মূল অংশে যান

ইয়াসীন

يس

সূরা ৩৬ মাক্কী ৮৩ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    يسٓ

    ইয়াসীন

  2. ২

    وَٱلۡقُرۡءَانِ ٱلۡحَكِيمِ

    সুদৃঢ় কুরআনের শপথ।

  3. ৩

    إِنَّكَ لَمِنَ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    হে রাসূল! নিশ্চয় তুমি রাসূলদের অন্তর্ভুক্ত।

  4. ৪

    عَلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ

    সরল-সঠিক পথের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

  5. ৫

    تَنزِيلَ ٱلۡعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ

    এটি প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

  6. ৬

    لِتُنذِرَ قَوۡمٗا مَّآ أُنذِرَ ءَابَآؤُهُمۡ فَهُمۡ غَٰفِلُونَ

    যাতে তুমি এমন এক জাতিকে সতর্ক কর, যাদের পিতৃপুরুষদেরকে সতর্ক করা হয়নি।(১) কাজেই তারা (ঈমান ও একত্ববাদ থেকে) উদাসীন।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  7. ৭

    لَقَدۡ حَقَّ ٱلۡقَوۡلُ عَلَىٰٓ أَكۡثَرِهِمۡ فَهُمۡ لَا يُؤۡمِنُونَ

    অবশ্যই তাদের অধিকাংশের ওপর আল্লাহর বাণী (শাস্তি) অবধারিত হয়েছে, ফলে তারা ঈমান আনবে না।

  8. ৮

    إِنَّا جَعَلۡنَا فِيٓ أَعۡنَٰقِهِمۡ أَغۡلَٰلٗا فَهِيَ إِلَى ٱلۡأَذۡقَانِ فَهُم مُّقۡمَحُونَ

    নিশ্চয় আমি তাদের গলায় শিকল পরিয়ে দিয়েছি এবং তা চিবুক পর্যন্ত (ঢেকে দিয়েছে)। ফলে তারা ঊর্ধ্বমুখী হয়ে আছে।

  9. ৯

    وَجَعَلۡنَا مِنۢ بَيۡنِ أَيۡدِيهِمۡ سَدّٗا وَمِنۡ خَلۡفِهِمۡ سَدّٗا فَأَغۡشَيۡنَٰهُمۡ فَهُمۡ لَا يُبۡصِرُونَ

    আর আমি তাদের (সত্য গ্রহণের পথে) সামনে একটি প্রাচীর ও তাদের পিছনে একটি প্রাচীর স্থাপন করেছি। অতঃপর আমি তাদের (১) ঢেকে দিয়েছি, ফলে তারা (হিদায়াত) দেখতে পায় না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  10. ১০

    وَسَوَآءٌ عَلَيۡهِمۡ ءَأَنذَرۡتَهُمۡ أَمۡ لَمۡ تُنذِرۡهُمۡ لَا يُؤۡمِنُونَ

    হে নবী! তুমি তাদেরকে সতর্ক কর অথবা না কর, তাদের কাছে উভয়ই সমান; তারা ঈমান আনবে না।

  11. ১১

    إِنَّمَا تُنذِرُ مَنِ ٱتَّبَعَ ٱلذِّكۡرَ وَخَشِيَ ٱلرَّحۡمَٰنَ بِٱلۡغَيۡبِۖ فَبَشِّرۡهُ بِمَغۡفِرَةٖ وَأَجۡرٖ كَرِيمٍ

    তুমি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবে যে উপদেশ মেনে চলে এবং না দেখেও পরম করুণাময় আল্লাহকে ভয় করে। অতএব তাকে তুমি ক্ষমা ও সম্মানজনক পুরস্কারের সুসংবাদ দাও।

  12. ১২

    إِنَّا نَحۡنُ نُحۡيِ ٱلۡمَوۡتَىٰ وَنَكۡتُبُ مَا قَدَّمُواْ وَءَاثَٰرَهُمۡۚ وَكُلَّ شَيۡءٍ أَحۡصَيۡنَٰهُ فِيٓ إِمَامٖ مُّبِينٖ

    নিশ্চয় আমিই মৃতদেরকে জীবিত করি, আর লিখে রাখি, যা তারা অগ্রে প্রেরণ করে এবং যা পিছনে রেখে যায়।(১) আর প্রতিটি বস্তুকেই আমি সুস্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষণ করে রেখেছি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  13. ১৩

    وَٱضۡرِبۡ لَهُم مَّثَلًا أَصۡحَٰبَ ٱلۡقَرۡيَةِ إِذۡ جَآءَهَا ٱلۡمُرۡسَلُونَ

    হে রাসূল! তুমি তাদের কাছে এক জনপদের(১) অধিবাসীদের উপমা বর্ণনা কর, যখন তাদের কাছে রাসূলগণ এসেছিল।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  14. ১৪

    إِذۡ أَرۡسَلۡنَآ إِلَيۡهِمُ ٱثۡنَيۡنِ فَكَذَّبُوهُمَا فَعَزَّزۡنَا بِثَالِثٖ فَقَالُوٓاْ إِنَّآ إِلَيۡكُم مُّرۡسَلُونَ

    যখন আমি তাদের কাছে দু’জন রাসূল পাঠিয়েছিলাম, তখন তারা তাদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছিল। তারপর আমি তাদেরকে তৃতীয় একজন রাসূলের দ্বারা শক্তিশালী করেছিলাম। অতঃপর তারা বলেছিল: ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের প্রতি প্রেরিত রাসূল।’

  15. ১৫

    قَالُواْ مَآ أَنتُمۡ إِلَّا بَشَرٞ مِّثۡلُنَا وَمَآ أَنزَلَ ٱلرَّحۡمَٰنُ مِن شَيۡءٍ إِنۡ أَنتُمۡ إِلَّا تَكۡذِبُونَ

    তারা বলল: ‘তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ।(১) আর পরম করুণাময় তো কিছুই নাযিল করেননি। তোমরা শুধু মিথ্যাই বলছ।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  16. ১৬

    قَالُواْ رَبُّنَا يَعۡلَمُ إِنَّآ إِلَيۡكُمۡ لَمُرۡسَلُونَ

    তারা (রাসূলগণ) বলল: ‘আমাদের রব জানেন, অবশ্যই আমরা তোমাদের কাছে প্রেরিত রাসূল।’

  17. ১৭

    وَمَا عَلَيۡنَآ إِلَّا ٱلۡبَلَٰغُ ٱلۡمُبِينُ

    ‘আর সুস্পষ্টভাবে (আল্লাহর বাণী) পৌঁছিয়ে দেয়াই আমাদের দায়িত্ব।’

  18. ১৮

    قَالُوٓاْ إِنَّا تَطَيَّرۡنَا بِكُمۡۖ لَئِن لَّمۡ تَنتَهُواْ لَنَرۡجُمَنَّكُمۡ وَلَيَمَسَّنَّكُم مِّنَّا عَذَابٌ أَلِيمٞ

    তারা (গ্রামবাসীরা রাসূলগণকে) বলল: ‘আমরা তো তোমাদেরকে অমঙ্গলের কারণ মনে করি।(১) তোমরা যদি (একত্ববাদের দাওয়াত থেকে) বিরত না হও, তাহলে আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে পাথর মেরে হত্যা করব এবং আমাদের পক্ষ থেকে তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি স্পর্শ করবে।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  19. ১৯

    قَالُواْ طَٰٓئِرُكُم مَّعَكُمۡ أَئِن ذُكِّرۡتُمۚ بَلۡ أَنتُمۡ قَوۡمٞ مُّسۡرِفُونَ

    তারা বলল, ‘তোমাদের অমঙ্গল তোমাদের সঙ্গেই রয়েছে। তোমাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয়েছে বলেই কি (তোমরা আমাদের অশুভ মনে করছ)? বরং তোমরাই সীমালঙ্ঘনকারী জাতি।’

  20. ২০

    وَجَآءَ مِنۡ أَقۡصَا ٱلۡمَدِينَةِ رَجُلٞ يَسۡعَىٰ قَالَ يَٰقَوۡمِ ٱتَّبِعُواْ ٱلۡمُرۡسَلِينَ

    আর শহরের দূরপ্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি(১) দৌঁড়ে এসে বলল: ‘হে আমার জাতি! তোমরা রাসূলদের অনুসরণ কর।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  21. ২১

    ٱتَّبِعُواْ مَن لَّا يَسۡـَٔلُكُمۡ أَجۡرٗا وَهُم مُّهۡتَدُونَ

    হে আমার জাতি! তোমরা তাদের অনুসরণ করো, যারা তোমাদের কাছে (দাওয়াতের বিনিময়ে) কোন প্রতিদান চায় না। আর তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত।’

  22. ২২

    وَمَالِيَ لَآ أَعۡبُدُ ٱلَّذِي فَطَرَنِي وَإِلَيۡهِ تُرۡجَعُونَ

    ‘আর আমি কেন তাঁর ইবাদাত করব না, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন? আর তাঁর কাছেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে।’

  23. ২৩

    ءَأَتَّخِذُ مِن دُونِهِۦٓ ءَالِهَةً إِن يُرِدۡنِ ٱلرَّحۡمَٰنُ بِضُرّٖ لَّا تُغۡنِ عَنِّي شَفَٰعَتُهُمۡ شَيۡـٔٗا وَلَا يُنقِذُونِ

    আমি কি আল্লাহর পরিবর্তে অন্য কোন ইলাহ গ্রহণ করব?(১) যদি পরম করুণাময় আমার কোন ক্ষতি করার ইচ্ছা করেন, তাহলে তাদের সুপারিশ আমার কোন কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে উদ্ধারও করতে পারবে না ।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  24. ২৪

    إِنِّيٓ إِذٗا لَّفِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٍ

    ‘এরূপ করলে(১) নিশ্চয় আমি স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত হব।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  25. ২৫

    إِنِّيٓ ءَامَنتُ بِرَبِّكُمۡ فَٱسۡمَعُونِ

    ‘নিশ্চয় আমি (আমার ও) তোমাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছি। অতএব তোমরা আমার কথা শোন।’

  26. ২৬

    قِيلَ ٱدۡخُلِ ٱلۡجَنَّةَۖ قَالَ يَٰلَيۡتَ قَوۡمِي يَعۡلَمُونَ

    (জাতির লোকেরা তাকে হত্যা করলে) তাকে বলা হল: ‘তুমি জান্নাতে প্রবেশ কর।’ সে (১)বলল: ‘হায়! আমার জাতি যদি জানতে পারত,

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  27. ২৭

    بِمَا غَفَرَ لِي رَبِّي وَجَعَلَنِي مِنَ ٱلۡمُكۡرَمِينَ

    ‘আমার রব আমাকে কীসের বিনিময়ে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আমাকে সম্মানিত (জান্নাতি)-দের দলে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।’

  28. ২৮

    ۞ وَمَآ أَنزَلۡنَا عَلَىٰ قَوۡمِهِۦ مِنۢ بَعۡدِهِۦ مِن جُندٖ مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَمَا كُنَّا مُنزِلِينَ

    আর আমি তার (মৃত্যুর) পর তার জাতির বিরুদ্ধে আসমান থেকে কোন সৈন্য (ফিরিশতা) পাঠাইনি। আর তা পাঠানোর কোন দরকারও আমার ছিল না।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  29. ২৯

    إِن كَانَتۡ إِلَّا صَيۡحَةٗ وَٰحِدَةٗ فَإِذَا هُمۡ خَٰمِدُونَ

    তা কেবল একটি বিকট আওয়াজ ছিল, ফলে তারা নিথর-নিস্তব্ধ হয়ে পড়ল।

  30. ৩০

    يَٰحَسۡرَةً عَلَى ٱلۡعِبَادِۚ مَا يَأۡتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُواْ بِهِۦ يَسۡتَهۡزِءُونَ

    হায় আফসোস বান্দাদের জন্য! যখনই তাদের কাছে কোন রাসূল এসেছে তখনই তারা তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে।

  31. ৩১

    أَلَمۡ يَرَوۡاْ كَمۡ أَهۡلَكۡنَا قَبۡلَهُم مِّنَ ٱلۡقُرُونِ أَنَّهُمۡ إِلَيۡهِمۡ لَا يَرۡجِعُونَ

    তারা কি লক্ষ্য করেনি যে, আমি তাদের পূর্বে কত প্রজন্মকে ধ্বংস করেছি। নিশ্চয় তারা তাদের কাছে ফিরে আসবে না।

  32. ৩২

    وَإِن كُلّٞ لَّمَّا جَمِيعٞ لَّدَيۡنَا مُحۡضَرُونَ

    আর তাদের সকলকে একত্রে আমার কাছে উপস্থিত করা হবে।

  33. ৩৩

    وَءَايَةٞ لَّهُمُ ٱلۡأَرۡضُ ٱلۡمَيۡتَةُ أَحۡيَيۡنَٰهَا وَأَخۡرَجۡنَا مِنۡهَا حَبّٗا فَمِنۡهُ يَأۡكُلُونَ

    আর মৃত জমিন তাদের জন্য একটি নিদর্শন, আমি এটিকে (বৃষ্টি বর্ষণ করে) জীবিত করেছি এবং তা থেকে শস্যদানা উৎপন্ন করেছি। অতঃপর তা থেকেই তারা আহার করে।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  34. ৩৪

    وَجَعَلۡنَا فِيهَا جَنَّٰتٖ مِّن نَّخِيلٖ وَأَعۡنَٰبٖ وَفَجَّرۡنَا فِيهَا مِنَ ٱلۡعُيُونِ

    আর আমি তার মাঝে খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান সৃষ্টি করেছি এবং সেখানে প্রবাহিত করেছি কিছু ঝর্ণাধারা।

  35. ৩৫

    لِيَأۡكُلُواْ مِن ثَمَرِهِۦ وَمَا عَمِلَتۡهُ أَيۡدِيهِمۡۚ أَفَلَا يَشۡكُرُونَ

    যাতে তারা তার ফল খেতে পারে; অথচ তাদের হাত তা বানায়নি। তবুও কি তারা (১) কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে না!

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  36. ৩৬

    سُبۡحَٰنَ ٱلَّذِي خَلَقَ ٱلۡأَزۡوَٰجَ كُلَّهَا مِمَّا تُنۢبِتُ ٱلۡأَرۡضُ وَمِنۡ أَنفُسِهِمۡ وَمِمَّا لَا يَعۡلَمُونَ

    পবিত্র ও মহান সে সত্তা, যিনি সবকিছু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন, জমিনের উৎপন্ন উদ্ভিদের মধ্যে হোক, কিংবা মানুষের নিজেদের মধ্যে বা এমন সৃষ্টির মধ্যে হোক, যাদের সম্পর্কে তারা (এখনও) জানে না ।

  37. ৩৭

    وَءَايَةٞ لَّهُمُ ٱلَّيۡلُ نَسۡلَخُ مِنۡهُ ٱلنَّهَارَ فَإِذَا هُم مُّظۡلِمُونَ

    আর রাত তাদের জন্য একটি নিদর্শন; আমি তা থেকে দিনকে সরিয়ে নেই, ফলে তখনই তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়।

  38. ৩৮

    وَٱلشَّمۡسُ تَجۡرِي لِمُسۡتَقَرّٖ لَّهَاۚ ذَٰلِكَ تَقۡدِيرُ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡعَلِيمِ

    আর (আল্লাহর তাওহীদের আরেকটি নিদর্শন হলো) সূর্য ভ্রমণ করে তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে, এটা মহাপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ (আল্লাহ) কর্তৃক নির্ধারণ।

  39. ৩৯

    وَٱلۡقَمَرَ قَدَّرۡنَٰهُ مَنَازِلَ حَتَّىٰ عَادَ كَٱلۡعُرۡجُونِ ٱلۡقَدِيمِ

    আর চাঁদের জন্য আমি নির্ধারণ করেছি মানযিলসমূহ(১), অবশেষে সেটি খেজুরের শুষ্ক পুরাতন শাখার মত হয়ে যায়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  40. ৪০

    لَا ٱلشَّمۡسُ يَنۢبَغِي لَهَآ أَن تُدۡرِكَ ٱلۡقَمَرَ وَلَا ٱلَّيۡلُ سَابِقُ ٱلنَّهَارِۚ وَكُلّٞ فِي فَلَكٖ يَسۡبَحُونَ

    সূর্যের জন্য সম্ভব নয় চাঁদের নাগাল পাওয়া, আর রাতের জন্য সম্ভব নয় দিনকে অতিক্রম করা। আর প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষপথে ভেসে বেড়ায়।

  41. ৪১

    وَءَايَةٞ لَّهُمۡ أَنَّا حَمَلۡنَا ذُرِّيَّتَهُمۡ فِي ٱلۡفُلۡكِ ٱلۡمَشۡحُونِ

    আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন হল, (নূহ নবীর যুগে) অবশ্যই আমি তাদের বংশধরদেরকে ভরপুর নৌযানে আরোহণ করিয়েছিলাম।

  42. ৪২

    وَخَلَقۡنَا لَهُم مِّن مِّثۡلِهِۦ مَا يَرۡكَبُونَ

    আর তাদের জন্য তার অনুরূপ (১) সৃষ্টি করেছি, যাতে তারা আরোহণ করে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  43. ৪৩

    وَإِن نَّشَأۡ نُغۡرِقۡهُمۡ فَلَا صَرِيخَ لَهُمۡ وَلَا هُمۡ يُنقَذُونَ

    আর আমি তাদেরকে ডুবাতে চাইলে তা করতে পারি, তখন তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী থাকে না এবং তাদেরকে উদ্ধারও করা হয় না।

  44. ৪৪

    إِلَّا رَحۡمَةٗ مِّنَّا وَمَتَٰعًا إِلَىٰ حِينٖ

    হ্যাঁ, যদি আমার পক্ষ থেকে রহমত হয় (১) এবং কিছু সময়ের জন্য (দুনিয়াকে) উপভোগের সুযোগ দেয়া হয়।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  45. ৪৫

    وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ٱتَّقُواْ مَا بَيۡنَ أَيۡدِيكُمۡ وَمَا خَلۡفَكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تُرۡحَمُونَ

    আর যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমাদের সামনে যা আছে (পরকাল) এবং তোমাদের পিছনে যা আছে (ইহকাল) সে বিষয়ে ভয় করো, যাতে তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করা যায়।

  46. ৪৬

    وَمَا تَأۡتِيهِم مِّنۡ ءَايَةٖ مِّنۡ ءَايَٰتِ رَبِّهِمۡ إِلَّا كَانُواْ عَنۡهَا مُعۡرِضِينَ

    আর তাদের রবের (একত্ববাদের) নিদর্শনসমূহ থেকে তাদের কাছে কোন নিদর্শন আসলেই তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

  47. ৪৭

    وَإِذَا قِيلَ لَهُمۡ أَنفِقُواْ مِمَّا رَزَقَكُمُ ٱللَّهُ قَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لِلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَنُطۡعِمُ مَن لَّوۡ يَشَآءُ ٱللَّهُ أَطۡعَمَهُۥٓ إِنۡ أَنتُمۡ إِلَّا فِي ضَلَٰلٖ مُّبِينٖ

    আর যখন তাদেরকে বলা হয়: ‘আল্লাহ তোমাদেরকে যে রিযক দিয়েছেন, তা থেকে তোমরা ব্যয় কর।’ তখন কাফিররা মু’মিনদেরকে বলে: ‘আমরা কি তাদেরকে খাওয়াবো, যাদেরকে আল্লাহ চাইলে নিজেই খাওয়াতে পারেন। ওহে মু’মিনগণ! তোমরা তো স্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় রয়েছ।’

  48. ৪৮

    وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلۡوَعۡدُ إِن كُنتُمۡ صَٰدِقِينَ

    আর তারা বলে: ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বলো (কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার) এ প্রতিশ্রুতি কখন বাস্তবায়িত হবে?

  49. ৪৯

    مَا يَنظُرُونَ إِلَّا صَيۡحَةٗ وَٰحِدَةٗ تَأۡخُذُهُمۡ وَهُمۡ يَخِصِّمُونَ

    তারা তো কেবল এক বিকট আওয়াজের (শিঙ্গায় প্রথম ফুৎকারের) অপেক্ষা করছে, যা তাদেরকে বাক-বিতণ্ডায় লিপ্ত অবস্থায় পাকড়াও করবে।

  50. ৫০

    فَلَا يَسۡتَطِيعُونَ تَوۡصِيَةٗ وَلَآ إِلَىٰٓ أَهۡلِهِمۡ يَرۡجِعُونَ

    সুতরাং (এই আকস্মিক বিকট ফুৎকারের ফলে) তারা কোনো ওসিয়ত করারও সুযোগ পাবে না এবং নিজেদের পরিবার-পরিজনের কাছেও আর ফিরে যেতে পারবে না।

  51. ৫১

    وَنُفِخَ فِي ٱلصُّورِ فَإِذَا هُم مِّنَ ٱلۡأَجۡدَاثِ إِلَىٰ رَبِّهِمۡ يَنسِلُونَ

    আর যখন (দ্বিতীয়বার) শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা কবর থেকে তাদের রবের দিকে ছুটে আসবে।

  52. ৫২

    قَالُواْ يَٰوَيۡلَنَا مَنۢ بَعَثَنَا مِن مَّرۡقَدِنَاۜۗ هَٰذَا مَا وَعَدَ ٱلرَّحۡمَٰنُ وَصَدَقَ ٱلۡمُرۡسَلُونَ

    তারা বলবে, ‘হায় আমাদের সর্বনাশ! কে আমাদেরকে আমাদের নিদ্রাস্থল (কবর) থেকে জাগিয়ে তুলল?’ (তখন তাদেরকে বলা হবে,) ‘এটাই তো সেই প্রতিশ্রুতি, যা পরম করুণাময় (আল্লাহ) দিয়েছিলেন; আর রাসূলগণ সত্যই বলেছিলেন।’

  53. ৫৩

    إِن كَانَتۡ إِلَّا صَيۡحَةٗ وَٰحِدَةٗ فَإِذَا هُمۡ جَمِيعٞ لَّدَيۡنَا مُحۡضَرُونَ

    এটা হবে শুধু এক বিকট আওয়াজ; তখনই তাদের সকলকে আমার সামনে উপস্থিত করা হবে ।

  54. ৫৪

    فَٱلۡيَوۡمَ لَا تُظۡلَمُ نَفۡسٞ شَيۡـٔٗا وَلَا تُجۡزَوۡنَ إِلَّا مَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ

    সুতরাং, হে বান্দারা! আজ কাউকেই কোন যুলম করা হবে না এবং তোমরা (দুনিয়ার জীবনে) যা আমল করছিলে, শুধু তারই প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে।

  55. ৫৫

    إِنَّ أَصۡحَٰبَ ٱلۡجَنَّةِ ٱلۡيَوۡمَ فِي شُغُلٖ فَٰكِهُونَ

    নিশ্চয় (কিয়ামতের) এ দিনে জান্নাতবাসীরা আনন্দে মশগুল থাকবে।

  56. ৫৬

    هُمۡ وَأَزۡوَٰجُهُمۡ فِي ظِلَٰلٍ عَلَى ٱلۡأَرَآئِكِ مُتَّكِـُٔونَ

    তারা ও তাদের স্ত্রীগণ (জান্নাতের) সুশীতল ছায়ার মধ্যে সুসজ্জিত আসনে হেলান দিয়ে বসে থাকবে।

  57. ৫৭

    لَهُمۡ فِيهَا فَٰكِهَةٞ وَلَهُم مَّا يَدَّعُونَ

    সেখানে তাদের জন্য থাকবে ফল-ফলাদি এবং থাকবে তারা যা চাইবে তাও।

  58. ৫৮

    سَلَٰمٞ قَوۡلٗا مِّن رَّبّٖ رَّحِيمٖ

    পরম দয়ালু রবের পক্ষ থেকে তাদেরকে বলা হবে ’সালাম’ ।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  59. ৫৯

    وَٱمۡتَٰزُواْ ٱلۡيَوۡمَ أَيُّهَا ٱلۡمُجۡرِمُونَ

    ‘হে অপরাধীরা! আজ তোমরা (মু’মিনদের থেকে) পৃথক হয়ে যাও।’

  60. ৬০

    ۞ أَلَمۡ أَعۡهَدۡ إِلَيۡكُمۡ يَٰبَنِيٓ ءَادَمَ أَن لَّا تَعۡبُدُواْ ٱلشَّيۡطَٰنَۖ إِنَّهُۥ لَكُمۡ عَدُوّٞ مُّبِينٞ

    হে বানূ আদম! আমি কি তোমাদেরকে এ মর্মে নির্দেশ দেইনি যে, ‘তোমরা (১) শয়তানের ইবাদাত করো না? নিঃসন্দেহে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  61. ৬১

    وَأَنِ ٱعۡبُدُونِيۚ هَٰذَا صِرَٰطٞ مُّسۡتَقِيمٞ

    আর আমারই ইবাদাত কর, এটাই সরল-সঠিক পথ।

  62. ৬২

    وَلَقَدۡ أَضَلَّ مِنكُمۡ جِبِلّٗا كَثِيرًاۖ أَفَلَمۡ تَكُونُواْ تَعۡقِلُونَ

    আর অবশ্যই শয়তান তোমাদের বহু দলকে পথভ্রষ্ট করেছে। তবুও কি তোমরা বোঝনি?

  63. ৬৩

    هَٰذِهِۦ جَهَنَّمُ ٱلَّتِي كُنتُمۡ تُوعَدُونَ

    এটি সেই জাহান্নাম, যার প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে (বারবার) দেওয়া হয়েছিল।

  64. ৬৪

    ٱصۡلَوۡهَا ٱلۡيَوۡمَ بِمَا كُنتُمۡ تَكۡفُرُونَ

    তোমরা যে কুফরী করতে, সে কারণে আজ তোমরা এখানে প্রবেশ কর (এবং দগ্ধ হও)।

  65. ৬৫

    ٱلۡيَوۡمَ نَخۡتِمُ عَلَىٰٓ أَفۡوَٰهِهِمۡ وَتُكَلِّمُنَآ أَيۡدِيهِمۡ وَتَشۡهَدُ أَرۡجُلُهُم بِمَا كَانُواْ يَكۡسِبُونَ

    আজ আমি তাদের মুখে মোহর মেরে দিবো এবং তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে ও তাদের পা সে সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে, যা তারা অর্জন করত।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  66. ৬৬

    وَلَوۡ نَشَآءُ لَطَمَسۡنَا عَلَىٰٓ أَعۡيُنِهِمۡ فَٱسۡتَبَقُواْ ٱلصِّرَٰطَ فَأَنَّىٰ يُبۡصِرُونَ

    আর আমি চাইলে তাদের দৃষ্টিশক্তি বিলুপ্ত করে দিতে পারতাম। তখন তারা (জান্নাতের) পথ খুঁজে পাওয়ার জন্য এগিয়ে যেত, কিন্তু তারা দেখবে কীভাবে (তাদের দৃষ্টিশক্তি তো কেড়ে নেওয়া হয়েছে)?

  67. ৬৭

    وَلَوۡ نَشَآءُ لَمَسَخۡنَٰهُمۡ عَلَىٰ مَكَانَتِهِمۡ فَمَا ٱسۡتَطَٰعُواْ مُضِيّٗا وَلَا يَرۡجِعُونَ

    আর আমি যদি চাইতাম তবে তাদের নিজ নিজ স্থানে তাদের আকৃতি বিকৃত করে (পায়ের ওপর বসিয়ে) দিতাম। ফলে তারা সামনেও এগিয়ে যেতে পারত না এবং পিছনেও ফিরে আসতে পারত না।

  68. ৬৮

    وَمَن نُّعَمِّرۡهُ نُنَكِّسۡهُ فِي ٱلۡخَلۡقِۚ أَفَلَا يَعۡقِلُونَ

    আর আমি যাকে দীর্ঘ জীবন দান করি, সৃষ্টি-অবয়বে আমি তার পরিবর্তন ঘটাই।(১) তবুও কি তারা বুঝবে না?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  69. ৬৯

    وَمَا عَلَّمۡنَٰهُ ٱلشِّعۡرَ وَمَا يَنۢبَغِي لَهُۥٓۚ إِنۡ هُوَ إِلَّا ذِكۡرٞ وَقُرۡءَانٞ مُّبِينٞ

    আমি রাসূলকে কবিতা শিক্ষা দেইনি এবং এটি তার জন্য শোভনীয়ও নয়। এ তো শুধু এক উপদেশ ও সুস্পষ্ট আল কুরআন মাত্র।

  70. ৭০

    لِّيُنذِرَ مَن كَانَ حَيّٗا وَيَحِقَّ ٱلۡقَوۡلُ عَلَى ٱلۡكَٰفِرِينَ

    যাতে তা সতর্ক করতে পারে ঐ ব্যক্তিকে, যে জীবিত এবং যাতে কাফিরদের জন্য শাস্তির কথা অবধারিত হয়।

  71. ৭১

    أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ أَنَّا خَلَقۡنَا لَهُم مِّمَّا عَمِلَتۡ أَيۡدِينَآ أَنۡعَٰمٗا فَهُمۡ لَهَا مَٰلِكُونَ

    তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমার হাতের তৈরি বস্তুসমূহের মধ্যে আমি তাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তারা হল এগুলোর মালিক।

  72. ৭২

    وَذَلَّلۡنَٰهَا لَهُمۡ فَمِنۡهَا رَكُوبُهُمۡ وَمِنۡهَا يَأۡكُلُونَ

    আর আমি এগুলোকে তাদের বশীভূত করে দিয়েছি। ফলে এদের কতক তাদের বাহন এবং কতক তারা ভক্ষণ করে।

  73. ৭৩

    وَلَهُمۡ فِيهَا مَنَٰفِعُ وَمَشَارِبُۚ أَفَلَا يَشۡكُرُونَ

    আর তাদের জন্য এগুলোতে রয়েছে আরও বহু উপকারিতা ও পানীয় উপাদান।(১) তবুও কি তারা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে না?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  74. ৭৪

    وَٱتَّخَذُواْ مِن دُونِ ٱللَّهِ ءَالِهَةٗ لَّعَلَّهُمۡ يُنصَرُونَ

    অথচ তারা (মুশরিকরা) আল্লাহর পরিবর্তে অন্য সব ইলাহ গ্রহণ করেছে এই প্রত্যাশায় যে, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে।

  75. ৭৫

    لَا يَسۡتَطِيعُونَ نَصۡرَهُمۡ وَهُمۡ لَهُمۡ جُندٞ مُّحۡضَرُونَ

    কিন্তু এরা তাদের কোন সাহায্য করতে সক্ষম হবে না; বরং (কিয়ামতের দিন) এগুলোকে তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীরূপে উপস্থিত করা হবে।

  76. ৭৬

    فَلَا يَحۡزُنكَ قَوۡلُهُمۡۘ إِنَّا نَعۡلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعۡلِنُونَ

    অতএব, হে রাসূল! তাদের (অপবাদের) কথা তোমাকে যেন চিন্তিত না করে। নিশ্চয় আমি জানি, তারা যা গোপন করে এবং যা প্রকাশ করে।

  77. ৭৭

    أَوَلَمۡ يَرَ ٱلۡإِنسَٰنُ أَنَّا خَلَقۡنَٰهُ مِن نُّطۡفَةٖ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٞ مُّبِينٞ

    (আচ্ছা, পুনরুত্থানকে অস্বীকারকারী) মানুষ কি লক্ষ্য করে না যে আমি তাকে এক ফোঁটা শুক্র থেকে সৃষ্টি করেছি? অথচ এরপরই সে (পুনরুত্থানের বিষয়ে) প্রকাশ্য এক বিতণ্ডাকারী হয়ে যায়।

  78. ৭৮

    وَضَرَبَ لَنَا مَثَلٗا وَنَسِيَ خَلۡقَهُۥۖ قَالَ مَن يُحۡيِ ٱلۡعِظَٰمَ وَهِيَ رَمِيمٞ

    আর সে আমার উদ্দেশ্যে উপমা পেশ করে; অথচ সে তার নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়। সে বলে, ‘হাড়গুলো জরাজীর্ণ হওয়া অবস্থায় কে সেগুলো জীবিত করবে?’

  79. ৭৯

    قُلۡ يُحۡيِيهَا ٱلَّذِيٓ أَنشَأَهَآ أَوَّلَ مَرَّةٖۖ وَهُوَ بِكُلِّ خَلۡقٍ عَلِيمٌ

    হে রাসূল! তুমি বল: ‘যিনি প্রথমবার এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তিনিই সেগুলো পুনরায় জীবিত করবেন। আর তিনি সকল সৃষ্টি সম্পর্কেই সম্যক পরিজ্ঞাত।’

  80. ৮০

    ٱلَّذِي جَعَلَ لَكُم مِّنَ ٱلشَّجَرِ ٱلۡأَخۡضَرِ نَارٗا فَإِذَآ أَنتُم مِّنۡهُ تُوقِدُونَ

    যিনি সবুজ বৃক্ষ থেকে তোমাদের জন্য আগুন সৃষ্টি করেছেন। ফলে তা থেকে তোমরা আগুন জ্বালাও।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  81. ৮১

    أَوَلَيۡسَ ٱلَّذِي خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ بِقَٰدِرٍ عَلَىٰٓ أَن يَخۡلُقَ مِثۡلَهُمۚ بَلَىٰ وَهُوَ ٱلۡخَلَّٰقُ ٱلۡعَلِيمُ

    যিনি আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সক্ষম নন? হ্যাঁ, তিনিই মহাস্রষ্টা, সর্বজ্ঞানী।

  82. ৮২

    إِنَّمَآ أَمۡرُهُۥٓ إِذَآ أَرَادَ شَيۡـًٔا أَن يَقُولَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ

    নিশ্চয়ই তাঁর (আল্লাহর) কাজ হলো, যখন তিনি কোনো কিছু ইচ্ছা করেন, তখন তিনি শুধু বলেন, ‘হও’, আর তা হয়ে যায়।

  83. ৮৩

    فَسُبۡحَٰنَ ٱلَّذِي بِيَدِهِۦ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيۡءٖ وَإِلَيۡهِ تُرۡجَعُونَ

    অতএব, পবিত্র মহান তিনি, যার হাতে রয়েছে সকল কিছুর রাজত্ব(১) এবং তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।