব্যয় করে, ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।

  135. ১৩৫

    وَٱلَّذِينَ إِذَا فَعَلُواْ فَٰحِشَةً أَوۡ ظَلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ ذَكَرُواْ ٱللَّهَ فَٱسۡتَغۡفَرُواْ لِذُنُوبِهِمۡ وَمَن يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ إِلَّا ٱللَّهُ وَلَمۡ يُصِرُّواْ عَلَىٰ مَا فَعَلُواْ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ

    আর যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা নিজেদের প্রতি যুলুম করলে(১) আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে গুনাহ ক্ষমা করতে পারে? আর তারা যা করে ফেলে, জেনে-বুঝে তারা তা বারবার করে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  136. ১৩৬

    أُوْلَٰٓئِكَ جَزَآؤُهُم مَّغۡفِرَةٞ مِّن رَّبِّهِمۡ وَجَنَّٰتٞ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَاۚ وَنِعۡمَ أَجۡرُ ٱلۡعَٰمِلِينَ

    (উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যের লোক) তারাই, যাদের প্রতিদান হলো তাদের রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা(১) এবং এমন জান্নাত, যার পাদদেশে দিয়ে প্রবাহিত হবে নদ-নদী। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। আর সৎকর্মশীলদের প্রতিদান কতইনা উত্তম!

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  137. ১৩৭

    قَدۡ خَلَتۡ مِن قَبۡلِكُمۡ سُنَنٞ فَسِيرُواْ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَٱنظُرُواْ كَيۡفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلۡمُكَذِّبِينَ

    অবশ্যই তোমাদের পূর্বে বহু জাতির (জীবন-পদ্ধতি, রীতি-নীতি ও শিক্ষণীয়) দৃষ্টান্ত অতিবাহিত হয়েছে। অতএব তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ করো এবং দেখো, অস্বীকারকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছিল।

  138. ১৩৮

    هَٰذَا بَيَانٞ لِّلنَّاسِ وَهُدٗى وَمَوۡعِظَةٞ لِّلۡمُتَّقِينَ

    এটা (এ কুরআন) মানুষের জন্য সুস্পষ্ট বর্ণনা এবং মুত্তাকীদের জন্য হিদায়াত ও উপদেশ।

  139. ১৩৯

    وَلَا تَهِنُواْ وَلَا تَحۡزَنُواْ وَأَنتُمُ ٱلۡأَعۡلَوۡنَ إِن كُنتُم مُّؤۡمِنِينَ

    তোমরা হীনবল হয়ো না এবং দুঃখ করো না। তোমরাই বিজয়ী হবে, যদি তোমরা মু’মিন হও।

  140. ১৪০

    إِن يَمۡسَسۡكُمۡ قَرۡحٞ فَقَدۡ مَسَّ ٱلۡقَوۡمَ قَرۡحٞ مِّثۡلُهُۥۚ وَتِلۡكَ ٱلۡأَيَّامُ نُدَاوِلُهَا بَيۡنَ ٱلنَّاسِ وَلِيَعۡلَمَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَيَتَّخِذَ مِنكُمۡ شُهَدَآءَۗ وَٱللَّهُ لَا يُحِبُّ ٱلظَّٰلِمِينَ

    (হে মু’মিনগণ! উহুদের দিন) যদি তোমাদের আঘাত লেগে থাকে (আহত ও নিহত হয়ে থাকো), অনুরূপ আঘাত তো তাদেরও (কাফিরদেরও তো) লেগেছিল। মানুষের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আমি এ দিনগুলোর আবর্তন ঘটাই(১), যাতে আল্লাহ (প্রকৃত) ’মুমিনগণকে (মুনাফিকদের থেকে আলাদা করে) জানতে পারেন এবং তোমাদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যককে শহীদরূপে গ্রহণ করতে পারেন। আর আল্লাহ (জিহাদ পরিত্যাগ করে নিজের ওপর যুলমকারী) যালিমদেরকে পছন্দ করেন না।

  141. ১৪১

    وَلِيُمَحِّصَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَيَمۡحَقَ ٱلۡكَٰفِرِينَ

    আর আল্লাহ যাতে মু’মিনদেরকে পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করতে পারেন এবং কাফিরদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে পারেন।

  142. ১৪২

    أَمۡ حَسِبۡتُمۡ أَن تَدۡخُلُواْ ٱلۡجَنَّةَ وَلَمَّا يَعۡلَمِ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ جَٰهَدُواْ مِنكُمۡ وَيَعۡلَمَ ٱلصَّٰبِرِينَ

    তোমরা কি মনে করে নিয়েছো যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনো জানেননি (১) তোমাদের মধ্যে কে জিহাদকারী এবং কে ধৈর্যশীল?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  143. ১৪৩

    وَلَقَدۡ كُنتُمۡ تَمَنَّوۡنَ ٱلۡمَوۡتَ مِن قَبۡلِ أَن تَلۡقَوۡهُ فَقَدۡ رَأَيۡتُمُوهُ وَأَنتُمۡ تَنظُرُونَ

    আর তোমরা তো ইতঃপূর্বে মৃত্যুর সম্মুখীন হওয়ার আগেই তা কামনা করতে। (১) অতএব এখন তো তোমরা তা স্বচক্ষে দেখলে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  144. ১৪৪

    وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٞ قَدۡ خَلَتۡ مِن قَبۡلِهِ ٱلرُّسُلُۚ أَفَإِيْن مَّاتَ أَوۡ قُتِلَ ٱنقَلَبۡتُمۡ عَلَىٰٓ أَعۡقَٰبِكُمۡۚ وَمَن يَنقَلِبۡ عَلَىٰ عَقِبَيۡهِ فَلَن يَضُرَّ ٱللَّهَ شَيۡـٔٗاۚ وَسَيَجۡزِي ٱللَّهُ ٱلشَّٰكِرِينَ

    আর মুহাম্মদ একজন রাসূল ছাড়া আর কিছুই নয়; তাঁর আগে অনেক রাসূল চলে গেছেন। কাজেই তিনি যদি মারা যান বা নিহত হন তবে কি তোমরা পেছনে ফিরে যাবে?(১) আর যে কেউ পেছনে ফিরে যাবে, সে কখনোই আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর আল্লাহ অচিরেই কৃতজ্ঞদেরকে পুরস্কার দান করবেন।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  145. ১৪৫

    وَمَا كَانَ لِنَفۡسٍ أَن تَمُوتَ إِلَّا بِإِذۡنِ ٱللَّهِ كِتَٰبٗا مُّؤَجَّلٗاۗ وَمَن يُرِدۡ ثَوَابَ ٱلدُّنۡيَا نُؤۡتِهِۦ مِنۡهَا وَمَن يُرِدۡ ثَوَابَ ٱلۡأٓخِرَةِ نُؤۡتِهِۦ مِنۡهَاۚ وَسَنَجۡزِي ٱلشَّٰكِرِينَ

    আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোন প্রাণীই মরতে পারে না। কারণ মৃত্যুর সময় সুনির্ধারিত। যে ব্যক্তি পার্থিব পুরস্কার চায়, আমি তাকে তা দিয়ে দেই(১) এবং যে ব্যক্তি আখিরাতের পুরস্কার চায়, আমি তাকে তা দিয়ে দিবো। আর অচিরেই আমি কৃতজ্ঞদেরকে পুরস্কার প্রদান করবো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  146. ১৪৬

    وَكَأَيِّن مِّن نَّبِيّٖ قَٰتَلَ مَعَهُۥ رِبِّيُّونَ كَثِيرٞ فَمَا وَهَنُواْ لِمَآ أَصَابَهُمۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ وَمَا ضَعُفُواْ وَمَا ٱسۡتَكَانُواْۗ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلصَّٰبِرِينَ

    (হে মু’মিনগণ! উহুদের দিন) যদি তোমাদের আঘাত লেগে থাকে (আহত ও নিহত হয়ে থাকো), অনুরূপ আঘাত তো তাদেরও (কাফিরদেরও তো) লেগেছিল। মানুষের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আমি এ দিনগুলোর আবর্তন ঘটাই(১), যাতে আল্লাহ (প্রকৃত) ’মুমিনগণকে (মুনাফিকদের থেকে আলাদা করে) জানতে পারেন এবং তোমাদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যককে শহীদরূপে গ্রহণ করতে পারেন। আর আল্লাহ (জিহাদ পরিত্যাগ করে নিজের ওপর যুলমকারী) যালিমদেরকে পছন্দ করেন না।

  147. ১৪৭

    وَمَا كَانَ قَوۡلَهُمۡ إِلَّآ أَن قَالُواْ رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسۡرَافَنَا فِيٓ أَمۡرِنَا وَثَبِّتۡ أَقۡدَامَنَا وَٱنصُرۡنَا عَلَى ٱلۡقَوۡمِ ٱلۡكَٰفِرِينَ

    তাদের একটিই কথা ছিলো: ‘হে আমাদের রব! আমাদের পাপ এবং আমাদের কাজের সীমালঙ্ঘন আপনি ক্ষমা করুন, আমাদের পা সুদৃঢ় রাখুন এবং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।’

  148. ১৪৮

    فَـَٔاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ ثَوَابَ ٱلدُّنۡيَا وَحُسۡنَ ثَوَابِ ٱلۡأٓخِرَةِۗ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلۡمُحۡسِنِينَ

    ফলে আল্লাহ তাদেরকে (বিজয় ও প্রতিষ্ঠা দান করার মাধ্যমে) দুনিয়ার পুরস্কার এবং আখিরাতের উত্তম প্রতিদান (জান্নাত) দিলেন। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদেরকে ভালোবাসেন।

  149. ১৪৯

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِن تُطِيعُواْ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ يَرُدُّوكُمۡ عَلَىٰٓ أَعۡقَٰبِكُمۡ فَتَنقَلِبُواْ خَٰسِرِينَ

    হে মুমিনগণ! যদি তোমরা কাফিরদের আনুগত্য করো, তারা তোমাদেরকে (ঈমান আনার পরে) তোমাদের পূর্বাবস্থায় (কুফরিতে) ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। ফলে তোমরা (দুনিয়া ও আখিরাতে) ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।

  150. ১৫০

    بَلِ ٱللَّهُ مَوۡلَىٰكُمۡۖ وَهُوَ خَيۡرُ ٱلنَّٰصِرِينَ

    বরং আল্লাহই তো তোমাদের অভিভাবক এবং তিনিই সর্বোত্তম সাহায্যকারী।

  151. ১৫১

    سَنُلۡقِي فِي قُلُوبِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ ٱلرُّعۡبَ بِمَآ أَشۡرَكُواْ بِٱللَّهِ مَا لَمۡ يُنَزِّلۡ بِهِۦ سُلۡطَٰنٗاۖ وَمَأۡوَىٰهُمُ ٱلنَّارُۖ وَبِئۡسَ مَثۡوَى ٱلظَّٰلِمِينَ

    অচিরেই আমি কাফিরদের অন্তরে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করব। কারণ তারা আল্লাহর সঙ্গে এমন সব কিছুকে শরীক করেছে, যার পক্ষে আল্লাহ কোনো প্রমাণ নাযিল করেননি। তাদের আশ্রয়স্থল জাহান্নাম। আর যালিমদের আবাসস্থল হিসেবে তা কতই না নিকৃষ্ট!

  152. ১৫২

    وَلَقَدۡ صَدَقَكُمُ ٱللَّهُ وَعۡدَهُۥٓ إِذۡ تَحُسُّونَهُم بِإِذۡنِهِۦۖ حَتَّىٰٓ إِذَا فَشِلۡتُمۡ وَتَنَٰزَعۡتُمۡ فِي ٱلۡأَمۡرِ وَعَصَيۡتُم مِّنۢ بَعۡدِ مَآ أَرَىٰكُم مَّا تُحِبُّونَۚ مِنكُم مَّن يُرِيدُ ٱلدُّنۡيَا وَمِنكُم مَّن يُرِيدُ ٱلۡأٓخِرَةَۚ ثُمَّ صَرَفَكُمۡ عَنۡهُمۡ لِيَبۡتَلِيَكُمۡۖ وَلَقَدۡ عَفَا عَنكُمۡۗ وَٱللَّهُ ذُو فَضۡلٍ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    আর আল্লাহ তোমাদের কাছে তাঁর প্রতিশ্রুতি সত্যে পরিণত করেছিলেন, যখন তোমরা তাঁর অনুমতিক্রমে তাদেরকে হত্যা করছিলে। অবশেষে যখন তোমরা দুর্বলতা দেখালে এবং তার নির্দেশ নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলে এবং তোমরা যা ভালোবাসো তা তোমাদেরকে দেখানোর পরেও তোমরা অবাধ্য হলে। মূলত তোমাদের মধ্যে কেউ দুনিয়া (গনীমত) চাচ্ছিলো আর কেউ চাচ্ছিলো আখিরাত (পরকালের সাওয়াব)। তারপর আল্লাহ পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে তোমাদেরকে তাদের থেকে ফিরিয়ে দিলেন (১), যাতে তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন। আর অবশ্যই আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আল্লাহ মু’মিনদের ওপর অনুগ্রহশীল।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  153. ১৫৩

    ۞ إِذۡ تُصۡعِدُونَ وَلَا تَلۡوُۥنَ عَلَىٰٓ أَحَدٖ وَٱلرَّسُولُ يَدۡعُوكُمۡ فِيٓ أُخۡرَىٰكُمۡ فَأَثَٰبَكُمۡ غَمَّۢا بِغَمّٖ لِّكَيۡلَا تَحۡزَنُواْ عَلَىٰ مَا فَاتَكُمۡ وَلَا مَآ أَصَٰبَكُمۡۗ وَٱللَّهُ خَبِيرُۢ بِمَا تَعۡمَلُونَ

    (হে মু’মিনগণ) তোমরা স্মরণ করো সে সময়ের কথা যখন তোমরা (উহুদের দিন যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালাতে) ওপরের (পাহাড়ের) দিকে ছুটছিলে এবং পিছন ফিরে কারো প্রতি লক্ষ্য করছিলে না(১), আর রাসূল তোমাদেরকে পিছন দিক থেকে ডাকছিল(২)। ফলে তিনি তোমাদেরকে বিপদের উপর বিপদ (পরাজয়ের উপর রাসূলের মৃত্যু সংবাদ) দিলেন(৩), যাতে তোমরা (রাসূল মারা যায়নি জেনে উহুদের দিনে) যা হারিয়েছ এবং যে বিপদ তোমাদের ওপর এসেছে তার জন্য তোমরা দুঃখিত না হও। আর তোমরা যা করো আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবগত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  154. ১৫৪

    ثُمَّ أَنزَلَ عَلَيۡكُم مِّنۢ بَعۡدِ ٱلۡغَمِّ أَمَنَةٗ نُّعَاسٗا يَغۡشَىٰ طَآئِفَةٗ مِّنكُمۡۖ وَطَآئِفَةٞ قَدۡ أَهَمَّتۡهُمۡ أَنفُسُهُمۡ يَظُنُّونَ بِٱللَّهِ غَيۡرَ ٱلۡحَقِّ ظَنَّ ٱلۡجَٰهِلِيَّةِۖ يَقُولُونَ هَل لَّنَا مِنَ ٱلۡأَمۡرِ مِن شَيۡءٖۗ قُلۡ إِنَّ ٱلۡأَمۡرَ كُلَّهُۥ لِلَّهِۗ يُخۡفُونَ فِيٓ أَنفُسِهِم مَّا لَا يُبۡدُونَ لَكَۖ يَقُولُونَ لَوۡ كَانَ لَنَا مِنَ ٱلۡأَمۡرِ شَيۡءٞ مَّا قُتِلۡنَا هَٰهُنَاۗ قُل لَّوۡ كُنتُمۡ فِي بُيُوتِكُمۡ لَبَرَزَ ٱلَّذِينَ كُتِبَ عَلَيۡهِمُ ٱلۡقَتۡلُ إِلَىٰ مَضَاجِعِهِمۡۖ وَلِيَبۡتَلِيَ ٱللَّهُ مَا فِي صُدُورِكُمۡ وَلِيُمَحِّصَ مَا فِي قُلُوبِكُمۡۚ وَٱللَّهُ عَلِيمُۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ

    অতঃপর দুঃখ ও সঙ্কীর্ণতার পর তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করলেন তন্দ্রারূপে প্রশান্তি, যা তোমাদের একদলকে ঘুমে আচ্ছন্ন করেছিল এবং আরেক দল জাহিলী যুগের অজ্ঞের ন্যায় আল্লাহ সম্বন্ধে অবাস্তব ধারণা(১) করে নিজেরাই নিজেদেরকে উদ্বিগ্ন করেছিল এ বলে যে, ‘আমাদের কি কোন কিছু করার আছে?’(২) হে নবী! তুমি তাদের উত্তরে বল: ‘সব বিষয় আল্লাহর ইখতিয়ারে’।(৩) যা তারা তোমার কাছে প্রকাশ করে না, তারা তাদের অন্তরে সেগুলো গোপন রাখে। তারা বলে: ‘এ ব্যাপারে আমাদের কোনো কিছু করার থাকলে আমরা এখানে নিহত হতাম না।’(৪)বল: ‘তোমরা যদি তোমাদের ঘরে অবস্থান করতে, তবুও নিহত হওয়া যাদের ভাগ্যে লেখা ছিল তারা নিজেদের মৃত্যুস্থানে বের হত-ই। এটা এজন্যে যে, আল্লাহ তোমাদের অন্তরে যা আছে তা পরীক্ষা করতে চান এবং তোমাদের মনে যা আছে তা পরিশুদ্ধ করতে চান। আর অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে আল্লাহ বিশেষভাবে অবগত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  155. ১৫৫

    إِنَّ ٱلَّذِينَ تَوَلَّوۡاْ مِنكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡتَقَى ٱلۡجَمۡعَانِ إِنَّمَا ٱسۡتَزَلَّهُمُ ٱلشَّيۡطَٰنُ بِبَعۡضِ مَا كَسَبُواْۖ وَلَقَدۡ عَفَا ٱللَّهُ عَنۡهُمۡۗ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ حَلِيمٞ

    নিশ্চয় যেদিন দুদল পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিল, সেদিন তোমাদের মধ্য থেকে যারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল, তাদের এ পদস্খলনের কারণ ছিল এই যে, তাদের কোনো কৃতকর্মের কারণে শয়তান তাদের পদস্খলন ঘটিয়েছিল। অবশ্য আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।(১) নিশ্চয় আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল ও অতি সহনশীল।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  156. ১৫৬

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَقَالُواْ لِإِخۡوَٰنِهِمۡ إِذَا ضَرَبُواْ فِي ٱلۡأَرۡضِ أَوۡ كَانُواْ غُزّٗى لَّوۡ كَانُواْ عِندَنَا مَا مَاتُواْ وَمَا قُتِلُواْ لِيَجۡعَلَ ٱللَّهُ ذَٰلِكَ حَسۡرَةٗ فِي قُلُوبِهِمۡۗ وَٱللَّهُ يُحۡيِۦ وَيُمِيتُۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ بَصِيرٞ

    হে মুমিনগণ! তোমরা তাদের (মুনাফিকদের) মতো হয়ো না যারা কুফরী করে এবং তাদের ভাইয়েরা যখন (রিযিকের অনুসন্ধানে) বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে বা যুদ্ধে যায় (এবং সেখানে মারা যায়) তখন তাদের সম্পর্কে বলে: ‘তারা যদি আমাদের কাছে থাকতো তবে তারা মারা যেতো না এবং নিহতও হতো না।’ আর আল্লাহ তাদের এ ধরনের কথাকে তাদের মনের দুঃখ ও দুশ্চিন্তার কারণ বানিয়ে দেন। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহই জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। আর আল্লাহ তোমাদের সমস্ত কার্যাবলীর ওপর দৃষ্টিদানকারী।

  157. ১৫৭

    وَلَئِن قُتِلۡتُمۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ أَوۡ مُتُّمۡ لَمَغۡفِرَةٞ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَحۡمَةٌ خَيۡرٞ مِّمَّا يَجۡمَعُونَ

    আর তোমাদেরকে যদি আল্লাহর পথে হত্যা করা হয় অথবা তোমরা মারা যাও, তাহলে তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে যে ক্ষমা ও দয়া লাভ করবে, তা এরা যা কিছু একত্রিত করে তার থেকে উত্তম।

  158. ১৫৮

    وَلَئِن مُّتُّمۡ أَوۡ قُتِلۡتُمۡ لَإِلَى ٱللَّهِ تُحۡشَرُونَ

    আর যদি তোমরা (তোমাদের যে কোন হালতে) মারা যাও অথবা তোমাদেরকে (আল্লাহর পথে) শহীদ করা হয় (তাতে কী?) তোমাদেরকে আল্লাহর নিকটই একত্রিত করা হবে (যাতে তিনি তোমাদের কর্মের প্রতিদান দিতে পারেন)।

  159. ১৫৯

    فَبِمَا رَحۡمَةٖ مِّنَ ٱللَّهِ لِنتَ لَهُمۡۖ وَلَوۡ كُنتَ فَظًّا غَلِيظَ ٱلۡقَلۡبِ لَٱنفَضُّواْ مِنۡ حَوۡلِكَۖ فَٱعۡفُ عَنۡهُمۡ وَٱسۡتَغۡفِرۡ لَهُمۡ وَشَاوِرۡهُمۡ فِي ٱلۡأَمۡرِۖ فَإِذَا عَزَمۡتَ فَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلۡمُتَوَكِّلِينَ

    আল্লাহর অতীব দয়ায় তুমি তাদের প্রতি হয়েছিলে কোমল-হৃদয়ের ; যদি তুমি রূঢ় ও কঠোরচিত্ত হতে তবে তারা তোমার আশপাশ থেকে বহু দূরে সরে যেতো। কাজেই তুমি তাদেরকে ক্ষমা করে দাও এবং তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং কাজে কর্মে তাদের সাথে পরামর্শ কর। তারপর তুমি কোনো কাজ করার সংকল্প করলে আল্লাহর উপর নির্ভর করবে। নিশ্চয় আল্লাহ নির্ভরকারীদের ভালোবাসেন।

  160. ১৬০

    إِن يَنصُرۡكُمُ ٱللَّهُ فَلَا غَالِبَ لَكُمۡۖ وَإِن يَخۡذُلۡكُمۡ فَمَن ذَا ٱلَّذِي يَنصُرُكُم مِّنۢ بَعۡدِهِۦۗ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلۡيَتَوَكَّلِ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ

    আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করলে কেউ তোমাদেরকে পরাজিত করতে পারবে না। আর তিনি তোমাদেরকে সাহায্য না করলে, তিনি ছাড়া কে এমন আছে যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? (১) সুতরাং মু’মিনগণের আল্লাহর ওপরই নির্ভর করা উচিত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  161. ১৬১

    وَمَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَن يَغُلَّۚ وَمَن يَغۡلُلۡ يَأۡتِ بِمَا غَلَّ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۚ ثُمَّ تُوَفَّىٰ كُلُّ نَفۡسٖ مَّا كَسَبَتۡ وَهُمۡ لَا يُظۡلَمُونَ

    আর কোন নবীর পক্ষে অন্যায়ভাবে (গনীমত আত্মসাৎ বা) কোনো কিছু গোপন করা সম্ভব নয়। আর যে খিয়ানত করবে (গনীমতের কোন কিছু আত্মসাৎ করে), কিয়ামতের দিনে উপস্থিত হবে তা নিয়ে, যা সে খিয়ানত করেছে। অতঃপর প্রত্যেক ব্যক্তিকে পুরোপুরি (প্রতিদান) দেয়া হবে, যা সে (পার্থিব জীবনে ভালো-মন্দ) উপার্জন করেছে এবং তাদেরকে যুলম করা হবে না।

  162. ১৬২

    أَفَمَنِ ٱتَّبَعَ رِضۡوَٰنَ ٱللَّهِ كَمَنۢ بَآءَ بِسَخَطٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَمَأۡوَىٰهُ جَهَنَّمُۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمَصِيرُ

    যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির অনুসরণ করেছে, সে কি তার মতো হতে পারে যে আল্লাহর ক্রোধ নিয়ে ফিরে এসেছে ? আর তার আবাস হলো জাহান্নাম এবং তা কতই না মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল!

  163. ১৬৩

    هُمۡ دَرَجَٰتٌ عِندَ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ بَصِيرُۢ بِمَا يَعۡمَلُونَ

    (নিজ নিজ কৃতকর্ম অনুযায়ী) আল্লাহর নিকট (দুনিয়া ও আখিরাতে) তাদের রয়েছে বিভিন্ন স্তর ও মর্যাদা। তারা যা করে, আল্লাহ সেসব ভালোভাবে দেখেন।

  164. ১৬৪

    لَقَدۡ مَنَّ ٱللَّهُ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ إِذۡ بَعَثَ فِيهِمۡ رَسُولٗا مِّنۡ أَنفُسِهِمۡ يَتۡلُواْ عَلَيۡهِمۡ ءَايَٰتِهِۦ وَيُزَكِّيهِمۡ وَيُعَلِّمُهُمُ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَإِن كَانُواْ مِن قَبۡلُ لَفِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٍ

    নিশ্চয়ই আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে, তিনি তাদের নিজেদের মধ্য থেকে তাদের কাছে একজন রাসূল পাঠিয়েছেন, যে তাঁর আয়াতসমূহ তাদের কাছে তিলাওয়াত করে, তাদেরকেপরিশুদ্ধ করে এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়; যদিও তারা আগে সুস্পষ্ট ভ্রান্তিতে ও গোমরাহীতে ছিলো।

  165. ১৬৫

    أَوَلَمَّآ أَصَٰبَتۡكُم مُّصِيبَةٞ قَدۡ أَصَبۡتُم مِّثۡلَيۡهَا قُلۡتُمۡ أَنَّىٰ هَٰذَاۖ قُلۡ هُوَ مِنۡ عِندِ أَنفُسِكُمۡۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٞ

    কী ব্যাপার! তোমাদের ওপর যখন বিপদ এসেছিলো তখন তোমরা বলেছিলে: ‘এটা কোত্থেকে আসলো?’ অথচ তোমরা তো দ্বিগুণ বিপদ ঘটিয়েছিলে। তুমি তাদেরকে বল: ‘এটা তোমাদের নিজেদেরই পক্ষ থেকেই’। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছুর উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।

  166. ১৬৬

    وَمَآ أَصَٰبَكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡتَقَى ٱلۡجَمۡعَانِ فَبِإِذۡنِ ٱللَّهِ وَلِيَعۡلَمَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    আর (উহুদ যুদ্ধে) যেদিন দু’দল পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিল, সেদিন তোমাদের ওপর যে বিপর্যয়(১) ঘটেছিলো, তা আল্লাহর হুকুমেই ঘটেছিল; যাতে তিনি মু’মিনদেরকে জেনে নেন।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  167. ১৬৭

    وَلِيَعۡلَمَ ٱلَّذِينَ نَافَقُواْۚ وَقِيلَ لَهُمۡ تَعَالَوۡاْ قَٰتِلُواْ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ أَوِ ٱدۡفَعُواْۖ قَالُواْ لَوۡ نَعۡلَمُ قِتَالٗا لَّٱتَّبَعۡنَٰكُمۡۗ هُمۡ لِلۡكُفۡرِ يَوۡمَئِذٍ أَقۡرَبُ مِنۡهُمۡ لِلۡإِيمَٰنِۚ يَقُولُونَ بِأَفۡوَٰهِهِم مَّا لَيۡسَ فِي قُلُوبِهِمۡۚ وَٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِمَا يَكۡتُمُونَ

    আর যাতে তিনি তাদেরকেও চিনে নিতে পারেন, যারা মুনাফিক। আর তাদেরকে বলা হয়েছিল: ‘এসো, তোমরা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো অথবা প্রতিরোধ করো।’ তারা বলেছিল: ‘সত্যিই যদি যুদ্ধ হবে জানতাম তবে নিশ্চিতভাবে তোমাদের অনুসরণ করতাম’।(১) সেদিন তারা ঈমানের চেয়ে কুফরীর অধিকতর নিকটবর্তী ছিল। বস্তুত তারা মুখ দিয়ে এমন কথা বলে, যা তাদের অন্তরে নেই এবং তারা যা গোপন রাখে, আল্লাহ তা ভালো করেই জানেন।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  168. ১৬৮

    ٱلَّذِينَ قَالُواْ لِإِخۡوَٰنِهِمۡ وَقَعَدُواْ لَوۡ أَطَاعُونَا مَا قُتِلُواْۗ قُلۡ فَٱدۡرَءُواْ عَنۡ أَنفُسِكُمُ ٱلۡمَوۡتَ إِن كُنتُمۡ صَٰدِقِينَ

    যারা ঘরে বসে রইল এবং তারা তাদের আত্মীয়দেরকে বলল যে, ‘তারা তাদের কথামত চললে নিহত হতো না।’ হে নবী! তুমি তাদেরকে বল: ‘যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে নিজেদেরকে মৃত্যু থেকে রক্ষা করো।

  169. ১৬৯

    وَلَا تَحۡسَبَنَّ ٱلَّذِينَ قُتِلُواْ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ أَمۡوَٰتَۢاۚ بَلۡ أَحۡيَآءٌ عِندَ رَبِّهِمۡ يُرۡزَقُونَ

    আর (হে নবী!) যারা আল্লাহর পথে (যুদ্ধ করে) নিহত হয়েছে, তাদেরকে তুমি মৃত মনে করিও না, বরং তারা (বিশেষ জীবনে) জীবিত। তাদের রবের পক্ষ থেকে তাদেরকে রিযক দেওয়া হয়।

  170. ১৭০

    فَرِحِينَ بِمَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِۦ وَيَسۡتَبۡشِرُونَ بِٱلَّذِينَ لَمۡ يَلۡحَقُواْ بِهِم مِّنۡ خَلۡفِهِمۡ أَلَّا خَوۡفٌ عَلَيۡهِمۡ وَلَا هُمۡ يَحۡزَنُونَ

    আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে যা দিয়েছেন তাতে তারা আনন্দিত ও পরিতৃপ্ত এবং তাদের পিছনে যারা এখনো তাদের সাথে মিলিত হয়নি তাদের বিষয়ে তারা সুসংবাদ প্রকাশ করছে যে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।

  171. ১৭১

    ۞ يَسۡتَبۡشِرُونَ بِنِعۡمَةٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَفَضۡلٖ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَا يُضِيعُ أَجۡرَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    তারা আল্লাহর দানকৃত নি‘আমত ও অনুগ্রহে আনন্দিত হয় এবং (এ কথা জেনে আনন্দিত হয় যে) আল্লাহ মু’মিনদের প্রতিদান কখনো বিফল করেন না।

  172. ১৭২

    ٱلَّذِينَ ٱسۡتَجَابُواْ لِلَّهِ وَٱلرَّسُولِ مِنۢ بَعۡدِ مَآ أَصَابَهُمُ ٱلۡقَرۡحُۚ لِلَّذِينَ أَحۡسَنُواْ مِنۡهُمۡ وَٱتَّقَوۡاْ أَجۡرٌ عَظِيمٌ

    যারা আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার পরও আল্লাহ এবং রাসূলের ডাকে সাড়া দিয়েছে, তাদের মধ্য থেকে যারা সৎকর্ম করেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার।

  173. ১৭৩

    ٱلَّذِينَ قَالَ لَهُمُ ٱلنَّاسُ إِنَّ ٱلنَّاسَ قَدۡ جَمَعُواْ لَكُمۡ فَٱخۡشَوۡهُمۡ فَزَادَهُمۡ إِيمَٰنٗا وَقَالُواْ حَسۡبُنَا ٱللَّهُ وَنِعۡمَ ٱلۡوَكِيلُ

    লোকেরা (কপিতয় মুশরিক হামরাউল আসাদ যুদ্ধের সময়) তাদেরকে বলেছিল: ‘তোমাদের বিরুদ্ধে (কাফিরদের) বিরাট বাহিনী জড়ো হয়েছে, কাজেই তোমরা তাদেরকে ভয় করো।’ কিন্তু এ কথা শুনে আল্লাহর প্রতি তাদের ঈমান আরো বেড়ে গিয়েছিলো এবং তারা বলেছিলো: ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক!’

  174. ১৭৪

    فَٱنقَلَبُواْ بِنِعۡمَةٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَفَضۡلٖ لَّمۡ يَمۡسَسۡهُمۡ سُوٓءٞ وَٱتَّبَعُواْ رِضۡوَٰنَ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ ذُو فَضۡلٍ عَظِيمٍ

    তারপর তারা(১) আল্লাহর নি‘আমত ও অনুগ্রহসহ ফিরে এসেছিল। কোনো অনিষ্ট তাদেরকে স্পর্শ করেনি। তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির অনুসরণ করেছিল। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  175. ১৭৫

    إِنَّمَا ذَٰلِكُمُ ٱلشَّيۡطَٰنُ يُخَوِّفُ أَوۡلِيَآءَهُۥ فَلَا تَخَافُوهُمۡ وَخَافُونِ إِن كُنتُم مُّؤۡمِنِينَ

    সে তো শয়তান। সে তোমাদেরকে তার বন্ধুদের ভয় দেখায়। কাজেই তোমরা তাদেরকে ভয় করো না, আমাকেই ভয় করো; যদি তোমরা মু’মিন হও।

  176. ১৭৬

    وَلَا يَحۡزُنكَ ٱلَّذِينَ يُسَٰرِعُونَ فِي ٱلۡكُفۡرِۚ إِنَّهُمۡ لَن يَضُرُّواْ ٱللَّهَ شَيۡـٔٗاۚ يُرِيدُ ٱللَّهُ أَلَّا يَجۡعَلَ لَهُمۡ حَظّٗا فِي ٱلۡأٓخِرَةِۖ وَلَهُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٌ

    যারা কুফরীতে দ্রুত ধাবিত হয়, তাদের আচরণ যেন তোমাকে দুঃখ না দেয়। তারা কখনো আল্লাহর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ আখিরাতে তাদেরকে কোনো অংশ দেবার ইচ্ছা করেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।

  177. ১৭৭

    إِنَّ ٱلَّذِينَ ٱشۡتَرَوُاْ ٱلۡكُفۡرَ بِٱلۡإِيمَٰنِ لَن يَضُرُّواْ ٱللَّهَ شَيۡـٔٗاۖ وَلَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٞ

    নিশ্চয় যারা ঈমানের বিনিময়ে কুফরী ক্রয় করেছে, তারা কখনো আল্লাহর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

  178. ১৭৮

    وَلَا يَحۡسَبَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ أَنَّمَا نُمۡلِي لَهُمۡ خَيۡرٞ لِّأَنفُسِهِمۡۚ إِنَّمَا نُمۡلِي لَهُمۡ لِيَزۡدَادُوٓاْ إِثۡمٗاۖ وَلَهُمۡ عَذَابٞ مُّهِينٞ

    আর কাফিররা যেন কিছুতেই মনে না করে যে, আমি তাদের জন্য যে অবকাশ দেই(১), তা তাদের কল্যাণের জন্যে। আমি তো তাদেরকে অবকাশ দেই যাতে তাদের পাপ বৃদ্ধি পায়। আর তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  179. ১৭৯

    مَّا كَانَ ٱللَّهُ لِيَذَرَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ عَلَىٰ مَآ أَنتُمۡ عَلَيۡهِ حَتَّىٰ يَمِيزَ ٱلۡخَبِيثَ مِنَ ٱلطَّيِّبِۗ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُطۡلِعَكُمۡ عَلَى ٱلۡغَيۡبِ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ يَجۡتَبِي مِن رُّسُلِهِۦ مَن يَشَآءُۖ فَـَٔامِنُواْ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦۚ وَإِن تُؤۡمِنُواْ وَتَتَّقُواْ فَلَكُمۡ أَجۡرٌ عَظِيمٞ

    আল্লাহ এমন নন যে, তিনি মু’মিনদেরকে ছেড়ে দিবেন যার ওপর তোমরা আছো; যতক্ষণ না তিনি পৃথক করবেন অপবিত্র লোকদেরকে পবিত্র লোকদের থেকে। আর আল্লাহ এমনও নন যে, তিনি তোমাদেরকে গায়িব সম্পর্কে জানাবেন।(১) তবে আল্লাহ তাঁর রাসূলদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা মনোনীত করেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলদের উপর ঈমান আনো। আর যদি তোমরা ঈমান আনো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো তাহলে তোমাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  180. ১৮০

    وَلَا يَحۡسَبَنَّ ٱلَّذِينَ يَبۡخَلُونَ بِمَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِۦ هُوَ خَيۡرٗا لَّهُمۖ بَلۡ هُوَ شَرّٞ لَّهُمۡۖ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُواْ بِهِۦ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ وَلِلَّهِ مِيرَٰثُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٞ

    আর আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে যা দান করেছেন, তা থেকে যারা কৃপণতা করে(১), তারা যেন এই কৃপণতাকে নিজেদের জন্যে কিছুতেই কল্যাণকর মনে না করে। বরং তা তাদের জন্য অকল্যাণকর। কৃপণতা করে তারা যা কিছু জমাচ্ছে, কিয়ামতের দিন সেটাই তাদের গলার বেড়ী হিসাবে পরিয়ে দেয়া হবে। আসমানসমূহ ও জমিনের সত্ত্বাধিকার একমাত্র আল্লাহরই। তোমরা যে আমল করো, আল্লাহ সে ব্যাপারে সম্যক জ্ঞাত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  181. ১৮১

    لَّقَدۡ سَمِعَ ٱللَّهُ قَوۡلَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓاْ إِنَّ ٱللَّهَ فَقِيرٞ وَنَحۡنُ أَغۡنِيَآءُۘ سَنَكۡتُبُ مَا قَالُواْ وَقَتۡلَهُمُ ٱلۡأَنۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقّٖ وَنَقُولُ ذُوقُواْ عَذَابَ ٱلۡحَرِيقِ

    আল্লাহ তাদের কথা শুনেছেন যারা বলে, ‘আল্লাহ অবশ্যই অভাবগ্রস্ত এবং আমরা অভাবমুক্ত’। তারা যা কিছু বলেছে তা এবং অন্যায়ভাবে নবীগণকে হত্যা করার বিষয়টি আমি লিখে রাখব। আর আমি বলবো: ‘তোমরা জাহান্নামের আযাবের স্বাদ ভোগ করো।’

  182. ১৮২

    ذَٰلِكَ بِمَا قَدَّمَتۡ أَيۡدِيكُمۡ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَيۡسَ بِظَلَّامٖ لِّلۡعَبِيدِ

    এ হচ্ছে, তোমাদের কৃতকর্মের প্রতিফল এবং এটা এ কারণেও যে, আল্লাহ বান্দাদের প্রতি মোটেই যালিম নন।

  183. ১৮৩

    ٱلَّذِينَ قَالُوٓاْ إِنَّ ٱللَّهَ عَهِدَ إِلَيۡنَآ أَلَّا نُؤۡمِنَ لِرَسُولٍ حَتَّىٰ يَأۡتِيَنَا بِقُرۡبَانٖ تَأۡكُلُهُ ٱلنَّارُۗ قُلۡ قَدۡ جَآءَكُمۡ رُسُلٞ مِّن قَبۡلِي بِٱلۡبَيِّنَٰتِ وَبِٱلَّذِي قُلۡتُمۡ فَلِمَ قَتَلۡتُمُوهُمۡ إِن كُنتُمۡ صَٰدِقِينَ

    যারা বলে, ‘আল্লাহ আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন যে, আমরা যেন কোনো রাসূলের প্রতি ঈমান না আনি যতক্ষণ পর্যন্ত সে আমাদের কাছে এমন কুরবানী উপস্থিত না করবে, যা আগুন খেয়ে ফেলবে। তাদেরকে বলো: ‘আমার আগে অনেক রাসূল সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ এবং তোমরা যা বলছ তা সহ তোমাদের কাছে এসেছিল। তারপরেও কেন তোমরা তাদেরকে হত্যা করেছিলে যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো?

  184. ১৮৪

    فَإِن كَذَّبُوكَ فَقَدۡ كُذِّبَ رُسُلٞ مِّن قَبۡلِكَ جَآءُو بِٱلۡبَيِّنَٰتِ وَٱلزُّبُرِ وَٱلۡكِتَٰبِ ٱلۡمُنِيرِ

    (হে নবী!) তারা যদি তোমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, তবে তোমার আগে বহু রাসূলকেও মিথ্যারোপ করা হয়েছিলো, যারা সুস্পষ্ট নিদর্শন, (উপদেশভরা) আসমানী সহীফা এবং দীপ্তিমান কিতাবসহ এসেছিলো।

  185. ১৮৫

    كُلُّ نَفۡسٖ ذَآئِقَةُ ٱلۡمَوۡتِۗ وَإِنَّمَا تُوَفَّوۡنَ أُجُورَكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۖ فَمَن زُحۡزِحَ عَنِ ٱلنَّارِ وَأُدۡخِلَ ٱلۡجَنَّةَ فَقَدۡ فَازَۗ وَمَا ٱلۡحَيَوٰةُ ٱلدُّنۡيَآ إِلَّا مَتَٰعُ ٱلۡغُرُورِ

    প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। কেবল কিয়ামতের দিনই তোমাদেরকে তোমাদের কর্মফল পূর্ণ মাত্রায় দেওয়া হবে। অতঃপর যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলকাম হবে। বস্তুত, পার্থিব জীবন প্রতারণার উপকরণ ছাড়া আর কিছুই নয়।

  186. ১৮৬

    ۞ لَتُبۡلَوُنَّ فِيٓ أَمۡوَٰلِكُمۡ وَأَنفُسِكُمۡ وَلَتَسۡمَعُنَّ مِنَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ مِن قَبۡلِكُمۡ وَمِنَ ٱلَّذِينَ أَشۡرَكُوٓاْ أَذٗى كَثِيرٗاۚ وَإِن تَصۡبِرُواْ وَتَتَّقُواْ فَإِنَّ ذَٰلِكَ مِنۡ عَزۡمِ ٱلۡأُمُورِ

    তোমাদেরকে অবশ্যই তোমাদের ধন-সম্পদ ও জীবনের ব্যাপারে পরীক্ষা করা হবে। তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদের এবং মুশরিকদের কাছ থেকে তোমরা অনেক কষ্টদায়ক কথা শুনবে। যদি তোমরা ধৈর্যধারণ করো এবংতাকওয়া অবলম্বন করো, তবে নিশ্চয়ই তা হবে দৃঢ় সংকল্পের কাজ।

  187. ১৮৭

    وَإِذۡ أَخَذَ ٱللَّهُ مِيثَٰقَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ لَتُبَيِّنُنَّهُۥ لِلنَّاسِ وَلَا تَكۡتُمُونَهُۥ فَنَبَذُوهُ وَرَآءَ ظُهُورِهِمۡ وَٱشۡتَرَوۡاْ بِهِۦ ثَمَنٗا قَلِيلٗاۖ فَبِئۡسَ مَا يَشۡتَرُونَ

    স্মরণ কর, যখন আল্লাহ কিতাবপ্রাপ্তদের থেকে এ প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন যে, ‘অবশ্যই তোমরা তা মানুষের কাছে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করবে এবং তা গোপন করবে না।’ এরপরও তারা তা তাদের পেছনে ফেলে রাখে ও ও (আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার) এর বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে। কাজেই তারা যা ক্রয় করে,তা কতইনা নিকৃষ্ট!

  188. ১৮৮

    لَا تَحۡسَبَنَّ ٱلَّذِينَ يَفۡرَحُونَ بِمَآ أَتَواْ وَّيُحِبُّونَ أَن يُحۡمَدُواْ بِمَا لَمۡ يَفۡعَلُواْ فَلَا تَحۡسَبَنَّهُم بِمَفَازَةٖ مِّنَ ٱلۡعَذَابِۖ وَلَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٞ

    যারা নিজেরা যা করেছে তাতে আনন্দ প্রকাশ করে এবং নিজেরা যা করেনি এমন কাজের জন্য প্রশংসিত হতে ভালোবাসে, তারা আযাব থেকে মুক্তি পাবে- এরূপ তুমি কখনো মনে করো না । আর তাদের জন্যই রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

  189. ১৮৯

    وَلِلَّهِ مُلۡكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۗ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٌ

    আর আসমানসমূহ ও জমিনের সার্বভৌম মালিকানা একমাত্র আল্লাহরই। আর আল্লাহ সব কিছুর ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।

  190. ১৯০

    إِنَّ فِي خَلۡقِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَٱخۡتِلَٰفِ ٱلَّيۡلِ وَٱلنَّهَارِ لَأٓيَٰتٖ لِّأُوْلِي ٱلۡأَلۡبَٰبِ

    আসমানসমূহ ও জমিনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন লোকদের জন্য রয়েছে অনেক নিদর্শন।

  191. ১৯১

    ٱلَّذِينَ يَذۡكُرُونَ ٱللَّهَ قِيَٰمٗا وَقُعُودٗا وَعَلَىٰ جُنُوبِهِمۡ وَيَتَفَكَّرُونَ فِي خَلۡقِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ رَبَّنَا مَا خَلَقۡتَ هَٰذَا بَٰطِلٗا سُبۡحَٰنَكَ فَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ

    যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে আল্লাহর স্মরণ করে এবং আসমানসমূহ ও জমিনের সৃষ্টি সম্বন্ধে চিন্তা-ভাবনা করে, আর বলে: ‘হে আমাদের রব! আপনি এগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেননি, আপনি অত্যন্ত পবিত্র। অতএব আপনি আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।’

  192. ১৯২

    رَبَّنَآ إِنَّكَ مَن تُدۡخِلِ ٱلنَّارَ فَقَدۡ أَخۡزَيۡتَهُۥۖ وَمَا لِلظَّٰلِمِينَ مِنۡ أَنصَارٖ

    ‘হে আমাদের রব! আপনি (আপনার সৃষ্টির) কাউকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করলে তাকে তো আপনি নিশ্চয়ই লাঞ্ছিত ও অপমানিত করলেন। আর যালিমদের জন্যে কোনো সাহায্যকারী নেই।’

  193. ১৯৩

    رَّبَّنَآ إِنَّنَا سَمِعۡنَا مُنَادِيٗا يُنَادِي لِلۡإِيمَٰنِ أَنۡ ءَامِنُواْ بِرَبِّكُمۡ فَـَٔامَنَّاۚ رَبَّنَا فَٱغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرۡ عَنَّا سَيِّـَٔاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ ٱلۡأَبۡرَارِ

    ‘হে আমাদের রব! আমরা এক আহ্‌বায়ককে ঈমানের দিকে আহ্বান করতে শুনেছি। ‘তোমরা তোমাদের রবের উপর ঈমান আনো।’ কাজেই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন, আমাদের মন্দকর্ম ও ক্রটি-বিচ্যুতি বিদূরিত করুন এবং পরিশেষে আমাদেরকে সৎকর্মপরায়ণদের সহগামী করে মৃত্যু দিন।’

  194. ১৯৪

    رَبَّنَا وَءَاتِنَا مَا وَعَدتَّنَا عَلَىٰ رُسُلِكَ وَلَا تُخۡزِنَا يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۖ إِنَّكَ لَا تُخۡلِفُ ٱلۡمِيعَادَ

    ‘হে আমাদের রব! আপনার রাসূলগণের মাধ্যমে আমাদেরকে যা দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন. তা আমাদেরকে দান করুন এবং কিয়ামতের দিন আমাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন না। নিশ্চয় আপনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।’

  195. ১৯৫

    فَٱسۡتَجَابَ لَهُمۡ رَبُّهُمۡ أَنِّي لَآ أُضِيعُ عَمَلَ عَٰمِلٖ مِّنكُم مِّن ذَكَرٍ أَوۡ أُنثَىٰۖ بَعۡضُكُم مِّنۢ بَعۡضٖۖ فَٱلَّذِينَ هَاجَرُواْ وَأُخۡرِجُواْ مِن دِيَٰرِهِمۡ وَأُوذُواْ فِي سَبِيلِي وَقَٰتَلُواْ وَقُتِلُواْ لَأُكَفِّرَنَّ عَنۡهُمۡ سَيِّـَٔاتِهِمۡ وَلَأُدۡخِلَنَّهُمۡ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ ثَوَابٗا مِّنۡ عِندِ ٱللَّهِۚ وَٱللَّهُ عِندَهُۥ حُسۡنُ ٱلثَّوَابِ

    তারপর তাদের রব তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে বললেন: ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের মধ্যে আমলকারী কোনো পুরুষ বা নারীর আমল (সাওয়াব) নষ্ট করব না। তোমরা একে অপরের অংশ (সবাই সাওয়াব ও শাস্তিতে সমান)। কাজেই যারা হিজরত করেছে, যাদেরকে নিজ ঘর-বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে, আমার (আনুগত্যের) পথে নির্যাতিত হয়েছে এবং আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করেছে ও নিহত হয়েছে, আমি তাদের পাপসমূহ অবশ্যই দূর করব এবং অবশ্যই তাদেরকে প্রবেশ করাবো জান্নাতে যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। এটা আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার। আর আল্লাহরই কাছে রয়েছে উত্তম পুরস্কার।

  196. ১৯৬

    لَا يَغُرَّنَّكَ تَقَلُّبُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ فِي ٱلۡبِلَٰدِ

    যারা কুফরী করেছে, দেশে দেশে তাদের অবাধ বিচরণ যেন কিছুতেই আপনাকে বিভ্রান্ত না করে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  197. ১৯৭

    مَتَٰعٞ قَلِيلٞ ثُمَّ مَأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمِهَادُ

    তো স্বল্পকালীন সময়ের সুখ-সম্ভোগ মাত্র। তারপর জাহান্নাম তাদের আবাসস্থল। আর এটা কতই না নিকৃষ্ট বাসস্থান!

  198. ১৯৮

    لَٰكِنِ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوۡاْ رَبَّهُمۡ لَهُمۡ جَنَّٰتٞ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا نُزُلٗا مِّنۡ عِندِ ٱللَّهِۗ وَمَا عِندَ ٱللَّهِ خَيۡرٞ لِّلۡأَبۡرَارِ

    কিন্তু যারা তাদের রবকে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতসমূহ, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। এ হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আতিথেয়তা। আর আল্লাহর কাছে সৎকর্মপরায়ণদের জন্যে যা আছে তা অতি উত্তম ও অধিক শ্রেষ্ঠ ।

  199. ১৯৯

    وَإِنَّ مِنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ لَمَن يُؤۡمِنُ بِٱللَّهِ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكُمۡ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيۡهِمۡ خَٰشِعِينَ لِلَّهِ لَا يَشۡتَرُونَ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ ثَمَنٗا قَلِيلًاۚ أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ أَجۡرُهُمۡ عِندَ رَبِّهِمۡۗ إِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلۡحِسَابِ

    আর নিশ্চয় আহলে কিতাবের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা আল্লাহর প্রতি বিনয়াবনত হয়ে তাঁর প্রতি এবং তিনি যা তোমাদের ও তাদের প্রতি নাযিল করেছেন, তাতে ঈমান আনে। তারা আল্লাহর আয়াতসমূহের বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে না। এরা সেসব লোক, যাদের জন্যে তাদের রবের কাছে রয়েছে পুরস্কার। নিশ্চয়ই আল্লাহ (আমলের) দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

  200. ২০০

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱصۡبِرُواْ وَصَابِرُواْ وَرَابِطُواْ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ

    হে মুমিনগণ! (শরীয়তের বিধি-বিধান পালনে ও পার্থিব বিপদ আপদে) ধৈর্যধারণ করো, (শত্রুদের চেয়ে) বেশী ধৈর্যশীল হও এবং সবসময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকো। আর আল্লাহর (আদেশ-নিষেধ মেনে) তাকওয়া অবলম্বন করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।