মূল অংশে যান

আল-ফাতহ

الفتح

সূরা ৪৮ মাদানী ২৯ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    إِنَّا فَتَحۡنَا لَكَ فَتۡحٗا مُّبِينٗا

    হে রাসূল! নিশ্চয় আমি তোমাকে (হুদায়বিয়ার সন্ধির মাধ্যমে) সুস্পষ্ট বিজয় দিয়েছি;

  2. ২

    لِّيَغۡفِرَ لَكَ ٱللَّهُ مَا تَقَدَّمَ مِن ذَنۢبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ وَيُتِمَّ نِعۡمَتَهُۥ عَلَيۡكَ وَيَهۡدِيَكَ صِرَٰطٗا مُّسۡتَقِيمٗا

    যেন আল্লাহ তোমার পূর্বের ও পরের পাপ ক্ষমা করেন, তোমার ওপর তাঁর নিআমত পূর্ণ করেন, আর তোমাকে সরল পথের হিদায়াত দেন।

  3. ৩

    وَيَنصُرَكَ ٱللَّهُ نَصۡرًا عَزِيزًا

    এবং আল্লাহ তোমাকে প্রবল সাহায্য (ও বিজয়) দান করেন।

  4. ৪

    هُوَ ٱلَّذِيٓ أَنزَلَ ٱلسَّكِينَةَ فِي قُلُوبِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ لِيَزۡدَادُوٓاْ إِيمَٰنٗا مَّعَ إِيمَٰنِهِمۡۗ وَلِلَّهِ جُنُودُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمٗا

    তিনিই তো মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেছিলেন, যেন তাদের ঈমানের সাথে আরো ঈমান বৃদ্ধি করে নিতে পারে। বস্তুত আসমানসমূহ ও জমিনের সমুদয় সৈন্যবাহিনী তো আল্লাহরই।(১) আর আল্লাহ হলেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  5. ৫

    لِّيُدۡخِلَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا وَيُكَفِّرَ عَنۡهُمۡ سَيِّـَٔاتِهِمۡۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عِندَ ٱللَّهِ فَوۡزًا عَظِيمٗا

    যাতে তিনি মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের এমন জান্নাতে প্রবেশ করান, যার পাদদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত; সেখানে তারা চিরকাল অবস্থান করবে। আর তিনি তাদের পাপসমূহ মোচন করে দেবেন। আর আল্লাহর কাছে এটাই মহাসাফল্য।

  6. ৬

    وَيُعَذِّبَ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ وَٱلۡمُنَٰفِقَٰتِ وَٱلۡمُشۡرِكِينَ وَٱلۡمُشۡرِكَٰتِ ٱلظَّآنِّينَ بِٱللَّهِ ظَنَّ ٱلسَّوۡءِۚ عَلَيۡهِمۡ دَآئِرَةُ ٱلسَّوۡءِۖ وَغَضِبَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِمۡ وَلَعَنَهُمۡ وَأَعَدَّ لَهُمۡ جَهَنَّمَۖ وَسَآءَتۡ مَصِيرٗا

    আর যাতে তিনি সেই মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী এবং মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারীদের শাস্তি দেন, যারা আল্লাহ সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষণ করে। অমঙ্গলের আবর্ত তাদের ওপরই আপতিত হবে। আল্লাহ তাদের প্রতি ক্রোধান্বিত হয়েছেন, তাদেরকে লানত করেছেন এবং তাদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত করে রেখেছেন। আর তা কতই না নিকৃষ্ট পরিণাম!

  7. ৭

    وَلِلَّهِ جُنُودُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا

    আর আসমানসমূহ ও জমিনের বাহিনীসমূহ এককভাবে আল্লাহর(১) এবং আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  8. ৮

    إِنَّآ أَرۡسَلۡنَٰكَ شَٰهِدٗا وَمُبَشِّرٗا وَنَذِيرٗا

    নিশ্চয় আমি তোমাকে সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী করে পাঠিয়েছি।

  9. ৯

    لِّتُؤۡمِنُواْ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُۚ وَتُسَبِّحُوهُ بُكۡرَةٗ وَأَصِيلًا

    যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনো, তাঁকে সাহায্য ও সম্মান করো এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করো।

  10. ১০

    إِنَّ ٱلَّذِينَ يُبَايِعُونَكَ إِنَّمَا يُبَايِعُونَ ٱللَّهَ يَدُ ٱللَّهِ فَوۡقَ أَيۡدِيهِمۡۚ فَمَن نَّكَثَ فَإِنَّمَا يَنكُثُ عَلَىٰ نَفۡسِهِۦۖ وَمَنۡ أَوۡفَىٰ بِمَا عَٰهَدَ عَلَيۡهُ ٱللَّهَ فَسَيُؤۡتِيهِ أَجۡرًا عَظِيمٗا

    নিশ্চয় যারা আপনার কাছে বায়আত করে, তারা তো প্রকৃতপক্ষে আল্লাহরই কাছে বায়আত করে। আল্লাহর হাত তাদের হাতের ওপর। অতএব, যে (বায়আত) ভঙ্গ করে, সে তো নিজেরই ক্ষতি করে। আর যে আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করে, আল্লাহ অচিরেই তাকে মহাপ্রতিদান দান করবেন।

  11. ১১

    سَيَقُولُ لَكَ ٱلۡمُخَلَّفُونَ مِنَ ٱلۡأَعۡرَابِ شَغَلَتۡنَآ أَمۡوَٰلُنَا وَأَهۡلُونَا فَٱسۡتَغۡفِرۡ لَنَاۚ يَقُولُونَ بِأَلۡسِنَتِهِم مَّا لَيۡسَ فِي قُلُوبِهِمۡۚ قُلۡ فَمَن يَمۡلِكُ لَكُم مِّنَ ٱللَّهِ شَيۡـًٔا إِنۡ أَرَادَ بِكُمۡ ضَرًّا أَوۡ أَرَادَ بِكُمۡ نَفۡعَۢاۚ بَلۡ كَانَ ٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرَۢا

    যারা (১) গৃহে বসে রয়েছে সেসব বেদুঈনরা অচিরেই তোমাকে বলবে, ‘আমাদের ধন-সম্পদ ও পরিবার-পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত রেখেছিল; অতএব আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’ তারা মুখে তা বলে, যা তাদের অন্তরে নেই। তাদেরকে বলো: ‘আল্লাহ যদি তোমাদের কোন ক্ষতি করতে চান কিংবা কোন উপকার করতে চান, তবে কে আল্লাহর (ইচ্ছার) মোকাবিলায় তোমাদের জন্য কোন কিছু করার মালিক হবে? বরং তোমরা যে আমল করো, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  12. ১২

    بَلۡ ظَنَنتُمۡ أَن لَّن يَنقَلِبَ ٱلرَّسُولُ وَٱلۡمُؤۡمِنُونَ إِلَىٰٓ أَهۡلِيهِمۡ أَبَدٗا وَزُيِّنَ ذَٰلِكَ فِي قُلُوبِكُمۡ وَظَنَنتُمۡ ظَنَّ ٱلسَّوۡءِ وَكُنتُمۡ قَوۡمَۢا بُورٗا

    বরং তোমরা ধারণা করেছিলে রাসূল ও মু’মিনরা (মক্কা থেকে) তাদের পরিবারের কাছে কখনো ফিরে আসবে না। আর (শয়তান কর্তৃক) এটি তোমাদের অন্তরে শোভিত করে দেয়া হয়েছিল। আর তোমরা মন্দ ধারণা করেছিলে এবং তোমরা ছিলে ধ্বংসমুখী জাতি।

  13. ১৩

    وَمَن لَّمۡ يُؤۡمِنۢ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ فَإِنَّآ أَعۡتَدۡنَا لِلۡكَٰفِرِينَ سَعِيرٗا

    আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনে না , তবে নিশ্চয় আমি কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুন।

  14. ১৪

    وَلِلَّهِ مُلۡكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ يَغۡفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَآءُۚ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمٗا

    আসমানসমূহ ও জমিনের সার্বভৌমত্ব আল্লাহর; তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন, আর যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। আর আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

  15. ১৫

    سَيَقُولُ ٱلۡمُخَلَّفُونَ إِذَا ٱنطَلَقۡتُمۡ إِلَىٰ مَغَانِمَ لِتَأۡخُذُوهَا ذَرُونَا نَتَّبِعۡكُمۡۖ يُرِيدُونَ أَن يُبَدِّلُواْ كَلَٰمَ ٱللَّهِۚ قُل لَّن تَتَّبِعُونَا كَذَٰلِكُمۡ قَالَ ٱللَّهُ مِن قَبۡلُۖ فَسَيَقُولُونَ بَلۡ تَحۡسُدُونَنَاۚ بَلۡ كَانُواْ لَا يَفۡقَهُونَ إِلَّا قَلِيلٗا

    হে মু’মিনরা! (খায়বারে) তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহের জন্যে যাবে, তখন পিছনে যারা পড়েছিল অচিরেই তারা বলবে: ‘আমাদেরকেও তোমাদের সাথে যেতে দাও।’ (এদ্বারা) তারা আল্লাহর বাণী (ফায়সালা) পরিবর্তন করতে চায়। হে রাসূল! তুমি বলো: ‘তোমরা কখনো আমাদের সাথে যেতে পারবে না; আল্লাহ আগেই এমনটি বলেছেন।’ অতঃপর অচিরেই তারা বলবে: ‘বরং তোমরা হিংসা করছ।’(১) বরং তারা খুব কমই বুঝে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  16. ১৬

    قُل لِّلۡمُخَلَّفِينَ مِنَ ٱلۡأَعۡرَابِ سَتُدۡعَوۡنَ إِلَىٰ قَوۡمٍ أُوْلِي بَأۡسٖ شَدِيدٖ تُقَٰتِلُونَهُمۡ أَوۡ يُسۡلِمُونَۖ فَإِن تُطِيعُواْ يُؤۡتِكُمُ ٱللَّهُ أَجۡرًا حَسَنٗاۖ وَإِن تَتَوَلَّوۡاْ كَمَا تَوَلَّيۡتُم مِّن قَبۡلُ يُعَذِّبۡكُمۡ عَذَابًا أَلِيمٗا

    হে রাসূল! তুমি পেছনে পড়ে থাকা বেদুঈনদেরকে বলো: ‘এক কঠোর যোদ্ধা জাতির বিরুদ্ধে শীঘ্রই তোমাদেরকে (যুদ্ধ করতে) ডাকা হবে; তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে অথবা তারা ইসলামে প্রবেশ করবে। অতঃপর তোমরা যদি আনুগত্য করো তবে আল্লাহ তোমাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিবেন। আর পূর্বে (মক্কায় যাওয়া থেকে) তোমরা যেমন ফিরে গিয়েছিলে তেমনি যদি ফিরে যাও, তবে তিনি তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিবেন।

  17. ১৭

    لَّيۡسَ عَلَى ٱلۡأَعۡمَىٰ حَرَجٞ وَلَا عَلَى ٱلۡأَعۡرَجِ حَرَجٞ وَلَا عَلَى ٱلۡمَرِيضِ حَرَجٞۗ وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ يُدۡخِلۡهُ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُۖ وَمَن يَتَوَلَّ يُعَذِّبۡهُ عَذَابًا أَلِيمٗا

    অন্ধের (১) কোন অপরাধ নেই, লেংড়ার কোন অপরাধ নেই, অসুস্থের কোন অপরাধ নেই। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে, তিনি তাকে এমন জান্নাতে দাখিল করাবেন, যার পাদদেশে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত। আর যে ব্যক্তি পিছনে ফিরে যাবে তিনি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিবেন।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  18. ১৮

    ۞ لَّقَدۡ رَضِيَ ٱللَّهُ عَنِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ إِذۡ يُبَايِعُونَكَ تَحۡتَ ٱلشَّجَرَةِ فَعَلِمَ مَا فِي قُلُوبِهِمۡ فَأَنزَلَ ٱلسَّكِينَةَ عَلَيۡهِمۡ وَأَثَٰبَهُمۡ فَتۡحٗا قَرِيبٗا

    অবশ্যই আল্লাহ মু’মিনদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছেন, যখন তারা (হুদায়বিয়ায়) গাছের নিচে তোমার হাতে বায়‘আত গ্রহণ করেছিল; অতঃপর তিনি তাদের অন্তরে যা ছিল তা জেনে নিয়েছেন। ফলে তিনি তাদের ওপর প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদেরকে পুরস্কৃত করলেন নিকটবর্তী (খায়বারের) বিজয় দিয়ে।

  19. ১৯

    وَمَغَانِمَ كَثِيرَةٗ يَأۡخُذُونَهَاۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمٗا

    আরবিপুল পরিমাণ যুদ্ধলব্ধ সম্পদ দিয়ে, যা তারা (১) গ্রহণ করবে; আর আল্লাহ হলেন মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  20. ২০

    وَعَدَكُمُ ٱللَّهُ مَغَانِمَ كَثِيرَةٗ تَأۡخُذُونَهَا فَعَجَّلَ لَكُمۡ هَٰذِهِۦ وَكَفَّ أَيۡدِيَ ٱلنَّاسِ عَنكُمۡ وَلِتَكُونَ ءَايَةٗ لِّلۡمُؤۡمِنِينَ وَيَهۡدِيَكُمۡ صِرَٰطٗا مُّسۡتَقِيمٗا

    আল্লাহ তোমাদেরকে বিপুল গনীমতের ওয়াদা দিয়েছেন, যা তোমরা গ্রহণ করবে, অতঃপর তিনি এটা (খায়বারের গনীমত) তোমাদের জন্য ত্বরান্বিত করেছেন। আর মানুষের হাত তোমাদের থেকে ফিরিয়ে রেখেছেন(১) এবং যাতে এটি মু’মিনদের জন্য একটি নিদর্শন হয়, আর তিনি তোমাদেরকে সরল পথ দেখান।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  21. ২১

    وَأُخۡرَىٰ لَمۡ تَقۡدِرُواْ عَلَيۡهَا قَدۡ أَحَاطَ ٱللَّهُ بِهَاۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٗا

    আর আরেকটি যা এখনো তোমরা অর্জন করতে সক্ষম হওনি। কিন্তু আল্লাহ তা বেষ্টন করে রেখেছেন।(১) আর আল্লাহ সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  22. ২২

    وَلَوۡ قَٰتَلَكُمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَوَلَّوُاْ ٱلۡأَدۡبَٰرَ ثُمَّ لَا يَجِدُونَ وَلِيّٗا وَلَا نَصِيرٗا

    আর (সেদিন) কাফিররা যদি তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে তবে অবশ্যই তারা (পরাজিত হয়ে) পিঠ দেখিয়ে পালাবে। তারপর তারা কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না।

  23. ২৩

    سُنَّةَ ٱللَّهِ ٱلَّتِي قَدۡ خَلَتۡ مِن قَبۡلُۖ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّةِ ٱللَّهِ تَبۡدِيلٗا

    এটাই আল্লাহর বিধান(১), যা পূর্ব থেকেই চলে আসছে, আর তুমি আল্লাহর বিধানে কোন পরিবর্তন পাবে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  24. ২৪

    وَهُوَ ٱلَّذِي كَفَّ أَيۡدِيَهُمۡ عَنكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ عَنۡهُم بِبَطۡنِ مَكَّةَ مِنۢ بَعۡدِ أَنۡ أَظۡفَرَكُمۡ عَلَيۡهِمۡۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ بَصِيرًا

    আর তিনিই মক্কা উপত্যকায় তোমাদেরকে তাদের (মুশরিকদের) ওপর বিজয়ী করার পর তাদের হাত তোমাদের থেকে এবং তোমাদের হাত তাদের থেকে ফিরায়ে রেখেছেন।(১) আর তোমরা যা আমল কর, আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  25. ২৫

    هُمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَصَدُّوكُمۡ عَنِ ٱلۡمَسۡجِدِ ٱلۡحَرَامِ وَٱلۡهَدۡيَ مَعۡكُوفًا أَن يَبۡلُغَ مَحِلَّهُۥۚ وَلَوۡلَا رِجَالٞ مُّؤۡمِنُونَ وَنِسَآءٞ مُّؤۡمِنَٰتٞ لَّمۡ تَعۡلَمُوهُمۡ أَن تَطَـُٔوهُمۡ فَتُصِيبَكُم مِّنۡهُم مَّعَرَّةُۢ بِغَيۡرِ عِلۡمٖۖ لِّيُدۡخِلَ ٱللَّهُ فِي رَحۡمَتِهِۦ مَن يَشَآءُۚ لَوۡ تَزَيَّلُواْ لَعَذَّبۡنَا ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِنۡهُمۡ عَذَابًا أَلِيمًا

    তারাই তো কুফরী করেছিল এবং তোমাদেরকে মাসজিদুল হারামে প্রবেশ করা থেকে বাধা দিয়েছিল, আর কুরবানীর পশুগুলোকে কুরবানীর স্থানে পৌঁছতে বাধা দিয়েছিল। যদি (সেদিন মক্কা নগরীতে) মু‘মিন পুরুষরা ও মু‘মিন নারীরা না থাকত, যাদের অনেককেই তোমরা জানতে না, (ফলে) তোমরা না জেনে তাদেরকে পদদলিত করতে, তাদের কারণে তোমরা অপরাধী ও দোষী সাব্যস্ত হতে, (১) যাতে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমতে প্রবেশ করান। যদি (সেদিন মক্কায়) মুমিনরা কাফিরদের থেকে পৃথক থাকত, তাহলে আমি অবশ্যই তাদের মধ্যে কাফিরদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিতাম।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  26. ২৬

    إِذۡ جَعَلَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ فِي قُلُوبِهِمُ ٱلۡحَمِيَّةَ حَمِيَّةَ ٱلۡجَٰهِلِيَّةِ فَأَنزَلَ ٱللَّهُ سَكِينَتَهُۥ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ وَعَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ وَأَلۡزَمَهُمۡ كَلِمَةَ ٱلتَّقۡوَىٰ وَكَانُوٓاْ أَحَقَّ بِهَا وَأَهۡلَهَاۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمٗا

    যখন কাফিররা তাদের অন্তরে আত্ম-অহমিকা পোষণ করেছিল, জাহিলী যুগের অহমিকা। তখন আল্লাহ তাঁর রাসূলের ওপর ও মু‘মিনদের উপর স্বীয় প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাকওয়ার বাণী (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) তাদের জন্য অপরিহার্য করলেন, আর তারাই ছিল এর সর্বাধিক উপযুক্ত ও এর অধিকারী। আর আল্লাহ হলেন প্রত্যেক বিষয়ে সর্বজ্ঞ।

  27. ২৭

    لَّقَدۡ صَدَقَ ٱللَّهُ رَسُولَهُ ٱلرُّءۡيَا بِٱلۡحَقِّۖ لَتَدۡخُلُنَّ ٱلۡمَسۡجِدَ ٱلۡحَرَامَ إِن شَآءَ ٱللَّهُ ءَامِنِينَ مُحَلِّقِينَ رُءُوسَكُمۡ وَمُقَصِّرِينَ لَا تَخَافُونَۖ فَعَلِمَ مَا لَمۡ تَعۡلَمُواْ فَجَعَلَ مِن دُونِ ذَٰلِكَ فَتۡحٗا قَرِيبًا

    অবশ্যই আল্লাহ তাঁর রাসূলকে স্বপ্নটি যথাযথভাবে সত্যে পরিণত করে দিয়েছেন।(১) তোমরা ইন শা’ আল্লাহ নিরাপদে তোমাদের মাথা মুণ্ডন করে এবং চুল ছেঁটে নির্ভয়ে আল-মাসজিদুল হারামে অবশ্যই প্রবেশ করবে। অতঃপর আল্লাহ জেনেছেন যা তোমরা জানতে না। সুতরাং এ ছাড়াও তিনি দিলেন এক নিকটবর্তী বিজয়(২)।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  28. ২৮

    هُوَ ٱلَّذِيٓ أَرۡسَلَ رَسُولَهُۥ بِٱلۡهُدَىٰ وَدِينِ ٱلۡحَقِّ لِيُظۡهِرَهُۥ عَلَى ٱلدِّينِ كُلِّهِۦۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدٗا

    তিনিই তাঁর রাসূল (মুহাম্মাদ)-কে হিদায়াত ও সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি এটাকে সকল দীনের ওপর বিজয়ী করতে পারেন। আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

  29. ২৯

    مُّحَمَّدٞ رَّسُولُ ٱللَّهِۚ وَٱلَّذِينَ مَعَهُۥٓ أَشِدَّآءُ عَلَى ٱلۡكُفَّارِ رُحَمَآءُ بَيۡنَهُمۡۖ تَرَىٰهُمۡ رُكَّعٗا سُجَّدٗا يَبۡتَغُونَ فَضۡلٗا مِّنَ ٱللَّهِ وَرِضۡوَٰنٗاۖ سِيمَاهُمۡ فِي وُجُوهِهِم مِّنۡ أَثَرِ ٱلسُّجُودِۚ ذَٰلِكَ مَثَلُهُمۡ فِي ٱلتَّوۡرَىٰةِۚ وَمَثَلُهُمۡ فِي ٱلۡإِنجِيلِ كَزَرۡعٍ أَخۡرَجَ شَطۡـَٔهُۥ فَـَٔازَرَهُۥ فَٱسۡتَغۡلَظَ فَٱسۡتَوَىٰ عَلَىٰ سُوقِهِۦ يُعۡجِبُ ٱلزُّرَّاعَ لِيَغِيظَ بِهِمُ ٱلۡكُفَّارَۗ وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ مِنۡهُم مَّغۡفِرَةٗ وَأَجۡرًا عَظِيمَۢا

    মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল এবং তার সাথে যারা আছে তারা কাফিরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর; পরস্পরের প্রতি সদয়, তুমি তাদেরকে রুকূকারী, সাজদাকারী অবস্থায় দেখতে পাবে। তারা আল্লাহর করুণা ও সন্তুষ্টি অনুসন্ধান করছে। তাদের আলামত হচ্ছে, তাদের চেহারায় সাজদার চিহ্ন থাকে। এটাই তাওরাতে তাদের দৃষ্টান্ত। আর ইনজীলে তাদের দৃষ্টান্ত হলো একটি চারাগাছের মত, যে তার কচিপাতা উদ্‌গত করেছে ও শক্ত করেছে, অতঃপর তা পুষ্ট হয়েছে ও স্বীয় কাণ্ডের ওপর মজবুতভাবে দাঁড়িয়েছে, যা চাষিকে আনন্দ দেয়। যাতে তিনি তাদের দ্বারা কাফিরদেরকে ক্রোধান্বিত করতে পারেন। তাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের জন্য ক্ষমা ও মহাপ্রতিদানের ওয়াদা করেছেন।

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।