মূল অংশে যান

আন-নাহল

النحل

সূরা ১৬ মাক্কী ১২৮ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    أَتَىٰٓ أَمۡرُ ٱللَّهِ فَلَا تَسۡتَعۡجِلُوهُۚ سُبۡحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشۡرِكُونَ

    (কিয়ামত ও শাস্তি দেওয়ার) আল্লাহর আদেশ এসে গেছে। সুতরাং (উপহাস করে) তা দ্রুত ডেকে এনো না। তারা যে শরীক স্থির করে, তিনি তা থেকে অতি পবিত্র ও ঊর্ধ্বে।

  2. ২

    يُنَزِّلُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةَ بِٱلرُّوحِ مِنۡ أَمۡرِهِۦ عَلَىٰ مَن يَشَآءُ مِنۡ عِبَادِهِۦٓ أَنۡ أَنذِرُوٓاْ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱتَّقُونِ

    তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছে স্বীয় নির্দেশে ফিরিশতাদের অহী দিয়ে প্রেরণ করেন এ বলে যে, তোমরা সতর্ক করো যে, আমি ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই। অতএব, তোমরা (আমার আদেশ-নিষেধ মেনে) আমাকেই ভয় করো।

  3. ৩

    خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ بِٱلۡحَقِّۚ تَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشۡرِكُونَ

    তিনি আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবেই, তারা যা শরীক করে, তা থেকে তিনি ঊর্ধ্বে।

  4. ৪

    خَلَقَ ٱلۡإِنسَٰنَ مِن نُّطۡفَةٖ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٞ مُّبِينٞ

    তিনি মানুষকে নুতফা (বীর্যবিন্দু) থেকে সৃষ্টি করেছেন; কিন্তু হঠাৎ সে-ই প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী হয়ে ওঠে।

  5. ৫

    وَٱلۡأَنۡعَٰمَ خَلَقَهَاۖ لَكُمۡ فِيهَا دِفۡءٞ وَمَنَٰفِعُ وَمِنۡهَا تَأۡكُلُونَ

    আর চতুষ্পদ জন্তুগুলো তিনি তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তাতে রয়েছে উষ্ণতার উপকরণ ও বহু উপকার।(১) আর তা থেকে তোমরা আহার গ্রহণ করো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  6. ৬

    وَلَكُمۡ فِيهَا جَمَالٌ حِينَ تُرِيحُونَ وَحِينَ تَسۡرَحُونَ

    আর তোমাদের জন্য তাতে রয়েছে সৌন্দর্য, যখন তোমরা সন্ধ্যায় তা ফিরিয়ে আনো এবং সকালে চারণের জন্যে নিয়ে যাও।

  7. ৭

    وَتَحۡمِلُ أَثۡقَالَكُمۡ إِلَىٰ بَلَدٖ لَّمۡ تَكُونُواْ بَٰلِغِيهِ إِلَّا بِشِقِّ ٱلۡأَنفُسِۚ إِنَّ رَبَّكُمۡ لَرَءُوفٞ رَّحِيمٞ

    আর এগুলো তোমাদের (পণ্য-সামগ্রীর) বোঝা বহন করে এমন দেশে নিয়ে যায়, ভীষণ কষ্ট ছাড়া যেখানে তোমরা পৌঁছতে পারতে না। নিশ্চয় তোমাদের রব বড়ই দয়াশীল, পরম দয়ালু।

  8. ৮

    وَٱلۡخَيۡلَ وَٱلۡبِغَالَ وَٱلۡحَمِيرَ لِتَرۡكَبُوهَا وَزِينَةٗۚ وَيَخۡلُقُ مَا لَا تَعۡلَمُونَ

    আর (তিনি সৃষ্টি করেছেন) ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা, তোমাদের আরোহণ ও শোভার জন্য এবং তিনি (আরোহণের মাধ্যম হিসেবে) সৃষ্টি করবেন এমন কিছু, যা তোমরা জানো না।

  9. ৯

    وَعَلَى ٱللَّهِ قَصۡدُ ٱلسَّبِيلِ وَمِنۡهَا جَآئِرٞۚ وَلَوۡ شَآءَ لَهَدَىٰكُمۡ أَجۡمَعِينَ

    আর সঠিক পথের বর্ণনা দেয়া আল্লাহর দায়িত্ব (যা তাঁর সন্তুষ্টির দিকে পৌঁছিয়ে দিবে) এবং পথের মধ্যে কিছু আছে বক্র পথ (শয়তানের পথ যা আল্লাহর কাছে পৌঁছাতে পারে না)। আর তিনি যদি ইচ্ছা করতেন তবে তোমাদের সকলকে হিদায়াত করতেন।

  10. ১০

    هُوَ ٱلَّذِيٓ أَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗۖ لَّكُم مِّنۡهُ شَرَابٞ وَمِنۡهُ شَجَرٞ فِيهِ تُسِيمُونَ

    তিনিই সেই সত্ত্বা, যিনি আসমান থেকে পানি (বৃষ্টি) বর্ষণ করেন, যাতে রয়েছে তোমাদের জন্য পানীয় এবং তা থেকে হয় উদ্ভিদ, যাতে তোমরা জীবজন্তু চরাও।

  11. ১১

    يُنۢبِتُ لَكُم بِهِ ٱلزَّرۡعَ وَٱلزَّيۡتُونَ وَٱلنَّخِيلَ وَٱلۡأَعۡنَٰبَ وَمِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ

    আল্লাহ এ পানি থেকে তোমাদের জন্য উৎপন্ন করেন ফসল, যাইতুন, খেজুর গাছ, আঙুর এবং সকল প্রকারের ফল-ফলাদি। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে ।

  12. ১২

    وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلَّيۡلَ وَٱلنَّهَارَ وَٱلشَّمۡسَ وَٱلۡقَمَرَۖ وَٱلنُّجُومُ مُسَخَّرَٰتُۢ بِأَمۡرِهِۦٓۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَعۡقِلُونَ

    আর তিনি রাত ও দিনকে, সূর্য ও চাঁদকে তোমাদের (কল্যাণের) জন্য নিয়োজিত করেছেন । আর তারকাসমূহও তাঁরই নির্দেশে তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত। নিশ্চয় এতে এমন সম্প্রদায়ের জন্য অনেক নিদর্শন রয়েছে, যারা বুঝে।

  13. ১৩

    وَمَا ذَرَأَ لَكُمۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ مُخۡتَلِفًا أَلۡوَٰنُهُۥٓۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗ لِّقَوۡمٖ يَذَّكَّرُونَ

    আর তিনি পৃথিবীতে তোমাদের জন্য যা কিছু সৃষ্টি করেছেন, যার রং ও বৈচিত্র্য নানাবিধ, নিশ্চয় এতে উপদেশ গ্রহণকারী সম্প্রদায়ের জন্য এক মহা নিদর্শন রয়েছে।

  14. ১৪

    وَهُوَ ٱلَّذِي سَخَّرَ ٱلۡبَحۡرَ لِتَأۡكُلُواْ مِنۡهُ لَحۡمٗا طَرِيّٗا وَتَسۡتَخۡرِجُواْ مِنۡهُ حِلۡيَةٗ تَلۡبَسُونَهَاۖ وَتَرَى ٱلۡفُلۡكَ مَوَاخِرَ فِيهِ وَلِتَبۡتَغُواْ مِن فَضۡلِهِۦ وَلَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ

    আর তিনিই (তোমাদের জন্যে) সমুদ্রকে নিয়োজিত করেছেন, যাতে তোমরা তা থেকে তাজা (মাছের) গোশত খেতে পারো এবং তা থেকে বের করতে পারো অলংকারাদি, যা তোমরা পরিধান করো। আর তুমি তাতে নৌযান দেখবে, যা সমুদ্রের (ঢেউগুলোর) বুক চিরে চলছে এবং যাতে তোমরা (ব্যবসায়িক লাভের মাধ্যমে) তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করতে পারো এবং যাতে তোমরা (আল্লাহর নি‘আমতের) কৃতজ্ঞতা আদায় করো।

  15. ১৫

    وَأَلۡقَىٰ فِي ٱلۡأَرۡضِ رَوَٰسِيَ أَن تَمِيدَ بِكُمۡ وَأَنۡهَٰرٗا وَسُبُلٗا لَّعَلَّكُمۡ تَهۡتَدُونَ

    আর আল্লাহ জমিনে স্থাপন করেছেন সুদৃঢ় পর্বতমালা, যাতে তোমাদের নিয়ে জমিন (এদিক-সেদিক) হেলে না যায় এবং তিনিই প্রবাহিত করেছেন নদ-নদী এবং (তোমাদের চলার জন্যে তিনি) তৈরি করেছেন পথসমূহ, যাতে তোমরা (পথভ্রষ্ট না হয়ে সঠিকভাবে) তোমাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারো।

  16. ১৬

    وَعَلَٰمَٰتٖۚ وَبِٱلنَّجۡمِ هُمۡ يَهۡتَدُونَ

    তাছাড়া রয়েছে (দিনের) পথ-নির্দেশক চিহ্নসমূহ। আর (রাতে) তারকারাজির মাধ্যমেও তারা পথনির্দেশ পায়।

  17. ১৭

    أَفَمَن يَخۡلُقُ كَمَن لَّا يَخۡلُقُۚ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ

    কাজেই যিনি সৃষ্টি করেন, তিনি কি তার মতো, যে কিছুই সৃষ্টি করে না বা করতে পারে না ? অতএব তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?

  18. ১৮

    وَإِن تَعُدُّواْ نِعۡمَةَ ٱللَّهِ لَا تُحۡصُوهَآۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَغَفُورٞ رَّحِيمٞ

    আর (হে মানুষ!) তোমরা যদি (তোমাদের ওপর) আল্লাহর নি‘আমত গণনা করো, তবে (আধিক্য ও বৈচিত্র্যের কারণে) তার সংখ্যা কখনোই নির্ণয় করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

  19. ১৯

    وَٱللَّهُ يَعۡلَمُ مَا تُسِرُّونَ وَمَا تُعۡلِنُونَ

    আর আল্লাহ জানেন তোমরা যা গোপন করো এবং যা প্রকাশ করো।

  20. ২০

    وَٱلَّذِينَ يَدۡعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ لَا يَخۡلُقُونَ شَيۡـٔٗا وَهُمۡ يُخۡلَقُونَ

    আর তারা (মুশরিকরা) আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে ডাকে, তারা কোনো কিছুই সৃষ্টি করতে পারে না; বরং তাদেরকেই সৃষ্টি করা হয়।

  21. ২১

    أَمۡوَٰتٌ غَيۡرُ أَحۡيَآءٖۖ وَمَا يَشۡعُرُونَ أَيَّانَ يُبۡعَثُونَ

    তারা (মূর্তিগুলো) মৃত, জীবিত নয় এবং কখন তাদেরকে (পূজারীদেরসহ) পুনরুত্থিত করা হবে, সে বিষয়ে তাদের কোনো চেতনা নেই।

  22. ২২

    إِلَٰهُكُمۡ إِلَٰهٞ وَٰحِدٞۚ فَٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ قُلُوبُهُم مُّنكِرَةٞ وَهُم مُّسۡتَكۡبِرُونَ

    তোমাদের সত্যিকারের ইলাহ এক ইলাহ (আল্লাহ)। অতঃপর যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর (আল্লাহর একত্ববাদকে) অস্বীকারকারী এবং তারা অহংকারী।

  23. ২৩

    لَا جَرَمَ أَنَّ ٱللَّهَ يَعۡلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعۡلِنُونَۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلۡمُسۡتَكۡبِرِينَ

    নিঃসন্দেহে তারা যা (যে আমলগুলো) গোপন করে এবং যা প্রকাশ করে, নিশ্চয় তা আল্লাহ সবই জানেন। নিশ্চয় তিনি অহংকারীদেরকে পছন্দ করেন না।

  24. ২৪

    وَإِذَا قِيلَ لَهُم مَّاذَآ أَنزَلَ رَبُّكُمۡ قَالُوٓاْ أَسَٰطِيرُ ٱلۡأَوَّلِينَ

    আর যখন তাদেরকে (আল-কুরআন সম্পর্কে) জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘তোমাদের রব কী নাযিল করেছেন?’ তখন তারা বলে, ‘এ তো পূর্ববর্তীদের কল্পকাহিনি।’

  25. ২৫

    لِيَحۡمِلُوٓاْ أَوۡزَارَهُمۡ كَامِلَةٗ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ وَمِنۡ أَوۡزَارِ ٱلَّذِينَ يُضِلُّونَهُم بِغَيۡرِ عِلۡمٍۗ أَلَا سَآءَ مَا يَزِرُونَ

    যেন তাদের পরিণতি এমন হয় যে, তারা কিয়ামতের দিনে নিজেদের পাপের বোঝা পুরোটাই বহন করবে এবং তাদের পাপের বোঝাও যাদেরকে তারা অজ্ঞতাবশত পথভ্রষ্ট করে থাকে। তারা যে গুনাহের বোঝা বহন করবে, তা কতই না নিকৃষ্ট!

  26. ২৬

    قَدۡ مَكَرَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡ فَأَتَى ٱللَّهُ بُنۡيَٰنَهُم مِّنَ ٱلۡقَوَاعِدِ فَخَرَّ عَلَيۡهِمُ ٱلسَّقۡفُ مِن فَوۡقِهِمۡ وَأَتَىٰهُمُ ٱلۡعَذَابُ مِنۡ حَيۡثُ لَا يَشۡعُرُونَ

    অবশ্যই তাদের পূর্ববর্তী কাফিরগণ (রাসূলদের বিরুদ্ধে অনেক) ষড়যন্ত্র করেছিল, অতঃপর আল্লাহ তাদের ইমারতের ভীতে আঘাত করেছিলেন, ফলে তাদের ওপর থেকে তাদের ছাদ ধসে পড়েছিল। আর তাদের ওপর শাস্তি এসেছিল এমনভাবে যে, তারা তা উপলব্ধিই করতে পারেনি।

  27. ২৭

    ثُمَّ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ يُخۡزِيهِمۡ وَيَقُولُ أَيۡنَ شُرَكَآءِيَ ٱلَّذِينَ كُنتُمۡ تُشَٰٓقُّونَ فِيهِمۡۚ قَالَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ إِنَّ ٱلۡخِزۡيَ ٱلۡيَوۡمَ وَٱلسُّوٓءَ عَلَى ٱلۡكَٰفِرِينَ

    অতঃপর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন এবং বলবেন: ‘কোথায় আমার শরীকরা, যাদের ব্যাপারে তোমরা (নবী ও মু’মিনদের) বিরোধিতা করতে?’ যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তারা (আলিমরা) বলবে: ‘নিশ্চয় আজকের লাঞ্ছনা ও অকল্যাণ কাফিরদের ওপর।’

  28. ২৮

    ٱلَّذِينَ تَتَوَفَّىٰهُمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ ظَالِمِيٓ أَنفُسِهِمۡۖ فَأَلۡقَوُاْ ٱلسَّلَمَ مَا كُنَّا نَعۡمَلُ مِن سُوٓءِۭۚ بَلَىٰٓۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمُۢ بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ

    নিজেদের ওপর যুলম করা অবস্থায় ফিরিশতারা যাদের মৃত্যু ঘটাবে। অতঃপর তারা আত্মসমর্পণ করে বলবে: ‘আমরা কোনো পাপ করতাম না।’ হ্যাঁ, নিশ্চয় তোমরা (দুনিয়াতে) যা করতে, সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক জ্ঞাত।

  29. ২৯

    فَٱدۡخُلُوٓاْ أَبۡوَٰبَ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَاۖ فَلَبِئۡسَ مَثۡوَى ٱلۡمُتَكَبِّرِينَ

    সুতরাং, আজ তোমরা জাহান্নামের দরজাগুলো দিয়ে প্রবেশ করো, তাতে তোমরা চিরকাল থাকবে। অতএব অহংকারীদের আবাসস্থল কতই না নিকৃষ্ট!

  30. ৩০

    ۞ وَقِيلَ لِلَّذِينَ ٱتَّقَوۡاْ مَاذَآ أَنزَلَ رَبُّكُمۡۚ قَالُواْ خَيۡرٗاۗ لِّلَّذِينَ أَحۡسَنُواْ فِي هَٰذِهِ ٱلدُّنۡيَا حَسَنَةٞۚ وَلَدَارُ ٱلۡأٓخِرَةِ خَيۡرٞۚ وَلَنِعۡمَ دَارُ ٱلۡمُتَّقِينَ

    আর যারা (তাদের রবের আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকে) ভয় করেছে, তাদেরকে বলা হবে: ‘তোমাদের রব (তোমাদের নবী মুহাম্মাদের ওপর) কী নাযিল করেছেন?’ তারা বলবে: ‘মহান কল্যাণ’। যারা এই দুনিয়ায় উত্তম কাজ করেছে, তাদের জন্য (দুনিয়াতে) রয়েছে উত্তম প্রতিদান।(১) আর নিশ্চয় আখিরাতের আবাস উত্তম এবং মুত্তাকীদের আবাস কতই না উত্তম!

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  31. ৩১

    جَنَّٰتُ عَدۡنٖ يَدۡخُلُونَهَا تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُۖ لَهُمۡ فِيهَا مَا يَشَآءُونَۚ كَذَٰلِكَ يَجۡزِي ٱللَّهُ ٱلۡمُتَّقِينَ

    তা হলো চিরস্থায়ী জান্নাতসমূহ, যাতে তারা প্রবেশ করবে, যার তলদেশে প্রবাহিত হবে নদ-নদী-ঝর্ণাধারা। তারা যা চাইবে, তাদের জন্য সেখানে তাই থাকবে। এভাবেই আল্লাহ মুত্তাকীদের প্রতিদান দেন।

  32. ৩২

    ٱلَّذِينَ تَتَوَفَّىٰهُمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ طَيِّبِينَ يَقُولُونَ سَلَٰمٌ عَلَيۡكُمُ ٱدۡخُلُواْ ٱلۡجَنَّةَ بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ

    (এমন মুত্তাকীদের জন্যে পুরস্কার) ফিরিশতাগণ যাদের মৃত্যু ঘটায় (তাদের আত্মা কুফরি থেকে) উত্তম অবস্থায়, তারা (ফেরেশতারা তাদেরকে) বলবে: ‘তোমাদের ওপর সালাম (শান্তি) বর্ষিত হোক। আজ তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো, (দুনিয়াতে) তোমরা যে (নেক) আমল করতে তার বিনিময়ে।’

  33. ৩৩

    هَلۡ يَنظُرُونَ إِلَّآ أَن تَأۡتِيَهُمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ أَوۡ يَأۡتِيَ أَمۡرُ رَبِّكَۚ كَذَٰلِكَ فَعَلَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ وَمَا ظَلَمَهُمُ ٱللَّهُ وَلَٰكِن كَانُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ يَظۡلِمُونَ

    তারা (মিথ্যারোপকারী মুশরিকরা) শুধু তাদের কাছে ফিরিশতা আসার অথবা তোমার রবের (শাস্তির) সিদ্ধান্ত আসার অপেক্ষা করছে। তাদের পূর্ববর্তীরা এরূপই করতো। আর আল্লাহ তাদের ওপর যুলম করেননি; বরং তারাই (আল্লাহর সাথে কুফরি করে) নিজেদের ওপর যুলম করেছিল।

  34. ৩৪

    فَأَصَابَهُمۡ سَيِّـَٔاتُ مَا عَمِلُواْ وَحَاقَ بِهِم مَّا كَانُواْ بِهِۦ يَسۡتَهۡزِءُونَ

    ফলে তারা যা (বদ) আমল করেছে, তার মন্দ পরিণতি (শাস্তি) তাদেরকে আক্রান্ত করেছে এবং তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তা তাদেরকে ঘিরে ফেলেছে।

  35. ৩৫

    وَقَالَ ٱلَّذِينَ أَشۡرَكُواْ لَوۡ شَآءَ ٱللَّهُ مَا عَبَدۡنَا مِن دُونِهِۦ مِن شَيۡءٖ نَّحۡنُ وَلَآ ءَابَآؤُنَا وَلَا حَرَّمۡنَا مِن دُونِهِۦ مِن شَيۡءٖۚ كَذَٰلِكَ فَعَلَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ فَهَلۡ عَلَى ٱلرُّسُلِ إِلَّا ٱلۡبَلَٰغُ ٱلۡمُبِينُ

    আর যারা শিরক করে, তারা বলে: যদি আল্লাহ চাইতেন তবে আমরা তাঁকে ছাড়া কোনো কিছুর ইবাদাত করতাম না এবং আমাদের পিতৃপুরুষরাও না। আর তাঁর হুকুম ছাড়া আমরা কোনো কিছু হারামও করতাম না। তাদের পূর্ববর্তীরা এরূপই (বাতিল যুক্তি পেশ) করতো। সুতরাং (আল্লাহর বাণী তাদের কাছে) স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেয়া ছাড়া, রাসূলগণের কি আর কোনো কর্তব্য আছে?(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  36. ৩৬

    وَلَقَدۡ بَعَثۡنَا فِي كُلِّ أُمَّةٖ رَّسُولًا أَنِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ وَٱجۡتَنِبُواْ ٱلطَّٰغُوتَۖ فَمِنۡهُم مَّنۡ هَدَى ٱللَّهُ وَمِنۡهُم مَّنۡ حَقَّتۡ عَلَيۡهِ ٱلضَّلَٰلَةُۚ فَسِيرُواْ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَٱنظُرُواْ كَيۡفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلۡمُكَذِّبِينَ

    আর অবশ্যই আমি প্রত্যেক জাতির কাছে একজন রাসূল প্রেরণ করেছি এ নির্দেশ দিয়ে যে, তোমরা এক আল্লাহর ইবাদাত করো এবং তাগূতকে বর্জন করো।(১) অতঃপর তাদের মধ্য থেকে আল্লাহ কাউকে হিদায়াত দিয়েছেন এবং তাদের মধ্য থেকে কারো ওপর পথভ্রষ্টতা অবধারিত হয়েছে। সুতরাং তোমরা জমিনে ভ্রমণ করো, অতঃপর দেখো, মিথ্যারোপকারীদের পরিণাম কী হয়েছিল?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  37. ৩৭

    إِن تَحۡرِصۡ عَلَىٰ هُدَىٰهُمۡ فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهۡدِي مَن يُضِلُّۖ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ

    (হে রাসূল!) যদিও তুমি তাদের হিদায়াতের জন্য খুবই আগ্রহী হও, তবু নিশ্চয় আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে হিদায়াত দেন না। আর তাদের জন্য কোনো সাহায্যকারীও নেই।

  38. ৩৮

    وَأَقۡسَمُواْ بِٱللَّهِ جَهۡدَ أَيۡمَٰنِهِمۡ لَا يَبۡعَثُ ٱللَّهُ مَن يَمُوتُۚ بَلَىٰ وَعۡدًا عَلَيۡهِ حَقّٗا وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعۡلَمُونَ

    আর তারা (পুনরুত্থান অস্বীকারকারীরা) আল্লাহর নামে কঠিন শপথ করে বলেছিল, যে মারা যায়, আল্লাহ তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন না। অবশ্যই করবেন; এটি তাঁর ওপর সত্য প্রতিশ্রুতি। কিন্তু মানুষের অধিকাংশই তা জানে না।

  39. ৩৯

    لِيُبَيِّنَ لَهُمُ ٱلَّذِي يَخۡتَلِفُونَ فِيهِ وَلِيَعۡلَمَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ أَنَّهُمۡ كَانُواْ كَٰذِبِينَ

    (আল্লাহ কিয়ামতের দিন সবাইকে পুনরুত্থিত করবেন) যেন তিনি তাদের জন্য সে বিষয়টি স্পষ্ট করে দেন, যা নিয়ে তারা মতভেদ করত; আর যাতে কাফিররা জানতে পারে যে, তারা মিথ্যাবাদী ছিল।

  40. ৪০

    إِنَّمَا قَوۡلُنَا لِشَيۡءٍ إِذَآ أَرَدۡنَٰهُ أَن نَّقُولَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ

    যখন আমি কোনো কিছুর ইচ্ছা করি(১), তখন আমি সেটিকে বলি, ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  41. ৪১

    وَٱلَّذِينَ هَاجَرُواْ فِي ٱللَّهِ مِنۢ بَعۡدِ مَا ظُلِمُواْ لَنُبَوِّئَنَّهُمۡ فِي ٱلدُّنۡيَا حَسَنَةٗۖ وَلَأَجۡرُ ٱلۡأٓخِرَةِ أَكۡبَرُۚ لَوۡ كَانُواْ يَعۡلَمُونَ

    আর যারা অত্যাচারিত হওয়ার পর আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হিজরত করেছে, আমি অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়াতে উত্তম আবাস দান করবো। আর আখিরাতের প্রতিদান তো বিশাল, যদি তারা জানত!

  42. ৪২

    ٱلَّذِينَ صَبَرُواْ وَعَلَىٰ رَبِّهِمۡ يَتَوَكَّلُونَ

    যারা (নিজেদের সম্প্রদায়ের দেয়া কষ্টের ও আল্লাহর আনুগত্যের ওপর) ধৈর্যধারণ করেছে এবং তাদের রবের ওপরই তাওয়াক্কুল করেছে।

  43. ৪৩

    وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ إِلَّا رِجَالٗا نُّوحِيٓ إِلَيۡهِمۡۖ فَسۡـَٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ

    আর (হে রাসূল!) আমি তোমার পূর্বে কেবল পুরুষদেরই রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছি, যাদের প্রতি আমি অহী পাঠাতাম।(১) সুতরাং তোমরা যদি না জান জ্ঞানীদের জিজ্ঞাসা করো।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  44. ৪৪

    بِٱلۡبَيِّنَٰتِ وَٱلزُّبُرِۗ وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلذِّكۡرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيۡهِمۡ وَلَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ

    (রাসূলগণকে প্রেরণ করেছি) সুস্পষ্ট প্রমাণাদি ও কিতাবসমূহসহ। আর তোমার প্রতি নাযিল করেছি এ উপদেশ (আল-কুরআন), যাতে তুমি মানুষের জন্য স্পষ্ট করে দাও, তাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে এবং যাতে তারা চিন্তা করে।

  45. ৪৫

    أَفَأَمِنَ ٱلَّذِينَ مَكَرُواْ ٱلسَّيِّـَٔاتِ أَن يَخۡسِفَ ٱللَّهُ بِهِمُ ٱلۡأَرۡضَ أَوۡ يَأۡتِيَهُمُ ٱلۡعَذَابُ مِنۡ حَيۡثُ لَا يَشۡعُرُونَ

    তবে কি যারা মন্দ ষড়যন্ত্র করে, তারা এ ব্যাপারে নিরাপদ হয়ে গেছে যে, আল্লাহ তাদেরসহ জমিন ধসিয়ে দেবেন না, অথবা এমন দিক থেকে তাদের ওপর শাস্তি এসে যাবে, যেখান থেকে তারা তা টেরও পাবে না?

  46. ৪৬

    أَوۡ يَأۡخُذَهُمۡ فِي تَقَلُّبِهِمۡ فَمَا هُم بِمُعۡجِزِينَ

    অথবা তিনি তাদের চলাফেরা ও কর্মব্যস্ততার মধ্যেই তাদের পাকড়াও করতে পারেন। তখন তারা (তাঁকে) অক্ষম করতে পারবে না; (অর্থাৎ তাঁর শাস্তি থেকে পালিয়ে রক্ষা পাবে না)।

  47. ৪৭

    أَوۡ يَأۡخُذَهُمۡ عَلَىٰ تَخَوُّفٖ فَإِنَّ رَبَّكُمۡ لَرَءُوفٞ رَّحِيمٌ

    কিংবা তিনি তাদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় পাকড়াও করবেন না?(১) নিশ্চয় তোমাদের রব অতিশয় দয়াশীল, পরম দয়ালু।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  48. ৪৮

    أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ إِلَىٰ مَا خَلَقَ ٱللَّهُ مِن شَيۡءٖ يَتَفَيَّؤُاْ ظِلَٰلُهُۥ عَنِ ٱلۡيَمِينِ وَٱلشَّمَآئِلِ سُجَّدٗا لِّلَّهِ وَهُمۡ دَٰخِرُونَ

    আল্লাহ যে সকল বস্তু সৃষ্টি করেছেন, তারা কি সে দিকে (চিন্তাশীল দৃষ্টিতে) তাকায়নি, যার ছায়াসমূহ ডানে ও বামে হেলে পড়ে আল্লাহর প্রতি সাজদাবনত হয়, আর তারা একান্ত বিনীত?

  49. ৪৯

    وَلِلَّهِۤ يَسۡجُدُۤ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِ مِن دَآبَّةٖ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَهُمۡ لَا يَسۡتَكۡبِرُونَ

    আর আসমানসমূহে যা আছে এবং জমিনে যে সব প্রাণী আছে, সবাই আল্লাহকেই সাজদাহ করে। আর ফিরিশতাগণও (তাঁরই সাজদাহ করে) এবং তারা (তাঁর ইবাদাত ও আনুগত্য করতে) অহংকার করে না।

  50. ৫০

    يَخَافُونَ رَبَّهُم مِّن فَوۡقِهِمۡ وَيَفۡعَلُونَ مَا يُؤۡمَرُونَ۩

    তারা তাদের রবকে ভয় করে, যিনি (নিজ সত্তা, প্রতিপত্তি ও ক্ষমতায়) তাদের সবার ওপরে আছেন এবং তাদেরকে যা নির্দেশ দেয়া হয়, তারা তা-ই করে।

  51. ৫১

    ۞ وَقَالَ ٱللَّهُ لَا تَتَّخِذُوٓاْ إِلَٰهَيۡنِ ٱثۡنَيۡنِۖ إِنَّمَا هُوَ إِلَٰهٞ وَٰحِدٞ فَإِيَّٰيَ فَٱرۡهَبُونِ

    আর আল্লাহ (তাঁর সকল বান্দাদেরকে) বলেছেন: ‘তোমরা দুই ইলাহ গ্রহণ করো না। তিনি তো কেবল এক ইলাহ। সুতরাং তোমরা আমাকেই ভয় করো।’

  52. ৫২

    وَلَهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَلَهُ ٱلدِّينُ وَاصِبًاۚ أَفَغَيۡرَ ٱللَّهِ تَتَّقُونَ

    আর আসমানসমূহ ও জমিনে যা কিছু আছে, তা সবই তাঁর এবং সার্বক্ষণিক আনুগত্য তাঁরই প্রাপ্য। তারপরও কি তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করছো?

  53. ৫৩

    وَمَا بِكُم مِّن نِّعۡمَةٖ فَمِنَ ٱللَّهِۖ ثُمَّ إِذَا مَسَّكُمُ ٱلضُّرُّ فَإِلَيۡهِ تَجۡـَٔرُونَ

    আর (হে মানুষ!) তোমাদের কাছে যে সব নি‘আমত আছে, তা সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। অতঃপর যখন তোমাদের দুঃখ-দুর্দশা স্পর্শ করে, তখন (তা দূর করতে) তোমরা ব্যাকুল হয়ে কেবল তাঁকেই ডাকো।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  54. ৫৪

    ثُمَّ إِذَا كَشَفَ ٱلضُّرَّ عَنكُمۡ إِذَا فَرِيقٞ مِّنكُم بِرَبِّهِمۡ يُشۡرِكُونَ

    অতঃপর তিনি যখন (দু‘আ কবুল করে) তোমাদের থেকে দুঃখ-দুর্দশা দূর করে দেন, তখন তোমাদের মধ্যে একদল তাদের রবের সাথে শিরক করে।

  55. ৫৫

    لِيَكۡفُرُواْ بِمَآ ءَاتَيۡنَٰهُمۡۚ فَتَمَتَّعُواْ فَسَوۡفَ تَعۡلَمُونَ

    আমি তাদেরকে যা (যে নি‘আমতরাজি) দিয়েছি, তা অস্বীকার করার জন্য। অতএব (হে মানুষ!) তোমরা (আল্লাহর নি‘আমতরাজি) ভোগ করতে থাকো, অচিরেই (অকৃতজ্ঞতার শাস্তি সম্পর্কে) তোমরা জানতে পারবে ।

  56. ৫৬

    وَيَجۡعَلُونَ لِمَا لَا يَعۡلَمُونَ نَصِيبٗا مِّمَّا رَزَقۡنَٰهُمۡۗ تَٱللَّهِ لَتُسۡـَٔلُنَّ عَمَّا كُنتُمۡ تَفۡتَرُونَ

    আর তারা যা (মূর্তিসমূহ) কিছুই জানে না, তার জন্য আমি তাদের যে রিজিক দিয়েছি সেখান থেকে একটি অংশ নির্ধারণ করে। আল্লাহর কসম! তোমরা (তাঁর উপর) যা মিথ্যা রচনা করতে, সে সম্পর্কে তোমাদের অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

  57. ৫৭

    وَيَجۡعَلُونَ لِلَّهِ ٱلۡبَنَٰتِ سُبۡحَٰنَهُۥ وَلَهُم مَّا يَشۡتَهُونَ

    আর তারা (মুশরিকরা) আল্লাহর জন্য কন্যা সন্তান নির্ধারণ করে, যা থেকে তিনি সম্পূর্ণ পবিত্র। আর তারা নিজেদের জন্য তা-ই নির্ধারণ করে (পুত্র সন্তান), যা তারা কামনা করে।

  58. ৫৮

    وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُم بِٱلۡأُنثَىٰ ظَلَّ وَجۡهُهُۥ مُسۡوَدّٗا وَهُوَ كَظِيمٞ

    আর যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়; তখন (দুঃখে-অপছন্দে) তার চেহারা কালো হয়ে যায়। আর সে থাকে দুঃখ ভারাক্রান্ত।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  59. ৫৯

    يَتَوَٰرَىٰ مِنَ ٱلۡقَوۡمِ مِن سُوٓءِ مَا بُشِّرَ بِهِۦٓۚ أَيُمۡسِكُهُۥ عَلَىٰ هُونٍ أَمۡ يَدُسُّهُۥ فِي ٱلتُّرَابِۗ أَلَا سَآءَ مَا يَحۡكُمُونَ

    তাকে (কন্যা সন্তানের) যে সুসংবাদ দেয়া হয়েছে, সে দুঃখে স্বজাতির লোকসমাজ থেকে আত্মগোপন করে। সে চিন্তা করে, অপমান সত্ত্বেও কি একে রেখে দিবে, না কি (জীবন্ত কবর দিয়ে) মাটিতে পুঁতে ফেলবে? জেনে রেখো, তারা যা সিদ্ধান্ত করে, তা কতই না নিকৃষ্ট!

  60. ৬০

    لِلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ مَثَلُ ٱلسَّوۡءِۖ وَلِلَّهِ ٱلۡمَثَلُ ٱلۡأَعۡلَىٰۚ وَهُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ

    যারা আখিরাতে ঈমান রাখে না, তাদের জন্য রয়েছে যাবতীয় মন্দ গুণাবলি (১) এবং আল্লাহর জন্য রয়েছে যাবতীয় মহান গুণাবলি।(২) আর তিনিই মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  61. ৬১

    وَلَوۡ يُؤَاخِذُ ٱللَّهُ ٱلنَّاسَ بِظُلۡمِهِم مَّا تَرَكَ عَلَيۡهَا مِن دَآبَّةٖ وَلَٰكِن يُؤَخِّرُهُمۡ إِلَىٰٓ أَجَلٖ مُّسَمّٗىۖ فَإِذَا جَآءَ أَجَلُهُمۡ لَا يَسۡتَـٔۡخِرُونَ سَاعَةٗ وَلَا يَسۡتَقۡدِمُونَ

    আর আল্লাহ যদি মানবজাতিকে তাদের যুলমের কারণে (শাস্তি দিয়ে) পাকড়াও করতেন, তবে তাতে (জমিনে) কোনো বিচরণকারী প্রাণীকেই ছাড়তেন না। তবে আল্লাহ তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত (শাস্তি না দিয়ে) অবকাশ দেন। যখন তাদের নির্দিষ্ট সময় চলে আসে, তখন এক মুহূর্তও বিলম্ব করতে পারে না এবং আগাতেও পারে না।

  62. ৬২

    وَيَجۡعَلُونَ لِلَّهِ مَا يَكۡرَهُونَۚ وَتَصِفُ أَلۡسِنَتُهُمُ ٱلۡكَذِبَ أَنَّ لَهُمُ ٱلۡحُسۡنَىٰۚ لَا جَرَمَ أَنَّ لَهُمُ ٱلنَّارَ وَأَنَّهُم مُّفۡرَطُونَ

    আর তারা যা (যে কন্যা সন্তান) অপছন্দ করে, তাই তারা আল্লাহর জন্য নির্ধারণ করে। আর তাদের জিহ্বা মিথ্যা বর্ণনা করে যে, (তারা সত্যিই পুনরুত্থিত হলে) নিশ্চয় তাদের জন্য রয়েছে শুভ পরিণাম। নিঃসন্দেহে তাদের জন্য রয়েছে, জাহান্নামের আগুন এবং নিশ্চয় দ্রুত তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করা হবে।

  63. ৬৩

    تَٱللَّهِ لَقَدۡ أَرۡسَلۡنَآ إِلَىٰٓ أُمَمٖ مِّن قَبۡلِكَ فَزَيَّنَ لَهُمُ ٱلشَّيۡطَٰنُ أَعۡمَٰلَهُمۡ فَهُوَ وَلِيُّهُمُ ٱلۡيَوۡمَ وَلَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٞ

    আল্লাহর শপথ! (হে রাসূল!) আমি তোমার পূর্বে বহু জাতির নিকট রাসূল প্রেরণ করেছি; কিন্তু শয়তান ঐসব জাতির (নিকৃষ্ট) আমলসমূহকে(১) তাদের কাছে সুশোভিত করেছে। তাই সে আজ তাদের অভিভাবক। আর তাদেরই জন্য রয়েছে, (কিয়ামতের দিন) যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  64. ৬৪

    وَمَآ أَنزَلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ إِلَّا لِتُبَيِّنَ لَهُمُ ٱلَّذِي ٱخۡتَلَفُواْ فِيهِ وَهُدٗى وَرَحۡمَةٗ لِّقَوۡمٖ يُؤۡمِنُونَ

    আর (হে রাসূল!) আমি তোমার ওপর কিতাব (আল-কুরআন) নাযিল করেছি, শুধু এ জন্য যে, তারা যে বিষয়ে বিতর্ক করছে, তা তাদের জন্য তুমি স্পষ্ট করে দিবে এবং (এটি) হিদায়াত ও রহমত সেই জাতির জন্য যারা ঈমান আনে।

  65. ৬৫

    وَٱللَّهُ أَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ فَأَحۡيَا بِهِ ٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِهَآۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗ لِّقَوۡمٖ يَسۡمَعُونَ

    আর আল্লাহ আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন। অতঃপর তা দিয়ে জমিনকে তার মৃত্যুর পর উজ্জীবিত করেন।(১) নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে সেই সম্প্রদায়ের জন্য, যারা (আল্লাহর বাণী) শুনে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  66. ৬৬

    وَإِنَّ لَكُمۡ فِي ٱلۡأَنۡعَٰمِ لَعِبۡرَةٗۖ نُّسۡقِيكُم مِّمَّا فِي بُطُونِهِۦ مِنۢ بَيۡنِ فَرۡثٖ وَدَمٖ لَّبَنًا خَالِصٗا سَآئِغٗا لِّلشَّٰرِبِينَ

    আর নিশ্চয় চতুষ্পদ জন্তুতে রয়েছে, তোমাদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয়। তার পেটের ভেতরের (নোংরা) গোবর ও (অপবিত্র) রক্তের মধ্যখান থেকে তোমাদেরকে আমি খাঁটি দুধ পান করাই এবং যা পানকারীদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যকর।

  67. ৬৭

    وَمِن ثَمَرَٰتِ ٱلنَّخِيلِ وَٱلۡأَعۡنَٰبِ تَتَّخِذُونَ مِنۡهُ سَكَرٗا وَرِزۡقًا حَسَنًاۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗ لِّقَوۡمٖ يَعۡقِلُونَ

    আর (তোমাদের জন্য আরো শিক্ষা রয়েছে যে,) তোমরা খেজুর গাছের ফল ও আঙুর থেকে মাদক ও উত্তম রিযক গ্রহণ কর। নিশ্চয় এতে বোধশক্তি সম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে নিদর্শন।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  68. ৬৮

    وَأَوۡحَىٰ رَبُّكَ إِلَى ٱلنَّحۡلِ أَنِ ٱتَّخِذِي مِنَ ٱلۡجِبَالِ بُيُوتٗا وَمِنَ ٱلشَّجَرِ وَمِمَّا يَعۡرِشُونَ

    আর (হে রাসূল!) তোমার রব মৌমাছিকে নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন যে, ‘তুমি পাহাড়ের গায়ে ও গাছের ডালে এবং তারা (মানুষ) যে গৃহ নির্মাণ করে, তাতে ঘর বানাও।’

  69. ৬৯

    ثُمَّ كُلِي مِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ فَٱسۡلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلٗاۚ يَخۡرُجُ مِنۢ بُطُونِهَا شَرَابٞ مُّخۡتَلِفٌ أَلۡوَٰنُهُۥ فِيهِ شِفَآءٞ لِّلنَّاسِۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ

    অতঃপর তুমি প্রত্যেক ফল থেকে আহার করো এবং তুমি তোমার রবের সহজ পথে চলো। তার পেট থেকে এমন পানীয় বের হয়, যার রং ভিন্ন ভিন্ন, যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগ নিরাময়। নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে সে সম্প্রদায়ের জন্য, যারা (আল্লাহর অসীম শক্তি এবং তাঁর সৃষ্টি সম্পর্কে) চিন্তা-ভাবনা করে।

  70. ৭০

    وَٱللَّهُ خَلَقَكُمۡ ثُمَّ يَتَوَفَّىٰكُمۡۚ وَمِنكُم مَّن يُرَدُّ إِلَىٰٓ أَرۡذَلِ ٱلۡعُمُرِ لِكَيۡ لَا يَعۡلَمَ بَعۡدَ عِلۡمٖ شَيۡـًٔاۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٞ قَدِيرٞ

    আর আল্লাহই তোমাদের (পূর্বের নমুনা ছাড়াই) সৃষ্টি করেছেন; তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটান। আর তোমাদের মধ্যে এমনও আছে, যাকে বার্ধক্যের নিকৃষ্টতম অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে সে জ্ঞান লাভ করার পর আবার কিছুই না জানে।(১) নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  71. ৭১

    وَٱللَّهُ فَضَّلَ بَعۡضَكُمۡ عَلَىٰ بَعۡضٖ فِي ٱلرِّزۡقِۚ فَمَا ٱلَّذِينَ فُضِّلُواْ بِرَآدِّي رِزۡقِهِمۡ عَلَىٰ مَا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُهُمۡ فَهُمۡ فِيهِ سَوَآءٌۚ أَفَبِنِعۡمَةِ ٱللَّهِ يَجۡحَدُونَ

    আর আল্লাহ রিযক দেয়ার ক্ষেত্রে তোমাদের কাউকে কারো ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন; কিন্তু যাদেরকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে, তারা তাদের রিযক অধীনস্থ দাসদাসীদেরকে এমনভাবে ফিরিয়ে দেয় না যে, তারা তাতে (মালিকানায়) তাদের সমান হয়ে যাবে।(১) তবে তারা কি (আল্লাহর জন্য তাঁরই বান্দাদের মধ্য থেকে শরিক সাব্যস্ত করে) আল্লাহর নি‘আমতকে অস্বীকার করছে?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  72. ৭২

    وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُم مِّنۡ أَنفُسِكُمۡ أَزۡوَٰجٗا وَجَعَلَ لَكُم مِّنۡ أَزۡوَٰجِكُم بَنِينَ وَحَفَدَةٗ وَرَزَقَكُم مِّنَ ٱلطَّيِّبَٰتِۚ أَفَبِٱلۡبَٰطِلِ يُؤۡمِنُونَ وَبِنِعۡمَتِ ٱللَّهِ هُمۡ يَكۡفُرُونَ

    আর (হে মানুষ!) আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই জোড়া (স্ত্রীদেরকে) সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের সেই জোড়া (স্বামী-স্ত্রী) থেকে তোমাদের জন্য পুত্র ও পৌত্রাদি সৃষ্টি করেছেন। আর তিনি তোমাদেরকে পবিত্র রিযক দান করেছেন। তবুও তারা কি বাতিলে (মূর্তি ও প্রতিমাতে) বিশ্বাস করে এবং আল্লাহর নি‘আমতকে অস্বীকার করেই যাবে?

  73. ৭৩

    وَيَعۡبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَمۡلِكُ لَهُمۡ رِزۡقٗا مِّنَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ شَيۡـٔٗا وَلَا يَسۡتَطِيعُونَ

    আর তারা আল্লাহ ছাড়া এমন কিছু মূর্তির ইবাদত করে, যারা আসমানসমূহ ও জমিন থেকে তাদের জন্য কোনো রিযকের মালিক নয়। আর তারা তা করতেও সক্ষম নয়।

  74. ৭৪

    فَلَا تَضۡرِبُواْ لِلَّهِ ٱلۡأَمۡثَالَۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَعۡلَمُ وَأَنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ

    সুতরাং তোমরা আল্লাহর জন্য কোনো দৃষ্টান্ত (সদৃশ) স্থাপন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জান না।

  75. ৭৫

    ۞ ضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلًا عَبۡدٗا مَّمۡلُوكٗا لَّا يَقۡدِرُ عَلَىٰ شَيۡءٖ وَمَن رَّزَقۡنَٰهُ مِنَّا رِزۡقًا حَسَنٗا فَهُوَ يُنفِقُ مِنۡهُ سِرّٗا وَجَهۡرًاۖ هَلۡ يَسۡتَوُۥنَۚ ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِۚ بَلۡ أَكۡثَرُهُمۡ لَا يَعۡلَمُونَ

    আল্লাহ উপমা দিচ্ছেন অন্যের অধিকারভুক্ত একজন দাসের, যে কোনো কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে না এবং একজন (স্বাধীন লোকের) যাকে আমি আমার পক্ষ থেকে উত্তম রিযক দিয়েছি, অতঃপর সে তা থেকে (ইচ্ছেমতো) গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে। তারা কি উভয়ে সমান হতে পারে?(১) সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। বরং তাদের অধিকাংশই জানে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  76. ৭৬

    وَضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلٗا رَّجُلَيۡنِ أَحَدُهُمَآ أَبۡكَمُ لَا يَقۡدِرُ عَلَىٰ شَيۡءٖ وَهُوَ كَلٌّ عَلَىٰ مَوۡلَىٰهُ أَيۡنَمَا يُوَجِّههُّ لَا يَأۡتِ بِخَيۡرٍ هَلۡ يَسۡتَوِي هُوَ وَمَن يَأۡمُرُ بِٱلۡعَدۡلِ وَهُوَ عَلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ

    আর আল্লাহ (তাদের প্রসঙ্গে আরেকটি) উপমা দিচ্ছেন, দু’জন ব্যক্তির: তাদের একজন বোবা, যে কোন কিছুর ওপর ক্ষমতা রাখে না, উপরন্তু সে তার মনিবের ওপর বোঝা। তাকে যেখানেই পাঠানো হয়, কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য, যে ন্যায়ের আদেশ করে এবং সরল-সঠিক পথের ওপর বিদ্যমান রয়েছে?(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  77. ৭৭

    وَلِلَّهِ غَيۡبُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَمَآ أَمۡرُ ٱلسَّاعَةِ إِلَّا كَلَمۡحِ ٱلۡبَصَرِ أَوۡ هُوَ أَقۡرَبُۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٞ

    আর আসমানসমূহ ও জমিনের গায়িবী বিষয় আল্লাহরই। আর কিয়ামতের ব্যাপারটি শুধু চোখের পলকের ন্যায় (অতিদ্রুত সংঘটিত হয়ে যাবে); কিংবা তা আরো সন্নিকটে। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

  78. ৭৮

    وَٱللَّهُ أَخۡرَجَكُم مِّنۢ بُطُونِ أُمَّهَٰتِكُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ شَيۡـٔٗا وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمۡعَ وَٱلۡأَبۡصَٰرَ وَٱلۡأَفۡـِٔدَةَ لَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ

    আর আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের মাতৃগর্ভ থেকে এমন অবস্থায় বের করে এনেছেন যে, তোমরা তখন কিছুই জানতে না। তিনি তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও অন্তর, যাতে তোমরা (আল্লাহর নি‘আমতের) কৃতজ্ঞতা আদায় করো।

  79. ৭৯

    أَلَمۡ يَرَوۡاْ إِلَى ٱلطَّيۡرِ مُسَخَّرَٰتٖ فِي جَوِّ ٱلسَّمَآءِ مَا يُمۡسِكُهُنَّ إِلَّا ٱللَّهُۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يُؤۡمِنُونَ

    তারা (মুশরিকরা) কি শূন্য আকাশে (উড়ন্ত অবস্থায়) নিয়ন্ত্রণাধীন পাখিগুলোর প্রতি লক্ষ্য করে না, আল্লাহ ছাড়া কেউ তাদেরকে (পড়ে যাওয়া থেকে বাতাসে) ধরে রাখেন না? নিশ্চয় এতে মু’মিনদের জন্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে ।

  80. ৮০

    وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُم مِّنۢ بُيُوتِكُمۡ سَكَنٗا وَجَعَلَ لَكُم مِّن جُلُودِ ٱلۡأَنۡعَٰمِ بُيُوتٗا تَسۡتَخِفُّونَهَا يَوۡمَ ظَعۡنِكُمۡ وَيَوۡمَ إِقَامَتِكُمۡ وَمِنۡ أَصۡوَافِهَا وَأَوۡبَارِهَا وَأَشۡعَارِهَآ أَثَٰثٗا وَمَتَٰعًا إِلَىٰ حِينٖ

    আর আল্লাহই তোমাদের ঘরগুলোকে তোমাদের জন্য করেছেন প্রশান্তির আবাসস্থল এবং তোমাদের পশুর চামড়া দিয়ে তাঁবুর ব্যবস্থা করেছেন, যা খুব সহজেই তোমরা ভ্রমণকালে ও অবস্থানকালে বহন করতে পার। আর তাদের পশম, লোম ও চুল দ্বারা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (উপকৃত হতে) গৃহসামগ্রী ও ভোগ-উপকরণ তিনি বানিয়েছেন।

  81. ৮১

    وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُم مِّمَّا خَلَقَ ظِلَٰلٗا وَجَعَلَ لَكُم مِّنَ ٱلۡجِبَالِ أَكۡنَٰنٗا وَجَعَلَ لَكُمۡ سَرَٰبِيلَ تَقِيكُمُ ٱلۡحَرَّ وَسَرَٰبِيلَ تَقِيكُم بَأۡسَكُمۡۚ كَذَٰلِكَ يُتِمُّ نِعۡمَتَهُۥ عَلَيۡكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تُسۡلِمُونَ

    আর আল্লাহ (গাছপালা ও ঘরবাড়ি) যা সৃষ্টি করেছেন, তা থেকে তোমাদের জন্য ছায়ার ব্যবস্থা করেছেন এবং পাহাড়ের মাঝে (সুড়ঙ্গ পথ, গর্ত ও গুহা তৈরি করে) তোমাদের জন্য আশ্রয়স্থল বানিয়েছেন। আর ব্যবস্থা করেছেন পোশাকের, যা তোমাদেরকে গরম থেকে রক্ষা করে এবং বর্মেরও ব্যবস্থা করেছেন যা যুদ্ধে তোমাদেরকে রক্ষা করে। এভাবেই তিনি তোমাদের ওপর তার নি‘আমতকে পূর্ণ করেন, যাতে তোমরা অনুগত হও।

  82. ৮২

    فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَإِنَّمَا عَلَيۡكَ ٱلۡبَلَٰغُ ٱلۡمُبِينُ

    সুতরাং (হে রাসূল!) তারা যদি (ঈমান আনা থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তোমার দায়িত্ব তো শুধু স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেয়া।

  83. ৮৩

    يَعۡرِفُونَ نِعۡمَتَ ٱللَّهِ ثُمَّ يُنكِرُونَهَا وَأَكۡثَرُهُمُ ٱلۡكَٰفِرُونَ

    তারা (মুশরিকরা) আল্লাহর নি‘আমত(১) ভালোভাবেই চিনে; তারপরও তারা তা অস্বীকার করে। আর তাদের অধিকাংশই কাফির।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  84. ৮৪

    وَيَوۡمَ نَبۡعَثُ مِن كُلِّ أُمَّةٖ شَهِيدٗا ثُمَّ لَا يُؤۡذَنُ لِلَّذِينَ كَفَرُواْ وَلَا هُمۡ يُسۡتَعۡتَبُونَ

    আর (হে রাসূল!) স্মরণ করো, যেদিন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন (রাসূলকে) সাক্ষী হিসেবে উত্থিত করবো। তারপর যারা কুফরী করেছে, তাদেরকে (ওযর পেশের) অনুমতি দেয়া হবে না এবং তাদেরকে (দুনিয়াতে ফিরে আমল করে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য) তাওবা করতে বলা হবে না।

  85. ৮৫

    وَإِذَا رَءَا ٱلَّذِينَ ظَلَمُواْ ٱلۡعَذَابَ فَلَا يُخَفَّفُ عَنۡهُمۡ وَلَا هُمۡ يُنظَرُونَ

    আর যারা যুলম করেছে, তারা যখন (সেদিন চোখের সামনে ) শাস্তি দেখবে, তখন তাদের ওপর থেকে শাস্তি সামান্যও কমানো হবে না এবং তাদেরকে (শাস্তি বিলম্বে দিতে কোন) অবকাশও দেয়া হবে না।

  86. ৮৬

    وَإِذَا رَءَا ٱلَّذِينَ أَشۡرَكُواْ شُرَكَآءَهُمۡ قَالُواْ رَبَّنَا هَٰٓؤُلَآءِ شُرَكَآؤُنَا ٱلَّذِينَ كُنَّا نَدۡعُواْ مِن دُونِكَۖ فَأَلۡقَوۡاْ إِلَيۡهِمُ ٱلۡقَوۡلَ إِنَّكُمۡ لَكَٰذِبُونَ

    আর যারা শিরক করেছে, তারা যখন (পরকালে) তাদের শরীকদের দেখবে, তখন বলবে: ‘হে আমাদের রব! এরা হলো আমাদের শরীক, (দুনিয়াতে) যাদেরকে আমরা আপনার পরিবর্তে ইবাদাত করতাম।’ অতঃপর তারা (উপাস্যগুলো) তাদের প্রতি উত্তরে বলবে: ‘নিশ্চয় তোমরা মিথ্যাবাদী।’

  87. ৮৭

    وَأَلۡقَوۡاْ إِلَى ٱللَّهِ يَوۡمَئِذٍ ٱلسَّلَمَۖ وَضَلَّ عَنۡهُم مَّا كَانُواْ يَفۡتَرُونَ

    সেদিন তারা (মুশরিকরা) আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করবে এবং তারা যে মিথ্যা রটাত(১), তা উধাও হয়ে যাবে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  88. ৮৮

    ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَصَدُّواْ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ زِدۡنَٰهُمۡ عَذَابٗا فَوۡقَ ٱلۡعَذَابِ بِمَا كَانُواْ يُفۡسِدُونَ

    যারা কুফরী করেছে এবং (অন্যদেরকে) আল্লাহর পথে বাধা দিয়েছে, আমি (সেদিন ) তাদেরকে শাস্তির ওপর শাস্তি বাড়িয়ে দিবো। কারণ তারা (নিজেদেরকে ও অন্যদেরকে পথভ্রষ্ট করে) ফ্যাসাদ সৃষ্টি করতো।

  89. ৮৯

    وَيَوۡمَ نَبۡعَثُ فِي كُلِّ أُمَّةٖ شَهِيدًا عَلَيۡهِم مِّنۡ أَنفُسِهِمۡۖ وَجِئۡنَا بِكَ شَهِيدًا عَلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِۚ وَنَزَّلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ تِبۡيَٰنٗا لِّكُلِّ شَيۡءٖ وَهُدٗى وَرَحۡمَةٗ وَبُشۡرَىٰ لِلۡمُسۡلِمِينَ

    আর (হে রাসূল!) স্মরণ করো, যেদিন আমি প্রত্যেক উম্মতের কাছে, তাদের থেকেই তাদের বিরুদ্ধে একজন (রাসূলকে) সাক্ষী হিসেবে উত্থিত করব এবং তোমাকে তাদের সকলের বিরুদ্ধে সাক্ষীরূপে হাযির করব। আর আমি তোমার ওপর কিতাব (আল-কুরআন) নাযিল করেছি প্রতিটি বিষয়ের স্পষ্ট বর্ণনা, হিদায়াত, রহমত ও মুসলিমদের জন্য (অপেক্ষমাণ স্থায়ী জান্নাতের) সুসংবাদস্বরূপ।

  90. ৯০

    ۞ إِنَّ ٱللَّهَ يَأۡمُرُ بِٱلۡعَدۡلِ وَٱلۡإِحۡسَٰنِ وَإِيتَآيِٕ ذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَيَنۡهَىٰ عَنِ ٱلۡفَحۡشَآءِ وَٱلۡمُنكَرِ وَٱلۡبَغۡيِۚ يَعِظُكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَذَكَّرُونَ

    নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফ(১), সদাচার(২) ও নিকট আত্মীয়দের দান করার আদেশ দেন এবং তিনি আশ্লীলতা, মন্দ কাজ ও সীমালঙ্ঘন থেকে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদেরকে উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  91. ৯১

    وَأَوۡفُواْ بِعَهۡدِ ٱللَّهِ إِذَا عَٰهَدتُّمۡ وَلَا تَنقُضُواْ ٱلۡأَيۡمَٰنَ بَعۡدَ تَوۡكِيدِهَا وَقَدۡ جَعَلۡتُمُ ٱللَّهَ عَلَيۡكُمۡ كَفِيلًاۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَعۡلَمُ مَا تَفۡعَلُونَ

    আর তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ করো যখন পরস্পর অঙ্গীকার করো। আর তোমরা কোন অঙ্গীকার আল্লাহর শপথ করে পাকাপোক্ত করার পর তা ভঙ্গ করো না, যেহেতু তোমরা (অঙ্গীকার পূরণের ক্ষেত্রে) নিজেদের জন্য আল্লাহকে জিম্মাদার বানিয়েছ। নিশ্চয় আল্লাহ জানেন, যা তোমরা করো।

  92. ৯২

    وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّتِي نَقَضَتۡ غَزۡلَهَا مِنۢ بَعۡدِ قُوَّةٍ أَنكَٰثٗا تَتَّخِذُونَ أَيۡمَٰنَكُمۡ دَخَلَۢا بَيۡنَكُمۡ أَن تَكُونَ أُمَّةٌ هِيَ أَرۡبَىٰ مِنۡ أُمَّةٍۚ إِنَّمَا يَبۡلُوكُمُ ٱللَّهُ بِهِۦۚ وَلَيُبَيِّنَنَّ لَكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ مَا كُنتُمۡ فِيهِ تَخۡتَلِفُونَ

    আর তোমরা (অঙ্গীকার ভঙ্গের ব্যাপারে) সে (নির্বোধ) নারীর মত হয়ো না, যে তার পাকানো সূতো শক্ত করে পাকানোর পর পাক খুলে (আগের ন্যায় বানিয়ে) নষ্ট করে দেয়। তোমরা তোমাদের ওপর অঙ্গীকারকে নিজেদের মধ্যে প্রতারণা হিসেবে গ্রহণ করছ (এই উদ্দেশ্যে) যে, একদল অপর দলের চেয়ে বেশী লাভবান হয়। আসলে আল্লাহ তো এর মাধ্যমে তোমাদের পরীক্ষা করেন। আর নিশ্চয়ই তিনি তোমাদের জন্য কিয়ামতের দিনে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিবেন সেসব বিষয়, যা নিয়ে তোমরা (দুনিয়াতে) মতবিরোধ করতে।

  93. ৯৩

    وَلَوۡ شَآءَ ٱللَّهُ لَجَعَلَكُمۡ أُمَّةٗ وَٰحِدَةٗ وَلَٰكِن يُضِلُّ مَن يَشَآءُ وَيَهۡدِي مَن يَشَآءُۚ وَلَتُسۡـَٔلُنَّ عَمَّا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ

    আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে (সত্যের ওপর ঐকমত্য) এক জাতিতে পরিণত করতেন; কিন্তু আল্লাহ (নিজ ইনসাফের ভিত্তিতে) যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন, আর যাকে ইচ্ছা হিদায়াত দান করেন। আর তোমরা যা করতে, সে সম্পর্কে অবশ্যই তোমাদেরকে (কিয়ামতের দিন) জিজ্ঞাসা করা হবে।

  94. ৯৪

    وَلَا تَتَّخِذُوٓاْ أَيۡمَٰنَكُمۡ دَخَلَۢا بَيۡنَكُمۡ فَتَزِلَّ قَدَمُۢ بَعۡدَ ثُبُوتِهَا وَتَذُوقُواْ ٱلسُّوٓءَ بِمَا صَدَدتُّمۡ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ وَلَكُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٞ

    আর তোমরা তোমাদের অঙ্গীকারগুলোকে তোমাদের পরস্পর প্রতারণার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করো না। (যদি এরূপ করো) তাহলে (সঠিক পথের ওপর) পা অবিচল হওয়ার পরও তা পিছলে যাবে এবং তোমরা আল্লাহর রাস্তায় (মানুষকে) বাধা দেওয়ার কারণে শাস্তি আস্বাদন করতে হবে। আর তোমাদের জন্য রয়েছে, (জাহান্নামের) মহা শাস্তি।

  95. ৯৫

    وَلَا تَشۡتَرُواْ بِعَهۡدِ ٱللَّهِ ثَمَنٗا قَلِيلًاۚ إِنَّمَا عِندَ ٱللَّهِ هُوَ خَيۡرٞ لَّكُمۡ إِن كُنتُمۡ تَعۡلَمُونَ

    আর আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকারের বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে যা আছে, তা-ই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।

  96. ৯৬

    مَا عِندَكُمۡ يَنفَدُ وَمَا عِندَ ٱللَّهِ بَاقٖۗ وَلَنَجۡزِيَنَّ ٱلَّذِينَ صَبَرُوٓاْ أَجۡرَهُم بِأَحۡسَنِ مَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ

    (হে মানুষ!) তোমাদের কাছে (পার্থিব ধন-সম্পদ, ভোগ-বিলাস) যা আছে, তা নিঃশেষ হয়ে যাবে (তা যতোই বেশি হোক)। আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা চিরস্থায়ী। আর যারা ধৈর্যধারণ করেছে, তারা যা (নেক আমল) করত তার তুলনায় অবশ্যই আমি তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিবো।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  97. ৯৭

    مَنۡ عَمِلَ صَٰلِحٗا مِّن ذَكَرٍ أَوۡ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤۡمِنٞ فَلَنُحۡيِيَنَّهُۥ حَيَوٰةٗ طَيِّبَةٗۖ وَلَنَجۡزِيَنَّهُمۡ أَجۡرَهُم بِأَحۡسَنِ مَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ

    যে মু’মিন অবস্থায় নেক আমল করবে, পুরুষ হোক বা নারী, আমি তাকে পবিত্র জীবন(১) দান করবো এবং (দুনিয়াতে) তারা যা (নেক আমল) করত তার তুলনায় অবশ্যই আমি (পরকালে) তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিবো।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  98. ৯৮

    فَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ فَٱسۡتَعِذۡ بِٱللَّهِ مِنَ ٱلشَّيۡطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ

    সুতরাং (হে মু’মিন!) যখন তুমি আল-কুরআন তিলাওয়াত করবে, তখন আল্লাহর কাছে বিতাড়িত (অভিশপ্ত) শয়তান হতে আশ্রয় চাও।

  99. ৯৯

    إِنَّهُۥ لَيۡسَ لَهُۥ سُلۡطَٰنٌ عَلَى ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَلَىٰ رَبِّهِمۡ يَتَوَكَّلُونَ

    নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং তারা তাদের রবের ওপর তাওয়াক্কুল করেছে, তাদের ওপর শয়তানের কোনো আধিপত্য নেই।

  100. ১০০

    إِنَّمَا سُلۡطَٰنُهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ يَتَوَلَّوۡنَهُۥ وَٱلَّذِينَ هُم بِهِۦ مُشۡرِكُونَ

    তার (শয়তানের) আধিপত্য তো কেবল তাদের ওপর, যারা তাকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে এবং যারা আল্লাহর সাথে শরীক করে।

  101. ১০১

    وَإِذَا بَدَّلۡنَآ ءَايَةٗ مَّكَانَ ءَايَةٖ وَٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِمَا يُنَزِّلُ قَالُوٓاْ إِنَّمَآ أَنتَ مُفۡتَرِۭۚ بَلۡ أَكۡثَرُهُمۡ لَا يَعۡلَمُونَ

    আর আমি যখন (আল-কুরআনের) একটি আয়াতের স্থানে পরিবর্তন করে আরেকটি আয়াত দেই- আল্লাহই ভালো জানেন সে সম্পর্কে, যা তিনি নাযিল করবেন- তখন তারা বলে: ‘তুমি তো কেবল মিথ্যা রটনাকারী।’ রবং (আয়াত রহিত হওয়ার ব্যাপারে আল্লাহর চূড়ান্ত হিকমত সম্পর্কে) তাদের অধিকাংশই জানে না।

  102. ১০২

    قُلۡ نَزَّلَهُۥ رُوحُ ٱلۡقُدُسِ مِن رَّبِّكَ بِٱلۡحَقِّ لِيُثَبِّتَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَهُدٗى وَبُشۡرَىٰ لِلۡمُسۡلِمِينَ

    (হে রাসূল! তুমি তাদেরকে) বলো: ‘রূহুল কুদুস (জিবরীল) একে তোমার রবের পক্ষ হতে যথাযথভাবে নাযিল করেছেন, যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে (ঈমানের ওপর) সুদৃঢ় করার জন্যে, উপরন্তু এটি (তাদের জন্যে) হিদায়াত ও মুসলিমদের জন্যে সুসংবাদস্বরূপ।

  103. ১০৩

    وَلَقَدۡ نَعۡلَمُ أَنَّهُمۡ يَقُولُونَ إِنَّمَا يُعَلِّمُهُۥ بَشَرٞۗ لِّسَانُ ٱلَّذِي يُلۡحِدُونَ إِلَيۡهِ أَعۡجَمِيّٞ وَهَٰذَا لِسَانٌ عَرَبِيّٞ مُّبِينٌ

    আর (হে নবী,) আমি অবশ্যই জানি যে, তারা বলে, ‘তাকে তো শিক্ষা দেয় একজন মানুষ’(১), যার দিকে তারা ইঙ্গিত করছে, তার ভাষা হচ্ছে অনারবী, অথচ এটি (আল-কুরআন) হচ্ছে সুস্পষ্ট আরবী ভাষা।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  104. ১০৪

    إِنَّ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ لَا يَهۡدِيهِمُ ٱللَّهُ وَلَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٌ

    নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে না, আল্লাহ তাদেরকে হিদায়াত করেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে (জাহান্নামের) যন্ত্রদায়ক শাস্তি।

  105. ১০৫

    إِنَّمَا يَفۡتَرِي ٱلۡكَذِبَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡكَٰذِبُونَ

    শুধু তারাই মিথ্যা রটায়, যারা আল্লাহর আয়াতসমূহে বিশ্বাস করে না। আর এ কাফিররাই মিথ্যাবাদী।

  106. ১০৬

    مَن كَفَرَ بِٱللَّهِ مِنۢ بَعۡدِ إِيمَٰنِهِۦٓ إِلَّا مَنۡ أُكۡرِهَ وَقَلۡبُهُۥ مُطۡمَئِنُّۢ بِٱلۡإِيمَٰنِ وَلَٰكِن مَّن شَرَحَ بِٱلۡكُفۡرِ صَدۡرٗا فَعَلَيۡهِمۡ غَضَبٞ مِّنَ ٱللَّهِ وَلَهُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٞ

    যে (একবার) ঈমান আনার পর (ফের) আল্লাহর সাথে কুফরী করেছে এবং কুফরীর জন্য তার হৃদয়কে উন্মুক্ত রেখেছে, (অর্থাৎ সে মনেপ্রাণে কুফুরীকে পছন্দ করে) তাদের ওপর আপতিত হবে আল্লাহর ক্রোধ এবং তাদের জন্য রয়েছে মহা শাস্তি। ঐ ব্যক্তি ছাড়া যাকে কুফরীর জন্য বাধ্য করা হয়েছে; অথচ তার অন্তর থাকে ঈমানে পরিতৃপ্ত (অবিচলিত)।

  107. ১০৭

    ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمُ ٱسۡتَحَبُّواْ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا عَلَى ٱلۡأٓخِرَةِ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَا يَهۡدِي ٱلۡقَوۡمَ ٱلۡكَٰفِرِينَ

    এটা এ জন্য যে, তারা আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনকে পছন্দ করেছে। আর নিশ্চয় আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না।

  108. ১০৮

    أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ طَبَعَ ٱللَّهُ عَلَىٰ قُلُوبِهِمۡ وَسَمۡعِهِمۡ وَأَبۡصَٰرِهِمۡۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡغَٰفِلُونَ

    এরাই তারা, আল্লাহ যাদের অন্তরসমূহ, শ্রবণসমূহ ও দৃষ্টিসমূহের ওপর মোহর করে দিয়েছেন এবং তারাই হচ্ছে (আল্লাহর শাস্তি থেকে) গাফিল।

  109. ১০৯

    لَا جَرَمَ أَنَّهُمۡ فِي ٱلۡأٓخِرَةِ هُمُ ٱلۡخَٰسِرُونَ

    নিঃসন্দেহ, তারাই আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত।

  110. ১১০

    ثُمَّ إِنَّ رَبَّكَ لِلَّذِينَ هَاجَرُواْ مِنۢ بَعۡدِ مَا فُتِنُواْ ثُمَّ جَٰهَدُواْ وَصَبَرُوٓاْ إِنَّ رَبَّكَ مِنۢ بَعۡدِهَا لَغَفُورٞ رَّحِيمٞ

    তারপর যারা নির্যাতিত হওয়ার পর হিজরত করেছে, অতঃপর জিহাদ করেছে এবং (কষ্ট-ক্লেশে) ধৈর্যধারণ করেছে, নিশ্চয় তোমার রব তাদের জন্য এ সবের পর(১), অবশ্যই অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  111. ১১১

    ۞ يَوۡمَ تَأۡتِي كُلُّ نَفۡسٖ تُجَٰدِلُ عَن نَّفۡسِهَا وَتُوَفَّىٰ كُلُّ نَفۡسٖ مَّا عَمِلَتۡ وَهُمۡ لَا يُظۡلَمُونَ

    (হে রাসূল! স্মরণ করো সে দিনের কথা) যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের পক্ষে যুক্তি-তর্ক নিয়ে উপস্থিত হবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার (ভালো-মন্দ) আমলের প্রতিদান পরিপূর্ণরূপে দেয়া হবে; অথচ (সাওয়াব কমিয়ে ও গুনাহ বাড়িয়ে) তাদের প্রতি কোন যুলম করা হবে না।

  112. ১১২

    وَضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلٗا قَرۡيَةٗ كَانَتۡ ءَامِنَةٗ مُّطۡمَئِنَّةٗ يَأۡتِيهَا رِزۡقُهَا رَغَدٗا مِّن كُلِّ مَكَانٖ فَكَفَرَتۡ بِأَنۡعُمِ ٱللَّهِ فَأَذَٰقَهَا ٱللَّهُ لِبَاسَ ٱلۡجُوعِ وَٱلۡخَوۡفِ بِمَا كَانُواْ يَصۡنَعُونَ

    আর আল্লাহ দৃষ্টান্ত দিচ্ছেন একটি জনপদের (মক্কার), যা ছিল নিরাপদ ও শান্ত। সেখানে সবদিক থেকে প্রচুর জীবনোপকরণ আসতো। অতঃপর সে (জনপদের অধিবাসীরা) আল্লাহর নি‘আমত অস্বীকার করলো। তখন তারা যা (যে কুফরী) করতো তার কারণে আল্লাহ তাদেরকে ক্ষুধা ও ভয়ের পোশাক পরালেন।

  113. ১১৩

    وَلَقَدۡ جَآءَهُمۡ رَسُولٞ مِّنۡهُمۡ فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَهُمُ ٱلۡعَذَابُ وَهُمۡ ظَٰلِمُونَ

    আর অবশ্যই তাদের (মক্কার অধিবাসীদের) কাছে তাদের মধ্য থেকে একজন রাসূল এসেছিলেন, কিন্তু তারা তাকে অস্বীকার করল, ফলে (ক্ষুধা ও ভয়ের ন্যায় আল্লাহর) শাস্তি তাদের পাকড়াও করল এমতাবস্থায় যে, তারা (তখন) ছিল যুলমকারী।

  114. ১১৪

    فَكُلُواْ مِمَّا رَزَقَكُمُ ٱللَّهُ حَلَٰلٗا طَيِّبٗا وَٱشۡكُرُواْ نِعۡمَتَ ٱللَّهِ إِن كُنتُمۡ إِيَّاهُ تَعۡبُدُونَ

    অতএব (হে বান্দারা!) আল্লাহ তোমাদেরকে যে হালাল ও পবিত্র রিযক দিয়েছেন, তোমরা তা থেকে আহার করো এবং আল্লাহর নি‘আমতের শুকরিয়া আদায় করো, যদি তোমরা শুধু তাঁরই ইবাদাত করে থাকো।

  115. ১১৫

    إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيۡكُمُ ٱلۡمَيۡتَةَ وَٱلدَّمَ وَلَحۡمَ ٱلۡخِنزِيرِ وَمَآ أُهِلَّ لِغَيۡرِ ٱللَّهِ بِهِۦۖ فَمَنِ ٱضۡطُرَّ غَيۡرَ بَاغٖ وَلَا عَادٖ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٞ رَّحِيمٞ

    আল্লাহ তো তোমাদের ওপর হারাম করেছেন মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের গোশত এবং যে জন্তুর যবহকালে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও নাম নেয়া হয়েছে। কিন্তু যে নিরুপায় হয়ে, অবাধ্য ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়ে; কারণ, আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

  116. ১১৬

    وَلَا تَقُولُواْ لِمَا تَصِفُ أَلۡسِنَتُكُمُ ٱلۡكَذِبَ هَٰذَا حَلَٰلٞ وَهَٰذَا حَرَامٞ لِّتَفۡتَرُواْ عَلَى ٱللَّهِ ٱلۡكَذِبَۚ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَفۡتَرُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلۡكَذِبَ لَا يُفۡلِحُونَ

    আর (হে মুশরিকরা!) তোমাদের জিহ্বা যে মিথ্যা বিবৃত করে তার ওপর নির্ভর করে আল্লাহর প্রতি মিথ্যা রটানোর উদ্দেশ্যে বলো না যে, ‘এটা হালাল এবং এটা হারাম।’ নিশ্চয় যারা আল্লাহর ওপর মিথ্যা রটায়, তারা সফল হবে না।

  117. ১১৭

    مَتَٰعٞ قَلِيلٞ وَلَهُمۡ عَذَابٌ أَلِيمٞ

    (দুনিয়াতে) তাদের সুখ-সম্ভোগ সামান্যই এবং (পরকালে) তাদের জন্য রয়েছে, যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

  118. ১১৮

    وَعَلَى ٱلَّذِينَ هَادُواْ حَرَّمۡنَا مَا قَصَصۡنَا عَلَيۡكَ مِن قَبۡلُۖ وَمَا ظَلَمۡنَٰهُمۡ وَلَٰكِن كَانُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ يَظۡلِمُونَ

    আর ইয়াহুদীদের ওপরও আমি তা-ই হারাম করেছি, যা আমি ইতঃপূর্বে(১) তোমার কাছে বর্ণনা করেছি এবং আমি তাদের ওপর যুলম করিনি; বরং তারাই (শাস্তিযোগ্য কাজ করে) নিজেদের ওপর যুলম করতো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  119. ১১৯

    ثُمَّ إِنَّ رَبَّكَ لِلَّذِينَ عَمِلُواْ ٱلسُّوٓءَ بِجَهَٰلَةٖ ثُمَّ تَابُواْ مِنۢ بَعۡدِ ذَٰلِكَ وَأَصۡلَحُوٓاْ إِنَّ رَبَّكَ مِنۢ بَعۡدِهَا لَغَفُورٞ رَّحِيمٌ

    তারপর যারা অজ্ঞতাবশত মন্দ কাজ করেছে, এরপর তারা (আল্লাহর নিকট) তাওবা করেছে এবং (মন্দ আমলগুলো) সংশোধন করেছে, নিশ্চয় তোমার রব তাওবা করার পর তাদের জন্য পরম ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়ালু।

  120. ১২০

    إِنَّ إِبۡرَٰهِيمَ كَانَ أُمَّةٗ قَانِتٗا لِّلَّهِ حَنِيفٗا وَلَمۡ يَكُ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ

    নিশ্চয় ইবরাহীম ছিলো একাই একটি উম্মাহ(১), আল্লাহর একান্ত অনুগত ও একনিষ্ঠ। সে কখনো মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত ছিলো না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  121. ১২১

    شَاكِرٗا لِّأَنۡعُمِهِۚ ٱجۡتَبَىٰهُ وَهَدَىٰهُ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ

    সে ছিল আল্লাহর নি‘আমতরাজির কৃতজ্ঞতা আদায়কারী। তিনি তাকে (নবুওয়াতের জন্য) বাছাই করেছেন এবং তাকে সরল-সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন।

  122. ১২২

    وَءَاتَيۡنَٰهُ فِي ٱلدُّنۡيَا حَسَنَةٗۖ وَإِنَّهُۥ فِي ٱلۡأٓخِرَةِ لَمِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ

    আর আমি তাকে দুনিয়াতে কল্যাণ(১) দান করেছি এবং নিঃসন্দেহে সে আখিরাতে নেককারদের দলভুক্ত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  123. ১২৩

    ثُمَّ أَوۡحَيۡنَآ إِلَيۡكَ أَنِ ٱتَّبِعۡ مِلَّةَ إِبۡرَٰهِيمَ حَنِيفٗاۖ وَمَا كَانَ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ

    অতঃপর (হে রাসূল!) আমি তোমার প্রতি ওহি প্রেরণ করেছি যে, তুমি একনিষ্ঠভাবে ইবরাহিমের মিল্লাত (ধর্মপথ) অনুসরণ করো। আর তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।

  124. ১২৪

    إِنَّمَا جُعِلَ ٱلسَّبۡتُ عَلَى ٱلَّذِينَ ٱخۡتَلَفُواْ فِيهِۚ وَإِنَّ رَبَّكَ لَيَحۡكُمُ بَيۡنَهُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ فِيمَا كَانُواْ فِيهِ يَخۡتَلِفُونَ

    (হে রাসূল,) শনিবার (পালন) তো তাদের (ইয়াহুদীদের) ওপর বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল, যারা তাতে মতবিরোধ করেছে। আর নিশ্চয় তোমার রব কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে বিচার ফয়সালা করে দিবেন, যে বিষয়ে তারা মতভেদ করতো।

  125. ১২৫

    ٱدۡعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِٱلۡحِكۡمَةِ وَٱلۡمَوۡعِظَةِ ٱلۡحَسَنَةِۖ وَجَٰدِلۡهُم بِٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعۡلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعۡلَمُ بِٱلۡمُهۡتَدِينَ

    (হে রাসূল!) তুমি তোমরা রবের পথে হিকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে দাওয়াত দাও এবং (প্রয়োজনে কথা, চিন্তা ও শিষ্টাচারের) উত্তম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক করো। নিশ্চয় একমাত্র তোমার রবই জানেন, কে তাঁর পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে এবং তিনিই হিদায়াতপ্রাপ্তদের খুব ভালো করেই জানেন।

  126. ১২৬

    وَإِنۡ عَاقَبۡتُمۡ فَعَاقِبُواْ بِمِثۡلِ مَا عُوقِبۡتُم بِهِۦۖ وَلَئِن صَبَرۡتُمۡ لَهُوَ خَيۡرٞ لِّلصَّٰبِرِينَ

    আর যদি তোমরা (শত্রুদেরকে) শাস্তি দাও, তবে ঠিক ততটুকু শাস্তি দাও যতটুকু (শাস্তি ইতঃপূর্বে) তোমাদের দেয়া হয়েছে। আর যদি (শক্তি থাকা সত্ত্বেও শাস্তি না দিয়ে) তোমরা ধৈর্যধারণ করো, তবে ধৈর্যশীলদের জন্য সেটাই উত্তম।

  127. ১২৭

    وَٱصۡبِرۡ وَمَا صَبۡرُكَ إِلَّا بِٱللَّهِۚ وَلَا تَحۡزَنۡ عَلَيۡهِمۡ وَلَا تَكُ فِي ضَيۡقٖ مِّمَّا يَمۡكُرُونَ

    আর (হে রাসূল! তাদের দেয়া কষ্টের উপর) তুমি ধৈর্যধারণ করো। তোমার ধৈর্যধারণ তো শুধু আল্লাহর তাওফীকেই। তুমি তাদের জন্য দুঃখ করোনা এবং তারা যে সব ষড়যন্ত্র করছে তুমি সে বিষয়ে মনঃক্ষুণ্ণও হয়ো না।

  128. ১২৮

    إِنَّ ٱللَّهَ مَعَ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَواْ وَّٱلَّذِينَ هُم مُّحۡسِنُونَ

    (জেনে রেখো,) নিশ্চয় আল্লাহ (তাঁর সাহায্য ও সহযোগিতা নিয়ে) তাদের সাথে আছেন, যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যারা সৎকর্মশীল।

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।