মূল অংশে যান

আন-নিসা

النساء

সূরা ৪ মাদানী ১৭৬ আয়াত

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. ১

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱتَّقُواْ رَبَّكُمُ ٱلَّذِي خَلَقَكُم مِّن نَّفۡسٖ وَٰحِدَةٖ وَخَلَقَ مِنۡهَا زَوۡجَهَا وَبَثَّ مِنۡهُمَا رِجَالٗا كَثِيرٗا وَنِسَآءٗۚ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ ٱلَّذِي تَسَآءَلُونَ بِهِۦ وَٱلۡأَرۡحَامَۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلَيۡكُمۡ رَقِيبٗا

    হে মানুষেরা! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি (আদম) থেকে সৃষ্টি করেছেন ও তার থেকেই তার স্ত্রী (হাওয়া)কে সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের দুজন থেকে অসংখ্য নর-নারী (সৃষ্টি করে পৃথিবীতে) ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো যাঁর দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের কাছে নিজ নিজ অধিকার দাবী করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে দূরে থাকো। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর পর্যবেক্ষক।

  2. ২

    وَءَاتُواْ ٱلۡيَتَٰمَىٰٓ أَمۡوَٰلَهُمۡۖ وَلَا تَتَبَدَّلُواْ ٱلۡخَبِيثَ بِٱلطَّيِّبِۖ وَلَا تَأۡكُلُوٓاْ أَمۡوَٰلَهُمۡ إِلَىٰٓ أَمۡوَٰلِكُمۡۚ إِنَّهُۥ كَانَ حُوبٗا كَبِيرٗا

    আর তোমরা ইয়াতীমদেরকে তাদের ধন-সম্পদ দিয়ে দাও এবং ভালো সম্পদের সাথে খারাপ সম্পদ বদল করো না। আর তোমরা তোমাদের সম্পদের সাথে তাদের সম্পদ মিশিয়ে গ্রাস করো না; নিশ্চয় এটা মহাপাপ ।

  3. ৩

    وَإِنۡ خِفۡتُمۡ أَلَّا تُقۡسِطُواْ فِي ٱلۡيَتَٰمَىٰ فَٱنكِحُواْ مَا طَابَ لَكُم مِّنَ ٱلنِّسَآءِ مَثۡنَىٰ وَثُلَٰثَ وَرُبَٰعَۖ فَإِنۡ خِفۡتُمۡ أَلَّا تَعۡدِلُواْ فَوَٰحِدَةً أَوۡ مَا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُكُمۡۚ ذَٰلِكَ أَدۡنَىٰٓ أَلَّا تَعُولُواْ

    আর যদি তোমরা আশঙ্কা করো যে, ইয়াতীম মেয়েদের ব্যাপারে ইনসাফ করতে পারবে না, তাহলে তোমরা বিয়ে করো নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের ভালো লাগে; দু’টি, তিনটি অথবা চারটি। আর যদি আশঙ্কা করো যে সুবিচার করতে পারবে না, তবে একটি বিবাহ করো অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীকেই গ্রহণ করো। এটা অধিকতর নিকটবর্তী যে, তোমরা যুলম করবে না ।

  4. ৪

    وَءَاتُواْ ٱلنِّسَآءَ صَدُقَٰتِهِنَّ نِحۡلَةٗۚ فَإِن طِبۡنَ لَكُمۡ عَن شَيۡءٖ مِّنۡهُ نَفۡسٗا فَكُلُوهُ هَنِيٓـٔٗا مَّرِيٓـٔٗا

    আর তোমরা স্ত্রীদেরকে সন্তুষ্টচিত্তে তাদের মোহর দিয়ে দাও। তবে তারা যদি নিজেরাই সন্তুষ্টচিত্তে কিছু অংশ ছাড় দেয় তাহলে তোমরা তা সানন্দে তৃপ্তিসহকারে খাও।

  5. ৫

    وَلَا تُؤۡتُواْ ٱلسُّفَهَآءَ أَمۡوَٰلَكُمُ ٱلَّتِي جَعَلَ ٱللَّهُ لَكُمۡ قِيَٰمٗا وَٱرۡزُقُوهُمۡ فِيهَا وَٱكۡسُوهُمۡ وَقُولُواْ لَهُمۡ قَوۡلٗا مَّعۡرُوفٗا

    আর তোমরা নির্বোধদের(১) হাতে তোমাদের ধন-সম্পদ ছেড়ে দিও না; যা দ্বারা আল্লাহ তোমাদের জীবন চালানোর ব্যবস্থা করেছেন এবং তা থেকে তাদেরকে খাবার ও ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করো। আর তোমরা তাদের সাথে উত্তম কথা বলো(২)।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  6. ৬

    وَٱبۡتَلُواْ ٱلۡيَتَٰمَىٰ حَتَّىٰٓ إِذَا بَلَغُواْ ٱلنِّكَاحَ فَإِنۡ ءَانَسۡتُم مِّنۡهُمۡ رُشۡدٗا فَٱدۡفَعُوٓاْ إِلَيۡهِمۡ أَمۡوَٰلَهُمۡۖ وَلَا تَأۡكُلُوهَآ إِسۡرَافٗا وَبِدَارًا أَن يَكۡبَرُواْۚ وَمَن كَانَ غَنِيّٗا فَلۡيَسۡتَعۡفِفۡۖ وَمَن كَانَ فَقِيرٗا فَلۡيَأۡكُلۡ بِٱلۡمَعۡرُوفِۚ فَإِذَا دَفَعۡتُمۡ إِلَيۡهِمۡ أَمۡوَٰلَهُمۡ فَأَشۡهِدُواْ عَلَيۡهِمۡۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ حَسِيبٗا

    আর ইয়াতিমদেরকে যাচাই-পরীক্ষা করতে থাকো; যে পর্যন্ত না তারা বিবাহযোগ্য (সাবালক) হয়(১)। অতঃপর তাদের মধ্যে ভালো-মন্দ যাচাই করার যোগ্যতা দেখতে পেলে তাদের সম্পদ তাদেরকে ফিরিয়ে দাও। তারা বড় হয়ে (তাদের সম্পদ ফেরত নিবে এ ভয়ে) তাদের সম্পদ অপচয় করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। যে সম্পদশালী সে যেন বিরত থাকে এবং যে অভাবী সে যেন সংগত পরিমাণে ভোগ করে। অতঃপর তোমরা যখন তাদেরকে তাদের সম্পদ হস্তান্তর করবে, তখন সাক্ষী রেখো। আর হিসেব গ্রহণে আল্লাহই যথেষ্ট।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  7. ৭

    لِّلرِّجَالِ نَصِيبٞ مِّمَّا تَرَكَ ٱلۡوَٰلِدَانِ وَٱلۡأَقۡرَبُونَ وَلِلنِّسَآءِ نَصِيبٞ مِّمَّا تَرَكَ ٱلۡوَٰلِدَانِ وَٱلۡأَقۡرَبُونَ مِمَّا قَلَّ مِنۡهُ أَوۡ كَثُرَۚ نَصِيبٗا مَّفۡرُوضٗا

    পিতা-মাতা এবং নিকটাত্মীয়-স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষ ওয়ারিশদের অংশ আছে এবং পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়-স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারী ওয়ারিশদেরও অংশ আছে; সেটা অল্পই হোক কিংবা বেশি(১) নির্ধারিত ও বিধিবদ্ধ।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  8. ৮

    وَإِذَا حَضَرَ ٱلۡقِسۡمَةَ أُوْلُواْ ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡيَتَٰمَىٰ وَٱلۡمَسَٰكِينُ فَٱرۡزُقُوهُم مِّنۡهُ وَقُولُواْ لَهُمۡ قَوۡلٗا مَّعۡرُوفٗا

    আর সম্পত্তি বন্টনকালে আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম এবং অভাবগ্রস্ত লোক উপস্থিত থাকলে তাদেরকে তা থেকে কিছু সম্পদ দিয়ে দাও এবং তাদের সাথে উত্তমভাবে কথা বলো।

  9. ৯

    وَلۡيَخۡشَ ٱلَّذِينَ لَوۡ تَرَكُواْ مِنۡ خَلۡفِهِمۡ ذُرِّيَّةٗ ضِعَٰفًا خَافُواْ عَلَيۡهِمۡ فَلۡيَتَّقُواْ ٱللَّهَ وَلۡيَقُولُواْ قَوۡلٗا سَدِيدًا

    আর তারা যেন এ কথা ভেবে ভয় করে যে, তারাও যদি অসহায় সন্তান রেখে মারা যেতো, তবে (মৃত্যুর সময়) তারা কতো যে উদ্বিগ্ন হতো! কাজেই তারা যেন আল্লাহকে ভয় করে(১) এবং সংগত কথা বলে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  10. ১০

    إِنَّ ٱلَّذِينَ يَأۡكُلُونَ أَمۡوَٰلَ ٱلۡيَتَٰمَىٰ ظُلۡمًا إِنَّمَا يَأۡكُلُونَ فِي بُطُونِهِمۡ نَارٗاۖ وَسَيَصۡلَوۡنَ سَعِيرٗا

    নিশ্চয় যারা ইয়াতীমদের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে, তারা তো আসলে তাদের পেটে আগুনই ভর্তি করছে। আর তারা অচিরেই জ্বলন্ত আগুনে জ্বলবে।

  11. ১১

    يُوصِيكُمُ ٱللَّهُ فِيٓ أَوۡلَٰدِكُمۡۖ لِلذَّكَرِ مِثۡلُ حَظِّ ٱلۡأُنثَيَيۡنِۚ فَإِن كُنَّ نِسَآءٗ فَوۡقَ ٱثۡنَتَيۡنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَۖ وَإِن كَانَتۡ وَٰحِدَةٗ فَلَهَا ٱلنِّصۡفُۚ وَلِأَبَوَيۡهِ لِكُلِّ وَٰحِدٖ مِّنۡهُمَا ٱلسُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِن كَانَ لَهُۥ وَلَدٞۚ فَإِن لَّمۡ يَكُن لَّهُۥ وَلَدٞ وَوَرِثَهُۥٓ أَبَوَاهُ فَلِأُمِّهِ ٱلثُّلُثُۚ فَإِن كَانَ لَهُۥٓ إِخۡوَةٞ فَلِأُمِّهِ ٱلسُّدُسُۚ مِنۢ بَعۡدِ وَصِيَّةٖ يُوصِي بِهَآ أَوۡ دَيۡنٍۗ ءَابَآؤُكُمۡ وَأَبۡنَآؤُكُمۡ لَا تَدۡرُونَ أَيُّهُمۡ أَقۡرَبُ لَكُمۡ نَفۡعٗاۚ فَرِيضَةٗ مِّنَ ٱللَّهِۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمٗا

    আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের (উত্তরাধিকারের) ব্যাপারে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান; কিন্তু শুধু তারা (ওয়ারিশরা) যদি কন্যা সন্তান হয় এবং তারা যদি দুয়ের অধিক হয়, তবে তারা পরিত্যক্ত সম্পত্তির তিন ভাগের দু’ভাগ পাবে। আর (মৃত ব্যক্তি যদি) একমাত্র কন্যা রেখে যায়, তবে সে (পরিত্যক্ত সম্পত্তির) অর্ধেক পাবে। (মৃত ব্যক্তির) সন্তান থাকলে তার পিতা-মাতা প্রত্যেকের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ; কিন্তু সে নিঃসন্তান হলে এবং পিতা-মাতাই উত্তরাধিকারী হলে তার মাতার জন্য তিন ভাগের এক ভাগ(১); তার ভাই-বোন থাকলে মাতার জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ(২)। এভাবে ওয়ারিশি সম্পদ বণ্টন করতে হবে মৃত ব্যক্তি যদি অসিয়ত করে যায় কিংবা কোন ঋণ রেখে যায়, তবে সেগুলো পরিশোধ করার পর। তোমরা জানো না যে, তোমাদের পিতামাতা ও সন্তানদের মধ্যে (দুনিয়া ও আখিরাতে) উপকারে কে তোমাদের বেশি নিকটবর্তী। (উত্তরাধিকার বণ্টনের) এ বিধান আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  12. ১২

    ۞ وَلَكُمۡ نِصۡفُ مَا تَرَكَ أَزۡوَٰجُكُمۡ إِن لَّمۡ يَكُن لَّهُنَّ وَلَدٞۚ فَإِن كَانَ لَهُنَّ وَلَدٞ فَلَكُمُ ٱلرُّبُعُ مِمَّا تَرَكۡنَۚ مِنۢ بَعۡدِ وَصِيَّةٖ يُوصِينَ بِهَآ أَوۡ دَيۡنٖۚ وَلَهُنَّ ٱلرُّبُعُ مِمَّا تَرَكۡتُمۡ إِن لَّمۡ يَكُن لَّكُمۡ وَلَدٞۚ فَإِن كَانَ لَكُمۡ وَلَدٞ فَلَهُنَّ ٱلثُّمُنُ مِمَّا تَرَكۡتُمۚ مِّنۢ بَعۡدِ وَصِيَّةٖ تُوصُونَ بِهَآ أَوۡ دَيۡنٖۗ وَإِن كَانَ رَجُلٞ يُورَثُ كَلَٰلَةً أَوِ ٱمۡرَأَةٞ وَلَهُۥٓ أَخٌ أَوۡ أُخۡتٞ فَلِكُلِّ وَٰحِدٖ مِّنۡهُمَا ٱلسُّدُسُۚ فَإِن كَانُوٓاْ أَكۡثَرَ مِن ذَٰلِكَ فَهُمۡ شُرَكَآءُ فِي ٱلثُّلُثِۚ مِنۢ بَعۡدِ وَصِيَّةٖ يُوصَىٰ بِهَآ أَوۡ دَيۡنٍ غَيۡرَ مُضَآرّٖۚ وَصِيَّةٗ مِّنَ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَلِيمٞ

    তোমাদের স্ত্রীরা যদি সন্তান না রেখে মারা যায়, তবে তাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক তোমাদের জন্য। আর তাদের সন্তান থাকলে, তোমাদের জন্য তাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির চার ভাগের এক ভাগ; যদি অসিয়ত করে যায় কিংবা কোন ঋণ রেখে যায়, তবে সেগুলো পরিশোধ করার পর। তোমরা নিঃসন্তান হলে, তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির চার ভাগের এক ভাগ স্ত্রীরা পাবে। আর তোমাদের সন্তান থাকলে, তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ তোমাদের স্ত্রীরা পাবে; তোমরা যা অসিয়াত করবে তা পালন করার পর এবং ঋণ পরিশোধের পর। আর যদি কোনো পুরুষ অথবা নারীর ‘কালালাহ’ তথা পিতা-মাতা ও সন্তানহীন হলে, আর তার এক বৈপিত্রেয় ভাই বা বোন থাকে, তবে তাদের প্রত্যেকের জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ। তারা এর চেয়ে বেশি হলে সবাই তিন ভাগের এক ভাগে সমান অংশীদার হবে; এটা অসিয়াত পালন এবং ঋণ পরিশোধের পর; কারো ক্ষতি না করে। এ হচ্ছে আল্লাহর বিধান। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, মহাধৈর্যশীল।

  13. ১৩

    تِلۡكَ حُدُودُ ٱللَّهِۚ وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ يُدۡخِلۡهُ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَاۚ وَذَٰلِكَ ٱلۡفَوۡزُ ٱلۡعَظِيمُ

    এসব আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশ দিয়ে নদী প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে। আর এটাই হলো মহাসাফল্য।

  14. ১৪

    وَمَن يَعۡصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَيَتَعَدَّ حُدُودَهُۥ يُدۡخِلۡهُ نَارًا خَٰلِدٗا فِيهَا وَلَهُۥ عَذَابٞ مُّهِينٞ

    আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিধানাবলীর অবাধ্য হলে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমালঙ্ঘন করলে তিনি তাকে আগুনে নিক্ষেপ করবেন। সেখানে সে চিরকাল থাকবে এবং তার জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।

  15. ১৫

    وَٱلَّٰتِي يَأۡتِينَ ٱلۡفَٰحِشَةَ مِن نِّسَآئِكُمۡ فَٱسۡتَشۡهِدُواْ عَلَيۡهِنَّ أَرۡبَعَةٗ مِّنكُمۡۖ فَإِن شَهِدُواْ فَأَمۡسِكُوهُنَّ فِي ٱلۡبُيُوتِ حَتَّىٰ يَتَوَفَّىٰهُنَّ ٱلۡمَوۡتُ أَوۡ يَجۡعَلَ ٱللَّهُ لَهُنَّ سَبِيلٗا

    আর তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচার করেছে তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে (ন্যায়পরায়ণ) চারজন সাক্ষী উপস্থিত করাও। যদি তারা সাক্ষ্য দেয়, তবে তাদেরকে ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখবে; যতোদিন না তাদের মৃত্যু হয় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোনো বিধান নাযিল করেন।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  16. ১৬

    وَٱلَّذَانِ يَأۡتِيَٰنِهَا مِنكُمۡ فَـَٔاذُوهُمَاۖ فَإِن تَابَا وَأَصۡلَحَا فَأَعۡرِضُواْ عَنۡهُمَآۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ تَوَّابٗا رَّحِيمًا

    আর তোমাদের মধ্যে (বিবাহিত কিংবা অবিবাহিত) যে দুজন এতে লিপ্ত হবে (প্রমাণিত হলে), তাদেরকে শাস্তি দাও। যদি তারা তাওবা করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, তবে তাদের (শাস্তি দেওয়া) থেকে বিরত থাকবে।(১) নিশ্চয় আল্লাহ তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  17. ১৭

    إِنَّمَا ٱلتَّوۡبَةُ عَلَى ٱللَّهِ لِلَّذِينَ يَعۡمَلُونَ ٱلسُّوٓءَ بِجَهَٰلَةٖ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِن قَرِيبٖ فَأُوْلَٰٓئِكَ يَتُوبُ ٱللَّهُ عَلَيۡهِمۡۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمٗا

    আল্লাহ অবশ্যই সেসব লোকের তাওবা কবুল করবেন যারা অজ্ঞতাবশত(১) মন্দ কাজ করে এবং পরক্ষণেই ভীষণ অনুতপ্ত হয় এবং তাওবা করে। এরাই সেসব লোক, যাদের তাওবা আল্লাহ কবুল করেন। আর আল্লাহ তো সর্বজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  18. ১৮

    وَلَيۡسَتِ ٱلتَّوۡبَةُ لِلَّذِينَ يَعۡمَلُونَ ٱلسَّيِّـَٔاتِ حَتَّىٰٓ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ ٱلۡمَوۡتُ قَالَ إِنِّي تُبۡتُ ٱلۡـَٰٔنَ وَلَا ٱلَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمۡ كُفَّارٌۚ أُوْلَٰٓئِكَ أَعۡتَدۡنَا لَهُمۡ عَذَابًا أَلِيمٗا

    তাওবা তাদের জন্য নয়, যারা আজীবন মন্দ কাজ করে, অবশেষে যখন তাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন সে বলে, ‘আমি এখন তাওবা করেছি’। আর সেসব লোকদের জন্যও তাওবা নয়, যাদের মৃত্যু হয় কাফির অবস্থায়। এরাই তারা যাদের জন্য আমি বেদনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।

  19. ১৯

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا يَحِلُّ لَكُمۡ أَن تَرِثُواْ ٱلنِّسَآءَ كَرۡهٗاۖ وَلَا تَعۡضُلُوهُنَّ لِتَذۡهَبُواْ بِبَعۡضِ مَآ ءَاتَيۡتُمُوهُنَّ إِلَّآ أَن يَأۡتِينَ بِفَٰحِشَةٖ مُّبَيِّنَةٖۚ وَعَاشِرُوهُنَّ بِٱلۡمَعۡرُوفِۚ فَإِن كَرِهۡتُمُوهُنَّ فَعَسَىٰٓ أَن تَكۡرَهُواْ شَيۡـٔٗا وَيَجۡعَلَ ٱللَّهُ فِيهِ خَيۡرٗا كَثِيرٗا

    হে মুমিনগণ! জবরদস্তি করে (সম্পদের ন্যায় তোমাদের বাপ-দাদার স্ত্রীদের) নারীদের ওয়ারিশ হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। (এমনিভাবে) তোমাদের জন্যে বৈধ নয় যে, তোমরা তাদেরকে (মোহরানার) যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখা। তবে তারা (অবাধ্যতা ও) ব্যভিচারের ন্যায় সুস্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়ে থাকলে, ভিন্ন কথা। আর তোমরা তাদের সাথে সদ্ভাবে ও সম্মানজনকভাবে জীবন যাপন করবে। তোমরা যদি তাদেরকে (স্ত্রীদেরকে) অপছন্দ করো, তবে হতে পারে তোমরা কোনো একটি বিষয়কে অপছন্দ করছ, অথচ আল্লাহ তাতেই প্রভূত কল্যাণ রেখেছেন।

  20. ২০

    وَإِنۡ أَرَدتُّمُ ٱسۡتِبۡدَالَ زَوۡجٖ مَّكَانَ زَوۡجٖ وَءَاتَيۡتُمۡ إِحۡدَىٰهُنَّ قِنطَارٗا فَلَا تَأۡخُذُواْ مِنۡهُ شَيۡـًٔاۚ أَتَأۡخُذُونَهُۥ بُهۡتَٰنٗا وَإِثۡمٗا مُّبِينٗا

    আর তোমরা যদি এক স্ত্রীর জায়গায় অন্য স্ত্রী গ্রহণ করা স্থির করো এবং তাকে যদি প্রচুর সম্পদ দিয়ে থাকো, তবুও তা থেকে কিছুই ফেরত নিও না। তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ এবং প্রকাশ্য পাপাচরণ দ্বারা তা গ্রহণ করবে?

  21. ২১

    وَكَيۡفَ تَأۡخُذُونَهُۥ وَقَدۡ أَفۡضَىٰ بَعۡضُكُمۡ إِلَىٰ بَعۡضٖ وَأَخَذۡنَ مِنكُم مِّيثَٰقًا غَلِيظٗا

    আর কীভাবে তোমরা তা (মোহরানাটুকু) ফেরত নিবে; অথচ তোমরা যখন একে অপরের সাথে একান্তে মিলিত হয়েছো(১) এবং তারা তোমাদের কাছ থেকে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়েছে?

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  22. ২২

    وَلَا تَنكِحُواْ مَا نَكَحَ ءَابَآؤُكُم مِّنَ ٱلنِّسَآءِ إِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَۚ إِنَّهُۥ كَانَ فَٰحِشَةٗ وَمَقۡتٗا وَسَآءَ سَبِيلًا

    তোমরা তাদেরকে বিয়ে করো না, যাদেরকে বিয়ে করেছিল তোমাদের পিতৃ পুরুষগণ। তবে পূর্বে যা সংঘটিত হয়েছে । নিশ্চয় তা ছিল অশ্লীল, মারাত্মক ঘৃণ্য ও চরম নিকৃষ্ট পন্থা।

  23. ২৩

    حُرِّمَتۡ عَلَيۡكُمۡ أُمَّهَٰتُكُمۡ وَبَنَاتُكُمۡ وَأَخَوَٰتُكُمۡ وَعَمَّٰتُكُمۡ وَخَٰلَٰتُكُمۡ وَبَنَاتُ ٱلۡأَخِ وَبَنَاتُ ٱلۡأُخۡتِ وَأُمَّهَٰتُكُمُ ٱلَّٰتِيٓ أَرۡضَعۡنَكُمۡ وَأَخَوَٰتُكُم مِّنَ ٱلرَّضَٰعَةِ وَأُمَّهَٰتُ نِسَآئِكُمۡ وَرَبَٰٓئِبُكُمُ ٱلَّٰتِي فِي حُجُورِكُم مِّن نِّسَآئِكُمُ ٱلَّٰتِي دَخَلۡتُم بِهِنَّ فَإِن لَّمۡ تَكُونُواْ دَخَلۡتُم بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ وَحَلَٰٓئِلُ أَبۡنَآئِكُمُ ٱلَّذِينَ مِنۡ أَصۡلَٰبِكُمۡ وَأَن تَجۡمَعُواْ بَيۡنَ ٱلۡأُخۡتَيۡنِ إِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ غَفُورٗا رَّحِيمٗا

    তোমাদের জন্যে (যেসব নারীদেরকে বিয়ে করা) হারাম করা হয়েছে, তারা হলোঃ তোমাদের মা, মেয়ে, বোন, ফুফু, খালা, ভাইয়ের মেয়ে, বোনের মেয়ে, দুধমা, দুধ-বোন, শাশুড়ি ও তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যার সাথে সহবাস করেছো তার আগের স্বামীর ঔরসে তার গর্ভজাত মেয়ে, যারা তোমাদের অভিভাবকত্বে আছে। তবে যদি তোমরা তাদের সাথে সহবাস না করে (তালাক দিয়ে থাকো) তবে পূর্ব স্বামীর ঔরসজাত কন্যাকে বিয়ে করতে কোনো অপরাধ নেই। আর তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ তোমাদের ঔরসজাত ছেলের স্ত্রীদের (তালাকপ্রাপ্তা হলেও) এবং দুই বোনকে একত্র (বিয়ে) করা, তবে (ইসলাম পূর্ব জাহিলী যুগে) যা হয়েছে তা ছাড়া (আল্লাহ সেগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন)(১)। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  24. ২৪

    ۞ وَٱلۡمُحۡصَنَٰتُ مِنَ ٱلنِّسَآءِ إِلَّا مَا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُكُمۡۖ كِتَٰبَ ٱللَّهِ عَلَيۡكُمۡۚ وَأُحِلَّ لَكُم مَّا وَرَآءَ ذَٰلِكُمۡ أَن تَبۡتَغُواْ بِأَمۡوَٰلِكُم مُّحۡصِنِينَ غَيۡرَ مُسَٰفِحِينَۚ فَمَا ٱسۡتَمۡتَعۡتُم بِهِۦ مِنۡهُنَّ فَـَٔاتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةٗۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ فِيمَا تَرَٰضَيۡتُم بِهِۦ مِنۢ بَعۡدِ ٱلۡفَرِيضَةِۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمٗا

    তাছাড়া বিবাহিত নারীদেরও তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে; তবে তোমাদের অধিকারভুক্ত (যুদ্ধবন্দিনী) দাসী ব্যতীত। এটি তোমাদের ওপর আল্লাহর বিধান। এদের ছাড়া অন্যান্য নারী তোমাদের জন্য বৈধ করা হয়েছে, যাতে তোমরা নিজেদের সম্পদ (মোহর) দিয়ে তাদেরকে বিবাহ করতে চাও, পবিত্র জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে, অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত হওয়ার জন্য নয়। অতঃপর তাদের সঙ্গে বৈধ দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপন করলে তাদের নির্ধারিত মোহর প্রদান করো। আর মোহর নির্ধারণের পর তোমরা যদি পারস্পরিক সম্মতিতে কোনো পরিবর্তন করো, তবে তাতে তোমাদের কোনো দোষ নেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

  25. ২৫

    وَمَن لَّمۡ يَسۡتَطِعۡ مِنكُمۡ طَوۡلًا أَن يَنكِحَ ٱلۡمُحۡصَنَٰتِ ٱلۡمُؤۡمِنَٰتِ فَمِن مَّا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُكُم مِّن فَتَيَٰتِكُمُ ٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۚ وَٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِإِيمَٰنِكُمۚ بَعۡضُكُم مِّنۢ بَعۡضٖۚ فَٱنكِحُوهُنَّ بِإِذۡنِ أَهۡلِهِنَّ وَءَاتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ بِٱلۡمَعۡرُوفِ مُحۡصَنَٰتٍ غَيۡرَ مُسَٰفِحَٰتٖ وَلَا مُتَّخِذَٰتِ أَخۡدَانٖۚ فَإِذَآ أُحۡصِنَّ فَإِنۡ أَتَيۡنَ بِفَٰحِشَةٖ فَعَلَيۡهِنَّ نِصۡفُ مَا عَلَى ٱلۡمُحۡصَنَٰتِ مِنَ ٱلۡعَذَابِۚ ذَٰلِكَ لِمَنۡ خَشِيَ ٱلۡعَنَتَ مِنكُمۡۚ وَأَن تَصۡبِرُواْ خَيۡرٞ لَّكُمۡۗ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ

    আর তোমাদের মধ্যে কারো স্বাধীন ঈমানদার নারীকে বিয়ের সামর্থ্য না থাকলে, তোমরা তোমাদের অধিকারভুক্ত ঈমানদার দাসী বিয়ে করবে। আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে পুরোপুরি অবহিত। মূলত তোমরা একে অপরের সমান। কাজেই তোমরা তাদেরকে বিয়ে করবে তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে এবং তাদেরকে তাদের মোহরানা ন্যায়সংগতভাবে দিবে। তারা হবে সচ্চরিত্রা, ব্যভিচারিণী নয় ও উপপতি গ্রহণকারিণীও নয়। অতঃপর বিবাহিতা হওয়ার পর যদি তারা ব্যভিচার করে, তবে তাদের শাস্তি স্বাধীন নারীর অর্ধেক (১)। উক্ত বিধান তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করে এবং স্বাধীন নারীদেরকে বিবাহে অক্ষম। আর তোমাদের জন্যে ধৈর্যধারণ করা উত্তম। (২) আর আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  26. ২৬

    يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُبَيِّنَ لَكُمۡ وَيَهۡدِيَكُمۡ سُنَنَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِكُمۡ وَيَتُوبَ عَلَيۡكُمۡۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٞ

    আল্লাহ তোমাদের কাছে বিশদভাবে বর্ণনা করতে চান। তিনি তোমাদের পূর্ববর্তীদের রীতি-নীতি ও পথ তোমাদেরকে অবহিত করতে এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করতে চান। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

  27. ২৭

    وَٱللَّهُ يُرِيدُ أَن يَتُوبَ عَلَيۡكُمۡ وَيُرِيدُ ٱلَّذِينَ يَتَّبِعُونَ ٱلشَّهَوَٰتِ أَن تَمِيلُواْ مَيۡلًا عَظِيمٗا

    আর আল্লাহ তোমাদের তাওবা কবুল ও তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করতে চান। আর যারা কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করে তারা চায় যে, তোমরা চরমভাবে বিচ্যুত হও।

  28. ২৮

    يُرِيدُ ٱللَّهُ أَن يُخَفِّفَ عَنكُمۡۚ وَخُلِقَ ٱلۡإِنسَٰنُ ضَعِيفٗا

    আল্লাহ তোমাদের ওপর হালকা ও সহজ করতে চান। কারণ, মানুষকে দুর্বলরূপে সৃষ্টি করা হয়েছে ।

  29. ২৯

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَأۡكُلُوٓاْ أَمۡوَٰلَكُم بَيۡنَكُم بِٱلۡبَٰطِلِ إِلَّآ أَن تَكُونَ تِجَٰرَةً عَن تَرَاضٖ مِّنكُمۡۚ وَلَا تَقۡتُلُوٓاْ أَنفُسَكُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِكُمۡ رَحِيمٗا

    হে মুমিনগণ, তোমরা পরস্পরের মধ্যে একে অপরের ধন-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না; তবে যদি তা তোমাদের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে সম্পাদিত ব্যবসার মাধ্যমে হয়। আর নিজেদেরকে হত্যা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু।

  30. ৩০

    وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ عُدۡوَٰنٗا وَظُلۡمٗا فَسَوۡفَ نُصۡلِيهِ نَارٗاۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرًا

    আর যে কেউ সীমালঙ্ঘন ও অন্যায়ভাবে তা করবে, অবশ্যই আমি তাকে আগুনে নিক্ষেপ করবো। আর এসব কাজ করা আল্লাহর পক্ষে খুবই সহজ।

  31. ৩১

    إِن تَجۡتَنِبُواْ كَبَآئِرَ مَا تُنۡهَوۡنَ عَنۡهُ نُكَفِّرۡ عَنكُمۡ سَيِّـَٔاتِكُمۡ وَنُدۡخِلۡكُم مُّدۡخَلٗا كَرِيمٗا

    (হে মুমিনরা!) তোমরা যদি সেসব কবীরা গুনাহ পরিহার করো, যা থেকে তোমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে, তাহলে আমি তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবো এবং তোমাদেরকে সম্মানজনক স্থানে (জান্নাতে) প্রবেশ করাবো।

  32. ৩২

    وَلَا تَتَمَنَّوۡاْ مَا فَضَّلَ ٱللَّهُ بِهِۦ بَعۡضَكُمۡ عَلَىٰ بَعۡضٖۚ لِّلرِّجَالِ نَصِيبٞ مِّمَّا ٱكۡتَسَبُواْۖ وَلِلنِّسَآءِ نَصِيبٞ مِّمَّا ٱكۡتَسَبۡنَۚ وَسۡـَٔلُواْ ٱللَّهَ مِن فَضۡلِهِۦٓۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمٗا

    আর আল্লাহ যা কিছু দিয়ে তোমাদেরকে একে অন্যের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন, তোমরা তার লালসা করো না। পুরুষ যা অর্জন করে, তা তার প্রাপ্য অংশ এবং নারী যা অর্জন করে, তা তার প্রাপ্য অংশ। আর তোমরা আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ চাও। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

  33. ৩৩

    وَلِكُلّٖ جَعَلۡنَا مَوَٰلِيَ مِمَّا تَرَكَ ٱلۡوَٰلِدَانِ وَٱلۡأَقۡرَبُونَۚ وَٱلَّذِينَ عَقَدَتۡ أَيۡمَٰنُكُمۡ فَـَٔاتُوهُمۡ نَصِيبَهُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ شَهِيدًا

    পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তির জন্যে আমি উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে দিয়েছি। আর যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ তাদেরকে তাদের অংশ দিয়ে দিবে। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বকিছুর সম্যক দ্রষ্টা।

  34. ৩৪

    ٱلرِّجَالُ قَوَّٰمُونَ عَلَى ٱلنِّسَآءِ بِمَا فَضَّلَ ٱللَّهُ بَعۡضَهُمۡ عَلَىٰ بَعۡضٖ وَبِمَآ أَنفَقُواْ مِنۡ أَمۡوَٰلِهِمۡۚ فَٱلصَّٰلِحَٰتُ قَٰنِتَٰتٌ حَٰفِظَٰتٞ لِّلۡغَيۡبِ بِمَا حَفِظَ ٱللَّهُۚ وَٱلَّٰتِي تَخَافُونَ نُشُوزَهُنَّ فَعِظُوهُنَّ وَٱهۡجُرُوهُنَّ فِي ٱلۡمَضَاجِعِ وَٱضۡرِبُوهُنَّۖ فَإِنۡ أَطَعۡنَكُمۡ فَلَا تَبۡغُواْ عَلَيۡهِنَّ سَبِيلًاۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيّٗا كَبِيرٗا

    পুরুষরা নারীদের কর্তা। কারণ আল্লাহ তাদের এককে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং এজন্যে যে, পুরুষেরা তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে। কাজেই পুণ্যশীলা স্ত্রীরা হয়ে থাকে অনুগত এবং লোকচক্ষুর আড়ালে হিফাযতকারিনী সেসব বিষয়ের,(১) যা আল্লাহ হিফাযত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর তোমরা যেসব স্ত্রীদের ব্যাপারে অবাধ্যতার আশঙ্কা করো, তাদেরকে সদুপদেশ দাও, তারপর তাদের শয্যা ত্যাগ করো এবং তাদেরকে প্রহার করো। যদি তারা তোমাদের অনুগত হয়ে যায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো পথ অন্বেষণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ শ্রেষ্ঠ, মহান।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  35. ৩৫

    وَإِنۡ خِفۡتُمۡ شِقَاقَ بَيۡنِهِمَا فَٱبۡعَثُواْ حَكَمٗا مِّنۡ أَهۡلِهِۦ وَحَكَمٗا مِّنۡ أَهۡلِهَآ إِن يُرِيدَآ إِصۡلَٰحٗا يُوَفِّقِ ٱللَّهُ بَيۡنَهُمَآۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا خَبِيرٗا

    আর তোমরা যদি তাদের উভয়ের মধ্যে বিরোধআশঙ্কা করো তাহলে তোমরা স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিশ নিযুক্ত করো। তারা উভয়ে নিষ্পত্তি চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মীমাংসার অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত।

  36. ৩৬

    ۞ وَٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ وَلَا تُشۡرِكُواْ بِهِۦ شَيۡـٔٗاۖ وَبِٱلۡوَٰلِدَيۡنِ إِحۡسَٰنٗا وَبِذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡيَتَٰمَىٰ وَٱلۡمَسَٰكِينِ وَٱلۡجَارِ ذِي ٱلۡقُرۡبَىٰ وَٱلۡجَارِ ٱلۡجُنُبِ وَٱلصَّاحِبِ بِٱلۡجَنۢبِ وَٱبۡنِ ٱلسَّبِيلِ وَمَا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُكُمۡۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ مَن كَانَ مُخۡتَالٗا فَخُورًا

    আর তোমরা এক আল্লাহর ইবাদাত করো এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরীক করো না। পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম, অভাবগ্রস্ত, নিকট প্রতিবেশী, অনাত্মীয়- প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সঙ্গী-সাথী, মুসাফির ও তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করো। নিশ্চয় আল্লাহ দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না।

  37. ৩৭

    ٱلَّذِينَ يَبۡخَلُونَ وَيَأۡمُرُونَ ٱلنَّاسَ بِٱلۡبُخۡلِ وَيَكۡتُمُونَ مَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِۦۗ وَأَعۡتَدۡنَا لِلۡكَٰفِرِينَ عَذَابٗا مُّهِينٗا

    যারা কৃপণতা করে এবং মানুষকে কৃপণতার নির্দেশ দেয়, আর গোপন করে তা, আল্লাহ যা নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে দিয়েছেন। আর আমি কাফিরদের জন্যে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।

  38. ৩৮

    وَٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمۡوَٰلَهُمۡ رِئَآءَ ٱلنَّاسِ وَلَا يُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَلَا بِٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۗ وَمَن يَكُنِ ٱلشَّيۡطَٰنُ لَهُۥ قَرِينٗا فَسَآءَ قَرِينٗا

    যারা মানুষকে দেখানোর জন্য তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও শেষ দিবসে ঈমান আনে না। আর শয়তান যার সাথী হয়, সাথী হিসেবে সে কতইনা নিকৃষ্ট !

  39. ৩৯

    وَمَاذَا عَلَيۡهِمۡ لَوۡ ءَامَنُواْ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِ وَأَنفَقُواْ مِمَّا رَزَقَهُمُ ٱللَّهُۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِهِمۡ عَلِيمًا

    তারা আল্লাহ ও শেষ দিবসে ঈমান আনলে এবং আল্লাহ তাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তা থেকে ব্যয় করলে, তাদের এমন কী ক্ষতি হতো? আর আল্লাহ তাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত।

  40. ৪০

    إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَظۡلِمُ مِثۡقَالَ ذَرَّةٖۖ وَإِن تَكُ حَسَنَةٗ يُضَٰعِفۡهَا وَيُؤۡتِ مِن لَّدُنۡهُ أَجۡرًا عَظِيمٗا

    নিশ্চয় আল্লাহ অণু পরিমাণও যুলম করেন না। আর কেউ একটি সৎকাজ করলে আল্লাহ সেটাকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন। তিনি নিজের পক্ষ থেকে মহাপুরস্কার প্রদান করবেন।

  41. ৪১

    فَكَيۡفَ إِذَا جِئۡنَا مِن كُلِّ أُمَّةِۭ بِشَهِيدٖ وَجِئۡنَا بِكَ عَلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِ شَهِيدٗا

    অতএব, তখন কী অবস্থা হবে যখন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করবো এবং তোমাকে উপস্থিত করবো তাদের ওপর সাক্ষীরূপে?

  42. ৪২

    يَوۡمَئِذٖ يَوَدُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَعَصَوُاْ ٱلرَّسُولَ لَوۡ تُسَوَّىٰ بِهِمُ ٱلۡأَرۡضُ وَلَا يَكۡتُمُونَ ٱللَّهَ حَدِيثٗا

    যারা কুফরী করেছে এবং রাসূলের অবাধ্য হয়েছে তারা সেই দিন কামনা করবে, যদি জমিনকে তাদের সাথে সমান করে দেয়া হতো! আর তারা আল্লাহর কাছে কোন কথাই গোপন করতে পারবে না।

  43. ৪৩

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَقۡرَبُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنتُمۡ سُكَٰرَىٰ حَتَّىٰ تَعۡلَمُواْ مَا تَقُولُونَ وَلَا جُنُبًا إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّىٰ تَغۡتَسِلُواْۚ وَإِن كُنتُم مَّرۡضَىٰٓ أَوۡ عَلَىٰ سَفَرٍ أَوۡ جَآءَ أَحَدٞ مِّنكُم مِّنَ ٱلۡغَآئِطِ أَوۡ لَٰمَسۡتُمُ ٱلنِّسَآءَ فَلَمۡ تَجِدُواْ مَآءٗ فَتَيَمَّمُواْ صَعِيدٗا طَيِّبٗا فَٱمۡسَحُواْ بِوُجُوهِكُمۡ وَأَيۡدِيكُمۡۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَفُوًّا غَفُورًا

    হে মুমিনগণ! নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের নিকটবর্তী হয়ো না; যতক্ষণ না তোমরা যা বলো তা বুঝতে পারো।(১) অনুরূপ অপবিত্র অবস্থায় (সালাতের জায়গা মসজিদসমূহের নিকটবর্তী হয়ো না); যতক্ষণ না তোমরা গোসল করো, তবে যদি তোমরা পথ অতিক্রমকারী হও (তবে ভিন্ন কথা)। আর যদি তোমরা অসুস্থ হও বা সফরে থাকো বা তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা থেকে আসে কিংবা তোমরা স্ত্রী সম্ভোগ করো, তবে যদি পানি না পাও, তাহলে পবিত্র মাটিতে তায়াম্মুম করো। সুতরাং তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত মাসহ করো। নিশ্চয় আল্লাহ গুনাহ মার্জনাকারী,পরম ক্ষমাশীল।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  44. ৪৪

    أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ أُوتُواْ نَصِيبٗا مِّنَ ٱلۡكِتَٰبِ يَشۡتَرُونَ ٱلضَّلَٰلَةَ وَيُرِيدُونَ أَن تَضِلُّواْ ٱلسَّبِيلَ

    (হে রাসূল!) তুমি কি তাদেরকে (ইয়াহূদীদেরকে) দেখোনি যাদেরকে কিতাবের (তাওরাতের) কিছু অংশ দেয়া হয়েছিল? তারা (হিদায়েতের পরিবর্তে) ভ্রান্ত পথ ক্রয় করে আর চায় যে, তোমরাও পথভ্রষ্ট হয়ে যাও।

  45. ৪৫

    وَٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِأَعۡدَآئِكُمۡۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَلِيّٗا وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ نَصِيرٗا

    আর আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের সম্পর্কে অধিক অবগত। আর অভিভাবক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসেবেও আল্লাহই যথেষ্ট।

  46. ৪৬

    مِّنَ ٱلَّذِينَ هَادُواْ يُحَرِّفُونَ ٱلۡكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِۦ وَيَقُولُونَ سَمِعۡنَا وَعَصَيۡنَا وَٱسۡمَعۡ غَيۡرَ مُسۡمَعٖ وَرَٰعِنَا لَيَّۢا بِأَلۡسِنَتِهِمۡ وَطَعۡنٗا فِي ٱلدِّينِۚ وَلَوۡ أَنَّهُمۡ قَالُواْ سَمِعۡنَا وَأَطَعۡنَا وَٱسۡمَعۡ وَٱنظُرۡنَا لَكَانَ خَيۡرٗا لَّهُمۡ وَأَقۡوَمَ وَلَٰكِن لَّعَنَهُمُ ٱللَّهُ بِكُفۡرِهِمۡ فَلَا يُؤۡمِنُونَ إِلَّا قَلِيلٗا

    ইয়াহূদীদের মধ্যে কিছু লোক আছে যারা কথাগুলো (আল্লাহর নাযিলকৃত বাণীকে) স্থানচ্যুত করে বিকৃত করে এবং বলে: ‘আমরা শুনলাম ও অমান্য করলাম’ এবং তুমি শোনো না শোনার মতো। আর নিজেদের জিহ্বা বাঁকা করে এবং দীনের প্রতি তাচ্ছিল্য করে বলে: ‘রাইনা’ (আমাদের রাখাল )। কিন্তু তারা যদি বলত: ‘আমরা শুনলাম ও মান্য করলাম এবং আপনি শুনুন ও আমাদের প্রতি লক্ষ্য করুন’, তবে তা তাদের জন্য কল্যাণকর ও ইনসাফপূর্ণ হতো। (১) কিন্তু তাদের কুফরীর জন্য আল্লাহ তাদেরকে লা’নত করেছেন। ফলে তাদের অল্প সংখ্যকই ঈমান আনে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  47. ৪৭

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ ءَامِنُواْ بِمَا نَزَّلۡنَا مُصَدِّقٗا لِّمَا مَعَكُم مِّن قَبۡلِ أَن نَّطۡمِسَ وُجُوهٗا فَنَرُدَّهَا عَلَىٰٓ أَدۡبَارِهَآ أَوۡ نَلۡعَنَهُمۡ كَمَا لَعَنَّآ أَصۡحَٰبَ ٱلسَّبۡتِۚ وَكَانَ أَمۡرُ ٱللَّهِ مَفۡعُولًا

    হে কিতাবপ্রাপ্তগণ, আমি যা নাযিল করেছি তার ওপর তোমরা ঈমান আনো, যা তোমাদের কাছে আছে তার সত্যায়নকারী, সে সময় আসার আগে যখন আমি চেহারাসমূহকে বিকৃত করে তা তাদের পিঠের দিকে ফিরিয়ে দিবো অথবা তাদেরকে লা‘নত করার পূর্বে যেমনিভাবে লা‘নত করেছি শনিবার ওয়ালাদের (১)। আর আল্লাহর নির্দেশ কার্যকর হয়েই থাকে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  48. ৪৮

    إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغۡفِرُ أَن يُشۡرَكَ بِهِۦ وَيَغۡفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُۚ وَمَن يُشۡرِكۡ بِٱللَّهِ فَقَدِ ٱفۡتَرَىٰٓ إِثۡمًا عَظِيمًا

    নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শরীক করাকে ক্ষমা করেন না (যদি কেউ শিরক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে)। তবে এর চেয়ে নিম্নস্তরের গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। আর যে আল্লাহর সঙ্গে শরীক করে, সে অবশ্যই এক মহাপাপ রচনা করেছে।

  49. ৪৯

    أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ يُزَكُّونَ أَنفُسَهُمۚ بَلِ ٱللَّهُ يُزَكِّي مَن يَشَآءُ وَلَا يُظۡلَمُونَ فَتِيلًا

    (হে নবী!) তুমি কি তাদেরকে দেখোনি, যারা নিজেদের (নফসের) পবিত্রতার দাবি করে? বরং আল্লাহই যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। আর তাদের প্রতি খেজুরের আঁটির সূক্ষ্ম তন্তু-পরিমাণও কোনো যুলম করা হবে না।

  50. ৫০

    ٱنظُرۡ كَيۡفَ يَفۡتَرُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلۡكَذِبَۖ وَكَفَىٰ بِهِۦٓ إِثۡمٗا مُّبِينًا

    (হে রাসূল!) দেখো, কেমন করে তারা আল্লাহর ওপর মিথ্যা রটনা করে। আর প্রকাশ্য গুনাহ হিসেবে এটিই যথেষ্ট।

  51. ৫১

    أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ أُوتُواْ نَصِيبٗا مِّنَ ٱلۡكِتَٰبِ يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡجِبۡتِ وَٱلطَّٰغُوتِ وَيَقُولُونَ لِلَّذِينَ كَفَرُواْ هَٰٓؤُلَآءِ أَهۡدَىٰ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ سَبِيلًا

    তুমি কি তাদেরকে দেখোনি যাদেরকে কিতাবের এক অংশ দেয়া হয়েছিল? তারা জিব্‌ত ও তাগূতে(১) বিশ্বাস করে। তারা কাফিরদের সম্বন্ধে বলে: ‘এরা মু’মিনদের তুলনায় অধিক সঠিক পথপ্রাপ্ত।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  52. ৫২

    أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ لَعَنَهُمُ ٱللَّهُۖ وَمَن يَلۡعَنِ ٱللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُۥ نَصِيرًا

    এরাই তারা, যাদেরকে আল্লাহ লা’নত করেছেন। আর আল্লাহ যাকে লা’নত করেন, তুমি কখনো তার জন্যে কোনো সাহায্যকারী পাবে না।

  53. ৫৩

    أَمۡ لَهُمۡ نَصِيبٞ مِّنَ ٱلۡمُلۡكِ فَإِذٗا لَّا يُؤۡتُونَ ٱلنَّاسَ نَقِيرًا

    তবে কি তাদের জন্য সাম্রাজ্যে কোন অংশ আছে? তেমনটি হলে তারা মানুষকে একটি কানাকড়িও (১) দেবে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  54. ৫৪

    أَمۡ يَحۡسُدُونَ ٱلنَّاسَ عَلَىٰ مَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِۦۖ فَقَدۡ ءَاتَيۡنَآ ءَالَ إِبۡرَٰهِيمَ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَءَاتَيۡنَٰهُم مُّلۡكًا عَظِيمٗا

    না কি তারা মানুষকে (অর্থাৎ মুহাম্মদ ﷺ-কে ও তাঁর অনুসারীদের) আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহে যা দান করেছেন, সে জন্য হিংসা করে? অথচ আমরা তো ইবরাহীমের বংশধরদের কিতাব ও হিকমত দান করেছি এবং তাদেরকে মহান রাজত্বও প্রদান করেছি।

  55. ৫৫

    فَمِنۡهُم مَّنۡ ءَامَنَ بِهِۦ وَمِنۡهُم مَّن صَدَّ عَنۡهُۚ وَكَفَىٰ بِجَهَنَّمَ سَعِيرًا

    অতঃপর তাদের (আহলে কিতাবের) কেউ এর প্রতি ঈমান এনেছে, আর কেউ তা থেকে মুখ ফিরিয়েছে। আর জাহান্নামই দগ্ধকারী হিসেবে যথেষ্ট।

  56. ৫৬

    إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِـَٔايَٰتِنَا سَوۡفَ نُصۡلِيهِمۡ نَارٗا كُلَّمَا نَضِجَتۡ جُلُودُهُم بَدَّلۡنَٰهُمۡ جُلُودًا غَيۡرَهَا لِيَذُوقُواْ ٱلۡعَذَابَۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَزِيزًا حَكِيمٗا

    নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে, অচিরেই আমি তাদেরকে আগুনে প্রবেশ করাবো। যখনই তাদের চামড়াগুলো পুড়ে যাবে তখনই তার স্থলে অন্য চামড়া বদলে দিবো, যাতে তারা শাস্তি আস্বাদন করে। নিশ্চয় আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।

  57. ৫৭

    وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ سَنُدۡخِلُهُمۡ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدٗاۖ لَّهُمۡ فِيهَآ أَزۡوَٰجٞ مُّطَهَّرَةٞۖ وَنُدۡخِلُهُمۡ ظِلّٗا ظَلِيلًا

    আর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, অচিরেই আমি তাদেরকে প্রবেশ করাবো জান্নাতসমূহে, যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহরসমূহ। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। সেখানে তাদের জন্য রয়েছে পবিত্র স্ত্রীগণ এবং তাদেরকে আমি প্রবেশ করাবো ঘন ছায়ায়।

  58. ৫৮

    ۞ إِنَّ ٱللَّهَ يَأۡمُرُكُمۡ أَن تُؤَدُّواْ ٱلۡأَمَٰنَٰتِ إِلَىٰٓ أَهۡلِهَا وَإِذَا حَكَمۡتُم بَيۡنَ ٱلنَّاسِ أَن تَحۡكُمُواْ بِٱلۡعَدۡلِۚ إِنَّ ٱللَّهَ نِعِمَّا يَعِظُكُم بِهِۦٓۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ سَمِيعَۢا بَصِيرٗا

    নিশ্চয় আল্লাহ আমানতসমূহ তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দিতে তোমাদেরকে আদেশ দিচ্ছেন। আর যখন তোমরা মানুষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করবে তখন ন্যায়পরায়ণতার সাথে বিচার করবে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে কতই না উত্তম উপদেশ দিচ্ছেন! নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।

  59. ৫৯

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُواْ ٱلرَّسُولَ وَأُوْلِي ٱلۡأَمۡرِ مِنكُمۡۖ فَإِن تَنَٰزَعۡتُمۡ فِي شَيۡءٖ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمۡ تُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۚ ذَٰلِكَ خَيۡرٞ وَأَحۡسَنُ تَأۡوِيلًا

    হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো ও রাসূলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের মধ্য থেকে কর্তৃত্বের অধিকারীদের।(১) অতঃপর কোন বিষয়ে যদি তোমরা মতবিরোধ করো তাহলে তা (ফয়সালার জন্যে) আল্লাহ ও রাসূলের (কিতাব ও সুন্নাতের) নিকট উপস্থাপন করো- যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখো। এটি উত্তম পন্থা এবং পরিণামেও উৎকৃষ্টতর।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  60. ৬০

    أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ يَزۡعُمُونَ أَنَّهُمۡ ءَامَنُواْ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبۡلِكَ يُرِيدُونَ أَن يَتَحَاكَمُوٓاْ إِلَى ٱلطَّٰغُوتِ وَقَدۡ أُمِرُوٓاْ أَن يَكۡفُرُواْ بِهِۦۖ وَيُرِيدُ ٱلشَّيۡطَٰنُ أَن يُضِلَّهُمۡ ضَلَٰلَۢا بَعِيدٗا

    (হে নবী) তুমি কি তাদেরকে দেখোনি যারা দাবি করে যে, তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে এবং তোমার পূর্বে যা নাযিল হয়েছে তারা তাতে ঈমান এনেছে; কিন্তু তারা তাগূতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়। অথচ তাদের তাগূতকে প্রত্যাখ্যান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর শয়তান তাদেরকে দূরবর্তী বিভ্রান্তির দিকে নিতে চায়।

  61. ৬১

    وَإِذَا قِيلَ لَهُمۡ تَعَالَوۡاْ إِلَىٰ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ وَإِلَى ٱلرَّسُولِ رَأَيۡتَ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ يَصُدُّونَ عَنكَ صُدُودٗا

    তাদেরকে (মুনাফিকদেরকে) যখন বলা হয়, আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবের দিকে এবং রাসূলের দিকে আসো (১), তখন মুনাফিকদেরকে তুমি তোমার কাছ থেকে একেবারে মুখ ফিরিয়ে নিতে দেখবে(২)।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  62. ৬২

    فَكَيۡفَ إِذَآ أَصَٰبَتۡهُم مُّصِيبَةُۢ بِمَا قَدَّمَتۡ أَيۡدِيهِمۡ ثُمَّ جَآءُوكَ يَحۡلِفُونَ بِٱللَّهِ إِنۡ أَرَدۡنَآ إِلَّآ إِحۡسَٰنٗا وَتَوۡفِيقًا

    অতঃপর কি অবস্থা হবে, যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হবে? তখন তারা তোমার কাছে এসে আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে: ‘আমরা কল্যাণ এবং সম্প্রীতি ছাড়া অন্য কিছুই চাইনি।’

  63. ৬৩

    أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُ ٱللَّهُ مَا فِي قُلُوبِهِمۡ فَأَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ وَعِظۡهُمۡ وَقُل لَّهُمۡ فِيٓ أَنفُسِهِمۡ قَوۡلَۢا بَلِيغٗا

    এরা তারাই , যাদের অন্তরে কি আছে আল্লাহ তা ভালো করেই জানেন। সুতরাং তুমি তাদেরকে উপেক্ষা করো এবং তাদেরকে সদুপদেশ দাও। আর তাদেরকে অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী কথা বলো।

  64. ৬৪

    وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا لِيُطَاعَ بِإِذۡنِ ٱللَّهِۚ وَلَوۡ أَنَّهُمۡ إِذ ظَّلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ جَآءُوكَ فَٱسۡتَغۡفَرُواْ ٱللَّهَ وَٱسۡتَغۡفَرَ لَهُمُ ٱلرَّسُولُ لَوَجَدُواْ ٱللَّهَ تَوَّابٗا رَّحِيمٗا

    আর আমি যে কোন রাসূল প্রেরণ করেছি তা কেবল এ জন্য, যেন আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁর আনুগত্য করা হয়। আর তারা যখন নিজেদের প্রতি যুলম করেছিল, তখন যদি তোমার কাছে আসত, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইত এবং রাসূলও তাদের জন্য ক্ষমা চাইত তাহলে অবশ্যই তারা আল্লাহকে তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালুরূপে পেত।

  65. ৬৫

    فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤۡمِنُونَ حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيۡنَهُمۡ ثُمَّ لَا يَجِدُواْ فِيٓ أَنفُسِهِمۡ حَرَجٗا مِّمَّا قَضَيۡتَ وَيُسَلِّمُواْ تَسۡلِيمٗا

    কিন্তু না, অতএব তোমার রবের শপথ, তারা মু’মিন হবে না যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে বিচারক নির্ধারণ করে; অতঃপর তোমার মীমাংসা সম্পর্কে তাদের অন্তরে কোনো দ্বিধা না থাকে এবং সর্বান্তঃকরণে তা মেনে নেয়।

  66. ৬৬

    وَلَوۡ أَنَّا كَتَبۡنَا عَلَيۡهِمۡ أَنِ ٱقۡتُلُوٓاْ أَنفُسَكُمۡ أَوِ ٱخۡرُجُواْ مِن دِيَٰرِكُم مَّا فَعَلُوهُ إِلَّا قَلِيلٞ مِّنۡهُمۡۖ وَلَوۡ أَنَّهُمۡ فَعَلُواْ مَا يُوعَظُونَ بِهِۦ لَكَانَ خَيۡرٗا لَّهُمۡ وَأَشَدَّ تَثۡبِيتٗا

    আর যদি আমি তাদেরকে আদেশ দিতাম যে, তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো বা নিজেদের গৃহ ত্যাগ করো, তাহলে তাদের অল্প সংখ্যকই তা করতো।(১) তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল তারা তা করলে তাদের জন্যে ভালো হতো এবং তাদের ঈমানের স্থিরতায় সুদৃঢ় হতো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  67. ৬৭

    وَإِذٗا لَّأٓتَيۡنَٰهُم مِّن لَّدُنَّآ أَجۡرًا عَظِيمٗا

    আর অবশ্যই তখন আমি তাদেরকে আমার পক্ষ থেকে মহাপুরস্কার প্রদান করতাম।

  68. ৬৮

    وَلَهَدَيۡنَٰهُمۡ صِرَٰطٗا مُّسۡتَقِيمٗا

    এবং অবশ্যই আমি তাদেরকে সরল সঠিক পথে পরিচালিত করতাম।

  69. ৬৯

    وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ فَأُوْلَٰٓئِكَ مَعَ ٱلَّذِينَ أَنۡعَمَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِم مِّنَ ٱلنَّبِيِّـۧنَ وَٱلصِّدِّيقِينَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَٱلصَّٰلِحِينَۚ وَحَسُنَ أُوْلَٰٓئِكَ رَفِيقٗا

    আর যারা আল্লাহ এবং রাসূলের আনুগত্য করবে তারা তাদের সঙ্গী হবে যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন, তাঁরা হলেনঃ নবী, সিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মপরায়ণগণ। আর সঙ্গী হিসেবে তারা কতোই না উত্তম!

  70. ৭০

    ذَٰلِكَ ٱلۡفَضۡلُ مِنَ ٱللَّهِۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ عَلِيمٗا

    এগুলো আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। সর্বজ্ঞানী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

  71. ৭১

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ خُذُواْ حِذۡرَكُمۡ فَٱنفِرُواْ ثُبَاتٍ أَوِ ٱنفِرُواْ جَمِيعٗا

    হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের সতর্কতার ব্যবস্থা গ্রহণ করো। অতঃপর ছোট ছোট দলে (যুদ্ধে) বের হও অথবা সবাই একসঙ্গে বের হও।

  72. ৭২

    وَإِنَّ مِنكُمۡ لَمَن لَّيُبَطِّئَنَّ فَإِنۡ أَصَٰبَتۡكُم مُّصِيبَةٞ قَالَ قَدۡ أَنۡعَمَ ٱللَّهُ عَلَيَّ إِذۡ لَمۡ أَكُن مَّعَهُمۡ شَهِيدٗا

    আর নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ এমন আছে, যে গড়িমসি করবেই। সুতরাং তোমাদের কোন বিপদ আপতিত হলে সে বলবে, ‘আল্লাহ আমার ওপর অনুগ্রহ করেছেন যে, আমি তাদের সাথে উপস্থিত ছিলাম না।’

  73. ৭৩

    وَلَئِنۡ أَصَٰبَكُمۡ فَضۡلٞ مِّنَ ٱللَّهِ لَيَقُولَنَّ كَأَن لَّمۡ تَكُنۢ بَيۡنَكُمۡ وَبَيۡنَهُۥ مَوَدَّةٞ يَٰلَيۡتَنِي كُنتُ مَعَهُمۡ فَأَفُوزَ فَوۡزًا عَظِيمٗا

    আর তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন অনুগ্রহ এসে পৌঁছলে, তখন তোমাদের ও তার মধ্যে যেন কোনো হৃদ্যতাই ছিল না এমন ভাব দেখিয়ে সে অবশ্যই বলবে: ‘হায়! যদি আমি তাদের সাথে থাকতাম, তবে আমিও বিরাট সাফল্য লাভ করতাম।’

  74. ৭৪

    ۞ فَلۡيُقَٰتِلۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ ٱلَّذِينَ يَشۡرُونَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا بِٱلۡأٓخِرَةِۚ وَمَن يُقَٰتِلۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ فَيُقۡتَلۡ أَوۡ يَغۡلِبۡ فَسَوۡفَ نُؤۡتِيهِ أَجۡرًا عَظِيمٗا

    সুতরাং যারা আখিরাতের বিনিময়ে পার্থিব জীবনকে বিক্রয় করে, তারাই আল্লাহর পথে যুদ্ধ করুক। আর কেউ আল্লাহর পথে যুদ্ধ করলে সে নিহত হোক বা বিজয়ী হোক, আমি তো তাকে অচিরেই মহাপুরস্কার প্রদান করব।

  75. ৭৫

    وَمَا لَكُمۡ لَا تُقَٰتِلُونَ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱلۡمُسۡتَضۡعَفِينَ مِنَ ٱلرِّجَالِ وَٱلنِّسَآءِ وَٱلۡوِلۡدَٰنِ ٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَآ أَخۡرِجۡنَا مِنۡ هَٰذِهِ ٱلۡقَرۡيَةِ ٱلظَّالِمِ أَهۡلُهَا وَٱجۡعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ وَلِيّٗا وَٱجۡعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ نَصِيرًا

    আর তোমাদের কী হলো যে, তোমরা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করছ না; অথচ দুর্বল পুরুষ, নারী ও শিশুরা ফরিয়াদ করে বলছে: ‘হে আমাদের রব! আমাদেরকে এ জনপদ থেকে বের করে নিন, যার অধিবাসীরা যালিম এবং আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে একজন অভিভাবক নির্ধারণ করুন(১)। আর নির্ধারণ করুন আপনার পক্ষ থেকে একজন সাহায্যকারী।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  76. ৭৬

    ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ يُقَٰتِلُونَ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِۖ وَٱلَّذِينَ كَفَرُواْ يُقَٰتِلُونَ فِي سَبِيلِ ٱلطَّٰغُوتِ فَقَٰتِلُوٓاْ أَوۡلِيَآءَ ٱلشَّيۡطَٰنِۖ إِنَّ كَيۡدَ ٱلشَّيۡطَٰنِ كَانَ ضَعِيفًا

    যারা ঈমান এনেছে, তারা আল্লাহর পথে লড়াই করে। আর যারা কাফির তারা তাগূতের পথে লড়াই করে। কাজেই তোমরা শয়তানের বন্ধুদেরবিরুদ্ধে লড়াই করো। অবশ্যই শয়তানের চক্রান্ত দুর্বল।

  77. ৭৭

    أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ قِيلَ لَهُمۡ كُفُّوٓاْ أَيۡدِيَكُمۡ وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ فَلَمَّا كُتِبَ عَلَيۡهِمُ ٱلۡقِتَالُ إِذَا فَرِيقٞ مِّنۡهُمۡ يَخۡشَوۡنَ ٱلنَّاسَ كَخَشۡيَةِ ٱللَّهِ أَوۡ أَشَدَّ خَشۡيَةٗۚ وَقَالُواْ رَبَّنَا لِمَ كَتَبۡتَ عَلَيۡنَا ٱلۡقِتَالَ لَوۡلَآ أَخَّرۡتَنَآ إِلَىٰٓ أَجَلٖ قَرِيبٖۗ قُلۡ مَتَٰعُ ٱلدُّنۡيَا قَلِيلٞ وَٱلۡأٓخِرَةُ خَيۡرٞ لِّمَنِ ٱتَّقَىٰ وَلَا تُظۡلَمُونَ فَتِيلًا

    তুমি কি তাদেরকে দেখনি (১) যাদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা তোমাদের হাতগুলো গুটিয়ে রাখো এবং সালাত কায়েম করো ও যাকাত প্রদান করো? অতঃপর তাদের উপর যখন যুদ্ধ ফরয করা হলো, তখন তাদের একদল মানুষকে ভয় করছিলো আল্লাহকে ভয় করার অনুরূপ অথবা তার চেয়েও বেশি। আর তারা বলল: ‘হে আমাদের রব, আপনি আমাদের ওপর যুদ্ধ কেন ফরয করলেন? আমাদেরকে কেন আরো কিছুকালের অবকাশ দিলেন না’? বল: ‘দুনিয়ার ভোগ-বিলাস অতি সামান্য। আর যে তাকওয়া অবলম্বন করে তার জন্য আখিরাতই উত্তম। আর তোমাদের প্রতি সামান্য পরিমাণ যুলুমও করা হবে না।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  78. ৭৮

    أَيۡنَمَا تَكُونُواْ يُدۡرِككُّمُ ٱلۡمَوۡتُ وَلَوۡ كُنتُمۡ فِي بُرُوجٖ مُّشَيَّدَةٖۗ وَإِن تُصِبۡهُمۡ حَسَنَةٞ يَقُولُواْ هَٰذِهِۦ مِنۡ عِندِ ٱللَّهِۖ وَإِن تُصِبۡهُمۡ سَيِّئَةٞ يَقُولُواْ هَٰذِهِۦ مِنۡ عِندِكَۚ قُلۡ كُلّٞ مِّنۡ عِندِ ٱللَّهِۖ فَمَالِ هَٰٓؤُلَآءِ ٱلۡقَوۡمِ لَا يَكَادُونَ يَفۡقَهُونَ حَدِيثٗا

    তোমরা যেখানেই থাক না কেন মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই; যদিও তোমরা সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান করো। আর যদি তাদের (মুনাফিকদের) কাছে কোন কল্যাণপৌঁছে, তবে তারা বলে: ‘এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে।’ আর যদি কোন অকল্যাণ পৌঁছে, তখন বলে: ‘এটি তোমার কারণে।’ বল: ‘সব কিছুই আল্লাহর পক্ষ থেকে।’ সুতরাং এই জাতির কী হলো, তারা কোনো কথাই বুঝতে চায় না!

  79. ৭৯

    مَّآ أَصَابَكَ مِنۡ حَسَنَةٖ فَمِنَ ٱللَّهِۖ وَمَآ أَصَابَكَ مِن سَيِّئَةٖ فَمِن نَّفۡسِكَۚ وَأَرۡسَلۡنَٰكَ لِلنَّاسِ رَسُولٗاۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدٗا

    তোমার যা কিছু কল্যাণ হয়, তা আল্লাহর কাছ থেকে এবং তোমার যা কিছু অকল্যাণ হয়, তা তোমার নিজের কারণে। আমি তোমাকে মানুষের জন্য রাসূলরূপে পাঠিয়েছি; আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

  80. ৮০

    مَّن يُطِعِ ٱلرَّسُولَ فَقَدۡ أَطَاعَ ٱللَّهَۖ وَمَن تَوَلَّىٰ فَمَآ أَرۡسَلۡنَٰكَ عَلَيۡهِمۡ حَفِيظٗا

    যে ব্যক্তি রাসূলের আনুগত্য করল, সে তো আল্লাহরই আনুগত্য করল। আর যে মুখ ফিরিয়ে নিলো, তবে আমি তোমাকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক করে প্রেরণ করিনি।

  81. ৮১

    وَيَقُولُونَ طَاعَةٞ فَإِذَا بَرَزُواْ مِنۡ عِندِكَ بَيَّتَ طَآئِفَةٞ مِّنۡهُمۡ غَيۡرَ ٱلَّذِي تَقُولُۖ وَٱللَّهُ يَكۡتُبُ مَا يُبَيِّتُونَۖ فَأَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ وَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱللَّهِۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًا

    আর তারা বলে: আমরা তোমার ‘আনুগত্য করি। অতঃপর যখন তারা তোমার কাছ থেকে চলে যায়, তখন তাদের একদল লোক তোমার নিকট যা বলে, রাতে তার বিপরীত করে। আর আল্লাহ লিখে রাখেন, তারা রাতে যা করে। সুতরাং তুমি তাদেরকে এড়িয়ে চলো এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করো। কর্মবিধায়ক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

  82. ৮২

    أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ ٱلۡقُرۡءَانَۚ وَلَوۡ كَانَ مِنۡ عِندِ غَيۡرِ ٱللَّهِ لَوَجَدُواْ فِيهِ ٱخۡتِلَٰفٗا كَثِيرٗا

    তবে কি তারা কুরআন সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা-গবেষণা করে না? যদি তা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নিকট হতে আসত, তবে তারা এতে অনেক অসংগতি পেতো।

  83. ৮৩

    وَإِذَا جَآءَهُمۡ أَمۡرٞ مِّنَ ٱلۡأَمۡنِ أَوِ ٱلۡخَوۡفِ أَذَاعُواْ بِهِۦۖ وَلَوۡ رَدُّوهُ إِلَى ٱلرَّسُولِ وَإِلَىٰٓ أُوْلِي ٱلۡأَمۡرِ مِنۡهُمۡ لَعَلِمَهُ ٱلَّذِينَ يَسۡتَنۢبِطُونَهُۥ مِنۡهُمۡۗ وَلَوۡلَا فَضۡلُ ٱللَّهِ عَلَيۡكُمۡ وَرَحۡمَتُهُۥ لَٱتَّبَعۡتُمُ ٱلشَّيۡطَٰنَ إِلَّا قَلِيلٗا

    আর যখন তাদের (মুনাফিকদের) কাছে নিরাপত্তা বা ভীতির কোনো সংবাদ আসে, তখন তারা (সত্যতা যাচাই না করেই) তা সর্বত্র প্রচার করে বেড়ায়। অথচ যদি তারা তা রাসূলের কাছে এবং তাদের মধ্যকার দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করত, তবে তাদের মধ্য থেকে যারা বিষয়টির গভীরে গিয়ে বিশ্লেষণ করে প্রকৃত সত্য নির্ণয় করতে সক্ষম, তারা এর যথার্থতা জানতে পারত। আর যদি তোমাদের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর রহমত না থাকত, তবে অল্প কয়েকজন ছাড়া তোমরা অবশ্যই শয়তানের অনুসরণ করতে।

  84. ৮৪

    فَقَٰتِلۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ لَا تُكَلَّفُ إِلَّا نَفۡسَكَۚ وَحَرِّضِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۖ عَسَى ٱللَّهُ أَن يَكُفَّ بَأۡسَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْۚ وَٱللَّهُ أَشَدُّ بَأۡسٗا وَأَشَدُّ تَنكِيلٗا

    অতএব তুমি আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করো। তুমি শুধু তোমার নিজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং তুমি মু’মিনদেরকে উদ্বুদ্ধ করো। আশা করা যায়, আল্লাহ অচিরেই কাফিরদের শক্তি প্রতিহত করবেন। আর আল্লাহ শক্তিতে প্রবলতর এবং শাস্তিদানে কঠোরতর।

  85. ৮৫

    مَّن يَشۡفَعۡ شَفَٰعَةً حَسَنَةٗ يَكُن لَّهُۥ نَصِيبٞ مِّنۡهَاۖ وَمَن يَشۡفَعۡ شَفَٰعَةٗ سَيِّئَةٗ يَكُن لَّهُۥ كِفۡلٞ مِّنۡهَاۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٖ مُّقِيتٗا

    কেউ কোনো ভালো কাজের সুপারিশ করলে তাতে তার অংশ থাকবে এবং কেউ কোনো মন্দ কাজের সুপারিশ করলে তাতে তার অংশ থাকবে। আর আল্লাহ প্রতিটি বস্তুর উপর নজর রাখেন।

  86. ৮৬

    وَإِذَا حُيِّيتُم بِتَحِيَّةٖ فَحَيُّواْ بِأَحۡسَنَ مِنۡهَآ أَوۡ رُدُّوهَآۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلَىٰ كُلِّ شَيۡءٍ حَسِيبًا

    আর যখন তোমাদেরকে কোনো অভিবাদন জানানো হয়, তখন তোমরা তার চেয়ে উত্তম অভিবাদন জানাও অথবা অনুরূপভাবে তার জবাব দাও। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর পূর্ণ হিসাব গ্রহণকারী।

  87. ৮৭

    ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۚ لَيَجۡمَعَنَّكُمۡ إِلَىٰ يَوۡمِ ٱلۡقِيَٰمَةِ لَا رَيۡبَ فِيهِۗ وَمَنۡ أَصۡدَقُ مِنَ ٱللَّهِ حَدِيثٗا

    তিনি আল্লাহ, যিনি ব্যতীত অন্য কোন প্রকৃত ইলাহ নেই। তিনি অবশ্যই তোমাদেরকে কিয়ামতের দিন একত্রিত করবেন, এতে কোন সন্দেহ নেই। কথায় আল্লাহর চেয়ে বেশী সত্যবাদী আর কে হতে পারে?

  88. ৮৮

    ۞ فَمَا لَكُمۡ فِي ٱلۡمُنَٰفِقِينَ فِئَتَيۡنِ وَٱللَّهُ أَرۡكَسَهُم بِمَا كَسَبُوٓاْۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَهۡدُواْ مَنۡ أَضَلَّ ٱللَّهُۖ وَمَن يُضۡلِلِ ٱللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُۥ سَبِيلٗا

    অতঃপর মুনাফিকদের ব্যাপারে তোমাদের কী হল যে, তোমরা দু’ দলে বিভক্ত হয়ে গেলে?(১) অথচ আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্য পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেছেন তোমরা কি তাকে হিদায়াতের পথে চালাতে চাও? আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তুমি কখনো তার জন্য পথ খুঁজে পাবে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  89. ৮৯

    وَدُّواْ لَوۡ تَكۡفُرُونَ كَمَا كَفَرُواْ فَتَكُونُونَ سَوَآءٗۖ فَلَا تَتَّخِذُواْ مِنۡهُمۡ أَوۡلِيَآءَ حَتَّىٰ يُهَاجِرُواْ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِۚ فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَخُذُوهُمۡ وَٱقۡتُلُوهُمۡ حَيۡثُ وَجَدتُّمُوهُمۡۖ وَلَا تَتَّخِذُواْ مِنۡهُمۡ وَلِيّٗا وَلَا نَصِيرًا

    তারা কামনা করে যে, তোমরা যেন কুফুরী করো, যেমন তারা কুফরী করেছে, যাতে তোমরা তাদের সমান হয়ে যাও। সুতরাং আল্লাহর পথে হিজরত না করা পর্যন্ত তোমরা তাদের মধ্য থেকে কাউকেই বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। অতএব, তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তাদেরকে যেখানে পাবে সেখানেই পাকড়াও করবে এবং হত্যা করবে। আর তাদের মধ্য থেকে কাউকেই বন্ধু ও সাহায্যকারী হিসেবে গ্রহণ করবে না।

  90. ৯০

    إِلَّا ٱلَّذِينَ يَصِلُونَ إِلَىٰ قَوۡمِۭ بَيۡنَكُمۡ وَبَيۡنَهُم مِّيثَٰقٌ أَوۡ جَآءُوكُمۡ حَصِرَتۡ صُدُورُهُمۡ أَن يُقَٰتِلُوكُمۡ أَوۡ يُقَٰتِلُواْ قَوۡمَهُمۡۚ وَلَوۡ شَآءَ ٱللَّهُ لَسَلَّطَهُمۡ عَلَيۡكُمۡ فَلَقَٰتَلُوكُمۡۚ فَإِنِ ٱعۡتَزَلُوكُمۡ فَلَمۡ يُقَٰتِلُوكُمۡ وَأَلۡقَوۡاْ إِلَيۡكُمُ ٱلسَّلَمَ فَمَا جَعَلَ ٱللَّهُ لَكُمۡ عَلَيۡهِمۡ سَبِيلٗا

    তবে তাদেরকে হত্যা করো না, যারা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট পৌঁছে গেছে যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ অথবা যারা তোমাদের কাছে এমন অবস্থায় আগমন করে যখন তাদের মন তোমাদের সাথে বা তাদের সম্প্রদায়ের সাথে যুদ্ধ করতে সংকীর্ণ হয়ে গেছে। আল্লাহ যদি চাইতেন তবে তাদেরকে তোমাদের ওপর ক্ষমতাবান করে দিতেন (১), ফলে তারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করত। কাজেই তারা যদি তোমাদের কাছ থেকে সরে দাঁড়ায়, তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করে এবং তোমাদের নিকট শান্তি প্রস্তাব করে, তবে ) আল্লাহ তোমাদের জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা অবলম্বনের পথ রাখেন নি।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  91. ৯১

    سَتَجِدُونَ ءَاخَرِينَ يُرِيدُونَ أَن يَأۡمَنُوكُمۡ وَيَأۡمَنُواْ قَوۡمَهُمۡ كُلَّ مَا رُدُّوٓاْ إِلَى ٱلۡفِتۡنَةِ أُرۡكِسُواْ فِيهَاۚ فَإِن لَّمۡ يَعۡتَزِلُوكُمۡ وَيُلۡقُوٓاْ إِلَيۡكُمُ ٱلسَّلَمَ وَيَكُفُّوٓاْ أَيۡدِيَهُمۡ فَخُذُوهُمۡ وَٱقۡتُلُوهُمۡ حَيۡثُ ثَقِفۡتُمُوهُمۡۚ وَأُوْلَٰٓئِكُمۡ جَعَلۡنَا لَكُمۡ عَلَيۡهِمۡ سُلۡطَٰنٗا مُّبِينٗا

    তোমরা অচিরেই আরেকটি দল পাবে, যারা তোমাদের ও তাদের সম্প্রদায়ের স্বার্থে শান্তি ও নিরাপত্তা চাইবে। যখনই তাদেরকে ফিতনার দিকে ডাকা হবে, তখনই তারা তাতে লিপ্ত হবে। এরা যদি তোমাদের (সাথে যুদ্ধ করা) থেকে দূরে সরে না দাঁড়ায়, তোমাদের কাছে শান্তি ও সন্ধি প্রস্তাব না দেয় এবং নিজেদের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে না রাখে, তবে তাদেরকে যেখানেই পাবে পাকড়াও করবে ও হত্যা করবে। আর আমি তোমাদের জন্য এদের বিরুদ্ধাচারণের (১) সুস্পষ্ট প্রমাণ রেখেছি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  92. ৯২

    وَمَا كَانَ لِمُؤۡمِنٍ أَن يَقۡتُلَ مُؤۡمِنًا إِلَّا خَطَـٔٗاۚ وَمَن قَتَلَ مُؤۡمِنًا خَطَـٔٗا فَتَحۡرِيرُ رَقَبَةٖ مُّؤۡمِنَةٖ وَدِيَةٞ مُّسَلَّمَةٌ إِلَىٰٓ أَهۡلِهِۦٓ إِلَّآ أَن يَصَّدَّقُواْۚ فَإِن كَانَ مِن قَوۡمٍ عَدُوّٖ لَّكُمۡ وَهُوَ مُؤۡمِنٞ فَتَحۡرِيرُ رَقَبَةٖ مُّؤۡمِنَةٖۖ وَإِن كَانَ مِن قَوۡمِۭ بَيۡنَكُمۡ وَبَيۡنَهُم مِّيثَٰقٞ فَدِيَةٞ مُّسَلَّمَةٌ إِلَىٰٓ أَهۡلِهِۦ وَتَحۡرِيرُ رَقَبَةٖ مُّؤۡمِنَةٖۖ فَمَن لَّمۡ يَجِدۡ فَصِيَامُ شَهۡرَيۡنِ مُتَتَابِعَيۡنِ تَوۡبَةٗ مِّنَ ٱللَّهِۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمٗا

    কোনো মুমিনের জন্য অন্য কোনো মুমিনকে হত্যা করা বৈধ নয়, তবে ভুলবশত হলে ভিন্ন কথা। আর কেউ কোনো মুমিনকে ভুলবশত হত্যা করলে তার ওপর একজন মুমিন দাস মুক্ত করা এবং নিহত ব্যক্তির পরিবারকে রক্তপণ (দিয়াত) প্রদান করা আবশ্যক; তবে তারা যদি তা ক্ষমা করে দেয়, তাহলে ভিন্ন কথা। আর যদি নিহত ব্যক্তি তোমাদের শত্রুপক্ষের হলেও মুমিন হয়, তবে একজন মুমিন দাস মুক্ত করাই কর্তব্য। আর যদি সে এমন সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়, যাদের সঙ্গে তোমাদের চুক্তি রয়েছে, তবে তার পরিবারকে রক্তপণ প্রদান এবং একজন মুমিন দাস মুক্ত করা আবশ্যক। আর যে ব্যক্তি (দাস মুক্ত করার সামর্থ্য) না পায়, সে একাধারে দুই মাস সিয়াম পালন করবে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত তাওবার বিধান। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

  93. ৯৩

    وَمَن يَقۡتُلۡ مُؤۡمِنٗا مُّتَعَمِّدٗا فَجَزَآؤُهُۥ جَهَنَّمُ خَٰلِدٗا فِيهَا وَغَضِبَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِ وَلَعَنَهُۥ وَأَعَدَّ لَهُۥ عَذَابًا عَظِيمٗا

    আর যে ইচ্ছাকৃত কোন মু’মিনকে হত্যা করবে, তার শাস্তি হচ্ছে জাহান্নাম, সেখানে সে চিরস্থায়ী হবে। আর আল্লাহ তার ওপর ক্রোধান্বিত হবেন, তাকে লা‘নত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত করে রাখবেন।

  94. ৯৪

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا ضَرَبۡتُمۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ فَتَبَيَّنُواْ وَلَا تَقُولُواْ لِمَنۡ أَلۡقَىٰٓ إِلَيۡكُمُ ٱلسَّلَٰمَ لَسۡتَ مُؤۡمِنٗا تَبۡتَغُونَ عَرَضَ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا فَعِندَ ٱللَّهِ مَغَانِمُ كَثِيرَةٞۚ كَذَٰلِكَ كُنتُم مِّن قَبۡلُ فَمَنَّ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمۡ فَتَبَيَّنُوٓاْۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٗا

    হে মুমিনগণ! যখন তোমরা আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদের জন্যে) বের হবে তখন যাচাই-বাছাই করে নিবে (কে তোমাদের বন্ধু, কে শত্রু)। আর যদি কেউ তোমাদের নিকট ইসলামকে প্রকাশ করে, পার্থিব জীবনের স্বার্থ হাসিলের আশায় তাকে বলবে না যে, ‘তুমি মু’মিন নও’।(১) অথচ আল্লাহর কাছে রয়েছে প্রচুর গনীমত। তোমরাতো পূর্বে এর মতোই ছিলে।(২) অতঃপর আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করলেন। সুতরাং (কাউকে হত্যার আগে) তোমরা যাচাই-বাছাই করবে। নিশ্চয় তোমরা যা করো সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবগত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  95. ৯৫

    لَّا يَسۡتَوِي ٱلۡقَٰعِدُونَ مِنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ غَيۡرُ أُوْلِي ٱلضَّرَرِ وَٱلۡمُجَٰهِدُونَ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ بِأَمۡوَٰلِهِمۡ وَأَنفُسِهِمۡۚ فَضَّلَ ٱللَّهُ ٱلۡمُجَٰهِدِينَ بِأَمۡوَٰلِهِمۡ وَأَنفُسِهِمۡ عَلَى ٱلۡقَٰعِدِينَ دَرَجَةٗۚ وَكُلّٗا وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلۡحُسۡنَىٰۚ وَفَضَّلَ ٱللَّهُ ٱلۡمُجَٰهِدِينَ عَلَى ٱلۡقَٰعِدِينَ أَجۡرًا عَظِيمٗا

    মু’মিনদের মধ্যে যারা ওযরগ্রস্ত নয়; অথচ ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে নিজের জান ও মাল দ্বারা জিহাদ করে তারা উভয়ে এক সমান নয়। যারা নিজের জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে আল্লাহ তাদেরকে ঘরে বসে থাকাদের ওপর অনেক মর্যাদা দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের প্রত্যেকের জন্য যথোপযুক্ত প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বস্তুত যারা জিহাদ করে তাদেরকে আল্লাহ ঘরে বসে থাকাদের উপর মহা পুরস্কারের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।

  96. ৯৬

    دَرَجَٰتٖ مِّنۡهُ وَمَغۡفِرَةٗ وَرَحۡمَةٗۚ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمًا

    তাঁর পক্ষ থেকে তাদের জন্যে রয়েছে অনেক মর্যাদা, ক্ষমা ও রহমত। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

  97. ৯৭

    إِنَّ ٱلَّذِينَ تَوَفَّىٰهُمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ ظَالِمِيٓ أَنفُسِهِمۡ قَالُواْ فِيمَ كُنتُمۡۖ قَالُواْ كُنَّا مُسۡتَضۡعَفِينَ فِي ٱلۡأَرۡضِۚ قَالُوٓاْ أَلَمۡ تَكُنۡ أَرۡضُ ٱللَّهِ وَٰسِعَةٗ فَتُهَاجِرُواْ فِيهَاۚ فَأُوْلَٰٓئِكَ مَأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُۖ وَسَآءَتۡ مَصِيرًا

    যারা (হিজরত না করে) নিজেদের ওপর যুলম করে, তাদের প্রাণ গ্রহণের সময় ফিরিশতাগণ বলে: ‘তোমরা কী অবস্থায় ছিলে?’ তারা বলে: ‘দুনিয়ায় আমরা দুর্বল-অসহায় ছিলাম।’ ফিরিশতারা বলে: ‘আল্লাহর জমিন কি এমন প্রশস্ত ছিল না, যেখানে তোমরা হিজরত করতে পারতে?’ এদের আবাসস্থল হলো জাহান্নাম। আর তা কতই না মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল!

  98. ৯৮

    إِلَّا ٱلۡمُسۡتَضۡعَفِينَ مِنَ ٱلرِّجَالِ وَٱلنِّسَآءِ وَٱلۡوِلۡدَٰنِ لَا يَسۡتَطِيعُونَ حِيلَةٗ وَلَا يَهۡتَدُونَ سَبِيلٗا

    তবে সেসব দুর্বল-অসহায় পুরুষ, নারী ও শিশু নয়, যারা কোনো উপায় অবলম্বনের সামর্থ্য রাখে না (১) এবংকোনো পথও খুঁজে পায় না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  99. ৯৯

    فَأُوْلَٰٓئِكَ عَسَى ٱللَّهُ أَن يَعۡفُوَ عَنۡهُمۡۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَفُوًّا غَفُورٗا

    আল্লাহ অচিরেই তাদেরকে ক্ষমা করবেন। কারণ আল্লাহ পাপ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।

  100. ১০০

    ۞ وَمَن يُهَاجِرۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ يَجِدۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ مُرَٰغَمٗا كَثِيرٗا وَسَعَةٗۚ وَمَن يَخۡرُجۡ مِنۢ بَيۡتِهِۦ مُهَاجِرًا إِلَى ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ ثُمَّ يُدۡرِكۡهُ ٱلۡمَوۡتُ فَقَدۡ وَقَعَ أَجۡرُهُۥ عَلَى ٱللَّهِۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمٗا

    আর যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে হিজরত করবে, সে দুনিয়ায় বহু আশ্রয়স্থল এবং প্রাচুর্য (১) লাভ করবে। আর কেউ আল্লাহ ও রাসূলের উদ্দেশ্যে নিজ ঘর থেকে হিজরতকারী হিসেবে বের হয়ে তার মৃত্যু ঘটলে, তার প্রতিদান আল্লাহর ওপর অবধারিত হয়ে যায়। আর আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  101. ১০১

    وَإِذَا ضَرَبۡتُمۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَلَيۡسَ عَلَيۡكُمۡ جُنَاحٌ أَن تَقۡصُرُواْ مِنَ ٱلصَّلَوٰةِ إِنۡ خِفۡتُمۡ أَن يَفۡتِنَكُمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓاْۚ إِنَّ ٱلۡكَٰفِرِينَ كَانُواْ لَكُمۡ عَدُوّٗا مُّبِينٗا

    আর যখন তোমরা জমিনে ভ্রমণে বের হও, তখন তোমাদের সালাত কসর (সংক্ষিপ্ত) (১) করাতে কোন দোষ নেই; যদি আশঙ্কা করো যে, কাফিররা (সালাতের সময় ) তোমাদেরকে ফিতনায় ফেলবে।(২) নিশ্চয় কাফিররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  102. ১০২

    وَإِذَا كُنتَ فِيهِمۡ فَأَقَمۡتَ لَهُمُ ٱلصَّلَوٰةَ فَلۡتَقُمۡ طَآئِفَةٞ مِّنۡهُم مَّعَكَ وَلۡيَأۡخُذُوٓاْ أَسۡلِحَتَهُمۡۖ فَإِذَا سَجَدُواْ فَلۡيَكُونُواْ مِن وَرَآئِكُمۡ وَلۡتَأۡتِ طَآئِفَةٌ أُخۡرَىٰ لَمۡ يُصَلُّواْ فَلۡيُصَلُّواْ مَعَكَ وَلۡيَأۡخُذُواْ حِذۡرَهُمۡ وَأَسۡلِحَتَهُمۡۗ وَدَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَوۡ تَغۡفُلُونَ عَنۡ أَسۡلِحَتِكُمۡ وَأَمۡتِعَتِكُمۡ فَيَمِيلُونَ عَلَيۡكُم مَّيۡلَةٗ وَٰحِدَةٗۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ إِن كَانَ بِكُمۡ أَذٗى مِّن مَّطَرٍ أَوۡ كُنتُم مَّرۡضَىٰٓ أَن تَضَعُوٓاْ أَسۡلِحَتَكُمۡۖ وَخُذُواْ حِذۡرَكُمۡۗ إِنَّ ٱللَّهَ أَعَدَّ لِلۡكَٰفِرِينَ عَذَابٗا مُّهِينٗا

    আর (হে নবী!) যখন তুমি তাদের (মুসলিম সৈন্যদের ) মধ্যে থাকবে, অতঃপর তাদের সাথে নিয়ে সালাতে দাঁড়াবে, তখন যেন তাদের মধ্য থেকে একদল তোমার সাথে দাঁড়ায় (১) এবং তারা (সালাতে) তাদের অস্ত্র সাথে রাখবে। এরপর যখন তারাসাজদাহ করে ফেলবে, তখন তারা যেন তোমাদের পেছনে অবস্থান নেয়। আর অপর একটি দল যারা এখনো সালাত আদায় করেনি তারা যেন তোমার সাথে এসে সালাত আদায় করে এবং তারা যেন তাদের সতর্কতা অবলম্বন করে ও অস্ত্র সাথে রাখে। কারণ, কাফিররা কামনা করে, যদি তোমরা তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র ও আসবাবপত্র সম্বন্ধে অসতর্ক হও, তাহলে তারা তোমাদের ওপর একসাথে ঝাঁপিয়ে পড়বে। আর যদি বৃষ্টির কারণে তোমাদের কোন কষ্ট হয় অথবা তোমরা অসুস্থ হও, তাহলে অস্ত্র রেখে দিলে তোমাদের কোন দোষ নেই। আর তোমরা তোমাদের সতর্কতা অবলম্বন করবে। নিশ্চয় আল্লাহ কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  103. ১০৩

    فَإِذَا قَضَيۡتُمُ ٱلصَّلَوٰةَ فَٱذۡكُرُواْ ٱللَّهَ قِيَٰمٗا وَقُعُودٗا وَعَلَىٰ جُنُوبِكُمۡۚ فَإِذَا ٱطۡمَأۡنَنتُمۡ فَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَۚ إِنَّ ٱلصَّلَوٰةَ كَانَتۡ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ كِتَٰبٗا مَّوۡقُوتٗا

    অতঃপর যখন তোমরা সালাত শেষ করবে তখন দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহর যিকর করবে। অতঃপর যখন তোমরানিরাপদ হবে তখন যথা নিয়মে(১) সালাত কায়িম করবে। নিশ্চয়ই নির্ধারিত সময়ে সালাত কায়িম করা মু’মিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  104. ১০৪

    وَلَا تَهِنُواْ فِي ٱبۡتِغَآءِ ٱلۡقَوۡمِۖ إِن تَكُونُواْ تَأۡلَمُونَ فَإِنَّهُمۡ يَأۡلَمُونَ كَمَا تَأۡلَمُونَۖ وَتَرۡجُونَ مِنَ ٱللَّهِ مَا لَا يَرۡجُونَۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا

    আর (হে মু’মিনগণ) তোমরা শত্রু সম্প্রদায়ের অনুসন্ধানে দুর্বল ও অলস হয়ো না। যদি তোমরা যন্ত্রণা ভোগ করে থাকো, তবে তারাও তো তোমাদের মতো যন্ত্রণা পাচ্ছে। আর তোমরা আল্লাহর নিকট থেকে যা আশা করছো, তারা তো তা আশা করছে না। আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।

  105. ১০৫

    إِنَّآ أَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ بِٱلۡحَقِّ لِتَحۡكُمَ بَيۡنَ ٱلنَّاسِ بِمَآ أَرَىٰكَ ٱللَّهُۚ وَلَا تَكُن لِّلۡخَآئِنِينَ خَصِيمٗا

    (হে রাসূল!) আমি তোমার প্রতি সত্যসহ কিতাব নাযিল করেছি, যাতে আল্লাহ তোমাকে যা দেখিয়েছেন (বা শিক্ষা দিয়েছেন) সে অনুযায়ী তুমি মানুষের মধ্যে বিচার করতে পারো। আর তুমি খিয়ানতকারীদের পক্ষসমর্থনকারী হয়ো না।

  106. ১০৬

    وَٱسۡتَغۡفِرِ ٱللَّهَۖ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ غَفُورٗا رَّحِيمٗا

    আর তুমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।

  107. ১০৭

    وَلَا تُجَٰدِلۡ عَنِ ٱلَّذِينَ يَخۡتَانُونَ أَنفُسَهُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ مَن كَانَ خَوَّانًا أَثِيمٗا

    আর যারা নিজেদের সাথে খিয়ানত করে, তুমি তাদের পক্ষে বিতর্ক করো না। নিশ্চয় আল্লাহ খিয়ানতকারী পাপীকে পছন্দ করেন না।

  108. ১০৮

    يَسۡتَخۡفُونَ مِنَ ٱلنَّاسِ وَلَا يَسۡتَخۡفُونَ مِنَ ٱللَّهِ وَهُوَ مَعَهُمۡ إِذۡ يُبَيِّتُونَ مَا لَا يَرۡضَىٰ مِنَ ٱلۡقَوۡلِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِمَا يَعۡمَلُونَ مُحِيطًا

    তারামানুষের কাছ থেকে গোপন করতে চায়; কিন্তু আল্লাহর কাছ থেকে গোপন করতে পারবে না। তিনি তাদের সাথেই আছেন, যখন তারা রাতে এমন কথার পরিকল্পনা করে, যা তিনি পছন্দ করেন না। আর তারা যা কিছু করে, আল্লাহ তা পরিবেষ্টন করে আছেন।

  109. ১০৯

    هَٰٓأَنتُمۡ هَٰٓؤُلَآءِ جَٰدَلۡتُمۡ عَنۡهُمۡ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا فَمَن يُجَٰدِلُ ٱللَّهَ عَنۡهُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ أَم مَّن يَكُونُ عَلَيۡهِمۡ وَكِيلٗا

    (হে অপরাধীদের সাহায্যকারীগণ!) দেখো, তোমরা তো দুনিয়ার জীবনে তাদের পক্ষে বিতর্ক করছ। কিন্তু কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে তাদের পক্ষে কে বিতর্ক করবে? অথবা কে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে?

  110. ১১০

    وَمَن يَعۡمَلۡ سُوٓءًا أَوۡ يَظۡلِمۡ نَفۡسَهُۥ ثُمَّ يَسۡتَغۡفِرِ ٱللَّهَ يَجِدِ ٱللَّهَ غَفُورٗا رَّحِيمٗا

    আর যে ব্যক্তি কোন মন্দ কাজ করে অথবা নিজের প্রতি যুলম করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে আল্লাহকে সে অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু পাবে।

  111. ১১১

    وَمَن يَكۡسِبۡ إِثۡمٗا فَإِنَّمَا يَكۡسِبُهُۥ عَلَىٰ نَفۡسِهِۦۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمٗا

    আর যে পাপ উপার্জন করবে, বস্তুত সেতো তা নিজের বিরুদ্ধেই উপার্জন করবে। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

  112. ১১২

    وَمَن يَكۡسِبۡ خَطِيٓـَٔةً أَوۡ إِثۡمٗا ثُمَّ يَرۡمِ بِهِۦ بَرِيٓـٔٗا فَقَدِ ٱحۡتَمَلَ بُهۡتَٰنٗا وَإِثۡمٗا مُّبِينٗا

    আর কেউ কোনো অপরাধ বা পাপ করে সেটা কোনো নির্দোষ ব্যক্তির প্রতি আরোপ করলে, সে তো মিথ্যা অপবাদ ও সুস্পষ্ট পাপের বোঝা বহন করবে।

  113. ১১৩

    وَلَوۡلَا فَضۡلُ ٱللَّهِ عَلَيۡكَ وَرَحۡمَتُهُۥ لَهَمَّت طَّآئِفَةٞ مِّنۡهُمۡ أَن يُضِلُّوكَ وَمَا يُضِلُّونَ إِلَّآ أَنفُسَهُمۡۖ وَمَا يَضُرُّونَكَ مِن شَيۡءٖۚ وَأَنزَلَ ٱللَّهُ عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ وَٱلۡحِكۡمَةَ وَعَلَّمَكَ مَا لَمۡ تَكُن تَعۡلَمُۚ وَكَانَ فَضۡلُ ٱللَّهِ عَلَيۡكَ عَظِيمٗا

    আর তোমার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া না থাকলে, তাদের মধ্য থেকে একদল তোমাকে পথভ্রষ্ট করতে বদ্ধপরিকর ছিল! কিন্তু তারা নিজেদের ছাড়া অন্য কাউকে পথভ্রষ্ট করে না এবং তারা তোমার কোনোই ক্ষতি করতে পারে না। আর আল্লাহ তোমার প্রতি নাযিল করেছেন কিতাব ও হিকমত এবং তোমাকে শিক্ষা দিয়েছেন, যা তুমি জানতে না। আর তোমার প্রতি আল্লাহর মহা অনুগ্রহ রয়েছে।

  114. ১১৪

    ۞ لَّا خَيۡرَ فِي كَثِيرٖ مِّن نَّجۡوَىٰهُمۡ إِلَّا مَنۡ أَمَرَ بِصَدَقَةٍ أَوۡ مَعۡرُوفٍ أَوۡ إِصۡلَٰحِۭ بَيۡنَ ٱلنَّاسِۚ وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ ٱبۡتِغَآءَ مَرۡضَاتِ ٱللَّهِ فَسَوۡفَ نُؤۡتِيهِ أَجۡرًا عَظِيمٗا

    তাদের অধিকাংশ গোপন সলাপরামর্শে কোনো কল্যাণ নেই; তবে কল্যাণ আছে যে নির্দেশ দেয় দান সাদকার, সৎকাজ করার ও মানুষের মধ্যে শান্তি স্থাপনের। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কেউ এসব কাজ করলে, আমি তাকে অবশ্যই মহা পুরস্কার দান করবো।

  115. ১১৫

    وَمَن يُشَاقِقِ ٱلرَّسُولَ مِنۢ بَعۡدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُ ٱلۡهُدَىٰ وَيَتَّبِعۡ غَيۡرَ سَبِيلِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ نُوَلِّهِۦ مَا تَوَلَّىٰ وَنُصۡلِهِۦ جَهَنَّمَۖ وَسَآءَتۡ مَصِيرًا

    আর কারো নিকট হিদায়াত প্রকাশ পাওয়ার পরও সে যদি রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ছাড়া অন্য পথ অনুসরণ করে, তবে সে যেদিকে মুখ ফিরিয়েছে আমি তাকে সেদিকেই ফিরিয়ে দিবো এবং তাকে প্রবেশ করাবো জাহান্নামে। আর তা কতই না নিকৃষ্ট আবাসস্থল!

  116. ১১৬

    إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغۡفِرُ أَن يُشۡرَكَ بِهِۦ وَيَغۡفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُۚ وَمَن يُشۡرِكۡ بِٱللَّهِ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلَٰلَۢا بَعِيدًا

    নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শরীক করাকে ক্ষমা করেন না।(১) তবে এ (শিরক) ছাড়া অন্যান্য গুনাহ তিনি যাকে ইচ্ছা তাকেক্ষমা করেন। আর যে আল্লাহর সাথে শরীক করে, সে তো ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হলো।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  117. ১১৭

    إِن يَدۡعُونَ مِن دُونِهِۦٓ إِلَّآ إِنَٰثٗا وَإِن يَدۡعُونَ إِلَّا شَيۡطَٰنٗا مَّرِيدٗا

    তারা তো আল্লাহর পরিবর্তে দেবীরই পূজা করে এবং তারা কেবল অবাধ্য শয়তানকেই ডাকে )।

  118. ১১৮

    لَّعَنَهُ ٱللَّهُۘ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنۡ عِبَادِكَ نَصِيبٗا مَّفۡرُوضٗا

    আল্লাহ তাকে লা‘নত করেছেন এবং সে বলেছে: ‘অবশ্যই আমি তোমার বান্দাদের এক নির্দিষ্ট অংশকে আমার অনুসারী হিসেবে গ্রহণ করব ।’

  119. ১১৯

    وَلَأُضِلَّنَّهُمۡ وَلَأُمَنِّيَنَّهُمۡ وَلَأٓمُرَنَّهُمۡ فَلَيُبَتِّكُنَّ ءَاذَانَ ٱلۡأَنۡعَٰمِ وَلَأٓمُرَنَّهُمۡ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلۡقَ ٱللَّهِۚ وَمَن يَتَّخِذِ ٱلشَّيۡطَٰنَ وَلِيّٗا مِّن دُونِ ٱللَّهِ فَقَدۡ خَسِرَ خُسۡرَانٗا مُّبِينٗا

    আর আমি অবশ্যই তাদেরকে পথভ্রষ্ট করবো; মিথ্যা আশ্বাস দিবো (১), আর অবশ্যই আমি তাদেরকে আদেশ করবো, ফলে তারা পশুর কান ছিদ্র করবে। আর অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দিবো, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করবে।’ আর যে ব্যক্তি আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করবে, সে স্পষ্টতই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  120. ১২০

    يَعِدُهُمۡ وَيُمَنِّيهِمۡۖ وَمَا يَعِدُهُمُ ٱلشَّيۡطَٰنُ إِلَّا غُرُورًا

    সে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দেয়। আর শয়তান তাদেরকে কেবল প্রতারণামূলক প্রতিশ্রুতিই দেয়।

  121. ১২১

    أُوْلَٰٓئِكَ مَأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُ وَلَا يَجِدُونَ عَنۡهَا مَحِيصٗا

    এদের আশ্রয়স্থল জাহান্নাম। আর তারা সেখান থেকে পালাবার জায়গা পাবে না।

  122. ১২২

    وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ سَنُدۡخِلُهُمۡ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدٗاۖ وَعۡدَ ٱللَّهِ حَقّٗاۚ وَمَنۡ أَصۡدَقُ مِنَ ٱللَّهِ قِيلٗا

    আর যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে, আমি তাদেরকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবো, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আর কথায় আল্লাহ অপেক্ষা অধিক সত্যবাদী কে?

  123. ১২৩

    لَّيۡسَ بِأَمَانِيِّكُمۡ وَلَآ أَمَانِيِّ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِۗ مَن يَعۡمَلۡ سُوٓءٗا يُجۡزَ بِهِۦ وَلَا يَجِدۡ لَهُۥ مِن دُونِ ٱللَّهِ وَلِيّٗا وَلَا نَصِيرٗا

    (হে মুসলিমগণ! মূলত নাজাত ও চূড়ান্ত সফলতার ব্যাপারটি) না তোমাদের আশার অধীন, না আহলে কিতাবের (বরং তা আমলেরই অধীন)। যে মন্দকাজ করবে, তাকে তার প্রতিফল দেয়া হবে। আর সে তার জন্য আল্লাহ ছাড়া কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না।

  124. ১২৪

    وَمَن يَعۡمَلۡ مِنَ ٱلصَّٰلِحَٰتِ مِن ذَكَرٍ أَوۡ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤۡمِنٞ فَأُوْلَٰٓئِكَ يَدۡخُلُونَ ٱلۡجَنَّةَ وَلَا يُظۡلَمُونَ نَقِيرٗا

    আর পুরুষ কিংবা নারীর মধ্য থেকে যে মু’মিন অবস্থায় সৎকাজ করবে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি অণু পরিমাণও (১) যুলম করা হবে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  125. ১২৫

    وَمَنۡ أَحۡسَنُ دِينٗا مِّمَّنۡ أَسۡلَمَ وَجۡهَهُۥ لِلَّهِ وَهُوَ مُحۡسِنٞ وَٱتَّبَعَ مِلَّةَ إِبۡرَٰهِيمَ حَنِيفٗاۗ وَٱتَّخَذَ ٱللَّهُ إِبۡرَٰهِيمَ خَلِيلٗا

    আর দীনের দিক থেকে তার চেয়ে কে উত্তম, যে সৎকর্মপরায়ণ হয়ে আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করে এবং একনিষ্ঠভাবে ইবরাহীমের মিল্লাতের অনুসরণ করে? আর আল্লাহ ইবরাহীমকে পরম বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন।

  126. ১২৬

    وَلِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِكُلِّ شَيۡءٖ مُّحِيطٗا

    আর আসমানসমূহ ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, তার একক মালিকানা আল্লাহর জন্যই । আর আল্লাহ সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন।

  127. ১২৭

    وَيَسۡتَفۡتُونَكَ فِي ٱلنِّسَآءِۖ قُلِ ٱللَّهُ يُفۡتِيكُمۡ فِيهِنَّ وَمَا يُتۡلَىٰ عَلَيۡكُمۡ فِي ٱلۡكِتَٰبِ فِي يَتَٰمَى ٱلنِّسَآءِ ٱلَّٰتِي لَا تُؤۡتُونَهُنَّ مَا كُتِبَ لَهُنَّ وَتَرۡغَبُونَ أَن تَنكِحُوهُنَّ وَٱلۡمُسۡتَضۡعَفِينَ مِنَ ٱلۡوِلۡدَٰنِ وَأَن تَقُومُواْ لِلۡيَتَٰمَىٰ بِٱلۡقِسۡطِۚ وَمَا تَفۡعَلُواْ مِنۡ خَيۡرٖ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِهِۦ عَلِيمٗا

    আর লোকেরা তোমার কাছে নারীদের ব্যাপারে সমাধান চাচ্ছে। বল: ‘আল্লাহ তাদের ব্যাপারে তোমাদেরকে সমাধান দিচ্ছেন এবং একই সাথে সে বিধানও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, যা ইয়াতীম নারীদের ব্যাপারে কিতাবে তোমাদেরকে পাঠ করে শুনানো হচ্ছে, যাদের প্রাপ্য তোমরা পরিশোধ করছো না; অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে আগ্রহী হও। আরঅসহায় শিশুদের ব্যাপারেও(১)। ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ইনসাফের নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকো। আর তোমরা যে কোন কল্যাণকর কাজ করো, নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে বিশেষভাবে জ্ঞাত।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  128. ১২৮

    وَإِنِ ٱمۡرَأَةٌ خَافَتۡ مِنۢ بَعۡلِهَا نُشُوزًا أَوۡ إِعۡرَاضٗا فَلَا جُنَاحَ عَلَيۡهِمَآ أَن يُصۡلِحَا بَيۡنَهُمَا صُلۡحٗاۚ وَٱلصُّلۡحُ خَيۡرٞۗ وَأُحۡضِرَتِ ٱلۡأَنفُسُ ٱلشُّحَّۚ وَإِن تُحۡسِنُواْ وَتَتَّقُواْ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٗا

    আর কোনো স্ত্রী যদি তার স্বামীর দুর্ব্যবহার কিংবা উপেক্ষার আশঙ্কা করে, তবে তারা পরস্পর সমঝোতা করতে চাইলে, তাদের কোনো দোষ নেই এবং পরস্পর সমঝোতাই শ্রেয়। কেননা লোভ ও কৃপণতা দিয়েই মানুষের মানসিকতা তৈরি করা হয়েছে। আর যদি তোমরা সৎকর্মপরায়ণ ও মুত্তাকী হও, তবে জেনে রেখো, তোমরা যা করো আল্লাহ তো তার খবর রাখেন।

  129. ১২৯

    وَلَن تَسۡتَطِيعُوٓاْ أَن تَعۡدِلُواْ بَيۡنَ ٱلنِّسَآءِ وَلَوۡ حَرَصۡتُمۡۖ فَلَا تَمِيلُواْ كُلَّ ٱلۡمَيۡلِ فَتَذَرُوهَا كَٱلۡمُعَلَّقَةِۚ وَإِن تُصۡلِحُواْ وَتَتَّقُواْ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ غَفُورٗا رَّحِيمٗا

    আর তোমরা যতই ইচ্ছে করো না কেন, তোমাদের স্ত্রীদের প্রতি সমান আচরণ করতে কখনই পারবে না। সুতরাং তোমরা কোনো একজনের দিকে সম্পূর্ণভাবে ঝুঁকে পড়ো না ও অপরকে ঝুলন্ত অবস্থায় রেখে দিও না। আর যদি তোমরা নিজেদেরকে সংশোধন করো এবং সে ক্ষেত্রে আল্লাহকে ভয় করো, তবে নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

  130. ১৩০

    وَإِن يَتَفَرَّقَا يُغۡنِ ٱللَّهُ كُلّٗا مِّن سَعَتِهِۦۚ وَكَانَ ٱللَّهُ وَٰسِعًا حَكِيمٗا

    আর যদি তারা (স্বামী-স্ত্রী) উভয়ে (তালাক অথবা খোলা'র (১) মাধ্যমে) বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ প্রত্যেককে নিজ প্রাচুর্য দ্বারা অভাবমুক্ত করবেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, প্রজ্ঞাবান।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  131. ১৩১

    وَلِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ وَلَقَدۡ وَصَّيۡنَا ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ مِن قَبۡلِكُمۡ وَإِيَّاكُمۡ أَنِ ٱتَّقُواْ ٱللَّهَۚ وَإِن تَكۡفُرُواْ فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ غَنِيًّا حَمِيدٗا

    আর আসমানসমূহ ও জমিনে যা কিছু আছে সব কিছুর মালিকানা আল্লাহরই। তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদেরকে এবং তোমাদেরকেও নির্দেশ দিয়েছি এবং অঙ্গীকার নিয়েছি যে, তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো। আর তোমরা যদি কুফরী করো, তবে জেনে রাখো, নিশ্চয় আসমানসমুহ ও জমিনে যা কিছু আছে, তা সবই আল্লাহর। আর আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত।

  132. ১৩২

    وَلِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًا

    আর আসমানসমূহ ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, তা আল্লাহর জন্যই। আর সৃষ্টির সকল বিষয়াদির পরিচালনায় অভিভাবক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

  133. ১৩৩

    إِن يَشَأۡ يُذۡهِبۡكُمۡ أَيُّهَا ٱلنَّاسُ وَيَأۡتِ بِـَٔاخَرِينَۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلَىٰ ذَٰلِكَ قَدِيرٗا

    হে মানুষ! তিনি চাইলে তোমাদেরকে অপসারিত করে অন্যদেরকে স্থলাভিষিক্ত করতে পারেন(১)। আর আল্লাহ তা করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  134. ১৩৪

    مَّن كَانَ يُرِيدُ ثَوَابَ ٱلدُّنۡيَا فَعِندَ ٱللَّهِ ثَوَابُ ٱلدُّنۡيَا وَٱلۡأٓخِرَةِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ سَمِيعَۢا بَصِيرٗا

    কেউ দুনিয়ার প্রতিদান চাইলে তবে আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের প্রতিদান রয়েছে। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।

  135. ১৩৫

    ۞ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ كُونُواْ قَوَّٰمِينَ بِٱلۡقِسۡطِ شُهَدَآءَ لِلَّهِ وَلَوۡ عَلَىٰٓ أَنفُسِكُمۡ أَوِ ٱلۡوَٰلِدَيۡنِ وَٱلۡأَقۡرَبِينَۚ إِن يَكُنۡ غَنِيًّا أَوۡ فَقِيرٗا فَٱللَّهُ أَوۡلَىٰ بِهِمَاۖ فَلَا تَتَّبِعُواْ ٱلۡهَوَىٰٓ أَن تَعۡدِلُواْۚ وَإِن تَلۡوُۥٓاْ أَوۡ تُعۡرِضُواْ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٗا

    হে মুমিনগণ! তোমরা (সর্বাবস্থায়) ইনসাফের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকো, আল্লাহর সাক্ষী হিসেবে; যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা পিতা-মাতার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে যায়। যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে, তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা (যথোপযুক্তভাবে সাক্ষ্যটিকে আদায় না করে) ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বলো কিংবা এড়িয়ে যাও, তবে (তোমরা জেনে রেখো যে,) তোমরা যা করো, সে বিষয়ে আল্লাহ সম্যক অবগত।

  136. ১৩৬

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ ءَامِنُواْ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَٱلۡكِتَٰبِ ٱلَّذِي نَزَّلَ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ وَٱلۡكِتَٰبِ ٱلَّذِيٓ أَنزَلَ مِن قَبۡلُۚ وَمَن يَكۡفُرۡ بِٱللَّهِ وَمَلَٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلَٰلَۢا بَعِيدًا

    হে মুমিনগণ! তোমরা ঈমান আনয়ন করো আল্লাহর প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি এবং সে কিতাবের প্রতি, যা তিনি তাঁর রাসূলের ওপর নাযিল করেছেন এবং ঐ কিতাবের প্রতি যা তিনি পূর্বে নাযিল করেছেন। আর যে আল্লাহ, তাঁর ফিরিশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ এবং শেষ দিনকে অস্বীকার করবে, সে মূলত পথভ্রষ্ট হয়ে বহুদূরে চলে গেলো।

  137. ১৩৭

    إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ثُمَّ كَفَرُواْ ثُمَّ ءَامَنُواْ ثُمَّ كَفَرُواْ ثُمَّ ٱزۡدَادُواْ كُفۡرٗا لَّمۡ يَكُنِ ٱللَّهُ لِيَغۡفِرَ لَهُمۡ وَلَا لِيَهۡدِيَهُمۡ سَبِيلَۢا

    নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে, তারপর কুফরী করেছে, আবার ঈমান এনেছে, তারপর কুফরী করেছে, অতঃপর তারা তাদের কুফরীর পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে (১), আল্লাহ তাদেরকে কিছুতেই ক্ষমা করবেন না এবং তাদেরকে সত্য-সঠিক পথ দেখাবেনও না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  138. ১৩৮

    بَشِّرِ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ بِأَنَّ لَهُمۡ عَذَابًا أَلِيمًا

    মুনাফিকদের সুসংবাদ দাও যে, নিশ্চয় তাদের জন্যই রয়েছে, যন্ত্রণাদায়ক আযাব ।

  139. ১৩৯

    ٱلَّذِينَ يَتَّخِذُونَ ٱلۡكَٰفِرِينَ أَوۡلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۚ أَيَبۡتَغُونَ عِندَهُمُ ٱلۡعِزَّةَ فَإِنَّ ٱلۡعِزَّةَ لِلَّهِ جَمِيعٗا

    যারা মু’মিনগণের পরিবর্তে কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তারা কি ওদের কাছে সম্মান চায়? যাবতীয় সম্মান তো আল্লাহরই।

  140. ১৪০

    وَقَدۡ نَزَّلَ عَلَيۡكُمۡ فِي ٱلۡكِتَٰبِ أَنۡ إِذَا سَمِعۡتُمۡ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ يُكۡفَرُ بِهَا وَيُسۡتَهۡزَأُ بِهَا فَلَا تَقۡعُدُواْ مَعَهُمۡ حَتَّىٰ يَخُوضُواْ فِي حَدِيثٍ غَيۡرِهِۦٓ إِنَّكُمۡ إِذٗا مِّثۡلُهُمۡۗ إِنَّ ٱللَّهَ جَامِعُ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ وَٱلۡكَٰفِرِينَ فِي جَهَنَّمَ جَمِيعًا

    অথচ তিনি তো কিতাবে তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন যে, যখন তোমরা শুনবে আল্লাহর আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে এবং সেগুলো নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা হচ্ছে, তাহলে তোমরা তাদের সাথে বসবে না; যতক্ষণ তারা অন্য প্রসঙ্গে লিপ্ত না হবে। তা না হলে, তোমরাও তাদের মতো হয়ে যাবে। নিশ্চয় আল্লাহ মুনাফিক ও কাফির সবাইকে জাহান্নামে একই জায়গায় একত্র করবেন।

  141. ১৪১

    ٱلَّذِينَ يَتَرَبَّصُونَ بِكُمۡ فَإِن كَانَ لَكُمۡ فَتۡحٞ مِّنَ ٱللَّهِ قَالُوٓاْ أَلَمۡ نَكُن مَّعَكُمۡ وَإِن كَانَ لِلۡكَٰفِرِينَ نَصِيبٞ قَالُوٓاْ أَلَمۡ نَسۡتَحۡوِذۡ عَلَيۡكُمۡ وَنَمۡنَعۡكُم مِّنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۚ فَٱللَّهُ يَحۡكُمُ بَيۡنَكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۚ وَلَن يَجۡعَلَ ٱللَّهُ لِلۡكَٰفِرِينَ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ سَبِيلًا

    যারা তোমাদের অপেক্ষায় থাকে, অতঃপর আল্লাহর পক্ষ থেকে যদি তোমাদের বিজয় অর্জিত হয়, তখন তারা বলে: ‘আমরা কি তোমাদের সাথে ছিলাম না’? আর যদি কাফিরদের আংশিক বিজয় হয়, তখন তারা বলে: ‘আমরা কি তোমাদের দায়িত্বভার নেইনি এবং মু’মিনদের কবল থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করিনি’? সুতরাং আল্লাহ কিয়ামতের দিন তোমাদের মধ্যে বিচার করবেন। আর আল্লাহ কখনো মু’মিনদের বিরুদ্ধে কাফিরদের জন্য কোন পথই রাখবেন না।

  142. ১৪২

    إِنَّ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ يُخَٰدِعُونَ ٱللَّهَ وَهُوَ خَٰدِعُهُمۡ وَإِذَا قَامُوٓاْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ قَامُواْ كُسَالَىٰ يُرَآءُونَ ٱلنَّاسَ وَلَا يَذۡكُرُونَ ٱللَّهَ إِلَّا قَلِيلٗا

    নিশ্চয় মুনাফিকরা (কুফরীকে লুকিয়ে বাহ্যিকভাবে ইসলাম প্রকাশের মাধ্যমে) আল্লাহর সাথে ধোঁকাবাজি করে। বস্তুত তিনিই তাদেরকে (১) ধোঁকায় ফেলে রেখেছেন। আর তারা যখন সালাতে দাঁড়ায় তখন অলসভাবে দাঁড়ায়, (সালাতে আসে) শুধু লোক দেখানোর জন্যে এবং তারা আল্লাহকে কমই স্মরণ করে।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  143. ১৪৩

    مُّذَبۡذَبِينَ بَيۡنَ ذَٰلِكَ لَآ إِلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِ وَلَآ إِلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِۚ وَمَن يُضۡلِلِ ٱللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُۥ سَبِيلٗا

    তারা এর মধ্যে দোদুল্যমান (১)। না এদের দিকে, আর না ওদের দিকে। বস্তুত আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তুমি কখনো তার জন্য কোন পথ খুঁজে পাবে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  144. ১৪৪

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَتَّخِذُواْ ٱلۡكَٰفِرِينَ أَوۡلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَجۡعَلُواْ لِلَّهِ عَلَيۡكُمۡ سُلۡطَٰنٗا مُّبِينًا

    হে মুমিনগণ! তোমরা মু’মিনগণ ছাড়া কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা কিনিজেদের ওপর আল্লাহর প্রকাশ্য অভিযোগ কায়িম করতে চাও?

  145. ১৪৫

    إِنَّ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ فِي ٱلدَّرۡكِ ٱلۡأَسۡفَلِ مِنَ ٱلنَّارِ وَلَن تَجِدَ لَهُمۡ نَصِيرًا

    নিশ্চয় মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকবে এবং তাদের জন্য তুমি কখনো কোন সাহায্যকারী পাবে না।

  146. ১৪৬

    إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُواْ وَأَصۡلَحُواْ وَٱعۡتَصَمُواْ بِٱللَّهِ وَأَخۡلَصُواْ دِينَهُمۡ لِلَّهِ فَأُوْلَٰٓئِكَ مَعَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۖ وَسَوۡفَ يُؤۡتِ ٱللَّهُ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ أَجۡرًا عَظِيمٗا

    কিন্তু যারা তাওবাহ করে, নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে এবং আল্লাহর জন্য নিজেদের দীনকে একনিষ্ট করে, তারা মু’মিনদের সাথেই থাকবে। আর অচিরেই আল্লাহ মু’মিনদেরকে মহা পুরস্কার দান করবেন।

  147. ১৪৭

    مَّا يَفۡعَلُ ٱللَّهُ بِعَذَابِكُمۡ إِن شَكَرۡتُمۡ وَءَامَنتُمۡۚ وَكَانَ ٱللَّهُ شَاكِرًا عَلِيمٗا

    যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো এবং ঈমান আনো, তাহলে তোমাদেরকে শাস্তি দিয়ে আল্লাহ কী করবেন? আল্লাহ কৃতজ্ঞতার পুরস্কার দানকারী, সর্বজ্ঞ।

  148. ১৪৮

    ۞ لَّا يُحِبُّ ٱللَّهُ ٱلۡجَهۡرَ بِٱلسُّوٓءِ مِنَ ٱلۡقَوۡلِ إِلَّا مَن ظُلِمَۚ وَكَانَ ٱللَّهُ سَمِيعًا عَلِيمًا

    আল্লাহ কোনো মন্দ ও পাপের কথা প্রচার করা পছন্দ করেন না; তবে কারো ওপর যুলম করা হলে ভিন্ন কথা। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

  149. ১৪৯

    إِن تُبۡدُواْ خَيۡرًا أَوۡ تُخۡفُوهُ أَوۡ تَعۡفُواْ عَن سُوٓءٖ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَفُوّٗا قَدِيرًا

    তোমরা যদি সৎকাজ প্রকাশ্যে করো কিংবা গোপনে করো অথবা দোষত্রুটি ক্ষমা করে দাও, তবে আল্লাহও দোষ মোচনকারী, ক্ষমতাবান।

  150. ১৫০

    إِنَّ ٱلَّذِينَ يَكۡفُرُونَ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ وَيُرِيدُونَ أَن يُفَرِّقُواْ بَيۡنَ ٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ وَيَقُولُونَ نُؤۡمِنُ بِبَعۡضٖ وَنَكۡفُرُ بِبَعۡضٖ وَيُرِيدُونَ أَن يَتَّخِذُواْ بَيۡنَ ذَٰلِكَ سَبِيلًا

    নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের সাথে কুফরী করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের মধ্যে (ঈমানের ব্যাপারে) পার্থক্য করতে চায়(১) উপরন্তু তারা বলে: ‘আমরা কতক-এর ওপর ঈমান আনি এবং কতকের সাথে কুফরী করি।’ আর তারা এ দুয়ের (ঈমান ও কুফরীর) মধ্যবর্তী ভিন্ন একটি পথ অবলম্বন করতে চায়।(২)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  151. ১৫১

    أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡكَٰفِرُونَ حَقّٗاۚ وَأَعۡتَدۡنَا لِلۡكَٰفِرِينَ عَذَابٗا مُّهِينٗا

    তারাই প্রকৃত কাফির। আর আমি কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।

  152. ১৫২

    وَٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ وَلَمۡ يُفَرِّقُواْ بَيۡنَ أَحَدٖ مِّنۡهُمۡ أُوْلَٰٓئِكَ سَوۡفَ يُؤۡتِيهِمۡ أُجُورَهُمۡۚ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمٗا

    আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছে এবং (কাফিরদের মতো) তাদের কারো মধ্যে (ঈমান আনা ও না আনার ব্যাপারে) পার্থক্য করেনি, অচিরেই তাদেরকে তিনি তাদের (আমলের প্রতিদান স্বরূপ) মহা পুরস্কার দিবেন। আর আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।

  153. ১৫৩

    يَسۡـَٔلُكَ أَهۡلُ ٱلۡكِتَٰبِ أَن تُنَزِّلَ عَلَيۡهِمۡ كِتَٰبٗا مِّنَ ٱلسَّمَآءِۚ فَقَدۡ سَأَلُواْ مُوسَىٰٓ أَكۡبَرَ مِن ذَٰلِكَ فَقَالُوٓاْ أَرِنَا ٱللَّهَ جَهۡرَةٗ فَأَخَذَتۡهُمُ ٱلصَّٰعِقَةُ بِظُلۡمِهِمۡۚ ثُمَّ ٱتَّخَذُواْ ٱلۡعِجۡلَ مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَتۡهُمُ ٱلۡبَيِّنَٰتُ فَعَفَوۡنَا عَن ذَٰلِكَۚ وَءَاتَيۡنَا مُوسَىٰ سُلۡطَٰنٗا مُّبِينٗا

    (হে রাসূল!) আহলে কিতাবগণ তোমার কাছে তাদের জন্য আসমান হতে পুরো একটি কিতাব নাযিল করতে বলে; যেমনিভাবে তারা মূসার কাছে এর চেয়েও বড় দাবী করেছিল। তারা বলেছিল: ‘আল্লাহকে প্রকাশ্যে আমাদেরকে দেখাও।’ ফলে তাদের সীমালংঘনের শাস্তিস্বরূপ তাদেরকে বজ্রপাতে মৃত্যু দেয়া হয়।(১) তারপর সুস্পষ্ট প্রমাণ তাদের কাছে আসার পরও তারা গরুর বাছুরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিল। তারপরও আমি তাদেরকে ক্ষমা করেছিলাম এবং আমি মূসাকে সুস্পষ্ট প্রমাণ প্রদান করেছিলাম।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  154. ১৫৪

    وَرَفَعۡنَا فَوۡقَهُمُ ٱلطُّورَ بِمِيثَٰقِهِمۡ وَقُلۡنَا لَهُمُ ٱدۡخُلُواْ ٱلۡبَابَ سُجَّدٗا وَقُلۡنَا لَهُمۡ لَا تَعۡدُواْ فِي ٱلسَّبۡتِ وَأَخَذۡنَا مِنۡهُم مِّيثَٰقًا غَلِيظٗا

    আর তাদের কাছ থেকে শক্ত অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য ‘তূর’ পর্বতকে আমি তাদের ওপরে তুলে ধরেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলাম: ‘ সাজদারত হয়ে দরজা দিয়ে প্রবেশ করো।’ আর আমি তাদেরকে আরও বলেছিলাম: ‘শনিবারে (মাছ শিকারের ব্যাপারে) সীমালঙ্ঘন করো না’ এবং আমি তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।

  155. ১৫৫

    فَبِمَا نَقۡضِهِم مِّيثَٰقَهُمۡ وَكُفۡرِهِم بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ وَقَتۡلِهِمُ ٱلۡأَنۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقّٖ وَقَوۡلِهِمۡ قُلُوبُنَا غُلۡفُۢۚ بَلۡ طَبَعَ ٱللَّهُ عَلَيۡهَا بِكُفۡرِهِمۡ فَلَا يُؤۡمِنُونَ إِلَّا قَلِيلٗا

    অতঃপর তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গের জন্য, আল্লাহর আয়াতসমূহের সাথে কুফরী করার জন্য, নবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করার জন্য এবং তাদের এ উক্তির জন্য ‘আমাদের হৃদয় আচ্ছাদিত’।(১) বরং তাদের কুফরীর কারণে আল্লাহ তাদের অন্তর সিলমোহর করে দিয়েছেন। ফলে অল্পসংখ্যক লোক ছাড়া তারা ঈমান আনবে না।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  156. ১৫৬

    وَبِكُفۡرِهِمۡ وَقَوۡلِهِمۡ عَلَىٰ مَرۡيَمَ بُهۡتَٰنًا عَظِيمٗا

    আর তাদের কুফরীর জন্য এবং মারইয়ামের বিরুদ্ধে গুরুতর অপবাদ আরোপের জন্য।

  157. ১৫৭

    وَقَوۡلِهِمۡ إِنَّا قَتَلۡنَا ٱلۡمَسِيحَ عِيسَى ٱبۡنَ مَرۡيَمَ رَسُولَ ٱللَّهِ وَمَا قَتَلُوهُ وَمَا صَلَبُوهُ وَلَٰكِن شُبِّهَ لَهُمۡۚ وَإِنَّ ٱلَّذِينَ ٱخۡتَلَفُواْ فِيهِ لَفِي شَكّٖ مِّنۡهُۚ مَا لَهُم بِهِۦ مِنۡ عِلۡمٍ إِلَّا ٱتِّبَاعَ ٱلظَّنِّۚ وَمَا قَتَلُوهُ يَقِينَۢا

    আর তাদের এ উক্তির জন্যে, ‘আমরা আল্লাহর রাসূল মারইয়ামের পুত্র ‘ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি’। অথচ তারা তাকে হত্যা করেনি এবং ক্রুশবিদ্ধও করেনি; বরং তাদের জন্য তার সদৃশ করা হয়েছিল(১)। আর নিশ্চয় যারা তার সম্বন্ধে মতভেদ করেছিল, তারা অবশ্যই এ বিষয়ে সংশয়ের মধ্যে ছিল; এ সম্পর্কে অনুমানের অনুসরণ ছাড়া তাদের কোনো জ্ঞানই ছিল না। আর এটা নিশ্চিত যে, তারা তাঁকে হত্যা করেনি।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  158. ১৫৮

    بَل رَّفَعَهُ ٱللَّهُ إِلَيۡهِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمٗا

    বরং আল্লাহ তাকে তাঁর নিকট তুলে নিয়েছেন এবং আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

  159. ১৫৯

    وَإِن مِّنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ إِلَّا لَيُؤۡمِنَنَّ بِهِۦ قَبۡلَ مَوۡتِهِۦۖ وَيَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ يَكُونُ عَلَيۡهِمۡ شَهِيدٗا

    আহলে কিতাবের প্রতিটি মানুষ তার মৃত্যুর পূর্বে তাঁর ওপর ঈমান আনবেই। আর কিয়ামতের দিন তিনি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হবেন।

  160. ১৬০

    فَبِظُلۡمٖ مِّنَ ٱلَّذِينَ هَادُواْ حَرَّمۡنَا عَلَيۡهِمۡ طَيِّبَٰتٍ أُحِلَّتۡ لَهُمۡ وَبِصَدِّهِمۡ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ كَثِيرٗا

    সুতরাং ইয়াহূদীদের যুলম ও অবাধ্যতার এবং আল্লাহর পথ থেকে অনেক বেশী বাঁধা দেওয়ার কারণে আমি উত্তম খাবারগুলো তাদের ওপর হারাম করেছিলাম, যা তাদের জন্য যা হালাল ছিল।(১)

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  161. ১৬১

    وَأَخۡذِهِمُ ٱلرِّبَوٰاْ وَقَدۡ نُهُواْ عَنۡهُ وَأَكۡلِهِمۡ أَمۡوَٰلَ ٱلنَّاسِ بِٱلۡبَٰطِلِۚ وَأَعۡتَدۡنَا لِلۡكَٰفِرِينَ مِنۡهُمۡ عَذَابًا أَلِيمٗا

    আর তাদের সুদ গ্রহণের কারণে; অথচ তা থেকে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল এবং অবৈধভাবে মানুষের ধন-সম্পদ গ্রাস করার কারণে। আর আমি তাদের মধ্য থেকে কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

  162. ১৬২

    لَّٰكِنِ ٱلرَّٰسِخُونَ فِي ٱلۡعِلۡمِ مِنۡهُمۡ وَٱلۡمُؤۡمِنُونَ يُؤۡمِنُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبۡلِكَۚ وَٱلۡمُقِيمِينَ ٱلصَّلَوٰةَۚ وَٱلۡمُؤۡتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱلۡمُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِ أُوْلَٰٓئِكَ سَنُؤۡتِيهِمۡ أَجۡرًا عَظِيمًا

    কিন্তু তাদের মধ্যে যারা জ্ঞানে দৃঢ় ও পরিপক্ব তারা এবং মু’মিনগণ ঈমান আনে তার ওপর, যা তোমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে এবং যা তোমার আগে নাযিল করা হয়েছে । আর তারা সালাত কায়িমকারী , যাকাত প্রদানকারী এবং আল্লাহ ও শেষ দিবসে ঈমান আনয়নকারী। তাদেরকে অচিরেই আমি মহা পুরস্কার প্রদান করবো।

  163. ১৬৩

    ۞ إِنَّآ أَوۡحَيۡنَآ إِلَيۡكَ كَمَآ أَوۡحَيۡنَآ إِلَىٰ نُوحٖ وَٱلنَّبِيِّـۧنَ مِنۢ بَعۡدِهِۦۚ وَأَوۡحَيۡنَآ إِلَىٰٓ إِبۡرَٰهِيمَ وَإِسۡمَٰعِيلَ وَإِسۡحَٰقَ وَيَعۡقُوبَ وَٱلۡأَسۡبَاطِ وَعِيسَىٰ وَأَيُّوبَ وَيُونُسَ وَهَٰرُونَ وَسُلَيۡمَٰنَۚ وَءَاتَيۡنَا دَاوُۥدَ زَبُورٗا

    (হে রাসূল!) নিশ্চয় আমি তোমার নিকট ওহী প্রেরণ করেছিলাম, যেমন নূহ ও তার পরবর্তী নবীগণের প্রতি ওহী প্রেরণ করেছিলাম। আর আমি ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়া‘কূব ও তার বংশধরগণ, ‘ঈসা, আইউব, ইউনুস, হারূন ও সুলাইমানের নিকটও ওহী প্রেরণ করেছিলাম এবং দা্ঊদকে যাবূর প্রদান করেছিলাম।

  164. ১৬৪

    وَرُسُلٗا قَدۡ قَصَصۡنَٰهُمۡ عَلَيۡكَ مِن قَبۡلُ وَرُسُلٗا لَّمۡ نَقۡصُصۡهُمۡ عَلَيۡكَۚ وَكَلَّمَ ٱللَّهُ مُوسَىٰ تَكۡلِيمٗا

    আর অনেক রাসূলের বর্ণনা আমি তোমাকে ইতঃপূর্বে দিয়েছি এবং অনেক রাসূলের বর্ণনা আমি তোমাকে দেইনি। আর অবশ্যই আল্লাহ মূসার সাথে কথা বলেছেন।

  165. ১৬৫

    رُّسُلٗا مُّبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ لِئَلَّا يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَى ٱللَّهِ حُجَّةُۢ بَعۡدَ ٱلرُّسُلِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمٗا

    সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে আমি রাসূলদেরকে প্রেরণ করেছি, যাতে রাসূলগণ আসার পর আল্লাহর নিকট মানুষের কোনো অভিযোগ না থাকে। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

  166. ১৬৬

    لَّٰكِنِ ٱللَّهُ يَشۡهَدُ بِمَآ أَنزَلَ إِلَيۡكَۖ أَنزَلَهُۥ بِعِلۡمِهِۦۖ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ يَشۡهَدُونَۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًا

    কিন্তু আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, তিনি তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছেন, তা তিনি নিজ জ্ঞানসহই অবতীর্ণ করেছেন। আর ফেরেশতারাও সাক্ষ্য দিচ্ছেন। আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

  167. ১৬৭

    إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَصَدُّواْ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ قَدۡ ضَلُّواْ ضَلَٰلَۢا بَعِيدًا

    নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে বাঁধা দিয়েছে, তারা অবশ্যই সত্য থেকে অনেক দূরে পথভ্রষ্ট হয়েছে।

  168. ১৬৮

    إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ وَظَلَمُواْ لَمۡ يَكُنِ ٱللَّهُ لِيَغۡفِرَ لَهُمۡ وَلَا لِيَهۡدِيَهُمۡ طَرِيقًا

    নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে ও যুলম করেছে, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন না এবং তাদেরকে কোনো পথও দেখাবেন না ।

  169. ১৬৯

    إِلَّا طَرِيقَ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدٗاۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٗا

    জাহান্নামের পথ ছাড়া(১); সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে এবং এটা আল্লাহর পক্ষে খুবই সহজ।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  170. ১৭০

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ قَدۡ جَآءَكُمُ ٱلرَّسُولُ بِٱلۡحَقِّ مِن رَّبِّكُمۡ فَـَٔامِنُواْ خَيۡرٗا لَّكُمۡۚ وَإِن تَكۡفُرُواْ فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمٗا

    হে মানবজাতি! অবশ্যই রাসূল তোমাদের রবের কাছ থেকে সত্য (দীন) নিয়ে এসেছে। সুতরাং তোমরা ঈমান আনো, এটাই হবে তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর যদি তোমরা কুফরী করো, তবে আসমানসমূহে ও জমিনে যা কিছু আছে তা সবই আল্লাহর। আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।

  171. ১৭১

    يَٰٓأَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ لَا تَغۡلُواْ فِي دِينِكُمۡ وَلَا تَقُولُواْ عَلَى ٱللَّهِ إِلَّا ٱلۡحَقَّۚ إِنَّمَا ٱلۡمَسِيحُ عِيسَى ٱبۡنُ مَرۡيَمَ رَسُولُ ٱللَّهِ وَكَلِمَتُهُۥٓ أَلۡقَىٰهَآ إِلَىٰ مَرۡيَمَ وَرُوحٞ مِّنۡهُۖ فَـَٔامِنُواْ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦۖ وَلَا تَقُولُواْ ثَلَٰثَةٌۚ ٱنتَهُواْ خَيۡرٗا لَّكُمۡۚ إِنَّمَا ٱللَّهُ إِلَٰهٞ وَٰحِدٞۖ سُبۡحَٰنَهُۥٓ أَن يَكُونَ لَهُۥ وَلَدٞۘ لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلٗا

    হে আহলে কিতাব! তোমরা তোমাদের দীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না এবং আল্লাহর ওপর (‘ঈসার ব্যাপারে) সত্য ব্যতীত অন্য কিছু বলো না। নিশ্চয় মারইয়াম-পুত্র ঈসা মসীহ আল্লাহর একজন রাসূল এবং তাঁর বাণী (‘কুন’-হয়ে যাও), যা তিনি মারইয়ামের কাছে পাঠিয়েছিলেন ও তাঁর পক্ষ থেকে একটি রূহ । সুতরাং তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলদের প্রতি ঈমান আনো এবং বলো না: ‘তিন!’ (ইলাহ)। তোমরা নিবৃত্ত হও। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তো এক ইলাহ। তাঁর সন্তান থাকবে- এমন বিষয় থেকে তিনি পবিত্র। আসমানসমূহে যা কিছু আছে ও জমিনে যা কিছু আছে, সব আল্লাহরই। আরতত্ত্বাবধায়ক ও পরিচালক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

  172. ১৭২

    لَّن يَسۡتَنكِفَ ٱلۡمَسِيحُ أَن يَكُونَ عَبۡدٗا لِّلَّهِ وَلَا ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ ٱلۡمُقَرَّبُونَۚ وَمَن يَسۡتَنكِفۡ عَنۡ عِبَادَتِهِۦ وَيَسۡتَكۡبِرۡ فَسَيَحۡشُرُهُمۡ إِلَيۡهِ جَمِيعٗا

    মসীহ কখনো আল্লাহর বান্দা হতে হেয় মনে করে না এবং ঘনিষ্ঠ ফিরিশতাগণও করে না।(১) আর যারা তাঁর ইবাদাতকে হেয় জ্ঞান করে এবং অহংকার করে, তবে তিনি অচিরেই তাদের সবাইকে তাঁর কাছে একত্র করবেন(২)।

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

  173. ১৭৩

    فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَيُوَفِّيهِمۡ أُجُورَهُمۡ وَيَزِيدُهُم مِّن فَضۡلِهِۦۖ وَأَمَّا ٱلَّذِينَ ٱسۡتَنكَفُواْ وَٱسۡتَكۡبَرُواْ فَيُعَذِّبُهُمۡ عَذَابًا أَلِيمٗا وَلَا يَجِدُونَ لَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ وَلِيّٗا وَلَا نَصِيرٗا

    পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তিনি তাদেরকে তাদের পুরস্কার পরিপূর্ণ দিবেন এবং তাঁর দয়া ও করুণায় তাদের সাওয়াব আরো বাড়িয়ে দিবেন। আর যারা হেয় জ্ঞান করেছে এবং অহংকার করেছে, তিনি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিবেন এবং তারা তাদের জন্য আল্লাহ ছাড়া কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না।

  174. ১৭৪

    يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ قَدۡ جَآءَكُم بُرۡهَٰنٞ مِّن رَّبِّكُمۡ وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكُمۡ نُورٗا مُّبِينٗا

    হে মানুষেরা! তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে একটি সুস্পষ্ট প্রমাণ (মুহাম্মাদ) এসেছে, আর আমি তোমাদের কাছে এক সুস্পষ্ট আলো (আল-কুরআন) নাযিল করেছি।

  175. ১৭৫

    فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ بِٱللَّهِ وَٱعۡتَصَمُواْ بِهِۦ فَسَيُدۡخِلُهُمۡ فِي رَحۡمَةٖ مِّنۡهُ وَفَضۡلٖ وَيَهۡدِيهِمۡ إِلَيۡهِ صِرَٰطٗا مُّسۡتَقِيمٗا

    সুতরাং যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরেছে, তাদেরকে তিনি অবশ্যই তাঁর দয়া ও অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করাবেন এবং তাদেরকে তিনি তাঁর দিকে আসার সরল-সঠিক পথে পরিচালিত করবেন।

  176. ১৭৬

    يَسۡتَفۡتُونَكَ قُلِ ٱللَّهُ يُفۡتِيكُمۡ فِي ٱلۡكَلَٰلَةِۚ إِنِ ٱمۡرُؤٌاْ هَلَكَ لَيۡسَ لَهُۥ وَلَدٞ وَلَهُۥٓ أُخۡتٞ فَلَهَا نِصۡفُ مَا تَرَكَۚ وَهُوَ يَرِثُهَآ إِن لَّمۡ يَكُن لَّهَا وَلَدٞۚ فَإِن كَانَتَا ٱثۡنَتَيۡنِ فَلَهُمَا ٱلثُّلُثَانِ مِمَّا تَرَكَۚ وَإِن كَانُوٓاْ إِخۡوَةٗ رِّجَالٗا وَنِسَآءٗ فَلِلذَّكَرِ مِثۡلُ حَظِّ ٱلۡأُنثَيَيۡنِۗ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمۡ أَن تَضِلُّواْۗ وَٱللَّهُ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمُۢ

    তারা তোমার কাছে সমাধান চায়। বল: ‘আল্লাহ তোমাদেরকে সমাধান দিচ্ছেন ‘কালালা’ (১) সম্পর্কে। কোন পুরুষ যদি মারা যায়, সে যদি সন্তানহীন হয় এবং তার এক বোন থাকে, তবে তার বোনের জন্য তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক। আর সে মহিলা যদি সন্তানহীনা হয়, তবে তার ভাই তার উত্তরাধিকারী হবে। কিন্তু যদি দুই বোন থাকে, তবে তাদের জন্য তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির তিন ভাগের দু’ভাগ। আর যদি ভাই-বোন উভয়ে থাকে, তবে এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান। আল্লাহ তোমাদেরকে সুস্পষ্ট বিধান দিচ্ছেন, যাতে তোমরা পথভ্রষ্ট না হও। আর আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে সবিশেষ অবগত।’

    আয়াতটির পাতা

    টীকা আসছে…

    টীকা আনা গেল না। আয়াতের পাতা খুলে দেখুন। আয়াতটির পাতা

অনুবাদ: রাওয়াদ ট্রান্সলেশন সেন্টার. উৎস: QuranEnc.com, সর্বশেষ মিলিয়ে দেখা: ২৬ অক্টোবর ২০২৬.

আরবি পাঠ: বাদশাহ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স. সূরার তথ্য: Tanzil.net (CC BY 3.0).

এটি কুরআনের অর্থের অনুবাদ। মানুষের যেকোনো কাজের মতো এতে ভুল থাকতে পারে।