আল-আনফাল
الأنفال
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
-
১
يَسۡـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلۡأَنفَالِۖ قُلِ ٱلۡأَنفَالُ لِلَّهِ وَٱلرَّسُولِۖ فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَصۡلِحُواْ ذَاتَ بَيۡنِكُمۡۖ وَأَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓ إِن كُنتُم مُّؤۡمِنِينَ
লোকেরা তোমাকে আনফাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। তুমি বলো: ‘যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আল্লাহ ও রাসূলের জন্যে।(১) সুতরাং তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো এবং পরস্পরের মধ্যকার অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো; যদি তোমরা মু’মিন হও।’
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২
إِنَّمَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ٱلَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ ٱللَّهُ وَجِلَتۡ قُلُوبُهُمۡ وَإِذَا تُلِيَتۡ عَلَيۡهِمۡ ءَايَٰتُهُۥ زَادَتۡهُمۡ إِيمَٰنٗا وَعَلَىٰ رَبِّهِمۡ يَتَوَكَّلُونَ
মু’মিন তো তারাই, যাদের সামনে আল্লাহকে স্মরণ করা হলে, তাদের অন্তর কেঁপে উঠে এবং তাঁর আয়াতসমূহ তাদের কাছে তিলাওয়াত করা হলে, তা তাদের ঈমান বর্ধিত করে। আর তারা তাদের রবের ওপরই নির্ভর করে।
-
৩
ٱلَّذِينَ يُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَمِمَّا رَزَقۡنَٰهُمۡ يُنفِقُونَ
যারা সালাত কায়ম করে এবং আমি তাদেরকে যা রিযক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।
-
৪
أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ حَقّٗاۚ لَّهُمۡ دَرَجَٰتٌ عِندَ رَبِّهِمۡ وَمَغۡفِرَةٞ وَرِزۡقٞ كَرِيمٞ
তারাই প্রকৃত মু’’মিন। তাদের রবের কাছে তাদের জন্যে রয়েছে সুউচ্চ মর্যাদাসমূহ, ক্ষমা এবং সম্মানজনক রিযক।
-
৫
كَمَآ أَخۡرَجَكَ رَبُّكَ مِنۢ بَيۡتِكَ بِٱلۡحَقِّ وَإِنَّ فَرِيقٗا مِّنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ لَكَٰرِهُونَ
এটা এমন(১), যেভাবে তোমার রব তোমাকে ন্যায়ভাবে নিজ ঘর থেকে বের করেছিলেন; অথচ মু’মিনদের এক দল তা অপছন্দ করেছিল।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬
يُجَٰدِلُونَكَ فِي ٱلۡحَقِّ بَعۡدَ مَا تَبَيَّنَ كَأَنَّمَا يُسَاقُونَ إِلَى ٱلۡمَوۡتِ وَهُمۡ يَنظُرُونَ
সত্য(১) স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হওয়ার পরও তারা তোমার সাথে বিতর্ক করছে। যেন তাদেরকে মৃত্যুর দিকে হাঁকিয়ে নেয়া হচ্ছে, আর তারা তা দেখছে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭
وَإِذۡ يَعِدُكُمُ ٱللَّهُ إِحۡدَى ٱلطَّآئِفَتَيۡنِ أَنَّهَا لَكُمۡ وَتَوَدُّونَ أَنَّ غَيۡرَ ذَاتِ ٱلشَّوۡكَةِ تَكُونُ لَكُمۡ وَيُرِيدُ ٱللَّهُ أَن يُحِقَّ ٱلۡحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَيَقۡطَعَ دَابِرَ ٱلۡكَٰفِرِينَ
আর তোমরা স্মরণ করো, যখন আল্লাহ তোমাদেরকে দু’দলের একটির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, নিশ্চয় তা তোমাদের আয়ত্তাধীন হবে। আর তোমরা কামনা করছিলে যে, নিরস্ত্র দলটি তোমাদের আয়ত্তাধীন হোক। কিন্তু আল্লাহ চাচ্ছিলেন যে, তিনি তাঁর বাণীসমূহের মাধ্যমে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করবেন এবং কাফিরদেরকে নির্মূল করবেন।
-
৮
لِيُحِقَّ ٱلۡحَقَّ وَيُبۡطِلَ ٱلۡبَٰطِلَ وَلَوۡ كَرِهَ ٱلۡمُجۡرِمُونَ
যাতে তিনি সত্যকে সত্য হিসেবে এবং বাতিলকে বাতিল হিসেবে প্রমাণিত করেন; যদিও অপরাধীরা তা অপছন্দ করে।
-
৯
إِذۡ تَسۡتَغِيثُونَ رَبَّكُمۡ فَٱسۡتَجَابَ لَكُمۡ أَنِّي مُمِدُّكُم بِأَلۡفٖ مِّنَ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ مُرۡدِفِينَ
তোমরা স্মরণ করো, যখন তোমরা তোমাদের রবের নিকটে সহযোগিতার প্রার্থনা করছিলে, অতঃপর তিনি তোমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন যে, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে ধারাবাহিকভাবে একের পর এক আগমনকারী এক হাজার ফিরিশতা দিয়ে সাহায্য করবো।’
-
১০
وَمَا جَعَلَهُ ٱللَّهُ إِلَّا بُشۡرَىٰ وَلِتَطۡمَئِنَّ بِهِۦ قُلُوبُكُمۡۚ وَمَا ٱلنَّصۡرُ إِلَّا مِنۡ عِندِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
আর আল্লাহ এটা করেছেন শুধু সুসংবাদ স্বরূপ এবং যাতে তোমাদের অন্তরসমূহ এর দ্বারা প্রশান্তি লাভ করে। আর সাহায্য তো শুধু আল্লাহর কাছ থেকেই আসে। নিশ্চয় আল্লাহ প্রবল পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
-
১১
إِذۡ يُغَشِّيكُمُ ٱلنُّعَاسَ أَمَنَةٗ مِّنۡهُ وَيُنَزِّلُ عَلَيۡكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ لِّيُطَهِّرَكُم بِهِۦ وَيُذۡهِبَ عَنكُمۡ رِجۡزَ ٱلشَّيۡطَٰنِ وَلِيَرۡبِطَ عَلَىٰ قُلُوبِكُمۡ وَيُثَبِّتَ بِهِ ٱلۡأَقۡدَامَ
তোমরা স্মরণ করো, যখন তিনি তাঁর পক্ষ থেকে স্বস্তির জন্য তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেন এবং আকাশ থেকে তোমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন, যাতে এর মাধ্যমে তিনি তোমাদেরকে পবিত্র করেন, তোমাদের থেকে শয়তানের কুমন্ত্রণা দূর করেন, তোমাদের অন্তরসমূহ সুদৃঢ় রাখেন এবং এর মাধ্যমে তোমাদের পাসমূহ স্থির রাখেন।
-
১২
إِذۡ يُوحِي رَبُّكَ إِلَى ٱلۡمَلَٰٓئِكَةِ أَنِّي مَعَكُمۡ فَثَبِّتُواْ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْۚ سَأُلۡقِي فِي قُلُوبِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ ٱلرُّعۡبَ فَٱضۡرِبُواْ فَوۡقَ ٱلۡأَعۡنَاقِ وَٱضۡرِبُواْ مِنۡهُمۡ كُلَّ بَنَانٖ
(হে নবী!) স্মরণ করো, যখন (বদর যুদ্ধে) তোমার রব ফিরিশতাদের প্রতি ওহী প্রেরণ করেন যে, ‘নিশ্চয় আমি (সাহায্য-সহযোগিতায়) তোমাদের সাথে আছি। সুতরাং তোমরা মু’মিনদের মনোবলকে অবিচল রাখো।’ যারা কুফরি করেছে অচিরেই আমি তাদের অন্তরে ভীতির সঞ্চার করবো। কাজেই তোমরা (কাফিরদের ভাগে নিয়ে এসে) আঘাত করো তাদের ঘাড়ের ওপরে এবং আঘাত করো তাদের (হাড়ের) গিরায় গিরায়।
-
১৩
ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمۡ شَآقُّواْ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥۚ وَمَن يُشَاقِقِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ فَإِنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ
এটি(১) এ কারণে যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করেছে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করবে, নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি দানে কঠোর।(২)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১৪
ذَٰلِكُمۡ فَذُوقُوهُ وَأَنَّ لِلۡكَٰفِرِينَ عَذَابَ ٱلنَّارِ
উক্ত শাস্তি তোমাদেরই জন্য। সুতরাং তোমরা এর স্বাদ গ্রহণ করো। আর নিশ্চয় কাফিরদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি।
-
১৫
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا لَقِيتُمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ زَحۡفٗا فَلَا تُوَلُّوهُمُ ٱلۡأَدۡبَارَ
হে মুমিনগণ! পরস্পর নিকটবর্তী অবস্থায় তোমরা যখন যুদ্ধের ময়দানে কাফিরদের মুখোমুখি হবে, তখন তাদেরকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করোনা।
-
১৬
وَمَن يُوَلِّهِمۡ يَوۡمَئِذٖ دُبُرَهُۥٓ إِلَّا مُتَحَرِّفٗا لِّقِتَالٍ أَوۡ مُتَحَيِّزًا إِلَىٰ فِئَةٖ فَقَدۡ بَآءَ بِغَضَبٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَمَأۡوَىٰهُ جَهَنَّمُۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمَصِيرُ
আর যে ব্যক্তি সেদিন যুদ্ধের কৌশল অবলম্বন অথবা নিজ দলে যোগ দেয়ার উদ্দেশ্য ব্যতীত তাদেরকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে, তাহলে সে আল্লাহর ক্রোধ নিয়ে ফিরে আসবে এবং তার আশ্রয় হবে জাহান্নাম। আর সেটি কতইনা নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল!
-
১৭
فَلَمۡ تَقۡتُلُوهُمۡ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ قَتَلَهُمۡۚ وَمَا رَمَيۡتَ إِذۡ رَمَيۡتَ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ رَمَىٰ وَلِيُبۡلِيَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ مِنۡهُ بَلَآءً حَسَنًاۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٞ
সুতরাং তোমরা তাদেরকে (মুশরিকদেরকে) হত্যা করোনি; বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন। আর তুমি (মুশরিকদের দিকে ধূলি) নিক্ষেপ করোনি, যখন তুমি নিক্ষেপ করেছিলে; বরং আল্লাহই নিক্ষেপ করেছেন। আর তিনি তা এ জন্য করেছেন, যাতে তিনি তাঁর পক্ষ থেকে মু’মিনদেরকে উত্তমভাবে পরীক্ষা করতে পারেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
-
১৮
ذَٰلِكُمۡ وَأَنَّ ٱللَّهَ مُوهِنُ كَيۡدِ ٱلۡكَٰفِرِينَ
এটা ছিলো তোমাদেরই জন্যে।(১) আর নিশ্চই আল্লাহ কাফিরদের ষড়যন্ত্র দুর্বল করে দেন।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
১৯
إِن تَسۡتَفۡتِحُواْ فَقَدۡ جَآءَكُمُ ٱلۡفَتۡحُۖ وَإِن تَنتَهُواْ فَهُوَ خَيۡرٞ لَّكُمۡۖ وَإِن تَعُودُواْ نَعُدۡ وَلَن تُغۡنِيَ عَنكُمۡ فِئَتُكُمۡ شَيۡـٔٗا وَلَوۡ كَثُرَتۡ وَأَنَّ ٱللَّهَ مَعَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ
যদি তোমরা বিজয় কামনা করে থাকো, তাহলে তো তোমাদের নিকট বিজয় এসে গিয়েছে।(১) আর যদি তোমরা বিরত হও, তাহলে সেটি তোমাদের জন্যই কল্যাণকর। কিন্তু যদি তোমরা আবার যুদ্ধ করতে আসো, তবে আমিও আবার শাস্তি নিয়ে আসবো। আর তোমাদের দল সংখ্যায় বেশি হলেও, তোমাদের কোনো উপকারে আসবে না। আর নিশ্চয় আল্লাহ মু’মিনদের সাথে আছেন।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২০
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَلَا تَوَلَّوۡاْ عَنۡهُ وَأَنتُمۡ تَسۡمَعُونَ
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো এবং তোমরা যখন তাঁর কথা শোন, তখন তা হতে মুখ ফিরিয়ে নিও না।
-
২১
وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ قَالُواْ سَمِعۡنَا وَهُمۡ لَا يَسۡمَعُونَ
আর তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা বলে, ‘আমরা শুনলাম’; আসলে তারা শুনে না।
-
২২
۞ إِنَّ شَرَّ ٱلدَّوَآبِّ عِندَ ٱللَّهِ ٱلصُّمُّ ٱلۡبُكۡمُ ٱلَّذِينَ لَا يَعۡقِلُونَ
নিশ্চয় আল্লাহর নিকট সর্বনিকৃষ্ট বিচরণশীল প্রাণী হচ্ছে, বধির, বোবা, যারা বুঝতে চায় না।
-
২৩
وَلَوۡ عَلِمَ ٱللَّهُ فِيهِمۡ خَيۡرٗا لَّأَسۡمَعَهُمۡۖ وَلَوۡ أَسۡمَعَهُمۡ لَتَوَلَّواْ وَّهُم مُّعۡرِضُونَ
আর আল্লাহ যদি তাদের মধ্যে কোন কল্যাণ আছে বলে জানতেন, তবে অবশ্যই তাদেরকে (কল্যাণকর কিছু) শুনাতেন। কিন্তু তিনি তাদেরকে শুনালেও তারা বিমুখ অবস্থায় মুখ ফিরিয়ে নিত।
-
২৪
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱسۡتَجِيبُواْ لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمۡ لِمَا يُحۡيِيكُمۡۖ وَٱعۡلَمُوٓاْ أَنَّ ٱللَّهَ يَحُولُ بَيۡنَ ٱلۡمَرۡءِ وَقَلۡبِهِۦ وَأَنَّهُۥٓ إِلَيۡهِ تُحۡشَرُونَ
হে মুমিনগণ! রাসূল যখন তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে ডাকে, যা তোমাদেরকে প্রাণবন্ত করে, তখন তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের সেই ডাকে সাড়া দাও। জেনে রাখো, নিশ্চয় আল্লাহ ব্যক্তি ও তার অন্তরের মাঝে অন্তরায় হন।(১) আর নিশ্চয় তাঁর নিকট তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২৫
وَٱتَّقُواْ فِتۡنَةٗ لَّا تُصِيبَنَّ ٱلَّذِينَ ظَلَمُواْ مِنكُمۡ خَآصَّةٗۖ وَٱعۡلَمُوٓاْ أَنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ
আর তোমরা ভয় করো ফিতনাকে যা তোমাদের মধ্যকার বিশেষভাবে শুধু যালিমদের ওপরই আপতিত হবে না।(১) আর জেনে রাখো, নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি প্রদানে কঠোর।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
২৬
وَٱذۡكُرُوٓاْ إِذۡ أَنتُمۡ قَلِيلٞ مُّسۡتَضۡعَفُونَ فِي ٱلۡأَرۡضِ تَخَافُونَ أَن يَتَخَطَّفَكُمُ ٱلنَّاسُ فَـَٔاوَىٰكُمۡ وَأَيَّدَكُم بِنَصۡرِهِۦ وَرَزَقَكُم مِّنَ ٱلطَّيِّبَٰتِ لَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ
আর স্মরণ কর, যখন তোমরা ছিলে অল্প সংখ্যক, পৃথিবীতে তোমাদেরকে দুর্বল মনে করা হতো। তোমরা আশঙ্কা করতে যে, লোকেরা তোমাদেরকে ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে যাবে। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে আশ্রয় দিয়েছেন, নিজ সাহায্য দ্বারা তোমাদেরকে শক্তিশালী করেছেন এবং তোমাদেরকে পবিত্র রিযক দান করেছেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।
-
২৭
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَخُونُواْ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ وَتَخُونُوٓاْ أَمَٰنَٰتِكُمۡ وَأَنتُمۡ تَعۡلَمُونَ
হে তোমরা যারা ঈমান এনেছ! জেনে-বুঝে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করো না এবং তোমাদের পরস্পরের আমানতের খিয়ানত করো না।
-
২৮
وَٱعۡلَمُوٓاْ أَنَّمَآ أَمۡوَٰلُكُمۡ وَأَوۡلَٰدُكُمۡ فِتۡنَةٞ وَأَنَّ ٱللَّهَ عِندَهُۥٓ أَجۡرٌ عَظِيمٞ
আর জেনে রাখো, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি ফিতনা । আর মহা পুরস্কার তো নিশ্চয় আল্লাহর কাছেই রয়েছে।
-
২৯
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِن تَتَّقُواْ ٱللَّهَ يَجۡعَل لَّكُمۡ فُرۡقَانٗا وَيُكَفِّرۡ عَنكُمۡ سَيِّـَٔاتِكُمۡ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡۗ وَٱللَّهُ ذُو ٱلۡفَضۡلِ ٱلۡعَظِيمِ
হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকে ভয় করো, তাহলে তিনি তোমাদের জন্য ফুরকান দান করবেন, তোমাদের থেকে তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
-
৩০
وَإِذۡ يَمۡكُرُ بِكَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لِيُثۡبِتُوكَ أَوۡ يَقۡتُلُوكَ أَوۡ يُخۡرِجُوكَۚ وَيَمۡكُرُونَ وَيَمۡكُرُ ٱللَّهُۖ وَٱللَّهُ خَيۡرُ ٱلۡمَٰكِرِينَ
আর তুমি স্মরণ করো, যখন কাফিররা তোমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছিল, তোমাকে বন্দী করতে অথবা তোমাকে হত্যা করতে কিংবা তোমাকে দেশ থেকে বের করে দিতে। আর তারা ষড়যন্ত্র করছিল এবং আল্লাহও পাল্টা কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। আর আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ কৌশলী।
-
৩১
وَإِذَا تُتۡلَىٰ عَلَيۡهِمۡ ءَايَٰتُنَا قَالُواْ قَدۡ سَمِعۡنَا لَوۡ نَشَآءُ لَقُلۡنَا مِثۡلَ هَٰذَآ إِنۡ هَٰذَآ إِلَّآ أَسَٰطِيرُ ٱلۡأَوَّلِينَ
আর তাদের কাছে যখন আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তখন তারা বলে: ‘আমরা তো শুনলাম। ইচ্ছে করলে আমরাও এর মত করে বলতে পারি। এতো পূর্বসূরিদের কল্পকাহিনি ছাড়া আর কিছু নয়।’
-
৩২
وَإِذۡ قَالُواْ ٱللَّهُمَّ إِن كَانَ هَٰذَا هُوَ ٱلۡحَقَّ مِنۡ عِندِكَ فَأَمۡطِرۡ عَلَيۡنَا حِجَارَةٗ مِّنَ ٱلسَّمَآءِ أَوِ ٱئۡتِنَا بِعَذَابٍ أَلِيمٖ
আর স্মরণ করো, যখন তারা বলেছিল: ‘হে আল্লাহ, এটি যদি সত্য হয়, তাহলে আপনি আমাদের ওপর আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ করুন কিংবা আমাদের ওপর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি নিয়ে আসুন।’
-
৩৩
وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمۡ وَأَنتَ فِيهِمۡۚ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ مُعَذِّبَهُمۡ وَهُمۡ يَسۡتَغۡفِرُونَ
আর আল্লাহ এমন নন যে, তুমি তাদের মধ্যে থাকাবস্থায় তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন।(১) আর আল্লাহ তাদেরকে শাস্তিদানকারীও নন, এমতাবস্থায় যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করছে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৪
وَمَا لَهُمۡ أَلَّا يُعَذِّبَهُمُ ٱللَّهُ وَهُمۡ يَصُدُّونَ عَنِ ٱلۡمَسۡجِدِ ٱلۡحَرَامِ وَمَا كَانُوٓاْ أَوۡلِيَآءَهُۥٓۚ إِنۡ أَوۡلِيَآؤُهُۥٓ إِلَّا ٱلۡمُتَّقُونَ وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَهُمۡ لَا يَعۡلَمُونَ
আর তাদের কী ওযর আছে যে, আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দেবেন না?(১) যখন তারা আল-মসজিদুল হারাম থেকে বাধা দেয়। অথচ তারা আল্লাহর বন্ধু নয়, আল্লাহর বন্ধু তো কেবল মুত্তাকীগণই; কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে তা না।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৫
وَمَا كَانَ صَلَاتُهُمۡ عِندَ ٱلۡبَيۡتِ إِلَّا مُكَآءٗ وَتَصۡدِيَةٗۚ فَذُوقُواْ ٱلۡعَذَابَ بِمَا كُنتُمۡ تَكۡفُرُونَ
আর কা‘বার কাছে তাদের সালাত শিষ ও হাত-তালি ছাড়া কিছুই না। সুতরাং তোমরা শাস্তি আস্বাদন করো। কারণ তোমরা কুফরী করতে।
-
৩৬
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ يُنفِقُونَ أَمۡوَٰلَهُمۡ لِيَصُدُّواْ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِۚ فَسَيُنفِقُونَهَا ثُمَّ تَكُونُ عَلَيۡهِمۡ حَسۡرَةٗ ثُمَّ يُغۡلَبُونَۗ وَٱلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ إِلَىٰ جَهَنَّمَ يُحۡشَرُونَ
নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে, আল্লাহর রাস্তা হতে বাধা প্রদান করতে তারা নিজেদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে। তারা অচিরেই তাদের সম্পদগুলো আরো ব্যয় করবে; অত:পর এটি তাদের আক্ষেপের কারণ হবে, এরপর তারা পরাজিত হবে। আর যারা কুফরী করেছে, তাদেরকে জাহান্নামে সমবেত করা হবে।
-
৩৭
لِيَمِيزَ ٱللَّهُ ٱلۡخَبِيثَ مِنَ ٱلطَّيِّبِ وَيَجۡعَلَ ٱلۡخَبِيثَ بَعۡضَهُۥ عَلَىٰ بَعۡضٖ فَيَرۡكُمَهُۥ جَمِيعٗا فَيَجۡعَلَهُۥ فِي جَهَنَّمَۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡخَٰسِرُونَ
যাতে আল্লাহ নিকৃষ্ট দলকে পবিত্র দল থেকে পৃথক করতে পারেন। আর যেন তিনি সকল অপবিত্রকে একটিকে আরেকটির উপর স্তূপ করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করতে পারেন। বস্তুত তারাই তো আসল ক্ষতিগ্রস্ত।
-
৩৮
قُل لِّلَّذِينَ كَفَرُوٓاْ إِن يَنتَهُواْ يُغۡفَرۡ لَهُم مَّا قَدۡ سَلَفَ وَإِن يَعُودُواْ فَقَدۡ مَضَتۡ سُنَّتُ ٱلۡأَوَّلِينَ
যারা কুফরী করে তাদেরকে বলো: ‘যদি তারা বিরত হয়, তবে তাদের পূর্বেকার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেয়া হবে; কিন্তু তারা যদি অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি করে, তবে পুর্ববর্তী লোকদের রীতি তো গত হয়েছেই।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৩৯
وَقَٰتِلُوهُمۡ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتۡنَةٞ وَيَكُونَ ٱلدِّينُ كُلُّهُۥ لِلَّهِۚ فَإِنِ ٱنتَهَوۡاْ فَإِنَّ ٱللَّهَ بِمَا يَعۡمَلُونَ بَصِيرٞ
আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাও; যতক্ষণ না ফিতনার অবসান হয় এবং দীন পূর্ণরূপে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। তবে যদি তারা বিরত হয়, তবে নিশ্চয় তারা যা করে সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক দ্রষ্টা।
-
৪০
وَإِن تَوَلَّوۡاْ فَٱعۡلَمُوٓاْ أَنَّ ٱللَّهَ مَوۡلَىٰكُمۡۚ نِعۡمَ ٱلۡمَوۡلَىٰ وَنِعۡمَ ٱلنَّصِيرُ
আর তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাহলে জেনে রাখো, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের অভিভাবক। তিনি কতইনা উত্তম অভিভাবক এবং কতইনা উত্তম সাহায্যকারী।
-
৪১
۞ وَٱعۡلَمُوٓاْ أَنَّمَا غَنِمۡتُم مِّن شَيۡءٖ فَأَنَّ لِلَّهِ خُمُسَهُۥ وَلِلرَّسُولِ وَلِذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡيَتَٰمَىٰ وَٱلۡمَسَٰكِينِ وَٱبۡنِ ٱلسَّبِيلِ إِن كُنتُمۡ ءَامَنتُم بِٱللَّهِ وَمَآ أَنزَلۡنَا عَلَىٰ عَبۡدِنَا يَوۡمَ ٱلۡفُرۡقَانِ يَوۡمَ ٱلۡتَقَى ٱلۡجَمۡعَانِۗ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ قَدِيرٌ
আর তোমরা জেনে রাখো, তোমরা যা কিছু গনীমতরূপে পেয়েছ, নিশ্চয় তার এক পঞ্চমাংশ আল্লাহর ও রাসূলের(১), নিকট আত্মীয়(২), ইয়াতীম, মিসকীন ও মুসাফিরের জন্য নির্ধারণ করা হলো; যদি তোমরা ঈমান এনে থাকো আল্লাহর প্রতি এবং হক ও বাতিলের ফয়সালার দিন আমি আমার বান্দার ওপর যা নাযিল করেছি তার প্রতি, যেদিন দু’টি দল(৩) পরস্পরের মোকাবেলা করেছিল। আর আল্লাহ সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪২
إِذۡ أَنتُم بِٱلۡعُدۡوَةِ ٱلدُّنۡيَا وَهُم بِٱلۡعُدۡوَةِ ٱلۡقُصۡوَىٰ وَٱلرَّكۡبُ أَسۡفَلَ مِنكُمۡۚ وَلَوۡ تَوَاعَدتُّمۡ لَٱخۡتَلَفۡتُمۡ فِي ٱلۡمِيعَٰدِ وَلَٰكِن لِّيَقۡضِيَ ٱللَّهُ أَمۡرٗا كَانَ مَفۡعُولٗا لِّيَهۡلِكَ مَنۡ هَلَكَ عَنۢ بَيِّنَةٖ وَيَحۡيَىٰ مَنۡ حَيَّ عَنۢ بَيِّنَةٖۗ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَسَمِيعٌ عَلِيمٌ
তোমরা স্মরণ করো সে সময়ের কথা, যখন তোমরা উপত্যকার নিকটবর্তী পাশে (মদিনার দিক থেকে) অবস্থান করছিলে, আর তারা (মুশরিকরা) ছিল তার দূরবর্তী পাশে (মক্কার দিক থেকে)। আর (মক্কার ব্যবসায়ী) কাফিলাটি ছিল (লোহিত সাগরের পাড়ের দিকে) তোমাদের চেয়ে নিম্নভূমিতে। আর যদি তোমরা (ও মুশরিকরা বদরের যুদ্ধে মুখোমুখি হওয়ার ব্যাপারে) পরস্পর ওয়াদাবদ্ধ হতে , তাহলে অবশ্যই সে ওয়াদার ক্ষেত্রে তোমরা মতবিরোধ (ওয়াদা ভঙ্গ) করতে; কিন্তু আল্লাহ এমন একটি বিষয় সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন, যা হওয়ারই ছিল, যাতে যে ধ্বংস হওয়ার, সে সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে ধ্বংস হয় এবং যাতে যে জীবিত থাকার, সে সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে জীবিত থাকে। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
-
৪৩
إِذۡ يُرِيكَهُمُ ٱللَّهُ فِي مَنَامِكَ قَلِيلٗاۖ وَلَوۡ أَرَىٰكَهُمۡ كَثِيرٗا لَّفَشِلۡتُمۡ وَلَتَنَٰزَعۡتُمۡ فِي ٱلۡأَمۡرِ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ سَلَّمَۚ إِنَّهُۥ عَلِيمُۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ
স্মরণ করো, আল্লাহ যখন তোমাকে স্বপ্নে তাদের সংখ্যায় কম দেখিয়েছিলেন । তিনি যদি তোমাকে তাদের সংখ্যা বেশি দেখাতেন, তাহলে অবশ্যই তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলতে এবং যুদ্ধের বিষয়ে নিজেদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করতে। কিন্তু আল্লাহ তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। তিনি অবশ্যই অন্তরে যা আছে, সে সম্বন্ধে সবিশেষে অবগত।
-
৪৪
وَإِذۡ يُرِيكُمُوهُمۡ إِذِ ٱلۡتَقَيۡتُمۡ فِيٓ أَعۡيُنِكُمۡ قَلِيلٗا وَيُقَلِّلُكُمۡ فِيٓ أَعۡيُنِهِمۡ لِيَقۡضِيَ ٱللَّهُ أَمۡرٗا كَانَ مَفۡعُولٗاۗ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرۡجَعُ ٱلۡأُمُورُ
আর তোমরা স্মরণ করো, যখন তোমরা পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিলে, তখন তিনি তাদেরকে তোমাদের দৃষ্টিতে স্বল্প সংখ্যক দেখিয়েছিলেন এবং তোমাদেরকেও তাদের দৃষ্টিতে স্বল্প সংখ্যক দেখিয়েছিলেন(১), যাতে আল্লাহ সম্পন্ন করেন এমন কাজ যা ঘটারই ছিল।(২) আর আল্লাহর দিকেই সব কিছু প্রত্যাবর্তন করা হবে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৪৫
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا لَقِيتُمۡ فِئَةٗ فَٱثۡبُتُواْ وَٱذۡكُرُواْ ٱللَّهَ كَثِيرٗا لَّعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ
হে মুমিনগণ! তোমরা যখন কোন দলের সাথে যুদ্ধের সম্মুখীন হবে, তখন অবিচল থাকো, আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো ।
-
৪৬
وَأَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَلَا تَنَٰزَعُواْ فَتَفۡشَلُواْ وَتَذۡهَبَ رِيحُكُمۡۖ وَٱصۡبِرُوٓاْۚ إِنَّ ٱللَّهَ مَعَ ٱلصَّٰبِرِينَ
আর তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো এবং পরস্পর ঝগড়া করবে না, তাহলে তোমরা সাহসহারা হয়ে যাবে এবং তোমাদের শক্তি ও প্রভাব নিঃশেষ হয়ে যাবে। আর তোমরা ধৈর্যধারণ করো। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
-
৪৭
وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ خَرَجُواْ مِن دِيَٰرِهِم بَطَرٗا وَرِئَآءَ ٱلنَّاسِ وَيَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِۚ وَٱللَّهُ بِمَا يَعۡمَلُونَ مُحِيطٞ
আর তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে তাদের ঘর থেকে বের হয়েছিল এবং তারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বাধা প্রদান করে। আর তারা যা করে, আল্লাহ তা পরিবেষ্টন করে আছেন।
-
৪৮
وَإِذۡ زَيَّنَ لَهُمُ ٱلشَّيۡطَٰنُ أَعۡمَٰلَهُمۡ وَقَالَ لَا غَالِبَ لَكُمُ ٱلۡيَوۡمَ مِنَ ٱلنَّاسِ وَإِنِّي جَارٞ لَّكُمۡۖ فَلَمَّا تَرَآءَتِ ٱلۡفِئَتَانِ نَكَصَ عَلَىٰ عَقِبَيۡهِ وَقَالَ إِنِّي بَرِيٓءٞ مِّنكُمۡ إِنِّيٓ أَرَىٰ مَا لَا تَرَوۡنَ إِنِّيٓ أَخَافُ ٱللَّهَۚ وَٱللَّهُ شَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ
আর তোমরা আল্লাহর সে নি‘আমতের কথা স্মরণ করো, যখন শয়তান তাদের জন্য তাদের আমলসমূহ সুশোভিত করেছিল এবং বলেছিল: ‘আজ মানুষের মধ্য থেকে কেউ তোমাদের ওপর বিজয়ী হতে পারবে না এবং নিশ্চয় আমি তোমাদের পার্শ্বে অবস্থানকারী ।’ অতঃপর যখন দু’দল একে অপরকে দেখলো, তখন সে পিছু হটল এবং বললো: ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের থেকে দায়ভারমুক্ত। নিশ্চয় আমি এমন কিছু দেখছি, যা তোমরা দেখছ না। অবশ্যই আমি আল্লাহকে ভয় করি এবং আল্লাহ কঠিন শাস্তিদাতা।’
-
৪৯
إِذۡ يَقُولُ ٱلۡمُنَٰفِقُونَ وَٱلَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ غَرَّ هَٰٓؤُلَآءِ دِينُهُمۡۗ وَمَن يَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱللَّهِ فَإِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٞ
স্মরণ করো, যখন মুনাফিক ও যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তারা বলছিল: ‘এদেরকে তাদের ধর্মই ধোঁকায় ফেলেছে।‘(১) বস্তুত যে কেউ আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে, আল্লাহ তো প্রবল পরাক্রান্তশালী , প্রজ্ঞাময়।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৫০
وَلَوۡ تَرَىٰٓ إِذۡ يَتَوَفَّى ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ يَضۡرِبُونَ وُجُوهَهُمۡ وَأَدۡبَٰرَهُمۡ وَذُوقُواْ عَذَابَ ٱلۡحَرِيقِ
আর তুমি যদি দেখতে, যখন ফিরিশতারা কাফিরদের প্রাণ হরণ করে, তাদের চেহারায় ও পিঠে আঘাত করে, আর বলে: ‘তোমরা জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি আস্বাদন কর।’
-
৫১
ذَٰلِكَ بِمَا قَدَّمَتۡ أَيۡدِيكُمۡ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَيۡسَ بِظَلَّٰمٖ لِّلۡعَبِيدِ
এটা এ কারণে, যা তোমাদের দু’হাত উপার্জন করে আগে পাঠিয়েছে। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি যুলম করেন না।
-
৫২
كَدَأۡبِ ءَالِ فِرۡعَوۡنَ وَٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ كَفَرُواْ بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ فَأَخَذَهُمُ ٱللَّهُ بِذُنُوبِهِمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ قَوِيّٞ شَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ
তাদের অভ্যাস ফির’আউনের বংশধর ও তাদের পূর্ববর্তীদের অভ্যাসের মতো, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছিল। ফলে আল্লাহ তাদের পাপের জন্য তাদেরকে পাকড়াও করেন। নিশ্চয় আল্লাহ শক্তিমান, কঠোর শাস্তিদাতা।
-
৫৩
ذَٰلِكَ بِأَنَّ ٱللَّهَ لَمۡ يَكُ مُغَيِّرٗا نِّعۡمَةً أَنۡعَمَهَا عَلَىٰ قَوۡمٍ حَتَّىٰ يُغَيِّرُواْ مَا بِأَنفُسِهِمۡ وَأَنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٞ
এ কঠিন শাস্তি এ কারণে যে, আল্লাহ কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি যে অনুগ্রহ দান করেন, তা তিনি পরিবর্তন করেন না (প্রত্যাহার করেন না), যতক্ষণ না তারা নিজেদের (ভালো অবস্থাকে খারাপ অবস্থায়) পরিবর্তন ঘটায়। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
-
৫৪
كَدَأۡبِ ءَالِ فِرۡعَوۡنَ وَٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ كَذَّبُواْ بِـَٔايَٰتِ رَبِّهِمۡ فَأَهۡلَكۡنَٰهُم بِذُنُوبِهِمۡ وَأَغۡرَقۡنَآ ءَالَ فِرۡعَوۡنَۚ وَكُلّٞ كَانُواْ ظَٰلِمِينَ
ফির’আউনের বংশধর ও তাদের পূর্ববর্তীদের অভ্যাসের মতো, তারা তাদের রবের আয়াতসমূহকে মিথ্যারোপ করেছিল। ফলে তাদের পাপের কারণে আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছি এবং ফির’আউনের বংশধরকে নিমজ্জিত করেছি। আর তারা সকলেই ছিল যালিম।
-
৫৫
إِنَّ شَرَّ ٱلدَّوَآبِّ عِندَ ٱللَّهِ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ فَهُمۡ لَا يُؤۡمِنُونَ
নিশ্চয় আল্লাহর কাছে জমিনে বিচরণকারী সর্বনিকৃষ্ট প্রাণী তারা, যারা কুফরি করে। কারণ, তারা ঈমান আনবে না।
-
৫৬
ٱلَّذِينَ عَٰهَدتَّ مِنۡهُمۡ ثُمَّ يَنقُضُونَ عَهۡدَهُمۡ فِي كُلِّ مَرَّةٖ وَهُمۡ لَا يَتَّقُونَ
তাদের মধ্যে তুমি যাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ(১) হয়েছো, তারপর তারা প্রত্যেকবার তাদের চুক্তি ভঙ্গ করে, উপরন্তু তারা আল্লাহকে ভয় করে না।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৫৭
فَإِمَّا تَثۡقَفَنَّهُمۡ فِي ٱلۡحَرۡبِ فَشَرِّدۡ بِهِم مَّنۡ خَلۡفَهُمۡ لَعَلَّهُمۡ يَذَّكَّرُونَ
সুতরাং তুমি যদি তাদেরকে যুদ্ধে নাগালে পাও, তাহলে তাদেরকে কঠোর শাস্তি দানের মাধ্যমে তাদের পিছনে যারা আছে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দাও, যাতে তারা শিক্ষা গ্রহণ করে।
-
৫৮
وَإِمَّا تَخَافَنَّ مِن قَوۡمٍ خِيَانَةٗ فَٱنۢبِذۡ إِلَيۡهِمۡ عَلَىٰ سَوَآءٍۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلۡخَآئِنِينَ
আর যদি তুমি কোন সম্প্রদায়ের থেকে নিশ্চিতভাবে বিশ্বাসঘাতকতার আশঙ্কা করো, তাহলে তাদের দিকে সোজা নিক্ষেপ করো। নিশ্চয় আল্লাহ বিশ্বাসঘাতকদের কখনো পছন্দ করেন না।
-
৫৯
وَلَا يَحۡسَبَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ سَبَقُوٓاْۚ إِنَّهُمۡ لَا يُعۡجِزُونَ
আর কাফিররা যেন এমন ধারণা না করে যে, তারা নাগালের বাইরে চলে গেছে। নিশ্চয় তারা অক্ষম করতে পারে না।
-
৬০
وَأَعِدُّواْ لَهُم مَّا ٱسۡتَطَعۡتُم مِّن قُوَّةٖ وَمِن رِّبَاطِ ٱلۡخَيۡلِ تُرۡهِبُونَ بِهِۦ عَدُوَّ ٱللَّهِ وَعَدُوَّكُمۡ وَءَاخَرِينَ مِن دُونِهِمۡ لَا تَعۡلَمُونَهُمُ ٱللَّهُ يَعۡلَمُهُمۡۚ وَمَا تُنفِقُواْ مِن شَيۡءٖ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ يُوَفَّ إِلَيۡكُمۡ وَأَنتُمۡ لَا تُظۡلَمُونَ
আর তোমরা তাদের সাথে মোকাবিলার জন্যে যথাসাধ্য প্রস্তুত রাখো শক্তি ও অশ্ব বাহিনী, তা দিয়ে তোমরা ভীত-সন্ত্রস্ত করবে আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুকে এবং এরা ছাড়া অন্যদেরকে, যাদেরকে তোমরা জানো না, আল্লাহ তাদেরকে জানেন।(১) আল্লাহর পথে তোমরা যা কিছু ব্যয় করবে, তার পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি বিন্দুমাত্রও যুলম করা হবে না।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬১
۞ وَإِن جَنَحُواْ لِلسَّلۡمِ فَٱجۡنَحۡ لَهَا وَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱللَّهِۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلۡعَلِيمُ
আর যদি তারা সন্ধির জন্যে হাত বাড়ায়, তাহলে তুমিও সন্ধির জন্যে হাত বাড়িয়ে দিবে। আর আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করো। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
-
৬২
وَإِن يُرِيدُوٓاْ أَن يَخۡدَعُوكَ فَإِنَّ حَسۡبَكَ ٱللَّهُۚ هُوَ ٱلَّذِيٓ أَيَّدَكَ بِنَصۡرِهِۦ وَبِٱلۡمُؤۡمِنِينَ
আর যদি তারা তোমাকে ধোঁকা দিতে চায়, তাহলে আল্লাহই তোমার জন্য যথেষ্ট। তিনিই তোমাকে নিজের সাহায্য ও মু’মিনদের মাধ্যমে শক্তিশালী করেছেন।
-
৬৩
وَأَلَّفَ بَيۡنَ قُلُوبِهِمۡۚ لَوۡ أَنفَقۡتَ مَا فِي ٱلۡأَرۡضِ جَمِيعٗا مَّآ أَلَّفۡتَ بَيۡنَ قُلُوبِهِمۡ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ أَلَّفَ بَيۡنَهُمۡۚ إِنَّهُۥ عَزِيزٌ حَكِيمٞ
আর তিনি তাদের পরস্পরের অন্তরে সম্প্রীতি স্থাপন করেছেন। যদি তুমি জমিনে যা আছে, তার সবকিছু ব্যয় করতে, তবুও তাদের অন্তরে সম্প্রীতি স্থাপন করতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ তাদের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করেছেন। নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।
-
৬৪
يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّبِيُّ حَسۡبُكَ ٱللَّهُ وَمَنِ ٱتَّبَعَكَ مِنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ
হে নবী ! (শত্রুদের অনিষ্ট থেকে) তোমার জন্যে ও তোমার অনুসারী মু’মিনদের জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট।(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬৫
يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّبِيُّ حَرِّضِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ عَلَى ٱلۡقِتَالِۚ إِن يَكُن مِّنكُمۡ عِشۡرُونَ صَٰبِرُونَ يَغۡلِبُواْ مِاْئَتَيۡنِۚ وَإِن يَكُن مِّنكُم مِّاْئَةٞ يَغۡلِبُوٓاْ أَلۡفٗا مِّنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِأَنَّهُمۡ قَوۡمٞ لَّا يَفۡقَهُونَ
হে নবী, তুমি মু’মিনদেরকে যুদ্ধের জন্যে উদ্বুদ্ধ করো।(১) যদি তোমাদের মধ্য থেকে বিশজন ধৈর্যশীল থাকে, তরে তারা দু’শ কাফিরের ওপর বিজয়ী হবে, আর যদি তোমাদের মধ্যে একশ’ জন থাকে, তবে তারা এক হাজার কাফিরের ওপর বিজয়ী হবে। কারণ, তারা এমন সম্প্রদায়, যারা বুঝে না।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬৬
ٱلۡـَٰٔنَ خَفَّفَ ٱللَّهُ عَنكُمۡ وَعَلِمَ أَنَّ فِيكُمۡ ضَعۡفٗاۚ فَإِن يَكُن مِّنكُم مِّاْئَةٞ صَابِرَةٞ يَغۡلِبُواْ مِاْئَتَيۡنِۚ وَإِن يَكُن مِّنكُمۡ أَلۡفٞ يَغۡلِبُوٓاْ أَلۡفَيۡنِ بِإِذۡنِ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ مَعَ ٱلصَّٰبِرِينَ
এখন আল্লাহ তোমাদের থেকে দায়িত্বভার হালকা করে দিয়েছেন এবং তিনি জানেন যে, তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। অতএব যদি তোমাদের মধ্যে একশ’ জন ধৈর্যশীল থাকে, তারা দু’শ জন কাফিরের ওপর বিজয়ী হবে এবং যদি তোমাদের মধ্যে এক হাজার জন থাকে, তবে তারা আল্লাহর হুকুমে দু’হাজার জন কাফিরের ওপর বিজয়ী হবে। আর আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।
-
৬৭
مَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَن يَكُونَ لَهُۥٓ أَسۡرَىٰ حَتَّىٰ يُثۡخِنَ فِي ٱلۡأَرۡضِۚ تُرِيدُونَ عَرَضَ ٱلدُّنۡيَا وَٱللَّهُ يُرِيدُ ٱلۡأٓخِرَةَۗ وَٱللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٞ
(আল্লাহর দীন নিশ্চিহ্ন করতে চাওয়া কাফিরদের সঙ্গে যুদ্ধরত অবস্থায়) কোনো নবীর জন্য উচিত নয় যে, (কাফিরদের ভেতর ভয় সৃষ্টি করতে) প্রচুর রক্ত প্রবাহিত করার আগেই তার কাছে (মুক্তিপণ গ্রহণ করার আশায় জীবিত) বন্দি থাকবে। (হে মু’মিনগণ!) তোমরা দুনিয়ার সামগ্রী (মুক্তিপণ) কামনা করছ; আর আল্লাহ চান আখিরাত। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
-
৬৮
لَّوۡلَا كِتَٰبٞ مِّنَ ٱللَّهِ سَبَقَ لَمَسَّكُمۡ فِيمَآ أَخَذۡتُمۡ عَذَابٌ عَظِيمٞ
আল্লাহর পূর্ব বিধান(১) না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ, সে জন্য তোমাদেরকে মহা শাস্তি স্পর্শ করত।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৬৯
فَكُلُواْ مِمَّا غَنِمۡتُمۡ حَلَٰلٗا طَيِّبٗاۚ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٞ رَّحِيمٞ
অতএব, যুদ্ধে তোমরা যে গনীমত লাভ করেছ, তা বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ করো আর আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে তাঁকেই ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।
-
৭০
يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّبِيُّ قُل لِّمَن فِيٓ أَيۡدِيكُم مِّنَ ٱلۡأَسۡرَىٰٓ إِن يَعۡلَمِ ٱللَّهُ فِي قُلُوبِكُمۡ خَيۡرٗا يُؤۡتِكُمۡ خَيۡرٗا مِّمَّآ أُخِذَ مِنكُمۡ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ
হে নবী! তোমাদের হাতে যে সব যুদ্ধবন্দি আছে, তাদেরকে বলো: ‘যদি আল্লাহ তোমাদের অন্তরসমূহে কোন কল্যাণ আছে বলে জানেন, তাহলে তোমাদের থেকে যা নেয়া হয়েছে, তার চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আর আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।’(১)
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭১
وَإِن يُرِيدُواْ خِيَانَتَكَ فَقَدۡ خَانُواْ ٱللَّهَ مِن قَبۡلُ فَأَمۡكَنَ مِنۡهُمۡۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
আর যদি তারা তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার ইচ্ছা করে, তাহলে ইতঃপূর্বে তারা তো আল্লাহর সাথেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। অতঃপর তিনি তাদের ওপর তোমাকে শক্তিশালী করেছেন। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
-
৭২
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَهَاجَرُواْ وَجَٰهَدُواْ بِأَمۡوَٰلِهِمۡ وَأَنفُسِهِمۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱلَّذِينَ ءَاوَواْ وَّنَصَرُوٓاْ أُوْلَٰٓئِكَ بَعۡضُهُمۡ أَوۡلِيَآءُ بَعۡضٖۚ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَلَمۡ يُهَاجِرُواْ مَا لَكُم مِّن وَلَٰيَتِهِم مِّن شَيۡءٍ حَتَّىٰ يُهَاجِرُواْۚ وَإِنِ ٱسۡتَنصَرُوكُمۡ فِي ٱلدِّينِ فَعَلَيۡكُمُ ٱلنَّصۡرُ إِلَّا عَلَىٰ قَوۡمِۭ بَيۡنَكُمۡ وَبَيۡنَهُم مِّيثَٰقٞۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ بَصِيرٞ
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে, জীবন ও সম্পদ দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছে, আর যারা আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে, তারা সকলে (সাহায্য-সহযোগিতায়) পরস্পর পরস্পরের অভিভাবক।(১) আর যারা ঈমান এনেছে; কিন্তু হিজরত করেনি, হিজরত না করা পর্যন্ত তাদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তোমাদের নেই।(২) আর তারা যদি দীনের ব্যাপারে তোমাদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে, তখন তাদেরকে সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য, তবে সে সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়, যাদের সাথে তোমাদের ও তাদের মধ্যে চুক্তি রয়েছে। আর তোমরা যা করছ, আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭৩
وَٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بَعۡضُهُمۡ أَوۡلِيَآءُ بَعۡضٍۚ إِلَّا تَفۡعَلُوهُ تَكُن فِتۡنَةٞ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَفَسَادٞ كَبِيرٞ
আর যারা কুফরী করেছে তারা পরস্পর পরস্পরের অভিভাবক। তোমরা যদি তা না করো(১), তবে জমিনে ফিতনা ও মহাবিপর্যয় দেখা দিবে।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
-
৭৪
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَهَاجَرُواْ وَجَٰهَدُواْ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱلَّذِينَ ءَاوَواْ وَّنَصَرُوٓاْ أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ حَقّٗاۚ لَّهُم مَّغۡفِرَةٞ وَرِزۡقٞ كَرِيمٞ
আর যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে ও আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে, আর যারা আশ্রয় দিয়েছে ও সাহায্য করেছে, তারাই প্রকৃত মু’মিন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রিযক ।
-
৭৫
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ مِنۢ بَعۡدُ وَهَاجَرُواْ وَجَٰهَدُواْ مَعَكُمۡ فَأُوْلَٰٓئِكَ مِنكُمۡۚ وَأُوْلُواْ ٱلۡأَرۡحَامِ بَعۡضُهُمۡ أَوۡلَىٰ بِبَعۡضٖ فِي كِتَٰبِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمُۢ
আর যারা পরে ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং তোমাদের সাথে থেকে জিহাদ করেছে, তারাও তোমাদের দলেরই অন্তর্ভুক্ত। আর নিকটাত্মীয়রা আল্লাহর বিধানানুযায়ী একে অন্যের চেয়ে বেশি হকদার(১)। নিশ্চয় আল্লাহ সব বিষয়ে সম্যক অবগত।
টীকা আসছে…
টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা
অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.
আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).
এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।