সাদ
ص
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
-
১
صٓۚ وَٱلۡقُرۡءَانِ ذِي ٱلذِّكۡرِ
সোয়াদ; উপদেশপূর্ণ কুরআনের শপথ।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২
بَلِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ فِي عِزَّةٖ وَشِقَاقٖ
বরং যারা কুফরি করেছে, তারা অহংকার ও সত্যের বিরোধিতায় নিমজ্জিত রয়েছে।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩
كَمۡ أَهۡلَكۡنَا مِن قَبۡلِهِم مِّن قَرۡنٖ فَنَادَواْ وَّلَاتَ حِينَ مَنَاصٖ
তাদের পূর্বে আমি কত বংশধরকে ধ্বংস করেছি। তখন তারা আর্তচিৎকার করেছিল; কিন্তু তখন (শাস্তি থেকে) পলায়নের কোন সময় ছিল না।
-
৪
وَعَجِبُوٓاْ أَن جَآءَهُم مُّنذِرٞ مِّنۡهُمۡۖ وَقَالَ ٱلۡكَٰفِرُونَ هَٰذَا سَٰحِرٞ كَذَّابٌ
আর তারা আশ্চার্যান্বিত হয়েছে যে, তাদের কাছে তাদের মধ্য থেকেই একজন সতর্ককারী (রাসূল) এসেছে এবং কাফিররা বলে: ‘এ তো জাদুকর, মিথ্যাবাদী।’
-
৫
أَجَعَلَ ٱلۡأٓلِهَةَ إِلَٰهٗا وَٰحِدًاۖ إِنَّ هَٰذَا لَشَيۡءٌ عُجَابٞ
‘সে কি সকল উপাস্যকে এক ইলাহ বানিয়ে নিয়েছে? নিশ্চয় এ তো এক আশ্চর্য বিষয়!’
-
৬
وَٱنطَلَقَ ٱلۡمَلَأُ مِنۡهُمۡ أَنِ ٱمۡشُواْ وَٱصۡبِرُواْ عَلَىٰٓ ءَالِهَتِكُمۡۖ إِنَّ هَٰذَا لَشَيۡءٞ يُرَادُ
আর তাদের গণ্যমান্য ও মোড়লরা চলে গেল একথা বলে যে, ‘তোমরা চলে যাও এবং তোমাদের উপাস্যগুলোর ওপর অবিচল থাক। নিশ্চয় (মুহাম্মাদের এক ইলাহের ইবাদাতের) এ বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত।’
-
৭
مَا سَمِعۡنَا بِهَٰذَا فِي ٱلۡمِلَّةِ ٱلۡأٓخِرَةِ إِنۡ هَٰذَآ إِلَّا ٱخۡتِلَٰقٌ
আমরা তো সাম্প্রতিক ধর্মমতে ((মুহাম্মাদের তাওহীদের) এ কথা শুনিনি। এটি তো নিছক মিথ্যা-বানোয়াট কথা ছাড়া আর কিছু নয়।
-
৮
أَءُنزِلَ عَلَيۡهِ ٱلذِّكۡرُ مِنۢ بَيۡنِنَاۚ بَلۡ هُمۡ فِي شَكّٖ مِّن ذِكۡرِيۚ بَل لَّمَّا يَذُوقُواْ عَذَابِ
(মুশরিকরা বলল:) ‘আমাদের মধ্য থেকে শুধু তার ওপরই কি যিক্র (আল কুরআন) নাযিল করা হল?(১) বরং তারা আমার যিকরের ব্যাপারে সন্দেহে রয়েছে। বরং তারা এখনও আমার শাস্তি আস্বাদন করেনি।(২)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৯
أَمۡ عِندَهُمۡ خَزَآئِنُ رَحۡمَةِ رَبِّكَ ٱلۡعَزِيزِ ٱلۡوَهَّابِ
নাকি তোমার পরাক্রমশালী, মহাদাতা রবের রহমতের ভাণ্ডারসমূহ তাদের কাছেই রয়েছে?
-
১০
أَمۡ لَهُم مُّلۡكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَاۖ فَلۡيَرۡتَقُواْ فِي ٱلۡأَسۡبَٰبِ
নাকি আসমানসমূহ, জমিন এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রাজত্ব তাদের? তাহলে তারা উপায়-উপকরণে আরোহণ করুক।
-
১১
جُندٞ مَّا هُنَالِكَ مَهۡزُومٞ مِّنَ ٱلۡأَحۡزَابِ
এ বাহিনী অবশ্যই সেখানে দলসমূহের মত পরাজিত হবে। (১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১২
كَذَّبَتۡ قَبۡلَهُمۡ قَوۡمُ نُوحٖ وَعَادٞ وَفِرۡعَوۡنُ ذُو ٱلۡأَوۡتَادِ
তাদের পূর্বেও নূহের জাতি, ‘আদ সম্প্রদায় ও প্রতাপশালী অধিপতি ফির‘আউন (নবীদেরকে) অস্বীকার করেছিল।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১৩
وَثَمُودُ وَقَوۡمُ لُوطٖ وَأَصۡحَٰبُ لۡـَٔيۡكَةِۚ أُوْلَٰٓئِكَ ٱلۡأَحۡزَابُ
ছামূদ, লুত সম্প্রদায় ও আইকার অধিবাসীরা (শুআইবের জাতি)ও। এরাই ছিল ( মিথ্যারোপকারী) দলসমূহ।
-
১৪
إِن كُلٌّ إِلَّا كَذَّبَ ٱلرُّسُلَ فَحَقَّ عِقَابِ
তাদের প্রত্যেকেই রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল। ফলে আমার শাস্তি অবধারিত হয়েছিল।
-
১৫
وَمَا يَنظُرُ هَٰٓؤُلَآءِ إِلَّا صَيۡحَةٗ وَٰحِدَةٗ مَّا لَهَا مِن فَوَاقٖ
আর এরা তো কেবল (শিঙ্গায় ফুৎকারের) একটি বিকট আওয়াজের অপেক্ষা করছে, যাতে কোন বিরাম থাকবে না।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১৬
وَقَالُواْ رَبَّنَا عَجِّل لَّنَا قِطَّنَا قَبۡلَ يَوۡمِ ٱلۡحِسَابِ
আর তারা বলে: হে ‘আমাদের রব, হিসাব দিবসের আগেই (পার্থিব জীবনে) আমাদের প্রাপ্য অংশটুকু আমাদেরকে তাড়াতাড়ি দিয়ে দিন।’
-
১৭
ٱصۡبِرۡ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَٱذۡكُرۡ عَبۡدَنَا دَاوُۥدَ ذَا ٱلۡأَيۡدِۖ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌ
(হে রাসূল!) তারা যা বলে, সে বিষয়ে ধৈর্যধারণ কর এবং আমার (আনুগত্যে ও শত্রুর বিরোধিতায়) শক্তিশালী বান্দা দাঊদকে স্মরণ কর। নিশ্চয় সে ছিল আল্লাহর প্রতি সদা প্রত্যাবর্তনশীল।
-
১৮
إِنَّا سَخَّرۡنَا ٱلۡجِبَالَ مَعَهُۥ يُسَبِّحۡنَ بِٱلۡعَشِيِّ وَٱلۡإِشۡرَاقِ
নিশ্চয় আমি (দাঊদের সাথে) পর্বতমালাকে অনুগত করেছিলাম, তার সাথে এগুলো সকাল-সন্ধ্যায় আমার তাসবীহ পাঠ করত।
-
১৯
وَٱلطَّيۡرَ مَحۡشُورَةٗۖ كُلّٞ لَّهُۥٓ أَوَّابٞ
আর সমবেত পাখীদেরকেও ; প্রত্যেকেই ছিল অধিক আল্লাহ অভিমুখী।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২০
وَشَدَدۡنَا مُلۡكَهُۥ وَءَاتَيۡنَٰهُ ٱلۡحِكۡمَةَ وَفَصۡلَ ٱلۡخِطَابِ
আর আমি তার রাজত্বকে সুদৃঢ় করেছিলাম এবং তাকে হিকমত (নবুওয়াত) ও ফয়সালাকারী বাগ্মিতা(১) দিয়েছিলাম।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২১
۞ وَهَلۡ أَتَىٰكَ نَبَؤُاْ ٱلۡخَصۡمِ إِذۡ تَسَوَّرُواْ ٱلۡمِحۡرَابَ
আর হে রাসূল! তোমার কাছে কি ঝগড়াকারী লোকদের সংবাদ এসেছে? যখন তারা প্রাচীর ডিঙিয়ে মিহরাবে (দাঊদ এর ইবাদাতখানায়) আসল।
-
২২
إِذۡ دَخَلُواْ عَلَىٰ دَاوُۥدَ فَفَزِعَ مِنۡهُمۡۖ قَالُواْ لَا تَخَفۡۖ خَصۡمَانِ بَغَىٰ بَعۡضُنَا عَلَىٰ بَعۡضٖ فَٱحۡكُم بَيۡنَنَا بِٱلۡحَقِّ وَلَا تُشۡطِطۡ وَٱهۡدِنَآ إِلَىٰ سَوَآءِ ٱلصِّرَٰطِ
যখন তারা (উভয়ে আকস্মিকভাবে) দাঊদের কাছে প্রবেশ করল, তখন সে তাদের ভয় পেয়ে গেল। তারা (দাঊদকে) বলল: ‘আপনি ভয় করবেন না, আমরা বিবদমান দু’পক্ষ। আমাদের একে অন্যের উপর সীমালঙ্ঘন করেছে। অতএব আপনি আমাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করুন, অবিচার করবেন না। আর আমাদেরকে সরল-সঠিক পথের নির্দেশনা দিন।’
-
২৩
إِنَّ هَٰذَآ أَخِي لَهُۥ تِسۡعٞ وَتِسۡعُونَ نَعۡجَةٗ وَلِيَ نَعۡجَةٞ وَٰحِدَةٞ فَقَالَ أَكۡفِلۡنِيهَا وَعَزَّنِي فِي ٱلۡخِطَابِ
(বিবাদকারীদের একজন বললো:) ‘নিশ্চয় এ আমার ভাই। তার নিরানব্বইটি ভেড়ী আছে, আর আমার আছে মাত্র একটা ভেড়ী। তবুও সে বলে, ‘এ ভেড়ীটিও আমার তত্ত্বাবধানে দিয়ে দাও’, আর (প্রমাণ উপস্থাপনে) তর্কে সে আমার ওপর প্রাধান্য বিস্তার করেছে।’
-
২৪
قَالَ لَقَدۡ ظَلَمَكَ بِسُؤَالِ نَعۡجَتِكَ إِلَىٰ نِعَاجِهِۦۖ وَإِنَّ كَثِيرٗا مِّنَ ٱلۡخُلَطَآءِ لَيَبۡغِي بَعۡضُهُمۡ عَلَىٰ بَعۡضٍ إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَقَلِيلٞ مَّا هُمۡۗ وَظَنَّ دَاوُۥدُ أَنَّمَا فَتَنَّٰهُ فَٱسۡتَغۡفَرَ رَبَّهُۥ وَخَرَّۤ رَاكِعٗاۤ وَأَنَابَ۩
দাঊদ বলল: ‘তোমার ভেড়ীকে তার ভেড়ীর পালের সাথে যুক্ত করার দাবি করে সে তোমার প্রতি যুলম করেছে। আর শরীকদের অনেকেই একে অন্যের উপর সীমালঙ্ঘন করে থাকে। তবে কেবল তারাই এরূপ করে না, যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে। আর এরা সংখ্যায় খুবই কম।’ আর দাঊদ বুঝতে পারল যে, (এই দুজনের ঝগড়া দ্বারা) আমি তাকে পরীক্ষা করেছি। তারপর সে তার রবের কাছে ক্ষমা চাইল, সাজদায় লুটিয়ে পড়ল এবং তাঁর অভিমুখী হল।
-
২৫
فَغَفَرۡنَا لَهُۥ ذَٰلِكَۖ وَإِنَّ لَهُۥ عِندَنَا لَزُلۡفَىٰ وَحُسۡنَ مَـَٔابٖ
তখন আমি তাকে তা ক্ষমা করে দিলাম। আর অবশ্যই আমার কাছে তার জন্য রয়েছে নৈকট্য এবং উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।
-
২৬
يَٰدَاوُۥدُ إِنَّا جَعَلۡنَٰكَ خَلِيفَةٗ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَٱحۡكُم بَيۡنَ ٱلنَّاسِ بِٱلۡحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ ٱلۡهَوَىٰ فَيُضِلَّكَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَضِلُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ لَهُمۡ عَذَابٞ شَدِيدُۢ بِمَا نَسُواْ يَوۡمَ ٱلۡحِسَابِ
হে দাঊদ! নিশ্চয় আমি তোমাকে জমিনে খলীফা বানিয়েছি, অতএব তুমি মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার করো এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। কেননা তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। কারণ তারা হিসাব দিবসকে ভুলে গিয়েছিল।
-
২৭
وَمَا خَلَقۡنَا ٱلسَّمَآءَ وَٱلۡأَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَا بَٰطِلٗاۚ ذَٰلِكَ ظَنُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْۚ فَوَيۡلٞ لِّلَّذِينَ كَفَرُواْ مِنَ ٱلنَّارِ
আর আসমান, জমিন এবং এ দু’য়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তা আমি অনর্থক সৃষ্টি করিনি। অনর্থক সৃষ্টি করার ধারণাটি কেবল কাফিরদের। সুতরাং কাফিরদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের দুর্ভোগ।
-
২৮
أَمۡ نَجۡعَلُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ كَٱلۡمُفۡسِدِينَ فِي ٱلۡأَرۡضِ أَمۡ نَجۡعَلُ ٱلۡمُتَّقِينَ كَٱلۡفُجَّارِ
যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আমি কি তাদেরকে জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের সমতুল্য গণ্য করব? নাকি আমি মুত্তাকীদেরকে পাপাচারীদের সমতুল্য গণ্য করব?(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২৯
كِتَٰبٌ أَنزَلۡنَٰهُ إِلَيۡكَ مُبَٰرَكٞ لِّيَدَّبَّرُوٓاْ ءَايَٰتِهِۦ وَلِيَتَذَكَّرَ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ
আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি এক বরকতময় কিতাব (আল কুরআন), যাতে মানুষ এর আয়াতসমূহ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে এবং যাতে বুদ্ধিমানগণ (তা থেকে) উপদেশ গ্রহণ করে।
-
৩০
وَوَهَبۡنَا لِدَاوُۥدَ سُلَيۡمَٰنَۚ نِعۡمَ ٱلۡعَبۡدُ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌ
আর আমি দাঊদকে (পুত্র হিসাবে) সুলাইমানকে দান করলাম। সে কতই না উত্তম বান্দা! নিঃসন্দেহে সে ছিল অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী।
-
৩১
إِذۡ عُرِضَ عَلَيۡهِ بِٱلۡعَشِيِّ ٱلصَّٰفِنَٰتُ ٱلۡجِيَادُ
যখন তার সামনে সন্ধ্যাবেলায় পেশ করা হল, দ্রুতগামী উৎকৃষ্ট ঘোড়াসমূহ।
-
৩২
فَقَالَ إِنِّيٓ أَحۡبَبۡتُ حُبَّ ٱلۡخَيۡرِ عَن ذِكۡرِ رَبِّي حَتَّىٰ تَوَارَتۡ بِٱلۡحِجَابِ
তখন সে (সুলাইমান) বলল: ‘আমি তো আমার রবের স্মরণ থেকে বিমুখ হয়ে ঐশ্বর্যের প্রেমে মগ্ন হয়ে পড়েছি, এদিকে সূর্য পর্দার আড়ালে চলে গেছে(১)।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৩
رُدُّوهَا عَلَيَّۖ فَطَفِقَ مَسۡحَۢا بِٱلسُّوقِ وَٱلۡأَعۡنَاقِ
তিনি বললেন, ‘ঘোড়াগুলোকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনো।’ অতঃপর তিনি তাদের পা ও গলদেশে হাত বুলাতে লাগলেন।
-
৩৪
وَلَقَدۡ فَتَنَّا سُلَيۡمَٰنَ وَأَلۡقَيۡنَا عَلَىٰ كُرۡسِيِّهِۦ جَسَدٗا ثُمَّ أَنَابَ
আর আমি তো সুলাইমানকে পরীক্ষা করেছিলাম এবং তার সিংহাসনের ওপর রেখেছিলাম (অপূর্ণাঙ্গ) একটি দেহ(১), অতঃপর সে (তাওবা করে) আমার অভিমুখী হল।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৫
قَالَ رَبِّ ٱغۡفِرۡ لِي وَهَبۡ لِي مُلۡكٗا لَّا يَنۢبَغِي لِأَحَدٖ مِّنۢ بَعۡدِيٓۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلۡوَهَّابُ
সুলাইমান বলল: ‘হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন এক রাজত্ব দান করুন যা আমার পর আর কারও জন্যই প্রযোজ্য হবে না। নিশ্চয়ই আপনি বড়ই দানশীল।
-
৩৬
فَسَخَّرۡنَا لَهُ ٱلرِّيحَ تَجۡرِي بِأَمۡرِهِۦ رُخَآءً حَيۡثُ أَصَابَ
ফলে আমি বায়ুকে তার অনুগত করে দিলাম, যা তার আদেশে মৃদুমন্দভাবে যেখানে সে পৌঁছাতে চাইত প্রবাহিত হত।
-
৩৭
وَٱلشَّيَٰطِينَ كُلَّ بَنَّآءٖ وَغَوَّاصٖ
আর (তার অনুগত করে দিলাম) প্রত্যেক প্রাসাদ নির্মাণকারী ও ডুবুরী শয়তান (জিন)সমূহকেও।
-
৩৮
وَءَاخَرِينَ مُقَرَّنِينَ فِي ٱلۡأَصۡفَادِ
আর শেকলে আবদ্ধ আরও অনেককে ।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৯
هَٰذَا عَطَآؤُنَا فَٱمۡنُنۡ أَوۡ أَمۡسِكۡ بِغَيۡرِ حِسَابٖ
এসব আমার অনুগ্রহ। অতএব তুমি এ থেকে অন্যের জন্য খরচ করো অথবা নিজের জন্য রেখে দাও, এর কোন হিসাব নেওয়া হবে না।
-
৪০
وَإِنَّ لَهُۥ عِندَنَا لَزُلۡفَىٰ وَحُسۡنَ مَـَٔابٖ
আর নিশ্চয় আমার নিকট রয়েছে তার জন্য নৈকট্য ও উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।
-
৪১
وَٱذۡكُرۡ عَبۡدَنَآ أَيُّوبَ إِذۡ نَادَىٰ رَبَّهُۥٓ أَنِّي مَسَّنِيَ ٱلشَّيۡطَٰنُ بِنُصۡبٖ وَعَذَابٍ
হে রাসূল! স্মরণ কর আমার বান্দা আইউবকে, যখন সে তার রবকে ডেকে বলেছিল: ‘শয়তান তো আমাকে অনেক যন্ত্রণা ও কষ্টে ফেলেছে।’
-
৪২
ٱرۡكُضۡ بِرِجۡلِكَۖ هَٰذَا مُغۡتَسَلُۢ بَارِدٞ وَشَرَابٞ
‘তুমি তোমার পা দিয়ে (ভূমিতে) আঘাত করো, এ হচ্ছে গোসলের সুশীতল পানি আর পান করার পানীয়।’(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৩
وَوَهَبۡنَا لَهُۥٓ أَهۡلَهُۥ وَمِثۡلَهُم مَّعَهُمۡ رَحۡمَةٗ مِّنَّا وَذِكۡرَىٰ لِأُوْلِي ٱلۡأَلۡبَٰبِ
আর (তার ধৈর্যের প্রতিদান হিসেবে) আমার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ ও বুদ্ধিমানদের জন্য উপদেশস্বরূপ আমি তাকে তার পরিবার-পরিজন ও তাদের সাথে তাদের অনুরূপ অনেককে দান করলাম ।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৪
وَخُذۡ بِيَدِكَ ضِغۡثٗا فَٱضۡرِب بِّهِۦ وَلَا تَحۡنَثۡۗ إِنَّا وَجَدۡنَٰهُ صَابِرٗاۚ نِّعۡمَ ٱلۡعَبۡدُ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٞ
আর তুমি তোমার হাতে এক মুঠো তৃণলতা নাও এবং তা দিয়ে (স্বীয় স্ত্রীকে একশ) বেত্রাঘাত কর। আর শপথ ভঙ্গ করো না।(১) নিশ্চয় আমি তাকে ধৈর্যশীল পেয়েছি। সে কতই না উত্তম বান্দা! নিশ্চয়ই সে ছিল আমার অভিমুখী।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৫
وَٱذۡكُرۡ عِبَٰدَنَآ إِبۡرَٰهِيمَ وَإِسۡحَٰقَ وَيَعۡقُوبَ أُوْلِي ٱلۡأَيۡدِي وَٱلۡأَبۡصَٰرِ
আর (হে রাসূল!) আমার বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়া‘কূবকে স্মরণ কর। তারা ছিল (আল্লাহর আনুগত্যে) শক্তিমান এবং সত্য উপলব্ধিতে প্রখর।
-
৪৬
إِنَّآ أَخۡلَصۡنَٰهُم بِخَالِصَةٖ ذِكۡرَى ٱلدَّارِ
নিশ্চয় আমি তাদেরকে এক বিশেষ গুণে বিশিষ্ট করেছি, আখিরাতের আবাসের স্মরণে।
-
৪৭
وَإِنَّهُمۡ عِندَنَا لَمِنَ ٱلۡمُصۡطَفَيۡنَ ٱلۡأَخۡيَارِ
আর নিশ্চয় তারা ছিল আমার মনোনীত, সর্বোত্তম বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
-
৪৮
وَٱذۡكُرۡ إِسۡمَٰعِيلَ وَٱلۡيَسَعَ وَذَا ٱلۡكِفۡلِۖ وَكُلّٞ مِّنَ ٱلۡأَخۡيَارِ
হে রাসূল! স্মরণ কর ইসমাঈল, আল-ইয়াসা‘আ ও যুল-কিফলের কথা। এরা প্রত্যেকেই ছিল (আল্লাহর মনোনীত) সর্বোত্তমদের অন্তর্ভুক্ত।
-
৪৯
هَٰذَا ذِكۡرٞۚ وَإِنَّ لِلۡمُتَّقِينَ لَحُسۡنَ مَـَٔابٖ
এ আল কুরআন হলো এক স্মরণ। আর মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রয়েছে উত্তম নিবাস-
-
৫০
جَنَّٰتِ عَدۡنٖ مُّفَتَّحَةٗ لَّهُمُ ٱلۡأَبۡوَٰبُ
চিরস্থায়ী জান্নাত, যার দরজাসমূহ তাদের প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
-
৫১
مُتَّكِـِٔينَ فِيهَا يَدۡعُونَ فِيهَا بِفَٰكِهَةٖ كَثِيرَةٖ وَشَرَابٖ
সেখানে তারা হেলান দিয়ে আসীন থাকবে, সেখানে তারা বহু ফলমূল ও পানীয় চাইবে।
-
৫২
۞ وَعِندَهُمۡ قَٰصِرَٰتُ ٱلطَّرۡفِ أَتۡرَابٌ
আর তাদের পাশে থাকবে আনতনয়না সমবয়ষ্কা (হূর)।
-
৫৩
هَٰذَا مَا تُوعَدُونَ لِيَوۡمِ ٱلۡحِسَابِ
এসব (নি‘আমত) হচ্ছে, হিসাব দিবসের জন্যে তোমাদেরকে দেয়া প্ৰতিশ্রুতি।
-
৫৪
إِنَّ هَٰذَا لَرِزۡقُنَا مَا لَهُۥ مِن نَّفَادٍ
নিশ্চয় এটি আমার দেয়া রিযক, যা নিঃশেষ হবার নয়।
-
৫৫
هَٰذَاۚ وَإِنَّ لِلطَّٰغِينَ لَشَرَّ مَـَٔابٖ
এটাই (মুমিনদের প্রতিদান)। আর নিশ্চয়ই সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।
-
৫৬
جَهَنَّمَ يَصۡلَوۡنَهَا فَبِئۡسَ ٱلۡمِهَادُ
জাহান্নাম, তারা সেখানে অগ্নিদগ্ধ হবে। কতই না নিকৃষ্ট সে নিবাস!
-
৫৭
هَٰذَا فَلۡيَذُوقُوهُ حَمِيمٞ وَغَسَّاقٞ
এটাই (তাদের শাস্তি)। সুতরাং তারা এটি আস্বাদন করুক ফুটন্ত পানি ও পুঁজ।
-
৫৮
وَءَاخَرُ مِن شَكۡلِهِۦٓ أَزۡوَٰجٌ
(তাদের জন্য) আরও রয়েছে এ জাতীয় বিভিন্ন ধরনের শাস্তি।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৫৯
هَٰذَا فَوۡجٞ مُّقۡتَحِمٞ مَّعَكُمۡ لَا مَرۡحَبَۢا بِهِمۡۚ إِنَّهُمۡ صَالُواْ ٱلنَّارِ
(জাহান্নামীরা বিবাদ করে একে অপরকে বলবে:) এই তো এক দল তোমাদের সাথেই প্রবেশ করছে, (প্রতিউত্তরে অপর দল বলবে:) তাদের জন্য নেই কোন অভিনন্দন। নিশ্চয় তারা (জাহান্নামের) আগুনে জ্বলবে।
-
৬০
قَالُواْ بَلۡ أَنتُمۡ لَا مَرۡحَبَۢا بِكُمۡۖ أَنتُمۡ قَدَّمۡتُمُوهُ لَنَاۖ فَبِئۡسَ ٱلۡقَرَارُ
অনুসারীরা (অনুসরণীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে) বলবে: ‘বরং তোমরাও, তোমাদের জন্যও তো নেই কোন অভিনন্দন। তোমরাই আমাদের জন্য এ বিপদ এনেছ। অতএব কতই না নিকৃষ্ট এ আবাসস্থল’!
-
৬১
قَالُواْ رَبَّنَا مَن قَدَّمَ لَنَا هَٰذَا فَزِدۡهُ عَذَابٗا ضِعۡفٗا فِي ٱلنَّارِ
অনুসারীরা বলবে: ‘হে আমাদের রব, যে আমাদের জন্য এ বিপদ এনেছে, জাহান্নামে তুমি তার শাস্তিকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দাও।’
-
৬২
وَقَالُواْ مَا لَنَا لَا نَرَىٰ رِجَالٗا كُنَّا نَعُدُّهُم مِّنَ ٱلۡأَشۡرَارِ
আর তারা (সীমালঙ্ঘনকারীরা) বলবে: ‘আমাদের কী হল যে, আমরা যাদেরকে হতভাগা গণ্য করতাম সে সকল লোককে এখানে দেখছি না।’
-
৬৩
أَتَّخَذۡنَٰهُمۡ سِخۡرِيًّا أَمۡ زَاغَتۡ عَنۡهُمُ ٱلۡأَبۡصَٰرُ
‘তবে কি আমরা তাদেরকে অহেতুকই ঠাট্টা বিদ্রুপের পাত্র মনে করতাম, নাকি তাদের ব্যাপারে (আমাদের) দৃষ্টি বিভ্রম ঘটেছে?’(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬৪
إِنَّ ذَٰلِكَ لَحَقّٞ تَخَاصُمُ أَهۡلِ ٱلنَّارِ
নিশ্চয় জাহান্নামীদের এই পারস্পরিক বাকবিতণ্ডা এটি সুনিশ্চিত সত্য (ঘটনা)।
-
৬৫
قُلۡ إِنَّمَآ أَنَا۠ مُنذِرٞۖ وَمَا مِنۡ إِلَٰهٍ إِلَّا ٱللَّهُ ٱلۡوَٰحِدُ ٱلۡقَهَّارُ
হে রাসূল! তুমি বলো: ‘আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র। আল্লাহ ছাড়া আর কোন (সত্য) ইলাহ নেই। যিনি এক, প্রবল প্রতাপশালী।’
-
৬৬
رَبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَا ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡغَفَّٰرُ
যিনি আসমানসমূহ ও জমিন এবং এতদুভয়ের মধ্যস্থিত যা কিছু রয়েছে, সব কিছুর রব। তিনি মহাপরাক্রমশালী, মহাক্ষমাশীল।
-
৬৭
قُلۡ هُوَ نَبَؤٌاْ عَظِيمٌ
হে রাসূল! তুমি বলো: ‘অবশ্যই এটি এক মহাসংবাদ।’
-
৬৮
أَنتُمۡ عَنۡهُ مُعۡرِضُونَ
‘তোমরা এ মহা সংবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে আছ।’
-
৬৯
مَا كَانَ لِيَ مِنۡ عِلۡمِۭ بِٱلۡمَلَإِ ٱلۡأَعۡلَىٰٓ إِذۡ يَخۡتَصِمُونَ
‘ঊর্ধ্বলোক সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞানই ছিল না যখন তারা বাদানুবাদ করছিল।’(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭০
إِن يُوحَىٰٓ إِلَيَّ إِلَّآ أَنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٞ مُّبِينٌ
আমার কাছে তো এ ওহীই এসেছে যে, আমি একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’
-
৭১
إِذۡ قَالَ رَبُّكَ لِلۡمَلَٰٓئِكَةِ إِنِّي خَٰلِقُۢ بَشَرٗا مِّن طِينٖ
হে রাসূল! তুমি সে সময়ের কথা স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফিরিশতাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন: ‘নিশ্চয় আমি মাটি হতে মানুষ (আদমকে) সৃষ্টি করব।’
-
৭২
فَإِذَا سَوَّيۡتُهُۥ وَنَفَخۡتُ فِيهِ مِن رُّوحِي فَقَعُواْ لَهُۥ سَٰجِدِينَ
‘অতঃপর যখন আমি তাকে সুঠাম করব এবং তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিবো, তখন তোমরা তার সম্মানে সাজদাবনত হয়ে যাও।’
-
৭৩
فَسَجَدَ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ كُلُّهُمۡ أَجۡمَعُونَ
ফলে ফিরিশতারা (স্বীয় রবের নির্দেশে) সকলেই সাজদাবনত হল।
-
৭৪
إِلَّآ إِبۡلِيسَ ٱسۡتَكۡبَرَ وَكَانَ مِنَ ٱلۡكَٰفِرِينَ
ইবলীস (শয়তান) ছাড়া, সে অহংকার করল এবং কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ল।
-
৭৫
قَالَ يَٰٓإِبۡلِيسُ مَا مَنَعَكَ أَن تَسۡجُدَ لِمَا خَلَقۡتُ بِيَدَيَّۖ أَسۡتَكۡبَرۡتَ أَمۡ كُنتَ مِنَ ٱلۡعَالِينَ
আল্লাহ বললেন: ‘হে ইবলীস, আমি আমার দু’হাতে যাকে (আদমকে) সৃষ্টি করেছি তার প্রতি সাজদাবনত হতে কিসে তোমাকে বাধা দিল? তুমি কি অহংকার করলে, না তুমি অধিকতর উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন?’
-
৭৬
قَالَ أَنَا۠ خَيۡرٞ مِّنۡهُ خَلَقۡتَنِي مِن نَّارٖ وَخَلَقۡتَهُۥ مِن طِينٖ
ইবলীস বলল: ‘আমি তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন আগুন থেকে আর তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে।’(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭৭
قَالَ فَٱخۡرُجۡ مِنۡهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٞ
তিনি ( ইবলীসকে) বললেন: ‘তুমি এখান (জান্নাত) থেকে বের হয়ে যাও। কেননা নিশ্চয় তুমি অভিশপ্ত বিতাড়িত।
-
৭৮
وَإِنَّ عَلَيۡكَ لَعۡنَتِيٓ إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلدِّينِ
আর নিশ্চয় বিচার দিবস পর্যন্ত তোমার ওপর আমার লা‘নত বলবৎ থাকবে।’
-
৭৯
قَالَ رَبِّ فَأَنظِرۡنِيٓ إِلَىٰ يَوۡمِ يُبۡعَثُونَ
সে (ইবলীস) বলল: ‘হে আমার রব, আমাকে সে দিন পর্যন্ত অবকাশ দিন, যেদিন তারা পুনরুত্থিত হবে।’
-
৮০
قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ ٱلۡمُنظَرِينَ
আল্লাহ বললেন: আচ্ছা তুমি অবকাশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হলে-
-
৮১
إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡوَقۡتِ ٱلۡمَعۡلُومِ
‘ নির্ধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।'
-
৮২
قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَأُغۡوِيَنَّهُمۡ أَجۡمَعِينَ
সে (ইবলীস) বলল: ‘আপনার ইজ্জতের শপথ! আমি তাদের সকলকেই পথভ্রষ্ট করে ছাড়ব।’
-
৮৩
إِلَّا عِبَادَكَ مِنۡهُمُ ٱلۡمُخۡلَصِينَ
তবে তাদের মধ্য থেকে আপনার একনিষ্ঠ বান্দারা ছাড়া।
-
৮৪
قَالَ فَٱلۡحَقُّ وَٱلۡحَقَّ أَقُولُ
আল্লাহ বললেন: ‘সত্য আমার পক্ষ থেকে, আর আমি সত্য-ই বলি...
-
৮৫
لَأَمۡلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنكَ وَمِمَّن تَبِعَكَ مِنۡهُمۡ أَجۡمَعِينَ
আমি অবশ্যই জাহান্নামকে তোমাকে এবং তাদের মধ্য থেকে যারা তোমার অনুসরণ করবে, তাদের সবাইকে দিয়ে পরিপূর্ণ করব।
-
৮৬
قُلۡ مَآ أَسۡـَٔلُكُمۡ عَلَيۡهِ مِنۡ أَجۡرٖ وَمَآ أَنَا۠ مِنَ ٱلۡمُتَكَلِّفِينَ
হে রাসূল! তুমি বলো: ‘এর বিনিময়ে আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না, আর আমি লৌকিকতা প্রদর্শনকারীদের অন্তর্ভুক্ত নই।’
-
৮৭
إِنۡ هُوَ إِلَّا ذِكۡرٞ لِّلۡعَٰلَمِينَ
সৃষ্টিকুলের জন্য এ ( কুরআন) তো উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়।
-
৮৮
وَلَتَعۡلَمُنَّ نَبَأَهُۥ بَعۡدَ حِينِۭ
আর অচিরেই তোমরা (মৃত্যুর পরে) এর সংবাদ জানতে পারবে।
অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.
আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).
এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।