মূল অংশে যান

সাবা

سبإ

সূরা ৩৪ মাক্কী ৫৪ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ ٱلَّذِي لَهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِ وَلَهُ ٱلۡحَمۡدُ فِي ٱلۡأٓخِرَةِۚ وَهُوَ ٱلۡحَكِيمُ ٱلۡخَبِيرُ

    সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আসমানসমূহে যা কিছু আছে ও জমিনে যা কিছু আছে তার মালিক। আর আখিরাতেও সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি প্রজ্ঞাময়, সম্যক অবগত।

  2. ২

    يَعۡلَمُ مَا يَلِجُ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَمَا يَخۡرُجُ مِنۡهَا وَمَا يَنزِلُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ وَمَا يَعۡرُجُ فِيهَاۚ وَهُوَ ٱلرَّحِيمُ ٱلۡغَفُورُ

    তিনি জানেন জমিনে যা প্রবেশ করে এবং তা থেকে যা কিছু বের হয়(১); আর আসমান থেকে যা নাযিল হয় এবং তাতে যা উঠে।(২) আর তিনি (মু’মিনদের প্রতি) পরম দয়ালু, অতিশয় ক্ষমাশীল।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  3. ৩

    وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَا تَأۡتِينَا ٱلسَّاعَةُۖ قُلۡ بَلَىٰ وَرَبِّي لَتَأۡتِيَنَّكُمۡ عَٰلِمِ ٱلۡغَيۡبِۖ لَا يَعۡزُبُ عَنۡهُ مِثۡقَالُ ذَرَّةٖ فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَلَا فِي ٱلۡأَرۡضِ وَلَآ أَصۡغَرُ مِن ذَٰلِكَ وَلَآ أَكۡبَرُ إِلَّا فِي كِتَٰبٖ مُّبِينٖ

    আর কাফিররা বলে: ‘কিয়ামত আমাদের কাছে আসবে না।’ হে রাসূল! তুমি (তাদেরকে) বলো: ‘অবশ্যই, আমার রবের শপথ! কিয়ামত তোমাদের কাছে আসবেই। তিনি গায়িব সম্পর্কে অবগত। আসমানসমূহ ও জমিনে অনু পরিমাণ কিংবা তদাপেক্ষা ছোট অথবা বড় কিছুই তাঁর অগোচরে নেই; বরং সবই সুস্পষ্ট কিতাবে রয়েছে।

  4. ৪

    لِّيَجۡزِيَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِۚ أُوْلَٰٓئِكَ لَهُم مَّغۡفِرَةٞ وَرِزۡقٞ كَرِيمٞ

    যাতে তিনি প্রতিদান দেন তাদেরকে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। তাদেরই জন্য রয়েছে, ক্ষমা ও (জান্নাতে) সম্মানজনক রিযক।

  5. ৫

    وَٱلَّذِينَ سَعَوۡ فِيٓ ءَايَٰتِنَا مُعَٰجِزِينَ أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ عَذَابٞ مِّن رِّجۡزٍ أَلِيمٞ

    আর যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রচেষ্টা চালিয়েছে(১), তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক নিকৃষ্ট শাস্তি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  6. ৬

    وَيَرَى ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ ٱلَّذِيٓ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَ هُوَ ٱلۡحَقَّ وَيَهۡدِيٓ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡحَمِيدِ

    আর যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তাই সত্য এবং তা মহাপরাক্রমশালী ও প্রশংসিত আল্লাহর পথ নির্দেশ করে।

  7. ৭

    وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ هَلۡ نَدُلُّكُمۡ عَلَىٰ رَجُلٖ يُنَبِّئُكُمۡ إِذَا مُزِّقۡتُمۡ كُلَّ مُمَزَّقٍ إِنَّكُمۡ لَفِي خَلۡقٖ جَدِيدٍ

    আর কাফিররা (ঠাট্টাচ্ছলে) বলে: ‘আমরা কি তোমাদেরকে এমন এক ব্যক্তির সন্ধান দিবো, যে তোমাদেরকে এক (অদ্ভুতূতসংবাদ দেয় যে, তোমরা যখন (মৃত্যুর পরে) পুরোপুরি ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে, তখন নিশ্চয় তোমরা নতুনভাবে সৃষ্ট হবে’?

  8. ৮

    أَفۡتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا أَم بِهِۦ جِنَّةُۢۗ بَلِ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ فِي ٱلۡعَذَابِ وَٱلضَّلَٰلِ ٱلۡبَعِيدِ

    (তারা মুহাম্মাদ সম্পর্কে বলে) সে কি আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রটনা করেছে, নাকি সে উন্মাদ? বরং যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না, তারাই শাস্তির মধ্যে এবং সুদূর ভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত।

  9. ৯

    أَفَلَمۡ يَرَوۡاْ إِلَىٰ مَا بَيۡنَ أَيۡدِيهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلۡأَرۡضِۚ إِن نَّشَأۡ نَخۡسِفۡ بِهِمُ ٱلۡأَرۡضَ أَوۡ نُسۡقِطۡ عَلَيۡهِمۡ كِسَفٗا مِّنَ ٱلسَّمَآءِۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَةٗ لِّكُلِّ عَبۡدٖ مُّنِيبٖ

    তারা কি তাদের সামনে ও তাদের পেছনে আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে তার প্রতি লক্ষ্য করে না? আমি যদি ইচ্ছা করি তাহলে তাদেরকেসহ ভূমি ধসিয়ে দিতে পারি অথবা আসমান থেকে এক খণ্ড (শাস্তি) তাদের ওপর নিপতিত করতে পারি। নিশ্চয় এতে রয়েছে, আল্লাহ অভিমুখী প্রত্যেক বান্দার জন্য নিদর্শন।

  10. ১০

    ۞ وَلَقَدۡ ءَاتَيۡنَا دَاوُۥدَ مِنَّا فَضۡلٗاۖ يَٰجِبَالُ أَوِّبِي مَعَهُۥ وَٱلطَّيۡرَۖ وَأَلَنَّا لَهُ ٱلۡحَدِيدَ

    আর অবশ্যই আমি আমার পক্ষ থেকে দাঊদকে মর্যাদা (১)দান করেছি। আমি আদেশ করলামঃ ‘হে পর্বতমালা, তোমরা দাঊদের সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা কর’ এবং পাখিদেরকেও। আর আমি তার জন্য লোহাকে নরম করে দিয়েছিলাম,

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  11. ১১

    أَنِ ٱعۡمَلۡ سَٰبِغَٰتٖ وَقَدِّرۡ فِي ٱلسَّرۡدِۖ وَٱعۡمَلُواْ صَٰلِحًاۖ إِنِّي بِمَا تَعۡمَلُونَ بَصِيرٞ

    (আমি বললাম,) তুমি পূর্ণাঙ্গ বর্ম তৈরি কর এবং বুননের কাজে পরিমিতি রক্ষা কর। আর তোমরা সৎকর্ম কর; নিশ্চয় তোমরা যা কর, আমি তা সম্যক দ্রষ্টা।

  12. ১২

    وَلِسُلَيۡمَٰنَ ٱلرِّيحَ غُدُوُّهَا شَهۡرٞ وَرَوَاحُهَا شَهۡرٞۖ وَأَسَلۡنَا لَهُۥ عَيۡنَ ٱلۡقِطۡرِۖ وَمِنَ ٱلۡجِنِّ مَن يَعۡمَلُ بَيۡنَ يَدَيۡهِ بِإِذۡنِ رَبِّهِۦۖ وَمَن يَزِغۡ مِنۡهُمۡ عَنۡ أَمۡرِنَا نُذِقۡهُ مِنۡ عَذَابِ ٱلسَّعِيرِ

    আর সুলাইমানের জন্য আমি বাতাসকে অনুগত করে দিয়েছিলাম, যাতে ভর করে সে সকালে এক মাসের পথ এবং সন্ধ্যায় এক মাসের পথ অতিক্রম করতো। আর আমি তার জন্য গলিত তামার ঝর্ণা প্রবাহিত করেছিলাম। আর কতিপয় জিন তার রবের অনুমতিক্রমে তার সামনে কাজ করতো। তাদের মধ্যে যে আমার নির্দেশ থেকে বিচ্যুত হয়, তাকে আমি প্রজ্বলিত আগুনের শাস্তি ভোগ করাবো।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  13. ১৩

    يَعۡمَلُونَ لَهُۥ مَا يَشَآءُ مِن مَّحَٰرِيبَ وَتَمَٰثِيلَ وَجِفَانٖ كَٱلۡجَوَابِ وَقُدُورٖ رَّاسِيَٰتٍۚ ٱعۡمَلُوٓاْ ءَالَ دَاوُۥدَ شُكۡرٗاۚ وَقَلِيلٞ مِّنۡ عِبَادِيَ ٱلشَّكُورُ

    তারা (এসব জিনেরা) সুলাইমানের ইচ্ছানুযায়ী তার জন্য তৈরি করতো উঁচু প্রাসাদ (১), ভাস্কর্য, সুবিশাল হাউযের মত বড় পাত্র ও মজবুতভাবে স্থাপিত বৃহদাকার ডেক। ‘হে দাঊদ পরিবার! তোমরা কৃতজ্ঞতাস্বরূপ আমল করে যাও এবং আমার বান্দাদের মধ্যে অল্প সংখ্যকই কৃতজ্ঞ।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  14. ১৪

    فَلَمَّا قَضَيۡنَا عَلَيۡهِ ٱلۡمَوۡتَ مَا دَلَّهُمۡ عَلَىٰ مَوۡتِهِۦٓ إِلَّا دَآبَّةُ ٱلۡأَرۡضِ تَأۡكُلُ مِنسَأَتَهُۥۖ فَلَمَّا خَرَّ تَبَيَّنَتِ ٱلۡجِنُّ أَن لَّوۡ كَانُواْ يَعۡلَمُونَ ٱلۡغَيۡبَ مَا لَبِثُواْ فِي ٱلۡعَذَابِ ٱلۡمُهِينِ

    অতঃপর যখন আমি সুলাইমানের মৃত্যু ঘটালাম তখন মাটির (উই) পোকা জিনদেরকে তার মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করলো, যা তার লাঠি খাচ্ছিলো। অতঃপর যখন সে পড়ে গেলো তখন জিনরা বুঝতে পারলো যে, তারা যদি গায়িব জানতো, তাহলে তারা লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তিতে থাকতো না।

  15. ১৫

    لَقَدۡ كَانَ لِسَبَإٖ فِي مَسۡكَنِهِمۡ ءَايَةٞۖ جَنَّتَانِ عَن يَمِينٖ وَشِمَالٖۖ كُلُواْ مِن رِّزۡقِ رَبِّكُمۡ وَٱشۡكُرُواْ لَهُۥۚ بَلۡدَةٞ طَيِّبَةٞ وَرَبٌّ غَفُورٞ

    নিশ্চয় সাবা সম্প্রদায়ের জন্য তাদের বাসভূমিতে ছিল এক নিদর্শন: দু’টি উদ্যান, একটি ডানে ও অপরটি বামে, (তাদেরকে বলা হয়েছিলঃ) ‘তোমরা তোমাদের রবের রিযক থেকে খাও। আর তাঁর নি‘আমতের শুকরিয়া আদায় করো। এটি হচ্ছে উত্তম নগরী। আর (তোমাদের রব) ক্ষমাশীল রব।’

  16. ১৬

    فَأَعۡرَضُواْ فَأَرۡسَلۡنَا عَلَيۡهِمۡ سَيۡلَ ٱلۡعَرِمِ وَبَدَّلۡنَٰهُم بِجَنَّتَيۡهِمۡ جَنَّتَيۡنِ ذَوَاتَيۡ أُكُلٍ خَمۡطٖ وَأَثۡلٖ وَشَيۡءٖ مِّن سِدۡرٖ قَلِيلٖ

    তারপরও তারা (১) ( মুখ ফিরিয়ে নিলো। ফলে আমি তাদের ওপর বাঁধভাঙা বন্যা প্রবাহিত করলাম। আর আমি তাদের উদ্যান দু’টিকে পরিবর্তন করে দিলাম এমন দু’টি উদ্যানে যাতে উৎপন্ন হয় তিক্ত ফলের গাছ, (ফল বিহীন) ঝাউগাছ এবং সামান্য কিছু কুল গাছ।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  17. ১৭

    ذَٰلِكَ جَزَيۡنَٰهُم بِمَا كَفَرُواْۖ وَهَلۡ نُجَٰزِيٓ إِلَّا ٱلۡكَفُورَ

    আমি তাদেরকে সে শাস্তি দিয়েছিলাম তাদের কুফরীর কারণে। আর আমি অকৃতজ্ঞ ব্যতীত অন্য কাউকে এমন শাস্তি দেই না।

  18. ১৮

    وَجَعَلۡنَا بَيۡنَهُمۡ وَبَيۡنَ ٱلۡقُرَى ٱلَّتِي بَٰرَكۡنَا فِيهَا قُرٗى ظَٰهِرَةٗ وَقَدَّرۡنَا فِيهَا ٱلسَّيۡرَۖ سِيرُواْ فِيهَا لَيَالِيَ وَأَيَّامًا ءَامِنِينَ

    আর তাদের এবং যেসব জনপদের মধ্যে আমি বরকত দিয়েছিলাম (১)সেগুলোর মধ্যবর্তীস্থানে আমি বহু দৃশ্যমান জনপদ স্থাপন করেছিলাম এবং তাতে ভ্রমণের যথাযথ ব্যবস্থা করেছিলাম। ‘তোমরা এসব জনপদে রাত-দিন (যখন ইচ্ছা শত্রু, ক্ষুধা ও পিপাসা থেকে) নিরাপদে ভ্রমণ করো।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  19. ১৯

    فَقَالُواْ رَبَّنَا بَٰعِدۡ بَيۡنَ أَسۡفَارِنَا وَظَلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ فَجَعَلۡنَٰهُمۡ أَحَادِيثَ وَمَزَّقۡنَٰهُمۡ كُلَّ مُمَزَّقٍۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّكُلِّ صَبَّارٖ شَكُورٖ

    কিন্তু তারা বললো: ‘হে আমাদের রব! আমাদের সফরের মাঝে দূরত্ব বাড়িয়ে দিন।’ আর তারা (নিজেদের প্রতি যুলম করলো। ফলে আমি তাদেরকে (ইতিহাসের) কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করলাম এবং তাদেরকে একেবারে ছিন্নভিন্ন করে দিলাম। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য রয়েছে নিদর্শন।

  20. ২০

    وَلَقَدۡ صَدَّقَ عَلَيۡهِمۡ إِبۡلِيسُ ظَنَّهُۥ فَٱتَّبَعُوهُ إِلَّا فَرِيقٗا مِّنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

    আর অবশ্যই ইবলিস তাদের (পথভ্রষ্ট করা) সম্পর্কে নিজের ধারণাকে সত্য প্রমাণ করেছে। ফলে মুমিনদের একটি দল ছাড়া তারা সবাই তার অনুসরণ করেছে।

  21. ২১

    وَمَا كَانَ لَهُۥ عَلَيۡهِم مِّن سُلۡطَٰنٍ إِلَّا لِنَعۡلَمَ مَن يُؤۡمِنُ بِٱلۡأٓخِرَةِ مِمَّنۡ هُوَ مِنۡهَا فِي شَكّٖۗ وَرَبُّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٍ حَفِيظٞ

    আর তাদের ওপর ইবলিসের কোনো কর্তৃত্ব ছিল না। তবে এ জন্য (তাকে অবকাশ দেওয়া হয়েছিল) যাতে আমি প্রকাশ করে দিই কে আখিরাতে বিশ্বাস করে এবং কে সে বিষয়ে সন্দেহে রয়েছে। আর আপনার রব সবকিছুর সংরক্ষক।

  22. ২২

    قُلِ ٱدۡعُواْ ٱلَّذِينَ زَعَمۡتُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ لَا يَمۡلِكُونَ مِثۡقَالَ ذَرَّةٖ فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَلَا فِي ٱلۡأَرۡضِ وَمَا لَهُمۡ فِيهِمَا مِن شِرۡكٖ وَمَا لَهُۥ مِنۡهُم مِّن ظَهِيرٖ

    হে রাসূল! (মুশরিকদেরকে) বলো: ‘তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে ইলাহ মনে করতে তাদেরকে ডাকো। তারা আসমানসমূহ ও জমিনের মধ্যে অনু পরিমাণও কোনা কিছুর মালিক নয়। আর এ দু’য়ের মধ্যে (আল্লাহর সাথে) তাদের কোনো অংশীদারিত্ব নেই এবং তাদের মধ্য থেকে কেউ তাঁর সাহায্যকারীও নয়।

  23. ২৩

    وَلَا تَنفَعُ ٱلشَّفَٰعَةُ عِندَهُۥٓ إِلَّا لِمَنۡ أَذِنَ لَهُۥۚ حَتَّىٰٓ إِذَا فُزِّعَ عَن قُلُوبِهِمۡ قَالُواْ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمۡۖ قَالُواْ ٱلۡحَقَّۖ وَهُوَ ٱلۡعَلِيُّ ٱلۡكَبِيرُ

    আর আল্লাহ যাকে অনুমতি দিবেন সে ছাড়া তাঁর কাছে কোন সুপারিশ কারো উপকার করবে না। অবশেষে যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় দূর হয়ে যাবে, তখন তারা বলবে, ‘তোমাদের রব কী বলেছেন?’ তারা (ফিরিশতাগণ) বলবে, ‘তিনি সত্যই বলেছেন।’ আর তিনি সর্বোচ্চ, অতি মহান।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  24. ২৪

    ۞ قُلۡ مَن يَرۡزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۖ قُلِ ٱللَّهُۖ وَإِنَّآ أَوۡ إِيَّاكُمۡ لَعَلَىٰ هُدًى أَوۡ فِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٖ

    বলুন, ‘আসমানসমূহ ও জমিন থেকে তোমাদের রিযিক কে প্রদান করেন?’ বলুন, ‘আল্লাহ।’ আর নিশ্চয়ই আমরা অথবা তোমরা কেউ না কেউ অবশ্যই সঠিক পথের ওপর রয়েছে কিংবা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।

  25. ২৫

    قُل لَّا تُسۡـَٔلُونَ عَمَّآ أَجۡرَمۡنَا وَلَا نُسۡـَٔلُ عَمَّا تَعۡمَلُونَ

    হে রাসূল! বলো, ‘ আমরা যে অপরাধ করেছি সে ব্যাপারে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে না, আর তোমরা যা করো, সে সম্পর্কে আমাদেরকেও জিজ্ঞাসা করা হবে না ।’

  26. ২৬

    قُلۡ يَجۡمَعُ بَيۡنَنَا رَبُّنَا ثُمَّ يَفۡتَحُ بَيۡنَنَا بِٱلۡحَقِّ وَهُوَ ٱلۡفَتَّاحُ ٱلۡعَلِيمُ

    বলো: ‘আমাদের রব আমাদেরকে একত্র করবেন। তারপর তিনি আমাদের মধ্যে (ইনসাফের সাথে) সঠিকভাবে ফয়সালা করবেন। আর তিনিই শ্রেষ্ঠ ফয়সালাকারী ও সম্যক পরিজ্ঞাত।’

  27. ২৭

    قُلۡ أَرُونِيَ ٱلَّذِينَ أَلۡحَقۡتُم بِهِۦ شُرَكَآءَۖ كَلَّاۚ بَلۡ هُوَ ٱللَّهُ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ

    বলো: ‘তোমরা আমাকে দেখাও তো, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর সাথে শরীক হিসেবে যুক্ত করেছ। কখনোই নয় ; বরং তিনিই আল্লাহ, মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাময়।

  28. ২৮

    وَمَآ أَرۡسَلۡنَٰكَ إِلَّا كَآفَّةٗ لِّلنَّاسِ بَشِيرٗا وَنَذِيرٗا وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعۡلَمُونَ

    হে রাসূল! আমি তো কেবল তোমাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য (জান্নাতের) সুসংবাদদাতা ও (জাহান্নামের) ভীতি প্রদর্শনকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।

  29. ২৯

    وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلۡوَعۡدُ إِن كُنتُمۡ صَٰدِقِينَ

    আর তারা বলে: ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বলো, (শাস্তির) এ ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে’?

  30. ৩০

    قُل لَّكُم مِّيعَادُ يَوۡمٖ لَّا تَسۡتَـٔۡخِرُونَ عَنۡهُ سَاعَةٗ وَلَا تَسۡتَقۡدِمُونَ

    হে রাসূল! বলো: ‘তোমাদের জন্য রয়েছে একটি নির্ধারিত দিনের ওয়াদা, যা থেকে তোমরা মুহূর্তকাল বিলম্বিত করতে পারবে না, আর ত্বরান্বিতও করতে পারবে না।’

  31. ৩১

    وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَن نُّؤۡمِنَ بِهَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانِ وَلَا بِٱلَّذِي بَيۡنَ يَدَيۡهِۗ وَلَوۡ تَرَىٰٓ إِذِ ٱلظَّٰلِمُونَ مَوۡقُوفُونَ عِندَ رَبِّهِمۡ يَرۡجِعُ بَعۡضُهُمۡ إِلَىٰ بَعۡضٍ ٱلۡقَوۡلَ يَقُولُ ٱلَّذِينَ ٱسۡتُضۡعِفُواْ لِلَّذِينَ ٱسۡتَكۡبَرُواْ لَوۡلَآ أَنتُمۡ لَكُنَّا مُؤۡمِنِينَ

    আর কাফিরগণ বলে: ‘আমরা কখনো এ কুরআনের প্রতি ঈমান আনবো না এবং এর পূর্ববর্তী কোনো কিতাবের প্রতিও না।’ হে রাসূল! তুমি যদি দেখতে যালিমদেরকে, যখন তাদের রবের কাছে দাঁড় করিয়ে দেয়া হবে, তখন তারা পরস্পর বাদানুবাদ করতে থাকবে। যাদেরকে (দুনিয়াতে) দুর্বল করে রাখা হয়েছিলো, তারা অহংকারীদেরকে বলবে: ‘তোমরা না থাকলে অবশ্যই আমরা মু’মিন হতাম।’

  32. ৩২

    قَالَ ٱلَّذِينَ ٱسۡتَكۡبَرُواْ لِلَّذِينَ ٱسۡتُضۡعِفُوٓاْ أَنَحۡنُ صَدَدۡنَٰكُمۡ عَنِ ٱلۡهُدَىٰ بَعۡدَ إِذۡ جَآءَكُمۖ بَلۡ كُنتُم مُّجۡرِمِينَ

    যারা (দুনিয়াতে সত্য গ্রহণে) অহংকারী ছিলো তারা দুর্বলদেরকে বলবে: ‘তোমাদের কাছে হিদায়াত আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলাম? বরং তোমরাই ছিলে অপরাধী।’

  33. ৩৩

    وَقَالَ ٱلَّذِينَ ٱسۡتُضۡعِفُواْ لِلَّذِينَ ٱسۡتَكۡبَرُواْ بَلۡ مَكۡرُ ٱلَّيۡلِ وَٱلنَّهَارِ إِذۡ تَأۡمُرُونَنَآ أَن نَّكۡفُرَ بِٱللَّهِ وَنَجۡعَلَ لَهُۥٓ أَندَادٗاۚ وَأَسَرُّواْ ٱلنَّدَامَةَ لَمَّا رَأَوُاْ ٱلۡعَذَابَۚ وَجَعَلۡنَا ٱلۡأَغۡلَٰلَ فِيٓ أَعۡنَاقِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْۖ هَلۡ يُجۡزَوۡنَ إِلَّا مَا كَانُواْ يَعۡمَلُونَ

    আর যাদেরকে দুর্বল করে রাখা হয়েছিলো, তারা অহংকারীদেরকে বলবে: ‘বরং এ ছিলো তোমাদের দিন-রাতের চক্রান্ত, যখন তোমরা আমাদেরকে আদেশ দিয়েছিলে, যেন আমরা আল্লাহকে অস্বীকার করি এবং তাঁর সমকক্ষ স্থির করি।’ আর তারা যখন শাস্তি দেখবে তখন তারা অনুতাপ গোপন রাখবে। আর আমি কাফিরদের গলায় শৃঙ্খল পরিয়ে দিবো। তারা যা করতো, কেবল তারই প্রতিফল (পরকালে) তাদেরকে দেওয়া হবে।

  34. ৩৪

    وَمَآ أَرۡسَلۡنَا فِي قَرۡيَةٖ مِّن نَّذِيرٍ إِلَّا قَالَ مُتۡرَفُوهَآ إِنَّا بِمَآ أُرۡسِلۡتُم بِهِۦ كَٰفِرُونَ

    আর আমি কোনো জনপদে সতর্ককারী (রাসূল) প্রেরণ করলেই সেখানকার বিত্তবান অধিবাসীরা বলেছে, ‘তোমরা যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছ, অবশ্যই আমরা তা প্রত্যাখ্যানকারী।’

  35. ৩৫

    وَقَالُواْ نَحۡنُ أَكۡثَرُ أَمۡوَٰلٗا وَأَوۡلَٰدٗا وَمَا نَحۡنُ بِمُعَذَّبِينَ

    তারা (দম্ভভরে) আরো বলেছে: ‘আমরা ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে অধিক সমৃদ্ধশালী। আর তাই আমরাশাস্তিপ্রাপ্ত হবো না।’

  36. ৩৬

    قُلۡ إِنَّ رَبِّي يَبۡسُطُ ٱلرِّزۡقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقۡدِرُ وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعۡلَمُونَ

    হে রাসূল! তুমি তাদেরকে বলো: ‘আমার রব যার জন্য ইচ্ছা রিযক প্রশস্ত করেন অথবা সংকুচিত করেন। কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না।’

  37. ৩৭

    وَمَآ أَمۡوَٰلُكُمۡ وَلَآ أَوۡلَٰدُكُم بِٱلَّتِي تُقَرِّبُكُمۡ عِندَنَا زُلۡفَىٰٓ إِلَّا مَنۡ ءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا فَأُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ جَزَآءُ ٱلضِّعۡفِ بِمَا عَمِلُواْ وَهُمۡ فِي ٱلۡغُرُفَٰتِ ءَامِنُونَ

    আর তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি এমন বস্তু নয়, যা তোমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে দিবে। তবে যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে, তারাই তাদের আমলের বিনিময়ে পাবে বহুগুণ প্রতিদান। আর তারা (জান্নাতের) সুউচ্চ প্রাসাদে নিরাপদে থাকবে।

  38. ৩৮

    وَٱلَّذِينَ يَسۡعَوۡنَ فِيٓ ءَايَٰتِنَا مُعَٰجِزِينَ أُوْلَٰٓئِكَ فِي ٱلۡعَذَابِ مُحۡضَرُونَ

    আর যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করে দিতে প্রচেষ্টা চালায়, তাদেরকে (পরাকালে) শাস্তির মধ্যে উপস্থিত করা হবে।

  39. ৩৯

    قُلۡ إِنَّ رَبِّي يَبۡسُطُ ٱلرِّزۡقَ لِمَن يَشَآءُ مِنۡ عِبَادِهِۦ وَيَقۡدِرُ لَهُۥۚ وَمَآ أَنفَقۡتُم مِّن شَيۡءٖ فَهُوَ يُخۡلِفُهُۥۖ وَهُوَ خَيۡرُ ٱلرَّٰزِقِينَ

    (হে রাসূল!) বলো, ‘নিশ্চয়ই আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা রিযিক প্রশস্ত করে দেন এবং যার জন্য ইচ্ছা সংকুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তা পুষিয়ে দেন। আর তিনিই সর্বোত্তম রিযিকদাতা।’

  40. ৪০

    وَيَوۡمَ يَحۡشُرُهُمۡ جَمِيعٗا ثُمَّ يَقُولُ لِلۡمَلَٰٓئِكَةِ أَهَٰٓؤُلَآءِ إِيَّاكُمۡ كَانُواْ يَعۡبُدُونَ

    হে নবী! স্মরণ করো, যেদিন তিনি তাদের (মুশরিকদের) সকলকে সমবেত করবেন, তারপর তিনি ফিরিশতাদেরকে বলবেন: ‘এরাই কি তোমাদেরই ইবাদাত (পূজা) করতো?’

  41. ৪১

    قَالُواْ سُبۡحَٰنَكَ أَنتَ وَلِيُّنَا مِن دُونِهِمۖ بَلۡ كَانُواْ يَعۡبُدُونَ ٱلۡجِنَّۖ أَكۡثَرُهُم بِهِم مُّؤۡمِنُونَ

    জবাবে ফিরিশতারা বলবে: ‘আপনি পবিত্র মহান, আপনিই আমাদের অভিভাবক, তারা কিছুই নয়। বরং তারা (শয়তানরা) জিনদের পূজা করতো। এদের অধিকাংশই তাদের প্রতি ঈমান রাখতো।’

  42. ৪২

    فَٱلۡيَوۡمَ لَا يَمۡلِكُ بَعۡضُكُمۡ لِبَعۡضٖ نَّفۡعٗا وَلَا ضَرّٗا وَنَقُولُ لِلَّذِينَ ظَلَمُواْ ذُوقُواْ عَذَابَ ٱلنَّارِ ٱلَّتِي كُنتُم بِهَا تُكَذِّبُونَ

    ফলে আজ তোমাদের কেউ একে অন্যের কোনো উপকার কিংবা ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখবে না। আর আমি যালিমদের উদ্দেশ্যে বলবো: ‘তোমরা আগুনের শাস্তি আস্বাদন করো , যা তোমরা অস্বীকার করতে।’

  43. ৪৩

    وَإِذَا تُتۡلَىٰ عَلَيۡهِمۡ ءَايَٰتُنَا بَيِّنَٰتٖ قَالُواْ مَا هَٰذَآ إِلَّا رَجُلٞ يُرِيدُ أَن يَصُدَّكُمۡ عَمَّا كَانَ يَعۡبُدُ ءَابَآؤُكُمۡ وَقَالُواْ مَا هَٰذَآ إِلَّآ إِفۡكٞ مُّفۡتَرٗىۚ وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لِلۡحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمۡ إِنۡ هَٰذَآ إِلَّا سِحۡرٞ مُّبِينٞ

    আর যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয়, তখন তারা বলে, ‘এ তো এমন এক ব্যক্তি, যে তোমাদেরকে তোমাদের পিতৃপুরুষরা যার ইবাদাত করত তা থেকে ফিরিয়ে রাখতে চায়।’ তারা আরও বলে, ‘এ তো বানোয়াট মিথ্যা ছাড়া কিছুই নয়।’ আর কাফিরদের কাছে যখন সত্য এসে পৌঁছল, তখন তারা তা সম্পর্কে বলল, ‘এ তো স্পষ্ট জাদু ছাড়া আর কিছুই নয়।’

  44. ৪৪

    وَمَآ ءَاتَيۡنَٰهُم مِّن كُتُبٖ يَدۡرُسُونَهَاۖ وَمَآ أَرۡسَلۡنَآ إِلَيۡهِمۡ قَبۡلَكَ مِن نَّذِيرٖ

    আর আমি তাদেরকে কোনো কিতাব দেইনি যা তারা অধ্যয়ন করতো(১) এবং আমি তোমার পূর্বে তাদের কাছে কোনো সতর্ককারী (নবী)ও প্রেরণ করিনি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  45. ৪৫

    وَكَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡ وَمَا بَلَغُواْ مِعۡشَارَ مَآ ءَاتَيۡنَٰهُمۡ فَكَذَّبُواْ رُسُلِيۖ فَكَيۡفَ كَانَ نَكِيرِ

    আর তাদের পূর্ববর্তী জাতিরাও (এভাবেই ) অস্বীকার করেছে।(১) অথচ আমি তাদেরকে (২) যা দিয়েছিলাম, এরা (মক্কাবাসীরা) তার এক দশমাংশও পায়নি; তবুও তারা আমার রাসূলদের অস্বীকার করেছিলো। ফলে কেমন ভয়াবহ হয়েছিল আমার শাস্তি?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  46. ৪৬

    ۞ قُلۡ إِنَّمَآ أَعِظُكُم بِوَٰحِدَةٍۖ أَن تَقُومُواْ لِلَّهِ مَثۡنَىٰ وَفُرَٰدَىٰ ثُمَّ تَتَفَكَّرُواْۚ مَا بِصَاحِبِكُم مِّن جِنَّةٍۚ إِنۡ هُوَ إِلَّا نَذِيرٞ لَّكُم بَيۡنَ يَدَيۡ عَذَابٖ شَدِيدٖ

    হে রাসূল! বলো: ‘আমি তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি, তোমরা (প্রবৃত্তিমুক্ত হয়ে) আল্লাহর উদ্দেশ্যে দু’জন অথবা এক একজন করে দাঁড়িয়ে যাও, অতঃপর চিন্তা করে দেখো, তোমাদের সাথীর (মুহাম্মদের) মধ্যে কোন পাগলামি নেই। সে তো আসন্ন কঠোর শাস্তি সম্পর্কে তোমাদের একজন সতর্ককারী বৈ কিছু নয়।’

  47. ৪৭

    قُلۡ مَا سَأَلۡتُكُم مِّنۡ أَجۡرٖ فَهُوَ لَكُمۡۖ إِنۡ أَجۡرِيَ إِلَّا عَلَى ٱللَّهِۖ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ شَهِيدٞ

    বলো, ‘আমি তোমাদের কাছে (যে কল্যাণ নিয়ে এসেছি, তার বিনিময়ে) কোনো প্রতিদান চেয়ে থাকলেও তা তোমাদেরই জন্য। আমার প্রতিদান তো কেবল আল্লাহর কাছেই রয়েছে। আর তিনি সব কিছুর উপর সাক্ষী।’

  48. ৪৮

    قُلۡ إِنَّ رَبِّي يَقۡذِفُ بِٱلۡحَقِّ عَلَّٰمُ ٱلۡغُيُوبِ

    বলো: ‘নিশ্চয় আমার রব সত্য দিয়ে (অসত্যকে) আঘাত করেন। তিনি যাবতীয় গায়িব সম্পর্কে পরিজ্ঞাত।’

  49. ৪৯

    قُلۡ جَآءَ ٱلۡحَقُّ وَمَا يُبۡدِئُ ٱلۡبَٰطِلُ وَمَا يُعِيدُ

    (হে রাসূল!) বলুন, ‘সত্য এসে গেছে। আর বাতিল না পারে কোনো কিছু প্রথমবার সৃষ্টি করতে, আর না পারে তা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে।’

  50. ৫০

    قُلۡ إِن ضَلَلۡتُ فَإِنَّمَآ أَضِلُّ عَلَىٰ نَفۡسِيۖ وَإِنِ ٱهۡتَدَيۡتُ فَبِمَا يُوحِيٓ إِلَيَّ رَبِّيٓۚ إِنَّهُۥ سَمِيعٞ قَرِيبٞ

    (হে রাসূল! তাদেরকে) বলো: ‘আমি যদি সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হই, তবে আমার বিচ্যুতির ক্ষতি আমারই ওপর বর্তাবে। আর যদি আমি হিদায়াতপ্রাপ্ত হই, তবে তা এ কারণেই যে, আমার রব আমার প্রতি অহী করেন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, অতি নিকটবর্তী।’

  51. ৫১

    وَلَوۡ تَرَىٰٓ إِذۡ فَزِعُواْ فَلَا فَوۡتَ وَأُخِذُواْ مِن مَّكَانٖ قَرِيبٖ

    হে রাসূল! তুমি যদি দেখতে যখন তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, তখন পালানোর কোনো পথ পাবে না এবং নিকটস্থ স্থান থেকে তাদেরকে পাকড়াও করা হবে।

  52. ৫২

    وَقَالُوٓاْ ءَامَنَّا بِهِۦ وَأَنَّىٰ لَهُمُ ٱلتَّنَاوُشُ مِن مَّكَانِۭ بَعِيدٖ

    আর তারা (পেরেশান হয়ে) বলবে: ‘আমরা তাতে (কিয়ামত দিবসের উপর) ঈমান আনলাম।’ কিন্তু এত দূরবর্তী স্থান থেকে তারা কিভাবে ঈমানের নাগাল পাবে?(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  53. ৫৩

    وَقَدۡ كَفَرُواْ بِهِۦ مِن قَبۡلُۖ وَيَقۡذِفُونَ بِٱلۡغَيۡبِ مِن مَّكَانِۭ بَعِيدٖ

    অথচ তারা ইতঃপূর্বে (দুনিয়াতে) ঈমান আনতে অস্বীকার করতো এবং তারা দূরবর্তী স্থান থেকে গায়িবের ব্যাপারে অপবাদ দেয়।

  54. ৫৪

    وَحِيلَ بَيۡنَهُمۡ وَبَيۡنَ مَا يَشۡتَهُونَ كَمَا فُعِلَ بِأَشۡيَاعِهِم مِّن قَبۡلُۚ إِنَّهُمۡ كَانُواْ فِي شَكّٖ مُّرِيبِۭ

    আর তাদের ও তারা যা কামনা করতো, তার মধ্যে অন্তরাল করে দেয়া হবে(১), যেমন ইতঃপূর্বে তাদের সমগোত্রীয়দের ক্ষেত্রে করা হয়েছিলো।(২) নিশ্চয় তারা ছিল, বিভ্রান্তিকর সন্দেহে পতিত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।