মূল অংশে যান

আল-হিজর

الحجر

সূরা ১৫ মাক্কী ৯৯ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    الٓرۚ تِلۡكَ ءَايَٰتُ ٱلۡكِتَٰبِ وَقُرۡءَانٖ مُّبِينٖ

    আলিফ- লাম-রা। এগুলো হচ্ছে, মহাগ্রন্থ ও সুস্পষ্ট কুরআনের আয়াতসমূহ।

  2. ২

    رُّبَمَا يَوَدُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَوۡ كَانُواْ مُسۡلِمِينَ

    কাফিররা একসময় (পরকালে অনুশোচনা করে) আকাঙ্ক্ষা করবে, যদি তারা মুসলিম হতো!

  3. ৩

    ذَرۡهُمۡ يَأۡكُلُواْ وَيَتَمَتَّعُواْ وَيُلۡهِهِمُ ٱلۡأَمَلُۖ فَسَوۡفَ يَعۡلَمُونَ

    (হে রাসূল!) তাদেরকে (নিয়ে উৎকণ্ঠা ও দুশ্চিন্তা করা) ছেড়ে দাও, তারা (চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায়) আহার করুক, ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকুক এবং (পার্থিব দীর্ঘ) আশা-আকাঙ্ক্ষা তাদেরকে (ঈমান ও নেক আমল থেকে) গাফিল করে রাখুক। আর অচিরেই তারা (নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ততার ব্যাপারটি) জানতে পারবে।

  4. ৪

    وَمَآ أَهۡلَكۡنَا مِن قَرۡيَةٍ إِلَّا وَلَهَا كِتَابٞ مَّعۡلُومٞ

    আর ইতঃপূর্বে আমি যে কোনো জনপদকেই ধ্বংস করেছি, তার জন্য (আল্লাহর কাছে) একটি নির্ধারিত সময় লিপিবদ্ধ ছিল।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  5. ৫

    مَّا تَسۡبِقُ مِنۡ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسۡتَـٔۡخِرُونَ

    কোনো জাতি তার নির্ধারিত সময়ের আগে ধ্বংস হয় না; আর সেই নির্ধারিত সময় এলে তারা তা এক মুহূর্তও বিলম্বিত করতে পারে না।

  6. ৬

    وَقَالُواْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِي نُزِّلَ عَلَيۡهِ ٱلذِّكۡرُ إِنَّكَ لَمَجۡنُونٞ

    আর তারা (মক্কার কাফিররা রাসূলকে উদ্দেশ্য করে) বললো: ‘হে ঐ ব্যক্তি, যার ওপর আল-কুরআন নাযিল করা হয়েছে, তুমি তো নিশ্চিত পাগল।’

  7. ৭

    لَّوۡمَا تَأۡتِينَا بِٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ

    ‘যদি তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে আমাদের কাছে ফিরিশতাদের নিয়ে আসছ না কেন?’

  8. ৮

    مَا نُنَزِّلُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةَ إِلَّا بِٱلۡحَقِّ وَمَا كَانُوٓاْ إِذٗا مُّنظَرِينَ

    আমি যথাযথ কারণ(১) ছাড়া ফিরিশতাদের প্রেরণ করি না, আর (ফিরিশতাদের প্রেরণ করা হলে) তখন তারা (শাস্তি থেকে) অবকাশও পেতো না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  9. ৯

    إِنَّا نَحۡنُ نَزَّلۡنَا ٱلذِّكۡرَ وَإِنَّا لَهُۥ لَحَٰفِظُونَ

    নিশ্চয়ই আমি আল-কুরআন নাযিল করেছি, আর আমিই এর (কোনো প্রকার বাড়তি বা কমতি, পরিবর্তন বা পরিবর্ধন হওয়া থেকে) হিফাযতকারী।

  10. ১০

    وَلَقَدۡ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ فِي شِيَعِ ٱلۡأَوَّلِينَ

    আর (হে রাসূল!) তোমার পূর্বে আমি অতীতের অনেক সম্প্রদায়ের কাছে রাসূল প্রেরণ করেছি।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  11. ১১

    وَمَا يَأۡتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُواْ بِهِۦ يَسۡتَهۡزِءُونَ

    আর যখনই তাদের নিকট কোনো রাসূল এসেছে, তখনই তারা তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে।

  12. ১২

    كَذَٰلِكَ نَسۡلُكُهُۥ فِي قُلُوبِ ٱلۡمُجۡرِمِينَ

    (যেমনিভাবে আমি পূর্ববর্তী জাতিসমূহের অন্তরে রাসূলদের নিয়ে উপহাস ও তাদের প্রতি অবিশ্বাসের কারণে কুফর প্রবেশ করিয়েছিলাম,) তেমনি মুশরিক অপরাধীদের অন্তরেও তা প্রবেশ করিয়ে দিই (যারা আল্লাহর প্রতি কুফর করেছে ও তাঁর রাসূলকে অস্বীকার করেছে)।

  13. ১৩

    لَا يُؤۡمِنُونَ بِهِۦ وَقَدۡ خَلَتۡ سُنَّةُ ٱلۡأَوَّلِينَ

    তারা আল-কুরআনের প্রতি ঈমান আনে না, অথচ পূর্ববর্তীদের ব্যাপারে (মিথ্যারোপকারীদের শাস্তি দেওয়ার) আল্লাহর রীতি ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়ে গেছে।

  14. ১৪

    وَلَوۡ فَتَحۡنَا عَلَيۡهِم بَابٗا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ فَظَلُّواْ فِيهِ يَعۡرُجُونَ

    (এমনকি) যদি আমি তাদের (সুস্পষ্ট প্রমাণাদির) জন্য আসমানের কোন দরজা খুলে দিতাম, অতঃপর তারা (সারা দিন) তাতে আরোহণ করতে থাকত, (তবুও তারা ঈমান আনত না।)

  15. ১৫

    لَقَالُوٓاْ إِنَّمَا سُكِّرَتۡ أَبۡصَٰرُنَا بَلۡ نَحۡنُ قَوۡمٞ مَّسۡحُورُونَ

    তবুও তারা বলত: নিশ্চয় আমাদের দৃষ্টি বিভ্রম হচ্ছে(১); বরং আমরা তো যাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  16. ১৬

    وَلَقَدۡ جَعَلۡنَا فِي ٱلسَّمَآءِ بُرُوجٗا وَزَيَّنَّٰهَا لِلنَّٰظِرِينَ

    আর অবশ্যই আমি আসমানে স্থাপন করেছি বুরুজ (বিশাল বিশাল গ্রহ-নক্ষত্রসমূহ) এবং সেগুলোকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছি দর্শকদের জন্য।

  17. ১৭

    وَحَفِظۡنَٰهَا مِن كُلِّ شَيۡطَٰنٖ رَّجِيمٍ

    এবং প্রত্যেক বিতাড়িত-অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেগুলোকে আমি সুরক্ষিত করেছি।

  18. ১৮

    إِلَّا مَنِ ٱسۡتَرَقَ ٱلسَّمۡعَ فَأَتۡبَعَهُۥ شِهَابٞ مُّبِينٞ

    তবে যে (শয়তান) চুরি করে আড়ি পেতে (ফিরিশতাদের কথা) শোনে, (তার কথা আলাদা)। তৎক্ষণাৎ জ্বলন্ত অগ্নিশিখা তার পিছু নেয়।

  19. ১৯

    وَٱلۡأَرۡضَ مَدَدۡنَٰهَا وَأَلۡقَيۡنَا فِيهَا رَوَٰسِيَ وَأَنۢبَتۡنَا فِيهَا مِن كُلِّ شَيۡءٖ مَّوۡزُونٖ

    আর আমি (মানুষের বসবাসের জন্যে) জমিনকে সুবিস্তৃত-সমতল করেছি এবং তাতে সুদৃঢ় পর্বতমালা স্থাপন করেছি। আর আমি (আমার হিকমত অনুসারে) তাতে উৎপন্ন করেছি, সকল প্রকার বস্তু সুনির্দিষ্ট পরিমাণে।

  20. ২০

    وَجَعَلۡنَا لَكُمۡ فِيهَا مَعَٰيِشَ وَمَن لَّسۡتُمۡ لَهُۥ بِرَٰزِقِينَ

    আর আমি জমিনে তোমাদের জন্য এবং তোমরা যাদের রিযকদাতা নও তাদের জন্যও জীবিকার ব্যবস্থা করেছি ।

  21. ২১

    وَإِن مِّن شَيۡءٍ إِلَّا عِندَنَا خَزَآئِنُهُۥ وَمَا نُنَزِّلُهُۥٓ إِلَّا بِقَدَرٖ مَّعۡلُومٖ

    আর আমার কাছেই প্রতিটি বস্তুর ভাণ্ডারসমূহ রয়েছে এবং আমি (নিজ প্রজ্ঞা ও ইচ্ছা অনুযায়ী) তা কেবল নির্দিষ্ট পরিমাপে ও পরিমাণে সৃষ্টি করে থাকি।

  22. ২২

    وَأَرۡسَلۡنَا ٱلرِّيَٰحَ لَوَٰقِحَ فَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ فَأَسۡقَيۡنَٰكُمُوهُ وَمَآ أَنتُمۡ لَهُۥ بِخَٰزِنِينَ

    আর আমি বৃষ্টি সঞ্চারকারী বায়ু প্রেরণ করি। অতঃপর (সেই সঞ্চারিত মেঘ হতে) আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করি এবং তা তোমাদের পান করাই; অথচ তোমরা তার সংরক্ষণকারী নও।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  23. ২৩

    وَإِنَّا لَنَحۡنُ نُحۡيِۦ وَنُمِيتُ وَنَحۡنُ ٱلۡوَٰرِثُونَ

    আর নিশ্চয় আমি(১) জীবিত করি এবং (জীবিতকে) মৃত্যু দিই, পরিশেষে আমিই (এ জমিন ও জমিনের অধিবাসীর) চূড়ান্ত মালিক।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  24. ২৪

    وَلَقَدۡ عَلِمۡنَا ٱلۡمُسۡتَقۡدِمِينَ مِنكُمۡ وَلَقَدۡ عَلِمۡنَا ٱلۡمُسۡتَـٔۡخِرِينَ

    আর অবশ্যই আমি তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে জানি এবং অবশ্যই আমি পরবর্তীদেরকেও জানি।

  25. ২৫

    وَإِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَحۡشُرُهُمۡۚ إِنَّهُۥ حَكِيمٌ عَلِيمٞ

    আর (হে রাসূল!) নিশ্চয় তোমার রব তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞানী।

  26. ২৬

    وَلَقَدۡ خَلَقۡنَا ٱلۡإِنسَٰنَ مِن صَلۡصَٰلٖ مِّنۡ حَمَإٖ مَّسۡنُونٖ

    আর নিশ্চয় আমি মানুষকে শুকনো ঠনঠনে, কালচে ও দুর্গন্ধময় কাদামাটি থেকে সৃষ্টি করেছি।

  27. ২৭

    وَٱلۡجَآنَّ خَلَقۡنَٰهُ مِن قَبۡلُ مِن نَّارِ ٱلسَّمُومِ

    আর ইতঃপূর্বে (আদম সৃষ্টির পূর্বে) জিনকে কঠিন উত্তপ্ত আগুন থেকে সৃষ্টি করেছি।

  28. ২৮

    وَإِذۡ قَالَ رَبُّكَ لِلۡمَلَٰٓئِكَةِ إِنِّي خَٰلِقُۢ بَشَرٗا مِّن صَلۡصَٰلٖ مِّنۡ حَمَإٖ مَّسۡنُونٖ

    আর (হে রাসূল!) স্মরণ করো সে সময়ের কথা, যখন তোমার রব ফিরিশতাদেরকে বললেন: ‘আমি কালো, দুর্গন্ধময় ঠনঠনে ও শুকনো কাদামাটি থেকে মানুষ (আদমকে) সৃষ্টি করতে যাচ্ছি।

  29. ২৯

    فَإِذَا سَوَّيۡتُهُۥ وَنَفَخۡتُ فِيهِ مِن رُّوحِي فَقَعُواْ لَهُۥ سَٰجِدِينَ

    অতএব যখন আমি তাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেবো এবং তার মধ্যে আমার পক্ষ থেকে রূহ ফুঁকে দিবো, তখন তোমরা (তার সম্মানার্থে) তার প্রতি সাজদাবনত হয়ে যাবে।

  30. ৩০

    فَسَجَدَ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ كُلُّهُمۡ أَجۡمَعُونَ

    অতঃপর ফিরিশতারা সকলেই (তাকে) সাজদাহ করলো।

  31. ৩১

    إِلَّآ إِبۡلِيسَ أَبَىٰٓ أَن يَكُونَ مَعَ ٱلسَّٰجِدِينَ

    ইবলীস ছাড়া।(১) সে সাজদাহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করলো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  32. ৩২

    قَالَ يَٰٓإِبۡلِيسُ مَا لَكَ أَلَّا تَكُونَ مَعَ ٱلسَّٰجِدِينَ

    আল্লাহ বললেন: ‘হে ইবলীস! তোমার কী হলো যে, তুমি সাজদাহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হলে না?’

  33. ৩৩

    قَالَ لَمۡ أَكُن لِّأَسۡجُدَ لِبَشَرٍ خَلَقۡتَهُۥ مِن صَلۡصَٰلٖ مِّنۡ حَمَإٖ مَّسۡنُونٖ

    সে (অহংকার করে) বললো: ‘আমি তো এমন নই যে, একজন মানুষকে আমি সাজদাহ করব, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন গন্ধযুক্ত, শুকনো ও ঠনঠনে কালচে কাদামাটি থেকে।’

  34. ৩৪

    قَالَ فَٱخۡرُجۡ مِنۡهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٞ

    আল্লাহ বললেন: ‘তাহলে তুমি এখান (জান্নাত) থেকে বেরিয়ে যাও। কারণ তুমি (আমার রহমত থেকে) বিতাড়িত।’

  35. ৩৫

    وَإِنَّ عَلَيۡكَ ٱللَّعۡنَةَ إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلدِّينِ

    ‘আর নিশ্চয় কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তোমার ওপর অভিসম্পাত বহাল থাকবে।’

  36. ৩৬

    قَالَ رَبِّ فَأَنظِرۡنِيٓ إِلَىٰ يَوۡمِ يُبۡعَثُونَ

    সে (ইবলীস) বলল: ‘হে আমার রব! তাহলে আমাকে সে দিন পর্যন্ত অবকাশ দিন, যেদিন তাদেরকে (সৃষ্টিকুলের সকলকে) পুনরুত্থিত করা হবে।’

  37. ৩৭

    قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ ٱلۡمُنظَرِينَ

    তিনি বললেন: ‘নিশ্চয় তুমি অবকাশ প্রাপ্তদের একজন।’

  38. ৩৮

    إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡوَقۡتِ ٱلۡمَعۡلُومِ

    ‘নির্দিষ্ট সময় আসার দিন পর্যন্ত।’ (১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  39. ৩৯

    قَالَ رَبِّ بِمَآ أَغۡوَيۡتَنِي لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَلَأُغۡوِيَنَّهُمۡ أَجۡمَعِينَ

    সে (ইবলীস) বললো: ‘হে আমার রব! যেহেতু আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তাই জমিনে আমি তাদের জন্য (পাপকে) সুশোভিত করবো এবং নিশ্চয় তাদের সকলকে পথভ্রষ্ট করে ছাড়বো।’

  40. ৪০

    إِلَّا عِبَادَكَ مِنۡهُمُ ٱلۡمُخۡلَصِينَ

    তাদের মধ্য থেকে আপনার একান্ত (মুখলিছ) বান্দাগণ ছাড়া।

  41. ৪১

    قَالَ هَٰذَا صِرَٰطٌ عَلَيَّ مُسۡتَقِيمٌ

    আল্লাহ বললেন: ‘এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল-সঠিক পথ।’

  42. ৪২

    إِنَّ عِبَادِي لَيۡسَ لَكَ عَلَيۡهِمۡ سُلۡطَٰنٌ إِلَّا مَنِ ٱتَّبَعَكَ مِنَ ٱلۡغَاوِينَ

    ‘নিশ্চয় আমার বান্দাদের ওপর (পথভ্রষ্ট করার) তোমার কোনো ক্ষমতা নেই; তবে যে পথভ্রষ্টরা তোমার অনুসরণ করবে, তাদের ছাড়া।’ (তাদের ওপর তুমি তোমার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে )

  43. ৪৩

    وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوۡعِدُهُمۡ أَجۡمَعِينَ

    ‘আর নিশ্চয় জাহান্নাম তাদের (ইবলীস ও তার অনুসারী) সকলের প্রতিশ্রুত স্থান।’

  44. ৪৪

    لَهَا سَبۡعَةُ أَبۡوَٰبٖ لِّكُلِّ بَابٖ مِّنۡهُمۡ جُزۡءٞ مَّقۡسُومٌ

    ‘তার রয়েছে সাতটি দরজা। প্রতিটি দরজার জন্য রয়েছে তাদের (ইবলীসের অনুসারীদের) মধ্য থেকে নির্দিষ্ট একটি অংশ।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  45. ৪৫

    إِنَّ ٱلۡمُتَّقِينَ فِي جَنَّٰتٖ وَعُيُونٍ

    নিশ্চয় মুত্তাকীগণ থাকবে জান্নাত ও ঝর্ণাধারাসমূহে।

  46. ৪৬

    ٱدۡخُلُوهَا بِسَلَٰمٍ ءَامِنِينَ

    (প্রবেশের সময় তাদেরকে বলা হবে) ‘তোমরা তাতে প্রবেশ করো শান্তিতে, নিরাপত্তার সাথে।’

  47. ৪৭

    وَنَزَعۡنَا مَا فِي صُدُورِهِم مِّنۡ غِلٍّ إِخۡوَٰنًا عَلَىٰ سُرُرٖ مُّتَقَٰبِلِينَ

    আর আমি তাদের (জান্নাতীদের) অন্তর থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে দিবো। তারা সেখানে পরস্পর ভাই ভাই হয়ে মুখোমুখি আসনে বসবে।

  48. ৪৮

    لَا يَمَسُّهُمۡ فِيهَا نَصَبٞ وَمَا هُم مِّنۡهَا بِمُخۡرَجِينَ

    সেখানে তাদেরকে ক্লান্তি স্পর্শ করবে না এবং তাদেরকে সেখান থেকে বের করেও দেয়া হবে না।

  49. ৪৯

    ۞ نَبِّئۡ عِبَادِيٓ أَنِّيٓ أَنَا ٱلۡغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ

    (হে রাসূল!) তুমি আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও যে, নিশ্চয় আমি (তাওবাকারীর প্রতি) অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

  50. ৫০

    وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ ٱلۡعَذَابُ ٱلۡأَلِيمُ

    আর (তুমি তাদেরকে আরো জানিয়ে দাও যে,) নিশ্চয়ই আমার শাস্তিও ভয়ংকর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

  51. ৫১

    وَنَبِّئۡهُمۡ عَن ضَيۡفِ إِبۡرَٰهِيمَ

    আর (হে রাসূল!) তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের (ফিরিশতা) মেহমানদের সংবাদ দাও।

  52. ৫২

    إِذۡ دَخَلُواْ عَلَيۡهِ فَقَالُواْ سَلَٰمٗا قَالَ إِنَّا مِنكُمۡ وَجِلُونَ

    যখন তারা তার কাছে প্রবেশ করলো, অতঃপর বলেছিল: ‘সালাম’। সে বলেছিল: ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের ব্যাপারে আতঙ্কিত ।’

  53. ৫৩

    قَالُواْ لَا تَوۡجَلۡ إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَٰمٍ عَلِيمٖ

    তারা (ফিরিশতারা) বললো: ‘(হে ইবরাহীম!) তুমি ভীত হয়ো না। নিশ্চয় আমরা তোমাকে এক জ্ঞানী পুত্রের (ইসহাকের) সুসংবাদ দিচ্ছি।’

  54. ৫৪

    قَالَ أَبَشَّرۡتُمُونِي عَلَىٰٓ أَن مَّسَّنِيَ ٱلۡكِبَرُ فَبِمَ تُبَشِّرُونَ

    ইবরাহীম (আশ্চর্য হয়ে) বললো: ‘তোমরা কি আমাকে (সন্তানের) সুসংবাদ দিচ্ছ, যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে? সুতরাং (তোমরা ভেবে দেখো তো) তোমরা কীসের সুসংবাদ দিচ্ছ?’

  55. ৫৫

    قَالُواْ بَشَّرۡنَٰكَ بِٱلۡحَقِّ فَلَا تَكُن مِّنَ ٱلۡقَٰنِطِينَ

    তারা বললো: ‘আমরা তোমাকে যথার্থ সুসংবাদ দিচ্ছি। সুতরাং তুমি নিরাশদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।’

  56. ৫৬

    قَالَ وَمَن يَقۡنَطُ مِن رَّحۡمَةِ رَبِّهِۦٓ إِلَّا ٱلضَّآلُّونَ

    সে (ইবরাহীম) বললো: ‘পথভ্রষ্টরা ছাড়া কে তার রবের রহমত থেকে নিরাশ হয়?’

  57. ৫৭

    قَالَ فَمَا خَطۡبُكُمۡ أَيُّهَا ٱلۡمُرۡسَلُونَ

    সে (আগত ফিরিশতাদের উদ্দেশ্যে) বললো: ‘তবে হে প্রেরিত ফিরিশতাগণ! তোমাদের আগমনের আসল উদ্দেশ্যেটা কী?’

  58. ৫৮

    قَالُوٓاْ إِنَّآ أُرۡسِلۡنَآ إِلَىٰ قَوۡمٖ مُّجۡرِمِينَ

    তারা বললো: ‘নিশ্চয় আমরা প্রেরিত হয়েছি, এক অপরাধী সম্প্রদায়ের নিকট।’(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  59. ৫৯

    إِلَّآ ءَالَ لُوطٍ إِنَّا لَمُنَجُّوهُمۡ أَجۡمَعِينَ

    ‘লূতের পরিবার (ও তার মু’মিন অনুসারীগণ) ছাড়া, আমরা নিশ্চয় তাদের সবাইকে রক্ষা করব।’

  60. ৬০

    إِلَّا ٱمۡرَأَتَهُۥ قَدَّرۡنَآ إِنَّهَا لَمِنَ ٱلۡغَٰبِرِينَ

    ‘তবে তার স্ত্রী ছাড়া; আমরা নির্ধারণ করেছি যে, নিশ্চয় সে পিছনে থেকে যাওয়া (শাস্তিপ্রাপ্ত) লোকদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

  61. ৬১

    فَلَمَّا جَآءَ ءَالَ لُوطٍ ٱلۡمُرۡسَلُونَ

    এরপর যখন ফিরিশতারা (পুরুষের আকৃতিতে) লূতের পরিবারের কাছে আসল।

  62. ৬২

    قَالَ إِنَّكُمۡ قَوۡمٞ مُّنكَرُونَ

    সে বললো: ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’

  63. ৬৩

    قَالُواْ بَلۡ جِئۡنَٰكَ بِمَا كَانُواْ فِيهِ يَمۡتَرُونَ

    তারা বললো: ‘বরং আমরা তোমার কাছে এমন বিষয় (ধ্বংসাত্মক শাস্তি) নিয়ে এসেছি, যাতে তারা সন্দেহ করতো।’

  64. ৬৪

    وَأَتَيۡنَٰكَ بِٱلۡحَقِّ وَإِنَّا لَصَٰدِقُونَ

    ‘আর আমরা তোমার নিকট সত্য বার্তা নিয়ে এসেছি এবং আমরা অবশ্যই সত্যবাদী।’

  65. ৬৫

    فَأَسۡرِ بِأَهۡلِكَ بِقِطۡعٖ مِّنَ ٱلَّيۡلِ وَٱتَّبِعۡ أَدۡبَٰرَهُمۡ وَلَا يَلۡتَفِتۡ مِنكُمۡ أَحَدٞ وَٱمۡضُواْ حَيۡثُ تُؤۡمَرُونَ

    ‘সুতরাং তুমি রাতের কিছু অংশ চলে গেলে তোমার পরিবারবর্গকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ো এবং (সবাইকে সামনে রেখে) তুমি তাদের পেছনে চলো। আর তোমাদের কেউ (নাযিলকৃত শাস্তি দেখতে) পেছনে ফিরে তাকাবে না এবং যেভাবে তোমাদের নির্দেশ করা হয়েছে, সেভাবেই চলতে থাকবে।’

  66. ৬৬

    وَقَضَيۡنَآ إِلَيۡهِ ذَٰلِكَ ٱلۡأَمۡرَ أَنَّ دَابِرَ هَٰٓؤُلَآءِ مَقۡطُوعٞ مُّصۡبِحِينَ

    আর আমি তাকে (লূতকে) এই ফয়সালা (অহীর মাধ্যমে) জানিয়ে দিলাম যে, নিশ্চয় ভোরেই এদের সমূলে ধ্বংস করে দেয়া হবে।

  67. ৬৭

    وَجَآءَ أَهۡلُ ٱلۡمَدِينَةِ يَسۡتَبۡشِرُونَ

    আর (সাদূম) শহরের অধিবাসীরা (সমকামিতার আশায়) উৎফুল্ল হয়ে (লূতের নিকট আগত সুদর্শন তরুণ মেহমানদের কাছে) হাযির হলো।

  68. ৬৮

    قَالَ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ ضَيۡفِي فَلَا تَفۡضَحُونِ

    সে বললো: ‘নিশ্চয় এরা আমার মেহমান। সুতরাং তোমরা (তাদের সামনে বদ অভ্যাস প্রকাশ করে) আমাকে অপমানিত করো না।’

  69. ৬৯

    وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَلَا تُخۡزُونِ

    ‘তোমরা (সমকামিতা ছেড়ে) আল্লাহকে ভয় করো এবং আমাকে লাঞ্ছিত করো না।’

  70. ৭০

    قَالُوٓاْ أَوَلَمۡ نَنۡهَكَ عَنِ ٱلۡعَٰلَمِينَ

    তারা বললো: ‘আমরা কি তোমাকে জগদ্বাসীর (কাউকে আশ্রয় দিয়ে মেহমানদারি করতে) নিষেধ করিনি?’

  71. ৭১

    قَالَ هَٰٓؤُلَآءِ بَنَاتِيٓ إِن كُنتُمۡ فَٰعِلِينَ

    তিনি বললেন, ‘এরা আমার কন্যারা (আমার কওমের নারীরা); যদি তোমরা (কামনা পূরণ) করতেই চাও, তবে (বৈধভাবে) তাদের বিয়ে করো।’

  72. ৭২

    لَعَمۡرُكَ إِنَّهُمۡ لَفِي سَكۡرَتِهِمۡ يَعۡمَهُونَ

    (হে রাসূল!) তোমার জীবনের কসম, নিশ্চয়ই তারা তাদের কামনার নেশায় (বা গোমরাহিতে) উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরপাক খাচ্ছিল।

  73. ৭৩

    فَأَخَذَتۡهُمُ ٱلصَّيۡحَةُ مُشۡرِقِينَ

    অতএব সূর্যোদয়ের সময় (ধ্বংসাত্মক) বিকট আওয়াজ তাদেরকে পাকড়াও করল।

  74. ৭৪

    فَجَعَلۡنَا عَٰلِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمۡطَرۡنَا عَلَيۡهِمۡ حِجَارَةٗ مِّن سِجِّيلٍ

    অতঃপর আমি তাদের জনপদের ওপরকে নিচে উলটে দিলাম এবং তাদের ওপর পোড়া মাটির পাথর-কঙ্কর (বৃষ্টির মতো) বর্ষণ করলাম ।

  75. ৭৫

    إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّلۡمُتَوَسِّمِينَ

    নিশ্চয়ই এতে অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন পর্যবেক্ষণকারীদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে।

  76. ৭৬

    وَإِنَّهَا لَبِسَبِيلٖ مُّقِيمٍ

    আর নিশ্চয় সেই জনপদগুলো (ধ্বংসাবশেষ) আজও স্থায়ী রাস্তার ধারে বিদ্যমান, (যা পথচারী মুসাফিররা প্রতক্ষ্য করে থাকে)।

  77. ৭৭

    إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗ لِّلۡمُؤۡمِنِينَ

    নিশ্চয় এতে রয়েছে মু’মিনদের জন্য নিদর্শন।

  78. ৭৮

    وَإِن كَانَ أَصۡحَٰبُ ٱلۡأَيۡكَةِ لَظَٰلِمِينَ

    আর নিশ্চয় আইকার অধিবাসীরাও ছিলো যালিম।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  79. ৭৯

    فَٱنتَقَمۡنَا مِنۡهُمۡ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٖ مُّبِينٖ

    অতঃপর আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ নিলাম (যখন আজাব তাদের পাকড়াও করল)। আর (লুতের জনপদ এবং শুয়াইবের সঙ্গীদের) আবাসস্থল দু’টি (চলাচলের) স্পষ্ট রাস্তার ধারে অবস্থিত।

  80. ৮০

    وَلَقَدۡ كَذَّبَ أَصۡحَٰبُ ٱلۡحِجۡرِ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    আর অবশ্যই হিজরের অধিবাসীরা(১) রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  81. ৮১

    وَءَاتَيۡنَٰهُمۡ ءَايَٰتِنَا فَكَانُواْ عَنۡهَا مُعۡرِضِينَ

    আর আমি তাদেরকে আমার আয়াতসমূহ(১) দিয়েছিলাম; কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করেছিল।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  82. ৮২

    وَكَانُواْ يَنۡحِتُونَ مِنَ ٱلۡجِبَالِ بُيُوتًا ءَامِنِينَ

    আর তারা পাহাড় কেটে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে নিরাপদে বসবাস করতো।

  83. ৮৩

    فَأَخَذَتۡهُمُ ٱلصَّيۡحَةُ مُصۡبِحِينَ

    অতঃপর প্রভাতকালে এক প্রচণ্ড শব্দ তাদেরকে পাকড়াও করল।

  84. ৮৪

    فَمَآ أَغۡنَىٰ عَنۡهُم مَّا كَانُواْ يَكۡسِبُونَ

    আর তারা যা (যে ঘর-বাড়ি ও সম্পদ) উপার্জন করেছিল, তা (আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষায়) তাদের কোন কাজে আসলো না।

  85. ৮৫

    وَمَا خَلَقۡنَا ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَآ إِلَّا بِٱلۡحَقِّۗ وَإِنَّ ٱلسَّاعَةَ لَأٓتِيَةٞۖ فَٱصۡفَحِ ٱلصَّفۡحَ ٱلۡجَمِيلَ

    আর আমি আসমানসমূহ, জমিন এবং এ দুয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তা সত্যিকার কারণ ছাড়া সৃষ্টি করিনি এবং নিশ্চয় কিয়ামত আসবে। সুতরাং (হে রাসূল!) তুমি তাদেরকে (তাদের অসদাচরণগুলো) ভদ্রভাবে উপেক্ষা করো।

  86. ৮৬

    إِنَّ رَبَّكَ هُوَ ٱلۡخَلَّٰقُ ٱلۡعَلِيمُ

    নিশ্চয় তোমার রবই মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।

  87. ৮৭

    وَلَقَدۡ ءَاتَيۡنَٰكَ سَبۡعٗا مِّنَ ٱلۡمَثَانِي وَٱلۡقُرۡءَانَ ٱلۡعَظِيمَ

    আর আমি তো তোমাকে দিয়েছি পুনঃপুন পঠিত সাতটি আয়াত (সূরাহ ফাতিহা) ও মহাগ্রন্থ আল-কুরআন।

  88. ৮৮

    لَا تَمُدَّنَّ عَيۡنَيۡكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعۡنَا بِهِۦٓ أَزۡوَٰجٗا مِّنۡهُمۡ وَلَا تَحۡزَنۡ عَلَيۡهِمۡ وَٱخۡفِضۡ جَنَاحَكَ لِلۡمُؤۡمِنِينَ

    আমি তাদের (কাফিরদের) কিছু শ্রেণিকে যে ভোগ- বিলাসের উপকরণ দিয়েছি, তার প্রতি তুমি দু’চোখ প্রসারিত করো না। আর (তাদের মিথ্যারোপের কারণে) তাদের জন্য দুঃখিত হয়ো না এবং মু’মিনদের জন্য তোমার (দয়া এবং কোমলতার) বাহু অবনত করো।

  89. ৮৯

    وَقُلۡ إِنِّيٓ أَنَا ٱلنَّذِيرُ ٱلۡمُبِينُ

    আর বলো: ‘নিশ্চয় আমি সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’

  90. ৯০

    كَمَآ أَنزَلۡنَا عَلَى ٱلۡمُقۡتَسِمِينَ

    (আর আপনি আপনার কওমকে এমন আজাবের ভয় দেখান,) যা আমি (কুরআনকে) বিভক্তকারীদের (খণ্ডিতভাবে গ্রহণকারীদের) ওপর নাযিল করেছি।

  91. ৯১

    ٱلَّذِينَ جَعَلُواْ ٱلۡقُرۡءَانَ عِضِينَ

    যারা কুরআনকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছিল।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  92. ৯২

    فَوَرَبِّكَ لَنَسۡـَٔلَنَّهُمۡ أَجۡمَعِينَ

    অতএব (হে রাসূল!) তোমার রবের শপথ, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে (কিয়ামতের দিন) জিজ্ঞাসাবাদ করবো,

  93. ৯৩

    عَمَّا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ

    তারা যা (যে কুফরি ও পাপ কাজ দুনিয়াতে) করতো, সে সম্পর্কে।

  94. ৯৪

    فَٱصۡدَعۡ بِمَا تُؤۡمَرُ وَأَعۡرِضۡ عَنِ ٱلۡمُشۡرِكِينَ

    সুতরাং (হে রাসূল!) তোমাকে যে আদেশ দেয়া হয়েছে, তা ব্যাপকভাবে (প্রকাশ্যে) প্রচার করো এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করো।

  95. ৯৫

    إِنَّا كَفَيۡنَٰكَ ٱلۡمُسۡتَهۡزِءِينَ

    নিশ্চয় আমি তোমার জন্য উপহাসকারীদের (ষড়যন্ত্রের) বিপক্ষে যথেষ্ট।

  96. ৯৬

    ٱلَّذِينَ يَجۡعَلُونَ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَۚ فَسَوۡفَ يَعۡلَمُونَ

    যারা আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ নির্ধারণ করে, তারা অচিরেই (শিরকের নিকৃষ্ট পরিণতি সম্পর্কে) জানতে পারবে।

  97. ৯৭

    وَلَقَدۡ نَعۡلَمُ أَنَّكَ يَضِيقُ صَدۡرُكَ بِمَا يَقُولُونَ

    আর (হে নবী,) অবশ্যই আমি জানি যে, তারা (তোমার বিরুদ্ধে) যা বলে, তাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয় (তুমি বেদনাবোধ করো )।

  98. ৯৮

    فَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ وَكُن مِّنَ ٱلسَّٰجِدِينَ

    সুতরাং তুমি তোমার রবের প্রশংসার সাথে তাসবীহ পাঠ করো এবং সাজদাহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।

  99. ৯৯

    وَٱعۡبُدۡ رَبَّكَ حَتَّىٰ يَأۡتِيَكَ ٱلۡيَقِينُ

    আর ইয়াকীন (মৃত্যু) আসা পর্যন্ত, তুমি তোমার রবের ইবাদাত করো।

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।